কক্সবাজারে অস্ত্রের মুখে ৫০-৬০ যানবাহনে লুট

কক্সবাজারে অস্ত্রের মুখে ৫০-৬০ যানবাহনে লুট
সিজেডএন ডেস্ক

কক্সবাজারের ঈদগাঁও-ঈদগড়-বাইশারী সড়কে দিনের বেলায় অস্ত্রের মুখে যাত্রীদের জিম্মি করে ব্যাপক লুটপাট চালিয়েছে মুখোশধারী একদল ডাকাত। সোমবার (২০ অক্টোবর) ঈদগাঁও ও রামু উপজেলার পাহাড়ি এলাকার হিমছড়ি ঢালায় দুই দফায় এ ঘটনা ঘটে। ডাকাতদের কবলে পড়ে অন্তত ৫০ থেকে ৬০টি যানবাহন। শতাধিক যাত্রীর কাছ থেকে টাকা, মুঠোফোন ও মূল্যবান জিনিসপত্র ছিনিয়ে নেওয়া হয়। এ ঘটনায় সন্ধ্যা পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ১০ থেকে ১২ জনের একটি সশস্ত্র দল সড়কে যানবাহনের গতিরোধ করে যাত্রীদের জিম্মি করে। পরে তাদের পাশের জঙ্গলে নিয়ে মারধর করে সর্বস্ব লুটে নেয় ডাকাতেরা। কয়েক ঘণ্টা ধরে এমন ঘটনা চললেও সেখানে পুলিশের টহল ছিল না বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগীদের কেউ কেউ।
ঈদগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ টি এম সিফাতুল মাজদার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, স্থানীয় কিছু দুর্বৃত্ত সড়কে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে যানবাহনে লুটপাট চালিয়ে জঙ্গলে আত্মগোপন করেছে। তাদের গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক দল অভিযান চালাচ্ছে। সড়কের গহিন বনাঞ্চলে টহলও জোরদার করা হয়েছে। তবে সন্ধ্যা পর্যন্ত কাউকে আটক করা যায়নি। মোট কতটি যানবাহনে লুটপাট হয়েছে, তা নিশ্চিত করতে পারেননি তিনি।
টাকা ও মুঠোফোন লুট, মারধরের শিকার যাত্রীরা
একটি বেসরকারি সংস্থার ঈদগড় শাখার ব্যবস্থাপক মো. রবিউল ইসলাম জানান, সোমবার দুপুর ১২টার দিকে তিনি এক সহকর্মীকে নিয়ে মোটরসাইকেলে ঈদগাঁও বাজার থেকে ঈদগড় যাচ্ছিলেন। তাদের সঙ্গে ছিল ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। হিমছড়ি ঢালায় পৌঁছালে মুখোশধারী ১০ থেকে ১২ জন অস্ত্রধারী তাদের পথ আটকায়।
পরে দুজনকে পাশের জঙ্গলে নিয়ে মারধর করে ডাকাতেরা। তাদের কাছ থেকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা, দুটি মুঠোফোন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছিনিয়ে নেওয়া হয়। কিছুক্ষণ পর তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়।
রবিউল ইসলামের দাবি, প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে ডাকাতেরা ৫০ থেকে ৬০টি অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলের শতাধিক যাত্রীকে জিম্মি করে লুটপাট চালায়। বেলা তিনটার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযান শুরু করলেও কাউকে আটক করতে পারেনি। ঘটনার সময় সড়কে পুলিশের টহল ছিল না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
আরেকটি বেসরকারি সংস্থার ঈদগড় শাখার হিসাবরক্ষক আবদুল হাকিম বলেন, তিনজন একটি অটোরিকশায় করে ঈদগাঁও বাজার থেকে ঈদগড় বাজারে যাচ্ছিলেন। পথে অস্ত্রধারীরা তাদের আটক করে জঙ্গলে নিয়ে যায়। সেখানে মারধরের পর ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও ব্যাংকের চেকবই ছিনিয়ে নেয়।
