বাবার মৃত্যুর পর জীবিকার তাগিদে পোশাক কারখানায় এসেছিলেন তৌফিক, ফিরলেন লাশ হয়ে

বাবার মৃত্যুর পর জীবিকার তাগিদে পোশাক কারখানায় এসেছিলেন তৌফিক, ফিরলেন লাশ হয়ে
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

গাজীপুরে তৈরি পোশাকশ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে চলমান আন্দোলনের ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে হামলার শিকার হওয়া তৌফিক মিয়া (২০) মারা গেছেন। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকালে ঢাকার গাজীপুরের বাংলাবাজার এলাকার সিং জিং জাপান হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত তৌফিক গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কোচাশহর ইউনিয়নের ছয়ঘরিয়া গ্রামের তবি খাঁর ছেলে। তিনি ছয়ঘরিয়া বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয় থেকে ২০২৩ সালে এসএসসি পাস করেন। বাবার মৃত্যুর পর জীবিকার তাগিদে গাজীপুরে পোশাক কারখানায় এসেছিলেন। স্থানীয় লায়লা স্টাইল গার্মেন্টসে চাকরি করতেন। গাজীপুরের বাংলাবাজার এলাকায় বসবাস করতেন।
মঙ্গলবার রাতে তৌফিকের লাশ গ্রামের বাড়ি গিয়ে পৌঁছেছে। গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহফুজ আলম এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে তৌফিকের লাশ গ্রামের বাড়ি এসে পৌঁছায়।
কোচাশহর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. জহুরুল হক বলেন, বুধবার সকাল সাড়ে ৯টায় ছয়ঘরিয়ে গ্রামে তৌফিকের জানাজা হবে। এরপর গ্রামের কবরস্থানে দাফন করা হবে।
স্বজনরা জানান, তৌফিক ছয়ঘরিয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন। বাবার মৃত্যুর পর জীবিকার তাগিদে তৌফিক এক বন্ধুর মাধ্যমে গাজীপুরের পোশাক কারখানায় চাকরি নেন। তিনি বাংলাবাজার এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন।
তৌফিক শেখের বড় ভাই হারুন মিয়া বলেন, গার্মেন্টস শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে গাজীপুরের বিভিন্ন স্থানে কয়েক দিন ধরে আন্দোলন চলছে। সোমবার আন্দোলন চলাকালে তৌফিক হামলার ঘটনার দৃশ্য মোবাইল ফোনে ভিডিও করার চেষ্টা করছিলেন। এ সময় হামলাকারীরা তার ওপর চড়াও হয় এবং তাকে বেধড়ক মারপিট করে। এতে সে গুরুতর আহত হয়। পরে শ্রমিকরা তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুরে মারা গেছে।
এ বিষয়ে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন বলেন, একজন শ্রমিক মারা গেছেন বলে শুনেছি। চলমান আন্দোলনের মধ্যে একটি কারখানা বন্ধ করার জন্য বহিরাগত লোকজন গিয়ে চাপ দেয়। কর্তৃপক্ষ কারখানা বন্ধ করতে রাজি হয়নি। এ সময় বহিরাগতদের সঙ্গে ওই কারখানার শ্রমিকদের সংঘর্ষ হয়। একপর্যায়ে গুরুতর আহত হন ওই শ্রমিক।
ঘটনার সময় সেখানে পুলিশের কোনো সদস্য ছিলেন না বলেও জানান তিনি।

