বখাটের হামলায় ভাঙল দাঁত, হাসপাতালে কাতরাচ্ছে সেই স্কুলছাত্রী

বখাটের হামলায় ভাঙল দাঁত, হাসপাতালে কাতরাচ্ছে সেই স্কুলছাত্রী
সিজেডএন ডেস্ক

বরগুনার বেতাগীতে এক বখাটের মারধরে গুরুতর আহত পঞ্চম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রী বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। হামলায় তার ওপরের পাটির সামনের তিনটি দাঁত ভেঙে গেছে। হাসপাতালের বিছানায় যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে শিশুটি। মাঝেমধ্যে ভয়ে চিৎকারও করে উঠছে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে গিয়ে আহত স্কুলছাত্রীকে এমন অবস্থায় দেখা যায়। তার পাশে ছিলেন মা।
ঘটনাটি ঘটে গত সোমবার বিকেল চারটার দিকে উপজেলার সরিষামুড়ি ইউনিয়নের গাবতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে। বিদ্যালয়টির পঞ্চম শ্রেণির ওই ছাত্রীর ওপর হামলা করেন একই এলাকার মো. ফয়সাল (২৩)। চড় ও লাথির আঘাতে শিশুটির ওপরের পাটির সামনের তিনটি দাঁত ভেঙে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এ ঘটনায় সোমবার রাতে শিশুটির মা বাদী হয়ে তিনজনের নাম উল্লেখ করে বেতাগী থানায় মামলা করেন। মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল। তাঁর বাড়ি বিদ্যালয়ের পাশের গাবতলী গ্রামে। ঘটনার পর থেকে তিনি পলাতক রয়েছেন। পুলিশ মামলার এজাহারভুক্ত আসামি ফয়সালের মা ও ভাইকে গ্রেপ্তার করেছে।
হাসপাতালে মেয়ের পাশে থাকা মা বলেন, ‘আমার মেয়েটা যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে। মা হয়ে আমি এটা দেখতে পারছি না। মেয়ের অনেক কষ্ট হচ্ছে। আমি উপযুক্ত বিচার চাই।’
বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) মাহমুদ মুর্শিদ বলেন, আহত ছাত্রীর ওপরের সামনের তিনটি দাঁত পড়ে গেছে। দাঁত পড়ে যাওয়ার স্থানে সংক্রমণ রয়েছে। ক্ষত শুকিয়ে গেলে সেখানে ডেন্টালের চিকিৎসা শুরু করা হবে। কীভাবে দাঁতগুলো পুনঃস্থাপন করা যায়, সে বিষয়েও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বর্তমানে রোগী শঙ্কামুক্ত থাকলেও তাঁকে দীর্ঘদিন হাসপাতালে থাকতে হবে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ঘটনার কয়েক দিন আগে ওই ছাত্রী বিদ্যালয়ের ওয়াশরুমে গেলে ফয়সাল সেখানে উঁকি দেন। বিষয়টি ছাত্রীটি বুঝতে পারলে ফয়সাল দ্রুত সেখান থেকে চলে যান। পরে মেয়েটি ঘটনাটি পরিবারের সদস্যদের জানায়।
বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর ফয়সাল ওই ছাত্রীকে মারধরের হুমকি দেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে ভয় পেয়ে সোমবার মেয়েটিকে বিদ্যালয়ে পাঠাননি তার মা। পরে বিদ্যালয়ের এক শিক্ষক ওই বাড়িতে গিয়ে ছাত্রীটিকে সঙ্গে করে স্কুলে নিয়ে আসেন।
সোমবার বিকাল চারটার দিকে বিদ্যালয়ের ছুটি হলে ওই ছাত্রী বাড়ির উদ্দেশে রওনা হয়। এ সময় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণেই ফয়সাল তার ওপর হামলা চালান। চড় ও লাথি দিয়ে মারধরের একপর্যায়ে মেয়েটির ওপরের পাটির সামনের তিনটি দাঁত ভেঙে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়।
বেতাগী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুন অর রশিদ বলেন, মামলার ২ ও ৩ নম্বর আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রধান আসামি ফয়সালকে গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।