আবদুল হাকিম বলেন, এ সড়কে প্রায়ই লুটপাটের ঘটনা ঘটে। অপহরণের পর মুক্তিপণ আদায়ের ঘটনাও নিয়মিত ঘটছে। কিন্তু যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর ব্যবস্থা দেখা যাচ্ছে না।
চলন্ত অটোরিকশা থেকে লাফ দিয়ে রক্ষা
ডাকাতির শিকার ঈদগড়ের বাসিন্দা মোহাম্মদ তারেক জানান, সোমবার সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে পাঁচ যাত্রী নিয়ে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ঈদগাঁও থেকে ঈদগড় যাচ্ছিলেন তিনি। হিমছড়ি ঢালায় পৌঁছালে তাদের গাড়িটি ডাকাতদের কবলে পড়ে। এ সময় তাঁর মুঠোফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়। প্রাণ বাঁচাতে চলন্ত অটোরিকশা থেকে লাফ দিয়ে পালিয়ে যান তিনি।
ঘটনাস্থলে থাকা কয়েকজনের ভাষ্য, সোমবার সকাল আটটা ও দুপুর ১২টার দিকে দুই দফায় ডাকাতির ঘটনা ঘটে। দুই দফায় মোট প্রায় আড়াই ঘণ্টা ধরে লুটপাট চলে। এ সময় অন্তত ৫০ থেকে ৬০টি যানবাহনের যাত্রীরা ডাকাতদের কবলে পড়েন।
ঈদগাঁও–ঈদগড়–বাইশারী সড়কটি প্রায় ১৭ কিলোমিটার দীর্ঘ। পাহাড়ি ও বনাঞ্চলঘেরা এই সড়কে দিনের বেলায় এমন প্রকাশ্য লুটপাটের ঘটনায় যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

কক্সবাজারের ঈদগাঁও-ঈদগড়-বাইশারী সড়কে দিনের বেলায় অস্ত্রের মুখে যাত্রীদের জিম্মি করে ব্যাপক লুটপাট চালিয়েছে মুখোশধারী একদল ডাকাত। সোমবার (২০ অক্টোবর) ঈদগাঁও ও রামু উপজেলার পাহাড়ি এলাকার হিমছড়ি ঢালায় দুই দফায় এ ঘটনা ঘটে। ডাকাতদের কবলে পড়ে অন্তত ৫০ থেকে ৬০টি যানবাহন। শতাধিক যাত্রীর কাছ থেকে টাকা, মুঠোফোন ও মূল্যবান জিনিসপত্র ছিনিয়ে নেওয়া হয়। এ ঘটনায় সন্ধ্যা পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ১০ থেকে ১২ জনের একটি সশস্ত্র দল সড়কে যানবাহনের গতিরোধ করে যাত্রীদের জিম্মি করে। পরে তাদের পাশের জঙ্গলে নিয়ে মারধর করে সর্বস্ব লুটে নেয় ডাকাতেরা। কয়েক ঘণ্টা ধরে এমন ঘটনা চললেও সেখানে পুলিশের টহল ছিল না বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগীদের কেউ কেউ।
ঈদগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ টি এম সিফাতুল মাজদার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, স্থানীয় কিছু দুর্বৃত্ত সড়কে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে যানবাহনে লুটপাট চালিয়ে জঙ্গলে আত্মগোপন করেছে। তাদের গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক দল অভিযান চালাচ্ছে। সড়কের গহিন বনাঞ্চলে টহলও জোরদার করা হয়েছে। তবে সন্ধ্যা পর্যন্ত কাউকে আটক করা যায়নি। মোট কতটি যানবাহনে লুটপাট হয়েছে, তা নিশ্চিত করতে পারেননি তিনি।
টাকা ও মুঠোফোন লুট, মারধরের শিকার যাত্রীরা
একটি বেসরকারি সংস্থার ঈদগড় শাখার ব্যবস্থাপক মো. রবিউল ইসলাম জানান, সোমবার দুপুর ১২টার দিকে তিনি এক সহকর্মীকে নিয়ে মোটরসাইকেলে ঈদগাঁও বাজার থেকে ঈদগড় যাচ্ছিলেন। তাদের সঙ্গে ছিল ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। হিমছড়ি ঢালায় পৌঁছালে মুখোশধারী ১০ থেকে ১২ জন অস্ত্রধারী তাদের পথ আটকায়।
পরে দুজনকে পাশের জঙ্গলে নিয়ে মারধর করে ডাকাতেরা। তাদের কাছ থেকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা, দুটি মুঠোফোন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছিনিয়ে নেওয়া হয়। কিছুক্ষণ পর তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়।
