ড্যাপ রিভিউ করছে রাজউক, আসছে যেসব পরিবর্তন

ড্যাপ রিভিউ করছে রাজউক, আসছে যেসব পরিবর্তন
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানী ঢাকাকে পরিকল্পিত ও বাসযোগ্য নগরীতে রূপ দিতে ২০২২ সালে বিশদ অঞ্চল পরিকল্পনা (ড্যাপ) প্রকাশ করে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)। এতে এলাকাভিত্তিক জনঘনত্ব, নগরজীবন রেখা, ট্রানজিটভিত্তিক উন্নয়নসহ নাগরিক সুবিধার নানা মানদণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে প্রকাশের পর থেকেই এ পরিকল্পনার বিভিন্ন ধারা নিয়ে মতবিরোধ ও বিতর্ক সৃষ্টি হয়। এবার ড্যাপ ২০২২-৩৫ সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে। এ লক্ষ্যে একটি প্রকল্প প্রস্তাব প্রস্তুত করেছে রাজউক। এ প্রকল্পের আওতায় বিদ্যমান ড্যাপ বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনা, সুপারিশকৃত নীতিমালা প্রণয়ন এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে পরিবর্তন ও সংযোজন করা হবে বলে জানা গেছে।
রাজউক সূত্র জানিয়েছে, ড্যাপ পর্যালোচনা প্রকল্পের আওতায় গুরুত্বপূর্ণ কিছু পরিবর্তন আনা হবে। ঢাকার বাসযোগ্যতা ফেরাতে ড্যাপে বেশকিছু নীতি প্রণয়নের সুপারিশ করা হয়েছিল। এর মধ্যে কৃষিজমি সুরক্ষার জন্য একটি নীতিমালা প্রণয়নের কথা ছিল, কিন্তু সেটি হয়নি। এছাড়া বেটারমেন্ট ফি বা উন্নয়ন ফি নামেও একটি নীতি প্রণয়নের কথা ছিল, সেটিও বাস্তবায়ন হয়নি। এবার সেগুলো যুক্ত করা হবে।
নগর পরিকল্পনাবিদরা বলছেন, ব্যক্তিমালিকানাধীন কৃষিজমি কিনে বিভিন্ন আবাসন প্রতিষ্ঠান তাদের সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে রেখেছে। কৃষিজমির তুলনায় আবাসন জমির মূল্য বেশি হওয়ায় কৃষিজমি ভরাট বন্ধ করা সম্ভব হচ্ছে না। এ পরিস্থিতি ঠেকাতে ড্যাপে কৃষিজমি সুরক্ষায় একটি নীতিমালা প্রণয়নের কথা বলা হয়েছে। এতে কৃষিজমি ও জলাশয় শ্রেণীর জমি সংরক্ষণ করলে ভূমি মালিকরা বেশকিছু সুবিধা দেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। কী কী সুবিধা দেওয়া হবে এবং কোন শর্তে তারা সেগুলো পাবেন, তা নীতিমালায় বিস্তারিত উল্লেখ থাকবে।
এছাড়া ড্যাপ সংশোধনের আওতায় উন্নয়ন ফি বা বেটারমেন্ট ফি-সংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়নেরও পরিকল্পনা করছে রাজউক। কোনো এলাকায় সরকারি প্রকল্পের কারণে জমির দাম বাড়লে ভূমি মালিকরা আর্থিকভাবে লাভবান হন। ড্যাপে এ ধরনের ক্ষেত্রে ভূমি মালিকদের উন্নয়ন ফি পরিশোধের কথা বলা হয়েছে। তবে গেজেট প্রকাশের পর ৪ বছর পেরিয়ে গেলেও এ-সংক্রান্ত নীতিমালা প্রণীত হয়নি। এবার ড্যাপ সংশোধনের আওতায় নীতিমালাটি প্রণয়ন করা হবে বলে জানা গেছে।
রাজউক সূত্রে জানা যায়, নিয়ম অনুযায়ী, প্রতি ৫ বছর অন্তর ড্যাপ পর্যালোচনা করার কথা। সে হিসাবে ২০২২ সালের ড্যাপ পর্যালোচনার সময় হবে ২০২৭ সালে। এ বিষয়টি বিবেচনায় রেখে ড্যাপ সংশোধনের জন্য একটি প্রাথমিক প্রকল্প প্রস্তাব প্রস্তুত করেছে প্রতিষ্ঠানটির নগর পরিকল্পনা বিভাগ। খসড়াটি বর্তমানে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে রয়েছে।
বিদ্যমান ড্যাপের গেজেট প্রকাশের পর থেকেই ছোট প্লটের মালিকদের প্রতি বৈষম্য করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে রাজউকের দাবি, রাস্তা সরু ও প্লটের আয়তন কম হওয়ায় বড় ভবন নির্মাণের সুযোগ দেওয়া হয়নি। ব্লক পদ্ধতিতে অবশ্য বড় ভবন নির্মাণের সুযোগ রাখা হয়েছে। ড্যাপ সংশোধনের সময় ছোট প্লটের মালিকদের বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