বরগুনার বেতাগীতে এক বখাটের মারধরে গুরুতর আহত পঞ্চম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রী বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। হামলায় তার ওপরের পাটির সামনের তিনটি দাঁত ভেঙে গেছে। হাসপাতালের বিছানায় যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে শিশুটি। মাঝেমধ্যে ভয়ে চিৎকারও করে উঠছে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে গিয়ে আহত স্কুলছাত্রীকে এমন অবস্থায় দেখা যায়। তার পাশে ছিলেন মা।
ঘটনাটি ঘটে গত সোমবার বিকেল চারটার দিকে উপজেলার সরিষামুড়ি ইউনিয়নের গাবতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে। বিদ্যালয়টির পঞ্চম শ্রেণির ওই ছাত্রীর ওপর হামলা করেন একই এলাকার মো. ফয়সাল (২৩)। চড় ও লাথির আঘাতে শিশুটির ওপরের পাটির সামনের তিনটি দাঁত ভেঙে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এ ঘটনায় সোমবার রাতে শিশুটির মা বাদী হয়ে তিনজনের নাম উল্লেখ করে বেতাগী থানায় মামলা করেন। মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল। তাঁর বাড়ি বিদ্যালয়ের পাশের গাবতলী গ্রামে। ঘটনার পর থেকে তিনি পলাতক রয়েছেন। পুলিশ মামলার এজাহারভুক্ত আসামি ফয়সালের মা ও ভাইকে গ্রেপ্তার করেছে।
হাসপাতালে মেয়ের পাশে থাকা মা বলেন, ‘আমার মেয়েটা যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে। মা হয়ে আমি এটা দেখতে পারছি না। মেয়ের অনেক কষ্ট হচ্ছে। আমি উপযুক্ত বিচার চাই।’
বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) মাহমুদ মুর্শিদ বলেন, আহত ছাত্রীর ওপরের সামনের তিনটি দাঁত পড়ে গেছে। দাঁত পড়ে যাওয়ার স্থানে সংক্রমণ রয়েছে। ক্ষত শুকিয়ে গেলে সেখানে ডেন্টালের চিকিৎসা শুরু করা হবে। কীভাবে দাঁতগুলো পুনঃস্থাপন করা যায়, সে বিষয়েও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বর্তমানে রোগী শঙ্কামুক্ত থাকলেও তাঁকে দীর্ঘদিন হাসপাতালে থাকতে হবে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ঘটনার কয়েক দিন আগে ওই ছাত্রী বিদ্যালয়ের ওয়াশরুমে গেলে ফয়সাল সেখানে উঁকি দেন। বিষয়টি ছাত্রীটি বুঝতে পারলে ফয়সাল দ্রুত সেখান থেকে চলে যান। পরে মেয়েটি ঘটনাটি পরিবারের সদস্যদের জানায়।
বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর ফয়সাল ওই ছাত্রীকে মারধরের হুমকি দেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে ভয় পেয়ে সোমবার মেয়েটিকে বিদ্যালয়ে পাঠাননি তার মা। পরে বিদ্যালয়ের এক শিক্ষক ওই বাড়িতে গিয়ে ছাত্রীটিকে সঙ্গে করে স্কুলে নিয়ে আসেন।
সোমবার বিকাল চারটার দিকে বিদ্যালয়ের ছুটি হলে ওই ছাত্রী বাড়ির উদ্দেশে রওনা হয়। এ সময় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণেই ফয়সাল তার ওপর হামলা চালান। চড় ও লাথি দিয়ে মারধরের একপর্যায়ে মেয়েটির ওপরের পাটির সামনের তিনটি দাঁত ভেঙে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়।
বেতাগী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুন অর রশিদ বলেন, মামলার ২ ও ৩ নম্বর আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রধান আসামি ফয়সালকে গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।

