আপনার বিচার বাংলাদেশের মাটিতেই হবে: বিমানমন্ত্রী

আপনার বিচার বাংলাদেশের মাটিতেই হবে: বিমানমন্ত্রী
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সংবাদদাতা

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেছেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার নিজেদের পেট ভরার জন্য এ দেশের সমস্ত কিছু নিয়ে গেছে। কিন্তু লুটপাটের সেই টাকা খেতে পারছে না। মাঝে মাঝে শুনি, তিনি নাকি ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে দেশে আসবেন।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার রতনপুন ইউনিয়নের রতনপুর গ্রামে ঢাকার শাহবাগে বসবাস করা অসহায় বৃদ্ধা গোলাপী বেগমের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেওয়া উপহারের ঘরের চাবি ও জমির দলিল হস্তান্তর উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
বিমানমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, আমরা তো বলি, আপনি ৩১ ডিসেম্বর কেনো, কালকেই আসেন। আমরা আপনাকে আইনের মাধ্যমে রিসিভ করব। সঙ্গে দুইটি হাতকড়া থাকবে।
তিনি বলেন, আপনি যে মানবতাবিরোধী অমানবিক আচরণ করেছেন বাংলাদেশের মানুষের ওপর, তার বিচার বাংলাদেশের মাটিতেই হবে। এই বিচার করার জন্য আমরা অপেক্ষায় আছি। অনুরোধ করেছি, প্রতিবেশী দেশকে অতিসত্বর শেখ হাসিনাসহ তার দোষর, যারা পলায়ন করে আছে, তাদেরকে আমাদের কাছে ফেরত দেওয়া হোক।
মন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশের মানুষের যে অধিকার ক্ষুণ্ন করা হয়েছিল, তার বিচার করার জন্য, আমরা সুষ্ঠু বিচারের মাধ্যমে জনগণের অধিকার, জনগণের টাকা লুট, এগুলোর সমাধান করতে চাই।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য খালেদ হোসেন মাহবুব, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল মান্নান, জেলা পরিষদের প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম প্রমুখ ।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেছেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার নিজেদের পেট ভরার জন্য এ দেশের সমস্ত কিছু নিয়ে গেছে। কিন্তু লুটপাটের সেই টাকা খেতে পারছে না। মাঝে মাঝে শুনি, তিনি নাকি ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে দেশে আসবেন।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার রতনপুন ইউনিয়নের রতনপুর গ্রামে ঢাকার শাহবাগে বসবাস করা অসহায় বৃদ্ধা গোলাপী বেগমের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেওয়া উপহারের ঘরের চাবি ও জমির দলিল হস্তান্তর উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
বিমানমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, আমরা তো বলি, আপনি ৩১ ডিসেম্বর কেনো, কালকেই আসেন। আমরা আপনাকে আইনের মাধ্যমে রিসিভ করব। সঙ্গে দুইটি হাতকড়া থাকবে।
তিনি বলেন, আপনি যে মানবতাবিরোধী অমানবিক আচরণ করেছেন বাংলাদেশের মানুষের ওপর, তার বিচার বাংলাদেশের মাটিতেই হবে। এই বিচার করার জন্য আমরা অপেক্ষায় আছি। অনুরোধ করেছি, প্রতিবেশী দেশকে অতিসত্বর শেখ হাসিনাসহ তার দোষর, যারা পলায়ন করে আছে, তাদেরকে আমাদের কাছে ফেরত দেওয়া হোক।
মন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশের মানুষের যে অধিকার ক্ষুণ্ন করা হয়েছিল, তার বিচার করার জন্য, আমরা সুষ্ঠু বিচারের মাধ্যমে জনগণের অধিকার, জনগণের টাকা লুট, এগুলোর সমাধান করতে চাই।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য খালেদ হোসেন মাহবুব, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল মান্নান, জেলা পরিষদের প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম প্রমুখ ।

আপনার বিচার বাংলাদেশের মাটিতেই হবে: বিমানমন্ত্রী
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সংবাদদাতা

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেছেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার নিজেদের পেট ভরার জন্য এ দেশের সমস্ত কিছু নিয়ে গেছে। কিন্তু লুটপাটের সেই টাকা খেতে পারছে না। মাঝে মাঝে শুনি, তিনি নাকি ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে দেশে আসবেন।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার রতনপুন ইউনিয়নের রতনপুর গ্রামে ঢাকার শাহবাগে বসবাস করা অসহায় বৃদ্ধা গোলাপী বেগমের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেওয়া উপহারের ঘরের চাবি ও জমির দলিল হস্তান্তর উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
বিমানমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, আমরা তো বলি, আপনি ৩১ ডিসেম্বর কেনো, কালকেই আসেন। আমরা আপনাকে আইনের মাধ্যমে রিসিভ করব। সঙ্গে দুইটি হাতকড়া থাকবে।
তিনি বলেন, আপনি যে মানবতাবিরোধী অমানবিক আচরণ করেছেন বাংলাদেশের মানুষের ওপর, তার বিচার বাংলাদেশের মাটিতেই হবে। এই বিচার করার জন্য আমরা অপেক্ষায় আছি। অনুরোধ করেছি, প্রতিবেশী দেশকে অতিসত্বর শেখ হাসিনাসহ তার দোষর, যারা পলায়ন করে আছে, তাদেরকে আমাদের কাছে ফেরত দেওয়া হোক।
মন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশের মানুষের যে অধিকার ক্ষুণ্ন করা হয়েছিল, তার বিচার করার জন্য, আমরা সুষ্ঠু বিচারের মাধ্যমে জনগণের অধিকার, জনগণের টাকা লুট, এগুলোর সমাধান করতে চাই।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য খালেদ হোসেন মাহবুব, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল মান্নান, জেলা পরিষদের প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম প্রমুখ ।









