প্রত্যন্ত অঞ্চলে বায়োগ্যাস প্লান্ট ছড়িয়ে দেওয়া হবে: আমিনুল হক

প্রত্যন্ত অঞ্চলে বায়োগ্যাস প্লান্ট ছড়িয়ে দেওয়া হবে: আমিনুল হক
কক্সবাজার সংবাদদাতা

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেছেন, দেশের জ্বালানি সংকট কার্যকরভাবে মোকাবিলায় টেকসই বায়োগ্যাস প্রযুক্তি প্রান্তিক পর্যায় পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। আগামী দুই বছরের মধ্যে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত বায়োগ্যাস প্লান্ট ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে সরকার কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করছে।
বুধবার (২১ অক্টোবর) কক্সবাজারের লিংক রোড সংলগ্ন এলাকায় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় আয়োজিত বায়োগ্যাস প্লান্ট উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, বায়োগ্যাসের সুবিধা ও প্রত্যক্ষ উপকারিতা সাধারণ মানুষের কাছে সহজবোধ্য করতে একটি বুকলেট তৈরি করা হবে, যা মাঠ পর্যায়ে বিতরণ করে খামারিদের অনুপ্রাণিত করা হবে।
তিনি বলেন, তরুণ সমাজই দেশের প্রকৃত চালিকাশক্তি এবং তারাই আগামী দিনের নেতৃত্ব দিয়ে দেশের সার্বিক পরিবর্তন ও উন্নয়ন নিশ্চিত করবে। তাই বর্তমানে স্বল্প পরিসরে বাস্তবায়িত এ কার্যক্রমকে আগামীতে দেশব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়া হবে।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, যুগের চাহিদা বিবেচনায় যুব উন্নয়ন কেন্দ্রের ট্রেডগুলোকে আধুনিকায়ন করা হচ্ছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ফ্রিল্যান্সিং, কেয়ার গিভিং ও মোবাইল সার্ভিসিংয়ের মতো যুগোপযোগী খাতে প্রশিক্ষণ ও সহজ শর্তে ঋণ সহায়তার মাধ্যমে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হচ্ছে। গৃহস্থালি চাহিদা মিটিয়ে কীভাবে বাণিজ্যিকভাবে বায়োগ্যাস উৎপাদন ও সরবরাহ বাড়ানো যায়, সে পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে। যুব উন্নয়নের প্রতিটি সেবা দেশের প্রান্তিক মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।
উল্লেখ্য, অনুষ্ঠান থেকে বায়োগ্যাস প্লান্ট স্থাপনে উদ্বুদ্ধ করতে দুইজন খামারিকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা করে ঋণ প্রদান করা হয়।

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেছেন, দেশের জ্বালানি সংকট কার্যকরভাবে মোকাবিলায় টেকসই বায়োগ্যাস প্রযুক্তি প্রান্তিক পর্যায় পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। আগামী দুই বছরের মধ্যে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত বায়োগ্যাস প্লান্ট ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে সরকার কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করছে।
বুধবার (২১ অক্টোবর) কক্সবাজারের লিংক রোড সংলগ্ন এলাকায় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় আয়োজিত বায়োগ্যাস প্লান্ট উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, বায়োগ্যাসের সুবিধা ও প্রত্যক্ষ উপকারিতা সাধারণ মানুষের কাছে সহজবোধ্য করতে একটি বুকলেট তৈরি করা হবে, যা মাঠ পর্যায়ে বিতরণ করে খামারিদের অনুপ্রাণিত করা হবে।
তিনি বলেন, তরুণ সমাজই দেশের প্রকৃত চালিকাশক্তি এবং তারাই আগামী দিনের নেতৃত্ব দিয়ে দেশের সার্বিক পরিবর্তন ও উন্নয়ন নিশ্চিত করবে। তাই বর্তমানে স্বল্প পরিসরে বাস্তবায়িত এ কার্যক্রমকে আগামীতে দেশব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়া হবে।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, যুগের চাহিদা বিবেচনায় যুব উন্নয়ন কেন্দ্রের ট্রেডগুলোকে আধুনিকায়ন করা হচ্ছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ফ্রিল্যান্সিং, কেয়ার গিভিং ও মোবাইল সার্ভিসিংয়ের মতো যুগোপযোগী খাতে প্রশিক্ষণ ও সহজ শর্তে ঋণ সহায়তার মাধ্যমে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হচ্ছে। গৃহস্থালি চাহিদা মিটিয়ে কীভাবে বাণিজ্যিকভাবে বায়োগ্যাস উৎপাদন ও সরবরাহ বাড়ানো যায়, সে পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে। যুব উন্নয়নের প্রতিটি সেবা দেশের প্রান্তিক মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।
উল্লেখ্য, অনুষ্ঠান থেকে বায়োগ্যাস প্লান্ট স্থাপনে উদ্বুদ্ধ করতে দুইজন খামারিকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা করে ঋণ প্রদান করা হয়।

প্রত্যন্ত অঞ্চলে বায়োগ্যাস প্লান্ট ছড়িয়ে দেওয়া হবে: আমিনুল হক
কক্সবাজার সংবাদদাতা

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেছেন, দেশের জ্বালানি সংকট কার্যকরভাবে মোকাবিলায় টেকসই বায়োগ্যাস প্রযুক্তি প্রান্তিক পর্যায় পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। আগামী দুই বছরের মধ্যে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত বায়োগ্যাস প্লান্ট ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে সরকার কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করছে।
বুধবার (২১ অক্টোবর) কক্সবাজারের লিংক রোড সংলগ্ন এলাকায় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় আয়োজিত বায়োগ্যাস প্লান্ট উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, বায়োগ্যাসের সুবিধা ও প্রত্যক্ষ উপকারিতা সাধারণ মানুষের কাছে সহজবোধ্য করতে একটি বুকলেট তৈরি করা হবে, যা মাঠ পর্যায়ে বিতরণ করে খামারিদের অনুপ্রাণিত করা হবে।
তিনি বলেন, তরুণ সমাজই দেশের প্রকৃত চালিকাশক্তি এবং তারাই আগামী দিনের নেতৃত্ব দিয়ে দেশের সার্বিক পরিবর্তন ও উন্নয়ন নিশ্চিত করবে। তাই বর্তমানে স্বল্প পরিসরে বাস্তবায়িত এ কার্যক্রমকে আগামীতে দেশব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়া হবে।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, যুগের চাহিদা বিবেচনায় যুব উন্নয়ন কেন্দ্রের ট্রেডগুলোকে আধুনিকায়ন করা হচ্ছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ফ্রিল্যান্সিং, কেয়ার গিভিং ও মোবাইল সার্ভিসিংয়ের মতো যুগোপযোগী খাতে প্রশিক্ষণ ও সহজ শর্তে ঋণ সহায়তার মাধ্যমে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হচ্ছে। গৃহস্থালি চাহিদা মিটিয়ে কীভাবে বাণিজ্যিকভাবে বায়োগ্যাস উৎপাদন ও সরবরাহ বাড়ানো যায়, সে পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে। যুব উন্নয়নের প্রতিটি সেবা দেশের প্রান্তিক মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।
উল্লেখ্য, অনুষ্ঠান থেকে বায়োগ্যাস প্লান্ট স্থাপনে উদ্বুদ্ধ করতে দুইজন খামারিকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা করে ঋণ প্রদান করা হয়।

প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের পদত্যাগসহ ৫ দাবিতে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর ঘেরাও








