৬০ লাখ নেওয়ার পর আরও ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, যুবদল নেতা গ্রেপ্তার

৬০ লাখ নেওয়ার পর আরও ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, যুবদল নেতা গ্রেপ্তার
দিনাজপুর সংবাদদাতা

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে প্রতারণার মাধ্যমে ৬০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে উজ্জ্বল মিয়া (৪১) নামের যুবদলের এক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার (২ নভেম্বর) দিবাগত রাত ২টার দিকে ঘোড়াঘাট পৌর শহর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদ হাসান।
গ্রেপ্তার উজ্জ্বল মিয়া ঘোড়াঘাট উপজেলার ওসমানপুর ছয়ঘট্টি গ্রামের মৃত ইউনুস আলীর ছেলে। তিনি যুবদলের ঘোড়াঘাট উপজেলা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক।
মামলার বাদী রিফাত উপজেলার ৩ নম্বর ইউনিয়নের কাশিয়াতলা শীতল গ্রামের বাসিন্দা।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ঘোড়াঘাটের সাগরপুর মৌজায় ৫৭ শতক জমি কেনার জন্য উজ্জ্বল মিয়া ২২ লাখ ৮০ হাজার টাকা মূল্য নির্ধারণ করেন। এর মধ্যে ১০ লাখ ৮০ হাজার টাকা পরিশোধ করে বাকি ১২ লাখ টাকা বকেয়া রাখেন।
এতে বলা হয়েছে, পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন দফায় ব্যাংকের মাধ্যমে আরও ৪৮ লাখ টাকা লেনদেন হয়। সব মিলিয়ে ৬০ লাখ টাকা পাওনার বিষয়টি স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতিতে স্বীকার করেন উজ্জ্বল মিয়া। এ সময় সাত লাখ টাকা পরিশোধ করে বাকি ৫৩ লাখ টাকা দেওয়ার অঙ্গীকার করেন তিনি। এ বিষয়ে ১০০ টাকা মূল্যমানের নয়টি নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে লিখিত অঙ্গীকারনামাও সম্পাদন করা হয়।
মামলার বাদী রিফাত বলেন, পরবর্তী সময়ে উজ্জ্বল মিয়া আমার কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে একপর্যায়ে পাঁচ লাখ টাকা আদায় করেন। এ ছাড়া বাদীর ব্যবহৃত মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে প্রায় ২০ হাজার টাকার ক্ষতিসাধন করেন তিনি।
যুবদলের দিনাজপুর জেলা শাখার আহ্বায়ক এ কে এম মাসুদুল ইসলাম বলেন, দলীয় পরিচয়ে কেউ অপরাধ করলে তাকে অবশ্যই সাজার আওতায় আসতে হবে। তবে আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখবো। উজ্জ্বল মিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদ হাসান বলেন, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। গত ৩ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়েছে। গ্রেপ্তার আসামিকে দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে প্রতারণার মাধ্যমে ৬০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে উজ্জ্বল মিয়া (৪১) নামের যুবদলের এক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার (২ নভেম্বর) দিবাগত রাত ২টার দিকে ঘোড়াঘাট পৌর শহর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদ হাসান।
গ্রেপ্তার উজ্জ্বল মিয়া ঘোড়াঘাট উপজেলার ওসমানপুর ছয়ঘট্টি গ্রামের মৃত ইউনুস আলীর ছেলে। তিনি যুবদলের ঘোড়াঘাট উপজেলা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক।
মামলার বাদী রিফাত উপজেলার ৩ নম্বর ইউনিয়নের কাশিয়াতলা শীতল গ্রামের বাসিন্দা।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ঘোড়াঘাটের সাগরপুর মৌজায় ৫৭ শতক জমি কেনার জন্য উজ্জ্বল মিয়া ২২ লাখ ৮০ হাজার টাকা মূল্য নির্ধারণ করেন। এর মধ্যে ১০ লাখ ৮০ হাজার টাকা পরিশোধ করে বাকি ১২ লাখ টাকা বকেয়া রাখেন।
এতে বলা হয়েছে, পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন দফায় ব্যাংকের মাধ্যমে আরও ৪৮ লাখ টাকা লেনদেন হয়। সব মিলিয়ে ৬০ লাখ টাকা পাওনার বিষয়টি স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতিতে স্বীকার করেন উজ্জ্বল মিয়া। এ সময় সাত লাখ টাকা পরিশোধ করে বাকি ৫৩ লাখ টাকা দেওয়ার অঙ্গীকার করেন তিনি। এ বিষয়ে ১০০ টাকা মূল্যমানের নয়টি নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে লিখিত অঙ্গীকারনামাও সম্পাদন করা হয়।
মামলার বাদী রিফাত বলেন, পরবর্তী সময়ে উজ্জ্বল মিয়া আমার কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে একপর্যায়ে পাঁচ লাখ টাকা আদায় করেন। এ ছাড়া বাদীর ব্যবহৃত মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে প্রায় ২০ হাজার টাকার ক্ষতিসাধন করেন তিনি।
যুবদলের দিনাজপুর জেলা শাখার আহ্বায়ক এ কে এম মাসুদুল ইসলাম বলেন, দলীয় পরিচয়ে কেউ অপরাধ করলে তাকে অবশ্যই সাজার আওতায় আসতে হবে। তবে আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখবো। উজ্জ্বল মিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদ হাসান বলেন, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। গত ৩ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়েছে। গ্রেপ্তার আসামিকে দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

