পোষা বিড়ালকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ, মরদেহ নিয়ে থানায় মালিক

পোষা বিড়ালকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ, মরদেহ নিয়ে থানায় মালিক
কক্সবাজার প্রতিনিধি

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলায় এক নারীর বিরুদ্ধে একটি পোষা বিড়ালকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বিচার চেয়ে বিড়ালের মরদেহ খাঁচায় ভরে থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বিড়ালটির মালিক শামশুল আলম (৫৪)। সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে মৃত বিড়ালটি খাঁচায় ভরে চকরিয়া থানায় যান তিনি।
পোষা বিড়ালটির মালিক শামশুল আলম চকরিয়া পৌরসভার কাজীরপাড়া এলাকার বাসিন্দা। অভিযুক্ত ওই নারীর নাম ফিরোজা বেগম। তিনি শামশুল আলমের প্রতিবেশী।
থানায় দেওয়া লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, শামশুল আলমের দুটি পোষা বিড়াল রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে সেগুলোকে যত্নে লালন-পালন করছেন তিনি। সোমবার সকালে বাড়ির পেছনে ছাগল বেঁধে দিতে গেলে বিড়ালটিও তার সঙ্গে যায়। এ সময় প্রতিবেশী ফরিজা বেগমের পোষা কুকুরটি বিড়ালটিকে কামড়াতে চেষ্টা করলে শামসুল আলম কুকুরটিকে সরিয়ে দেন। এর জেরে ক্ষিপ্ত হয়ে ফরিজা বেগম লাঠি দিয়ে বিড়ালটিকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে হত্যা করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
শামসুল আলম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘এই বিড়াল আমার সন্তানের মতো। অনেক আদর-যত্নে লালন করেছি। কোনো অপরাধ ছাড়াই ওকে এভাবে নিষ্ঠুরভাবে পিটিয়ে মেরে ফেলা হলো, যা আমি কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছি না। আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই, যাতে আর কেউ কোনো অবলা প্রাণীর প্রতি এমন আচরণ করার সাহস না দেখায়।’
অভিযোগের বিষয়ে জানতে ফিরোজা বেগমের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও, তার ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।
এ বিষয়ে চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান বলেন, প্রাণী হত্যা আইনগত অপরাধ। শামশুল আলমের অভিযোগটি খতিয়ে দেখে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলায় এক নারীর বিরুদ্ধে একটি পোষা বিড়ালকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বিচার চেয়ে বিড়ালের মরদেহ খাঁচায় ভরে থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বিড়ালটির মালিক শামশুল আলম (৫৪)। সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে মৃত বিড়ালটি খাঁচায় ভরে চকরিয়া থানায় যান তিনি।
পোষা বিড়ালটির মালিক শামশুল আলম চকরিয়া পৌরসভার কাজীরপাড়া এলাকার বাসিন্দা। অভিযুক্ত ওই নারীর নাম ফিরোজা বেগম। তিনি শামশুল আলমের প্রতিবেশী।
থানায় দেওয়া লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, শামশুল আলমের দুটি পোষা বিড়াল রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে সেগুলোকে যত্নে লালন-পালন করছেন তিনি। সোমবার সকালে বাড়ির পেছনে ছাগল বেঁধে দিতে গেলে বিড়ালটিও তার সঙ্গে যায়। এ সময় প্রতিবেশী ফরিজা বেগমের পোষা কুকুরটি বিড়ালটিকে কামড়াতে চেষ্টা করলে শামসুল আলম কুকুরটিকে সরিয়ে দেন। এর জেরে ক্ষিপ্ত হয়ে ফরিজা বেগম লাঠি দিয়ে বিড়ালটিকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে হত্যা করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
শামসুল আলম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘এই বিড়াল আমার সন্তানের মতো। অনেক আদর-যত্নে লালন করেছি। কোনো অপরাধ ছাড়াই ওকে এভাবে নিষ্ঠুরভাবে পিটিয়ে মেরে ফেলা হলো, যা আমি কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছি না। আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই, যাতে আর কেউ কোনো অবলা প্রাণীর প্রতি এমন আচরণ করার সাহস না দেখায়।’
অভিযোগের বিষয়ে জানতে ফিরোজা বেগমের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও, তার ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।
এ বিষয়ে চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান বলেন, প্রাণী হত্যা আইনগত অপরাধ। শামশুল আলমের অভিযোগটি খতিয়ে দেখে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

পোষা বিড়ালকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ, মরদেহ নিয়ে থানায় মালিক
কক্সবাজার প্রতিনিধি

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলায় এক নারীর বিরুদ্ধে একটি পোষা বিড়ালকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বিচার চেয়ে বিড়ালের মরদেহ খাঁচায় ভরে থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বিড়ালটির মালিক শামশুল আলম (৫৪)। সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে মৃত বিড়ালটি খাঁচায় ভরে চকরিয়া থানায় যান তিনি।
পোষা বিড়ালটির মালিক শামশুল আলম চকরিয়া পৌরসভার কাজীরপাড়া এলাকার বাসিন্দা। অভিযুক্ত ওই নারীর নাম ফিরোজা বেগম। তিনি শামশুল আলমের প্রতিবেশী।
থানায় দেওয়া লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, শামশুল আলমের দুটি পোষা বিড়াল রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে সেগুলোকে যত্নে লালন-পালন করছেন তিনি। সোমবার সকালে বাড়ির পেছনে ছাগল বেঁধে দিতে গেলে বিড়ালটিও তার সঙ্গে যায়। এ সময় প্রতিবেশী ফরিজা বেগমের পোষা কুকুরটি বিড়ালটিকে কামড়াতে চেষ্টা করলে শামসুল আলম কুকুরটিকে সরিয়ে দেন। এর জেরে ক্ষিপ্ত হয়ে ফরিজা বেগম লাঠি দিয়ে বিড়ালটিকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে হত্যা করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
শামসুল আলম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘এই বিড়াল আমার সন্তানের মতো। অনেক আদর-যত্নে লালন করেছি। কোনো অপরাধ ছাড়াই ওকে এভাবে নিষ্ঠুরভাবে পিটিয়ে মেরে ফেলা হলো, যা আমি কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছি না। আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই, যাতে আর কেউ কোনো অবলা প্রাণীর প্রতি এমন আচরণ করার সাহস না দেখায়।’
অভিযোগের বিষয়ে জানতে ফিরোজা বেগমের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও, তার ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।
এ বিষয়ে চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান বলেন, প্রাণী হত্যা আইনগত অপরাধ। শামশুল আলমের অভিযোগটি খতিয়ে দেখে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

কক্সবাজারে অস্ত্রের মুখে ৫০-৬০ যানবাহনে লুট







