কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংয়ের ৫ ‘মূল হোতা’ গ্রেপ্তার

কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংয়ের ৫ ‘মূল হোতা’ গ্রেপ্তার
কুমিল্লা সংবাদদাতা

কুমিল্লা বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের ৭ম শ্রেণির ছাত্র অপ্রতিম হত্যার পর থেকেই জেলায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান জোরদার করেছে পুলিশ। এরই অংশ হিসেবে এবার ৩টি কিশোর গ্যাংয়ের ৫ জন মূল হোতাকে আটক করেছে তারা। রবিবার (৪ অক্টোবর) মধ্যরাত থেকে সোমবার (৫ অক্টোবর) সকাল পর্যন্ত কোতোয়ালি, চৌদ্দগ্রাম ও মনোহরগঞ্জ থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
অভিযানে কোতোয়ালি থানা এলাকার ‘স্ম্যাশ স্কোয়াড’ গ্যাংয়ের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা হলেন- তেলিকোনা গোবিন্দ পুকুরপাড় এলাকার জিসান (১৯) এবং আড়াইওড়া সমিতিপাড়া এলাকার সাইফুল ইসলাম (২০)।
চৌদ্দগ্রাম থানা এলাকার ‘১২০৭’ গ্যাংয়ের গ্রেপ্তার দুই সদস্য হলেন- নলিশ্বর খিরনশাল এলাকার মো. তারেক হোসেন সৈকত (১৯) এবং কোমারডোগা মধ্যমপাড়া এলাকার মো. জাফর আহমদ (২৩)।
আর মনোহরগঞ্জ থানা এলাকার ‘পিএক্স ১০’ গ্যাংয়ের সদস্য পোমগাঁও মধ্যপাড়া এলাকার মো. শাকিবকে (১৭) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা বিভিন্ন এলাকায় চাঁদাবাজি, মারামারি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
সোমবার দুপুরে কুমিল্লা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মো. লুৎফর রহমান জানান, কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য নিয়ন্ত্রণ, অপরাধ দমন ও জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এসব অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং সমাজকে অপরাধমুক্ত রাখতে কিশোর গ্যাংসহ অন্যান্য অপরাধীর বিরুদ্ধে জেলা পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি। অপরাধ দমনে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ সেপ্টেম্বর কিশোর অপ্রতিম শাহরিয়ার হত্যাকাণ্ডের পর কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান জোরদার করা হয়। এসব অভিযানে মোট ২ হাজার ৩৪৬ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ১ হাজার ৪০৯ জনকে অভিভাবকের জিম্মায় মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। আর ৬৩৩ জনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

কুমিল্লা বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের ৭ম শ্রেণির ছাত্র অপ্রতিম হত্যার পর থেকেই জেলায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান জোরদার করেছে পুলিশ। এরই অংশ হিসেবে এবার ৩টি কিশোর গ্যাংয়ের ৫ জন মূল হোতাকে আটক করেছে তারা। রবিবার (৪ অক্টোবর) মধ্যরাত থেকে সোমবার (৫ অক্টোবর) সকাল পর্যন্ত কোতোয়ালি, চৌদ্দগ্রাম ও মনোহরগঞ্জ থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
অভিযানে কোতোয়ালি থানা এলাকার ‘স্ম্যাশ স্কোয়াড’ গ্যাংয়ের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা হলেন- তেলিকোনা গোবিন্দ পুকুরপাড় এলাকার জিসান (১৯) এবং আড়াইওড়া সমিতিপাড়া এলাকার সাইফুল ইসলাম (২০)।
চৌদ্দগ্রাম থানা এলাকার ‘১২০৭’ গ্যাংয়ের গ্রেপ্তার দুই সদস্য হলেন- নলিশ্বর খিরনশাল এলাকার মো. তারেক হোসেন সৈকত (১৯) এবং কোমারডোগা মধ্যমপাড়া এলাকার মো. জাফর আহমদ (২৩)।
আর মনোহরগঞ্জ থানা এলাকার ‘পিএক্স ১০’ গ্যাংয়ের সদস্য পোমগাঁও মধ্যপাড়া এলাকার মো. শাকিবকে (১৭) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা বিভিন্ন এলাকায় চাঁদাবাজি, মারামারি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
সোমবার দুপুরে কুমিল্লা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মো. লুৎফর রহমান জানান, কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য নিয়ন্ত্রণ, অপরাধ দমন ও জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এসব অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং সমাজকে অপরাধমুক্ত রাখতে কিশোর গ্যাংসহ অন্যান্য অপরাধীর বিরুদ্ধে জেলা পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি। অপরাধ দমনে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ সেপ্টেম্বর কিশোর অপ্রতিম শাহরিয়ার হত্যাকাণ্ডের পর কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান জোরদার করা হয়। এসব অভিযানে মোট ২ হাজার ৩৪৬ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ১ হাজার ৪০৯ জনকে অভিভাবকের জিম্মায় মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। আর ৬৩৩ জনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংয়ের ৫ ‘মূল হোতা’ গ্রেপ্তার
কুমিল্লা সংবাদদাতা

কুমিল্লা বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের ৭ম শ্রেণির ছাত্র অপ্রতিম হত্যার পর থেকেই জেলায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান জোরদার করেছে পুলিশ। এরই অংশ হিসেবে এবার ৩টি কিশোর গ্যাংয়ের ৫ জন মূল হোতাকে আটক করেছে তারা। রবিবার (৪ অক্টোবর) মধ্যরাত থেকে সোমবার (৫ অক্টোবর) সকাল পর্যন্ত কোতোয়ালি, চৌদ্দগ্রাম ও মনোহরগঞ্জ থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
অভিযানে কোতোয়ালি থানা এলাকার ‘স্ম্যাশ স্কোয়াড’ গ্যাংয়ের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা হলেন- তেলিকোনা গোবিন্দ পুকুরপাড় এলাকার জিসান (১৯) এবং আড়াইওড়া সমিতিপাড়া এলাকার সাইফুল ইসলাম (২০)।
চৌদ্দগ্রাম থানা এলাকার ‘১২০৭’ গ্যাংয়ের গ্রেপ্তার দুই সদস্য হলেন- নলিশ্বর খিরনশাল এলাকার মো. তারেক হোসেন সৈকত (১৯) এবং কোমারডোগা মধ্যমপাড়া এলাকার মো. জাফর আহমদ (২৩)।
আর মনোহরগঞ্জ থানা এলাকার ‘পিএক্স ১০’ গ্যাংয়ের সদস্য পোমগাঁও মধ্যপাড়া এলাকার মো. শাকিবকে (১৭) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা বিভিন্ন এলাকায় চাঁদাবাজি, মারামারি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
সোমবার দুপুরে কুমিল্লা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মো. লুৎফর রহমান জানান, কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য নিয়ন্ত্রণ, অপরাধ দমন ও জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এসব অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং সমাজকে অপরাধমুক্ত রাখতে কিশোর গ্যাংসহ অন্যান্য অপরাধীর বিরুদ্ধে জেলা পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি। অপরাধ দমনে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ সেপ্টেম্বর কিশোর অপ্রতিম শাহরিয়ার হত্যাকাণ্ডের পর কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান জোরদার করা হয়। এসব অভিযানে মোট ২ হাজার ৩৪৬ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ১ হাজার ৪০৯ জনকে অভিভাবকের জিম্মায় মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। আর ৬৩৩ জনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

কুমিল্লায় আবারও কিশোর গ্যাংবিরোধী বিশেষ অভিযান, আটক ৩৭৯
কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে অভিযানে তদবির করলে নাম প্রকাশ করে দেবো: কুমিল্লার এসপি