৬০ লাখ নেওয়ার পর আরও ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, যুবদল নেতা গ্রেপ্তার
দিনাজপুর সংবাদদাতা

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে প্রতারণার মাধ্যমে ৬০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে উজ্জ্বল মিয়া (৪১) নামের যুবদলের এক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার (২ নভেম্বর) দিবাগত রাত ২টার দিকে ঘোড়াঘাট পৌর শহর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদ হাসান।
গ্রেপ্তার উজ্জ্বল মিয়া ঘোড়াঘাট উপজেলার ওসমানপুর ছয়ঘট্টি গ্রামের মৃত ইউনুস আলীর ছেলে। তিনি যুবদলের ঘোড়াঘাট উপজেলা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক।
মামলার বাদী রিফাত উপজেলার ৩ নম্বর ইউনিয়নের কাশিয়াতলা শীতল গ্রামের বাসিন্দা।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ঘোড়াঘাটের সাগরপুর মৌজায় ৫৭ শতক জমি কেনার জন্য উজ্জ্বল মিয়া ২২ লাখ ৮০ হাজার টাকা মূল্য নির্ধারণ করেন। এর মধ্যে ১০ লাখ ৮০ হাজার টাকা পরিশোধ করে বাকি ১২ লাখ টাকা বকেয়া রাখেন।
এতে বলা হয়েছে, পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন দফায় ব্যাংকের মাধ্যমে আরও ৪৮ লাখ টাকা লেনদেন হয়। সব মিলিয়ে ৬০ লাখ টাকা পাওনার বিষয়টি স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতিতে স্বীকার করেন উজ্জ্বল মিয়া। এ সময় সাত লাখ টাকা পরিশোধ করে বাকি ৫৩ লাখ টাকা দেওয়ার অঙ্গীকার করেন তিনি। এ বিষয়ে ১০০ টাকা মূল্যমানের নয়টি নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে লিখিত অঙ্গীকারনামাও সম্পাদন করা হয়।
মামলার বাদী রিফাত বলেন, পরবর্তী সময়ে উজ্জ্বল মিয়া আমার কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে একপর্যায়ে পাঁচ লাখ টাকা আদায় করেন। এ ছাড়া বাদীর ব্যবহৃত মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে প্রায় ২০ হাজার টাকার ক্ষতিসাধন করেন তিনি।
যুবদলের দিনাজপুর জেলা শাখার আহ্বায়ক এ কে এম মাসুদুল ইসলাম বলেন, দলীয় পরিচয়ে কেউ অপরাধ করলে তাকে অবশ্যই সাজার আওতায় আসতে হবে। তবে আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখবো। উজ্জ্বল মিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদ হাসান বলেন, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। গত ৩ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়েছে। গ্রেপ্তার আসামিকে দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

যুবদল নেতা হত্যা মামলায় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা গ্রেপ্তার