রবিউল ইসলামের দাবি, প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে ডাকাতেরা ৫০ থেকে ৬০টি অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলের শতাধিক যাত্রীকে জিম্মি করে লুটপাট চালায়। বেলা তিনটার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযান শুরু করলেও কাউকে আটক করতে পারেনি। ঘটনার সময় সড়কে পুলিশের টহল ছিল না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
আরেকটি বেসরকারি সংস্থার ঈদগড় শাখার হিসাবরক্ষক আবদুল হাকিম বলেন, তিনজন একটি অটোরিকশায় করে ঈদগাঁও বাজার থেকে ঈদগড় বাজারে যাচ্ছিলেন। পথে অস্ত্রধারীরা তাদের আটক করে জঙ্গলে নিয়ে যায়। সেখানে মারধরের পর ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও ব্যাংকের চেকবই ছিনিয়ে নেয়।
আবদুল হাকিম বলেন, এ সড়কে প্রায়ই লুটপাটের ঘটনা ঘটে। অপহরণের পর মুক্তিপণ আদায়ের ঘটনাও নিয়মিত ঘটছে। কিন্তু যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর ব্যবস্থা দেখা যাচ্ছে না।
চলন্ত অটোরিকশা থেকে লাফ দিয়ে রক্ষা
ডাকাতির শিকার ঈদগড়ের বাসিন্দা মোহাম্মদ তারেক জানান, সোমবার সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে পাঁচ যাত্রী নিয়ে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ঈদগাঁও থেকে ঈদগড় যাচ্ছিলেন তিনি। হিমছড়ি ঢালায় পৌঁছালে তাদের গাড়িটি ডাকাতদের কবলে পড়ে। এ সময় তাঁর মুঠোফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়। প্রাণ বাঁচাতে চলন্ত অটোরিকশা থেকে লাফ দিয়ে পালিয়ে যান তিনি।
ঘটনাস্থলে থাকা কয়েকজনের ভাষ্য, সোমবার সকাল আটটা ও দুপুর ১২টার দিকে দুই দফায় ডাকাতির ঘটনা ঘটে। দুই দফায় মোট প্রায় আড়াই ঘণ্টা ধরে লুটপাট চলে। এ সময় অন্তত ৫০ থেকে ৬০টি যানবাহনের যাত্রীরা ডাকাতদের কবলে পড়েন।
ঈদগাঁও–ঈদগড়–বাইশারী সড়কটি প্রায় ১৭ কিলোমিটার দীর্ঘ। পাহাড়ি ও বনাঞ্চলঘেরা এই সড়কে দিনের বেলায় এমন প্রকাশ্য লুটপাটের ঘটনায় যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

কক্সবাজারে অস্ত্রের মুখে ৫০-৬০ যানবাহনে লুট
সিজেডএন ডেস্ক

কক্সবাজারের ঈদগাঁও-ঈদগড়-বাইশারী সড়কে দিনের বেলায় অস্ত্রের মুখে যাত্রীদের জিম্মি করে ব্যাপক লুটপাট চালিয়েছে মুখোশধারী একদল ডাকাত। সোমবার (২০ অক্টোবর) ঈদগাঁও ও রামু উপজেলার পাহাড়ি এলাকার হিমছড়ি ঢালায় দুই দফায় এ ঘটনা ঘটে। ডাকাতদের কবলে পড়ে অন্তত ৫০ থেকে ৬০টি যানবাহন। শতাধিক যাত্রীর কাছ থেকে টাকা, মুঠোফোন ও মূল্যবান জিনিসপত্র ছিনিয়ে নেওয়া হয়। এ ঘটনায় সন্ধ্যা পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ১০ থেকে ১২ জনের একটি সশস্ত্র দল সড়কে যানবাহনের গতিরোধ করে যাত্রীদের জিম্মি করে। পরে তাদের পাশের জঙ্গলে নিয়ে মারধর করে সর্বস্ব লুটে নেয় ডাকাতেরা। কয়েক ঘণ্টা ধরে এমন ঘটনা চললেও সেখানে পুলিশের টহল ছিল না বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগীদের কেউ কেউ।
ঈদগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ টি এম সিফাতুল মাজদার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, স্থানীয় কিছু দুর্বৃত্ত সড়কে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে যানবাহনে লুটপাট চালিয়ে জঙ্গলে আত্মগোপন করেছে। তাদের গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক দল অভিযান চালাচ্ছে। সড়কের গহিন বনাঞ্চলে টহলও জোরদার করা হয়েছে। তবে সন্ধ্যা পর্যন্ত কাউকে আটক করা যায়নি। মোট কতটি যানবাহনে লুটপাট হয়েছে, তা নিশ্চিত করতে পারেননি তিনি।
টাকা ও মুঠোফোন লুট, মারধরের শিকার যাত্রীরা
একটি বেসরকারি সংস্থার ঈদগড় শাখার ব্যবস্থাপক মো. রবিউল ইসলাম জানান, সোমবার দুপুর ১২টার দিকে তিনি এক সহকর্মীকে নিয়ে মোটরসাইকেলে ঈদগাঁও বাজার থেকে ঈদগড় যাচ্ছিলেন। তাদের সঙ্গে ছিল ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। হিমছড়ি ঢালায় পৌঁছালে মুখোশধারী ১০ থেকে ১২ জন অস্ত্রধারী তাদের পথ আটকায়।
পরে দুজনকে পাশের জঙ্গলে নিয়ে মারধর করে ডাকাতেরা। তাদের কাছ থেকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা, দুটি মুঠোফোন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছিনিয়ে নেওয়া হয়। কিছুক্ষণ পর তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়।
রবিউল ইসলামের দাবি, প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে ডাকাতেরা ৫০ থেকে ৬০টি অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলের শতাধিক যাত্রীকে জিম্মি করে লুটপাট চালায়। বেলা তিনটার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযান শুরু করলেও কাউকে আটক করতে পারেনি। ঘটনার সময় সড়কে পুলিশের টহল ছিল না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
আরেকটি বেসরকারি সংস্থার ঈদগড় শাখার হিসাবরক্ষক আবদুল হাকিম বলেন, তিনজন একটি অটোরিকশায় করে ঈদগাঁও বাজার থেকে ঈদগড় বাজারে যাচ্ছিলেন। পথে অস্ত্রধারীরা তাদের আটক করে জঙ্গলে নিয়ে যায়। সেখানে মারধরের পর ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও ব্যাংকের চেকবই ছিনিয়ে নেয়।
আবদুল হাকিম বলেন, এ সড়কে প্রায়ই লুটপাটের ঘটনা ঘটে। অপহরণের পর মুক্তিপণ আদায়ের ঘটনাও নিয়মিত ঘটছে। কিন্তু যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর ব্যবস্থা দেখা যাচ্ছে না।
চলন্ত অটোরিকশা থেকে লাফ দিয়ে রক্ষা
ডাকাতির শিকার ঈদগড়ের বাসিন্দা মোহাম্মদ তারেক জানান, সোমবার সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে পাঁচ যাত্রী নিয়ে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ঈদগাঁও থেকে ঈদগড় যাচ্ছিলেন তিনি। হিমছড়ি ঢালায় পৌঁছালে তাদের গাড়িটি ডাকাতদের কবলে পড়ে। এ সময় তাঁর মুঠোফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়। প্রাণ বাঁচাতে চলন্ত অটোরিকশা থেকে লাফ দিয়ে পালিয়ে যান তিনি।
ঘটনাস্থলে থাকা কয়েকজনের ভাষ্য, সোমবার সকাল আটটা ও দুপুর ১২টার দিকে দুই দফায় ডাকাতির ঘটনা ঘটে। দুই দফায় মোট প্রায় আড়াই ঘণ্টা ধরে লুটপাট চলে। এ সময় অন্তত ৫০ থেকে ৬০টি যানবাহনের যাত্রীরা ডাকাতদের কবলে পড়েন।
ঈদগাঁও–ঈদগড়–বাইশারী সড়কটি প্রায় ১৭ কিলোমিটার দীর্ঘ। পাহাড়ি ও বনাঞ্চলঘেরা এই সড়কে দিনের বেলায় এমন প্রকাশ্য লুটপাটের ঘটনায় যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।








