ফটিকছড়িতে ৪৮ ঘণ্টার হরতাল, অচল খাগড়াছড়ি-ঢাকা মহাসড়ক

ফটিকছড়িতে ৪৮ ঘণ্টার হরতাল, অচল খাগড়াছড়ি-ঢাকা মহাসড়ক
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা

চট্টগ্রামে সদ্য ঘোষিত ‘ফটিকছড়ি উত্তর’ উপজেলার সদর দপ্তর যৌক্তিক স্থানে স্থাপনের দাবিতে ফটিকছড়িতে টানা ৪৮ ঘণ্টার হরতাল পালিত হচ্ছে। রবিবার (২৬ জুলাই) ভোর ৬টা থেকে ‘ফটিকছড়ি উত্তর’ উপজেলা বাস্তবায়ন সমন্বয় পরিষদের ডাকে এই কর্মসূচি শুরু হয়। হরতালের কারণে খাগড়াছড়ি-ঢাকা আঞ্চলিক মহাসড়ক, মিরসরাই-ফটিকছড়ি এবং হেঁয়াকো-চট্টগ্রাম সড়কে সব ধরনের যানবাহন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে।
মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা বাস্তবায়ন কমিটির এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। উপজেলার দাঁতমারা ইউনিয়নের হেঁয়াকো বাজারের এই সংবাদ সম্মেলন হয়েছে। এতে লিখিত বক্তব্য দেন বাস্তবায়ন কমিটির অন্যতম সমন্বয়ক ও উপজেলার বাগমারা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান একরামুল হক।
লিখিত বক্তব্যে একরামুল হক বলেন, সদ্য ঘোষিত ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার সদর দপ্তর বাসিন্দাদের সবার জন্য সুবিধাজনক স্থানে করা হয়নি। এটি আগের ফটিকছড়ি উপজেলার নিকটবর্তী পশ্চিম ভূজপুর মৌজায় স্থাপনের গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। এতে উপজেলার উত্তর অংশের মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর হবে না। দাঁতমারা ইউনিয়ন ও নারায়ণহাট ইউনিয়নের মধ্যবর্তী যৌক্তিক স্থানে নতুন উপজেলার সদর দপ্তর স্থাপন করতে হবে।
একরামুল হক জানান, উপজেলার সদর দপ্তরের স্থান পরিবর্তনের দাবিতে বাগানবাজার, দাঁতমারা ও নারায়ণহাট ইউনিয়নের বাসিন্দারা আগামী রবিবার থেকে হরতাল পালন করবেন। তবে অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিসসহ জরুরি সেবার যানবাহন এই কর্মসূচির আওতার বাইরে থাকবে। দাবি আদায় না হলে হরতালের সময়সীমা বাড়বে।
১ জুলাই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস-সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) সভায় নতুন ‘ফটিকছড়ি উত্তর’ উপজেলার অনুমোদন দেওয়া হয়। সদর দপ্তরের স্থান নির্ধারণ করা হয় ভূজপুর থানা কার্যালয়-সংলগ্ন স্থানে। তবে আন্দোলনকারীদের দাবি, ১৫ কিলোমিটার দূরে উত্তরে দাঁতমারা ও নারায়ণহাট ইউনিয়নের মধ্যবর্তী স্থানে নতুন উপজেলা সদর দপ্তর স্থাপন করতে হবে।
আন্দোলনকারীরা বলেন, ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার সদর দপ্তর ভূজপুর থানা কার্যালয়ের পাশে স্থাপনের সিদ্ধান্ত যৌক্তিক নয়। এ সিদ্ধান্ত ভৌগোলিক বাস্তবতা ও সাধারণ মানুষের সুবিধার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। উত্তরাঞ্চলের প্রায় আড়াই লাখ মানুষের প্রশাসনিক সেবা নিশ্চিত করতে সদর দপ্তর যৌক্তিক জায়গায় স্থাপন করতে হবে।