বখাটের হামলায় ভাঙল দাঁত, হাসপাতালে কাতরাচ্ছে সেই স্কুলছাত্রী
সিজেডএন ডেস্ক

বরগুনার বেতাগীতে এক বখাটের মারধরে গুরুতর আহত পঞ্চম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রী বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। হামলায় তার ওপরের পাটির সামনের তিনটি দাঁত ভেঙে গেছে। হাসপাতালের বিছানায় যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে শিশুটি। মাঝেমধ্যে ভয়ে চিৎকারও করে উঠছে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে গিয়ে আহত স্কুলছাত্রীকে এমন অবস্থায় দেখা যায়। তার পাশে ছিলেন মা।
ঘটনাটি ঘটে গত সোমবার বিকেল চারটার দিকে উপজেলার সরিষামুড়ি ইউনিয়নের গাবতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে। বিদ্যালয়টির পঞ্চম শ্রেণির ওই ছাত্রীর ওপর হামলা করেন একই এলাকার মো. ফয়সাল (২৩)। চড় ও লাথির আঘাতে শিশুটির ওপরের পাটির সামনের তিনটি দাঁত ভেঙে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এ ঘটনায় সোমবার রাতে শিশুটির মা বাদী হয়ে তিনজনের নাম উল্লেখ করে বেতাগী থানায় মামলা করেন। মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল। তাঁর বাড়ি বিদ্যালয়ের পাশের গাবতলী গ্রামে। ঘটনার পর থেকে তিনি পলাতক রয়েছেন। পুলিশ মামলার এজাহারভুক্ত আসামি ফয়সালের মা ও ভাইকে গ্রেপ্তার করেছে।
হাসপাতালে মেয়ের পাশে থাকা মা বলেন, ‘আমার মেয়েটা যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে। মা হয়ে আমি এটা দেখতে পারছি না। মেয়ের অনেক কষ্ট হচ্ছে। আমি উপযুক্ত বিচার চাই।’
বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) মাহমুদ মুর্শিদ বলেন, আহত ছাত্রীর ওপরের সামনের তিনটি দাঁত পড়ে গেছে। দাঁত পড়ে যাওয়ার স্থানে সংক্রমণ রয়েছে। ক্ষত শুকিয়ে গেলে সেখানে ডেন্টালের চিকিৎসা শুরু করা হবে। কীভাবে দাঁতগুলো পুনঃস্থাপন করা যায়, সে বিষয়েও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বর্তমানে রোগী শঙ্কামুক্ত থাকলেও তাঁকে দীর্ঘদিন হাসপাতালে থাকতে হবে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ঘটনার কয়েক দিন আগে ওই ছাত্রী বিদ্যালয়ের ওয়াশরুমে গেলে ফয়সাল সেখানে উঁকি দেন। বিষয়টি ছাত্রীটি বুঝতে পারলে ফয়সাল দ্রুত সেখান থেকে চলে যান। পরে মেয়েটি ঘটনাটি পরিবারের সদস্যদের জানায়।
বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর ফয়সাল ওই ছাত্রীকে মারধরের হুমকি দেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে ভয় পেয়ে সোমবার মেয়েটিকে বিদ্যালয়ে পাঠাননি তার মা। পরে বিদ্যালয়ের এক শিক্ষক ওই বাড়িতে গিয়ে ছাত্রীটিকে সঙ্গে করে স্কুলে নিয়ে আসেন।
সোমবার বিকাল চারটার দিকে বিদ্যালয়ের ছুটি হলে ওই ছাত্রী বাড়ির উদ্দেশে রওনা হয়। এ সময় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণেই ফয়সাল তার ওপর হামলা চালান। চড় ও লাথি দিয়ে মারধরের একপর্যায়ে মেয়েটির ওপরের পাটির সামনের তিনটি দাঁত ভেঙে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়।
বেতাগী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুন অর রশিদ বলেন, মামলার ২ ও ৩ নম্বর আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রধান আসামি ফয়সালকে গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।