গাজীপুরে তৈরি পোশাকশ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে চলমান আন্দোলনের ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে হামলার শিকার হওয়া তৌফিক মিয়া (২০) মারা গেছেন। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকালে ঢাকার গাজীপুরের বাংলাবাজার এলাকার সিং জিং জাপান হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত তৌফিক গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কোচাশহর ইউনিয়নের ছয়ঘরিয়া গ্রামের তবি খাঁর ছেলে। তিনি ছয়ঘরিয়া বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয় থেকে ২০২৩ সালে এসএসসি পাস করেন। বাবার মৃত্যুর পর জীবিকার তাগিদে গাজীপুরে পোশাক কারখানায় এসেছিলেন। স্থানীয় লায়লা স্টাইল গার্মেন্টসে চাকরি করতেন। গাজীপুরের বাংলাবাজার এলাকায় বসবাস করতেন।
মঙ্গলবার রাতে তৌফিকের লাশ গ্রামের বাড়ি গিয়ে পৌঁছেছে। গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহফুজ আলম এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে তৌফিকের লাশ গ্রামের বাড়ি এসে পৌঁছায়।
কোচাশহর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. জহুরুল হক বলেন, বুধবার সকাল সাড়ে ৯টায় ছয়ঘরিয়ে গ্রামে তৌফিকের জানাজা হবে। এরপর গ্রামের কবরস্থানে দাফন করা হবে।
স্বজনরা জানান, তৌফিক ছয়ঘরিয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন। বাবার মৃত্যুর পর জীবিকার তাগিদে তৌফিক এক বন্ধুর মাধ্যমে গাজীপুরের পোশাক কারখানায় চাকরি নেন। তিনি বাংলাবাজার এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন।
তৌফিক শেখের বড় ভাই হারুন মিয়া বলেন, গার্মেন্টস শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে গাজীপুরের বিভিন্ন স্থানে কয়েক দিন ধরে আন্দোলন চলছে। সোমবার আন্দোলন চলাকালে তৌফিক হামলার ঘটনার দৃশ্য মোবাইল ফোনে ভিডিও করার চেষ্টা করছিলেন। এ সময় হামলাকারীরা তার ওপর চড়াও হয় এবং তাকে বেধড়ক মারপিট করে। এতে সে গুরুতর আহত হয়। পরে শ্রমিকরা তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুরে মারা গেছে।
এ বিষয়ে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন বলেন, একজন শ্রমিক মারা গেছেন বলে শুনেছি। চলমান আন্দোলনের মধ্যে একটি কারখানা বন্ধ করার জন্য বহিরাগত লোকজন গিয়ে চাপ দেয়। কর্তৃপক্ষ কারখানা বন্ধ করতে রাজি হয়নি। এ সময় বহিরাগতদের সঙ্গে ওই কারখানার শ্রমিকদের সংঘর্ষ হয়। একপর্যায়ে গুরুতর আহত হন ওই শ্রমিক।
ঘটনার সময় সেখানে পুলিশের কোনো সদস্য ছিলেন না বলেও জানান তিনি।

বাবার মৃত্যুর পর জীবিকার তাগিদে পোশাক কারখানায় এসেছিলেন তৌফিক, ফিরলেন লাশ হয়ে
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

গাজীপুরে তৈরি পোশাকশ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে চলমান আন্দোলনের ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে হামলার শিকার হওয়া তৌফিক মিয়া (২০) মারা গেছেন। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকালে ঢাকার গাজীপুরের বাংলাবাজার এলাকার সিং জিং জাপান হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত তৌফিক গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কোচাশহর ইউনিয়নের ছয়ঘরিয়া গ্রামের তবি খাঁর ছেলে। তিনি ছয়ঘরিয়া বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয় থেকে ২০২৩ সালে এসএসসি পাস করেন। বাবার মৃত্যুর পর জীবিকার তাগিদে গাজীপুরে পোশাক কারখানায় এসেছিলেন। স্থানীয় লায়লা স্টাইল গার্মেন্টসে চাকরি করতেন। গাজীপুরের বাংলাবাজার এলাকায় বসবাস করতেন।
মঙ্গলবার রাতে তৌফিকের লাশ গ্রামের বাড়ি গিয়ে পৌঁছেছে। গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহফুজ আলম এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে তৌফিকের লাশ গ্রামের বাড়ি এসে পৌঁছায়।
কোচাশহর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. জহুরুল হক বলেন, বুধবার সকাল সাড়ে ৯টায় ছয়ঘরিয়ে গ্রামে তৌফিকের জানাজা হবে। এরপর গ্রামের কবরস্থানে দাফন করা হবে।
স্বজনরা জানান, তৌফিক ছয়ঘরিয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন। বাবার মৃত্যুর পর জীবিকার তাগিদে তৌফিক এক বন্ধুর মাধ্যমে গাজীপুরের পোশাক কারখানায় চাকরি নেন। তিনি বাংলাবাজার এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন।
তৌফিক শেখের বড় ভাই হারুন মিয়া বলেন, গার্মেন্টস শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে গাজীপুরের বিভিন্ন স্থানে কয়েক দিন ধরে আন্দোলন চলছে। সোমবার আন্দোলন চলাকালে তৌফিক হামলার ঘটনার দৃশ্য মোবাইল ফোনে ভিডিও করার চেষ্টা করছিলেন। এ সময় হামলাকারীরা তার ওপর চড়াও হয় এবং তাকে বেধড়ক মারপিট করে। এতে সে গুরুতর আহত হয়। পরে শ্রমিকরা তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুরে মারা গেছে।
এ বিষয়ে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন বলেন, একজন শ্রমিক মারা গেছেন বলে শুনেছি। চলমান আন্দোলনের মধ্যে একটি কারখানা বন্ধ করার জন্য বহিরাগত লোকজন গিয়ে চাপ দেয়। কর্তৃপক্ষ কারখানা বন্ধ করতে রাজি হয়নি। এ সময় বহিরাগতদের সঙ্গে ওই কারখানার শ্রমিকদের সংঘর্ষ হয়। একপর্যায়ে গুরুতর আহত হন ওই শ্রমিক।
ঘটনার সময় সেখানে পুলিশের কোনো সদস্য ছিলেন না বলেও জানান তিনি।

শ্রমিক আন্দোলনের ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে হামলার শিকার তৌফিকের মৃত্যু