চট্টগ্রামে সদ্য ঘোষিত ‘ফটিকছড়ি উত্তর’ উপজেলার সদর দপ্তর যৌক্তিক স্থানে স্থাপনের দাবিতে ফটিকছড়িতে টানা ৪৮ ঘণ্টার হরতাল পালিত হচ্ছে। রবিবার (২৬ জুলাই) ভোর ৬টা থেকে ‘ফটিকছড়ি উত্তর’ উপজেলা বাস্তবায়ন সমন্বয় পরিষদের ডাকে এই কর্মসূচি শুরু হয়। হরতালের কারণে খাগড়াছড়ি-ঢাকা আঞ্চলিক মহাসড়ক, মিরসরাই-ফটিকছড়ি এবং হেঁয়াকো-চট্টগ্রাম সড়কে সব ধরনের যানবাহন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে।
মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা বাস্তবায়ন কমিটির এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। উপজেলার দাঁতমারা ইউনিয়নের হেঁয়াকো বাজারের এই সংবাদ সম্মেলন হয়েছে। এতে লিখিত বক্তব্য দেন বাস্তবায়ন কমিটির অন্যতম সমন্বয়ক ও উপজেলার বাগমারা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান একরামুল হক।
লিখিত বক্তব্যে একরামুল হক বলেন, সদ্য ঘোষিত ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার সদর দপ্তর বাসিন্দাদের সবার জন্য সুবিধাজনক স্থানে করা হয়নি। এটি আগের ফটিকছড়ি উপজেলার নিকটবর্তী পশ্চিম ভূজপুর মৌজায় স্থাপনের গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। এতে উপজেলার উত্তর অংশের মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর হবে না। দাঁতমারা ইউনিয়ন ও নারায়ণহাট ইউনিয়নের মধ্যবর্তী যৌক্তিক স্থানে নতুন উপজেলার সদর দপ্তর স্থাপন করতে হবে।
একরামুল হক জানান, উপজেলার সদর দপ্তরের স্থান পরিবর্তনের দাবিতে বাগানবাজার, দাঁতমারা ও নারায়ণহাট ইউনিয়নের বাসিন্দারা আগামী রবিবার থেকে হরতাল পালন করবেন। তবে অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিসসহ জরুরি সেবার যানবাহন এই কর্মসূচির আওতার বাইরে থাকবে। দাবি আদায় না হলে হরতালের সময়সীমা বাড়বে।
১ জুলাই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস-সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) সভায় নতুন ‘ফটিকছড়ি উত্তর’ উপজেলার অনুমোদন দেওয়া হয়। সদর দপ্তরের স্থান নির্ধারণ করা হয় ভূজপুর থানা কার্যালয়-সংলগ্ন স্থানে। তবে আন্দোলনকারীদের দাবি, ১৫ কিলোমিটার দূরে উত্তরে দাঁতমারা ও নারায়ণহাট ইউনিয়নের মধ্যবর্তী স্থানে নতুন উপজেলা সদর দপ্তর স্থাপন করতে হবে।
আন্দোলনকারীরা বলেন, ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার সদর দপ্তর ভূজপুর থানা কার্যালয়ের পাশে স্থাপনের সিদ্ধান্ত যৌক্তিক নয়। এ সিদ্ধান্ত ভৌগোলিক বাস্তবতা ও সাধারণ মানুষের সুবিধার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। উত্তরাঞ্চলের প্রায় আড়াই লাখ মানুষের প্রশাসনিক সেবা নিশ্চিত করতে সদর দপ্তর যৌক্তিক জায়গায় স্থাপন করতে হবে।

ফটিকছড়িতে ৪৮ ঘণ্টার হরতাল, অচল খাগড়াছড়ি-ঢাকা মহাসড়ক
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা

চট্টগ্রামে সদ্য ঘোষিত ‘ফটিকছড়ি উত্তর’ উপজেলার সদর দপ্তর যৌক্তিক স্থানে স্থাপনের দাবিতে ফটিকছড়িতে টানা ৪৮ ঘণ্টার হরতাল পালিত হচ্ছে। রবিবার (২৬ জুলাই) ভোর ৬টা থেকে ‘ফটিকছড়ি উত্তর’ উপজেলা বাস্তবায়ন সমন্বয় পরিষদের ডাকে এই কর্মসূচি শুরু হয়। হরতালের কারণে খাগড়াছড়ি-ঢাকা আঞ্চলিক মহাসড়ক, মিরসরাই-ফটিকছড়ি এবং হেঁয়াকো-চট্টগ্রাম সড়কে সব ধরনের যানবাহন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে।
মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা বাস্তবায়ন কমিটির এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। উপজেলার দাঁতমারা ইউনিয়নের হেঁয়াকো বাজারের এই সংবাদ সম্মেলন হয়েছে। এতে লিখিত বক্তব্য দেন বাস্তবায়ন কমিটির অন্যতম সমন্বয়ক ও উপজেলার বাগমারা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান একরামুল হক।
লিখিত বক্তব্যে একরামুল হক বলেন, সদ্য ঘোষিত ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার সদর দপ্তর বাসিন্দাদের সবার জন্য সুবিধাজনক স্থানে করা হয়নি। এটি আগের ফটিকছড়ি উপজেলার নিকটবর্তী পশ্চিম ভূজপুর মৌজায় স্থাপনের গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। এতে উপজেলার উত্তর অংশের মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর হবে না। দাঁতমারা ইউনিয়ন ও নারায়ণহাট ইউনিয়নের মধ্যবর্তী যৌক্তিক স্থানে নতুন উপজেলার সদর দপ্তর স্থাপন করতে হবে।
একরামুল হক জানান, উপজেলার সদর দপ্তরের স্থান পরিবর্তনের দাবিতে বাগানবাজার, দাঁতমারা ও নারায়ণহাট ইউনিয়নের বাসিন্দারা আগামী রবিবার থেকে হরতাল পালন করবেন। তবে অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিসসহ জরুরি সেবার যানবাহন এই কর্মসূচির আওতার বাইরে থাকবে। দাবি আদায় না হলে হরতালের সময়সীমা বাড়বে।
১ জুলাই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস-সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) সভায় নতুন ‘ফটিকছড়ি উত্তর’ উপজেলার অনুমোদন দেওয়া হয়। সদর দপ্তরের স্থান নির্ধারণ করা হয় ভূজপুর থানা কার্যালয়-সংলগ্ন স্থানে। তবে আন্দোলনকারীদের দাবি, ১৫ কিলোমিটার দূরে উত্তরে দাঁতমারা ও নারায়ণহাট ইউনিয়নের মধ্যবর্তী স্থানে নতুন উপজেলা সদর দপ্তর স্থাপন করতে হবে।
আন্দোলনকারীরা বলেন, ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার সদর দপ্তর ভূজপুর থানা কার্যালয়ের পাশে স্থাপনের সিদ্ধান্ত যৌক্তিক নয়। এ সিদ্ধান্ত ভৌগোলিক বাস্তবতা ও সাধারণ মানুষের সুবিধার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। উত্তরাঞ্চলের প্রায় আড়াই লাখ মানুষের প্রশাসনিক সেবা নিশ্চিত করতে সদর দপ্তর যৌক্তিক জায়গায় স্থাপন করতে হবে।