রাজধানী ঢাকাকে পরিকল্পিত ও বাসযোগ্য নগরীতে রূপ দিতে ২০২২ সালে বিশদ অঞ্চল পরিকল্পনা (ড্যাপ) প্রকাশ করে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)। এতে এলাকাভিত্তিক জনঘনত্ব, নগরজীবন রেখা, ট্রানজিটভিত্তিক উন্নয়নসহ নাগরিক সুবিধার নানা মানদণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে প্রকাশের পর থেকেই এ পরিকল্পনার বিভিন্ন ধারা নিয়ে মতবিরোধ ও বিতর্ক সৃষ্টি হয়। এবার ড্যাপ ২০২২-৩৫ সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে। এ লক্ষ্যে একটি প্রকল্প প্রস্তাব প্রস্তুত করেছে রাজউক। এ প্রকল্পের আওতায় বিদ্যমান ড্যাপ বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনা, সুপারিশকৃত নীতিমালা প্রণয়ন এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে পরিবর্তন ও সংযোজন করা হবে বলে জানা গেছে।
রাজউক সূত্র জানিয়েছে, ড্যাপ পর্যালোচনা প্রকল্পের আওতায় গুরুত্বপূর্ণ কিছু পরিবর্তন আনা হবে। ঢাকার বাসযোগ্যতা ফেরাতে ড্যাপে বেশকিছু নীতি প্রণয়নের সুপারিশ করা হয়েছিল। এর মধ্যে কৃষিজমি সুরক্ষার জন্য একটি নীতিমালা প্রণয়নের কথা ছিল, কিন্তু সেটি হয়নি। এছাড়া বেটারমেন্ট ফি বা উন্নয়ন ফি নামেও একটি নীতি প্রণয়নের কথা ছিল, সেটিও বাস্তবায়ন হয়নি। এবার সেগুলো যুক্ত করা হবে।
নগর পরিকল্পনাবিদরা বলছেন, ব্যক্তিমালিকানাধীন কৃষিজমি কিনে বিভিন্ন আবাসন প্রতিষ্ঠান তাদের সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে রেখেছে। কৃষিজমির তুলনায় আবাসন জমির মূল্য বেশি হওয়ায় কৃষিজমি ভরাট বন্ধ করা সম্ভব হচ্ছে না। এ পরিস্থিতি ঠেকাতে ড্যাপে কৃষিজমি সুরক্ষায় একটি নীতিমালা প্রণয়নের কথা বলা হয়েছে। এতে কৃষিজমি ও জলাশয় শ্রেণীর জমি সংরক্ষণ করলে ভূমি মালিকরা বেশকিছু সুবিধা দেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। কী কী সুবিধা দেওয়া হবে এবং কোন শর্তে তারা সেগুলো পাবেন, তা নীতিমালায় বিস্তারিত উল্লেখ থাকবে।
এছাড়া ড্যাপ সংশোধনের আওতায় উন্নয়ন ফি বা বেটারমেন্ট ফি-সংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়নেরও পরিকল্পনা করছে রাজউক। কোনো এলাকায় সরকারি প্রকল্পের কারণে জমির দাম বাড়লে ভূমি মালিকরা আর্থিকভাবে লাভবান হন। ড্যাপে এ ধরনের ক্ষেত্রে ভূমি মালিকদের উন্নয়ন ফি পরিশোধের কথা বলা হয়েছে। তবে গেজেট প্রকাশের পর ৪ বছর পেরিয়ে গেলেও এ-সংক্রান্ত নীতিমালা প্রণীত হয়নি। এবার ড্যাপ সংশোধনের আওতায় নীতিমালাটি প্রণয়ন করা হবে বলে জানা গেছে।
রাজউক সূত্রে জানা যায়, নিয়ম অনুযায়ী, প্রতি ৫ বছর অন্তর ড্যাপ পর্যালোচনা করার কথা। সে হিসাবে ২০২২ সালের ড্যাপ পর্যালোচনার সময় হবে ২০২৭ সালে। এ বিষয়টি বিবেচনায় রেখে ড্যাপ সংশোধনের জন্য একটি প্রাথমিক প্রকল্প প্রস্তাব প্রস্তুত করেছে প্রতিষ্ঠানটির নগর পরিকল্পনা বিভাগ। খসড়াটি বর্তমানে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে রয়েছে।
বিদ্যমান ড্যাপের গেজেট প্রকাশের পর থেকেই ছোট প্লটের মালিকদের প্রতি বৈষম্য করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে রাজউকের দাবি, রাস্তা সরু ও প্লটের আয়তন কম হওয়ায় বড় ভবন নির্মাণের সুযোগ দেওয়া হয়নি। ব্লক পদ্ধতিতে অবশ্য বড় ভবন নির্মাণের সুযোগ রাখা হয়েছে। ড্যাপ সংশোধনের সময় ছোট প্লটের মালিকদের বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

ড্যাপ রিভিউ করছে রাজউক, আসছে যেসব পরিবর্তন
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানী ঢাকাকে পরিকল্পিত ও বাসযোগ্য নগরীতে রূপ দিতে ২০২২ সালে বিশদ অঞ্চল পরিকল্পনা (ড্যাপ) প্রকাশ করে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)। এতে এলাকাভিত্তিক জনঘনত্ব, নগরজীবন রেখা, ট্রানজিটভিত্তিক উন্নয়নসহ নাগরিক সুবিধার নানা মানদণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে প্রকাশের পর থেকেই এ পরিকল্পনার বিভিন্ন ধারা নিয়ে মতবিরোধ ও বিতর্ক সৃষ্টি হয়। এবার ড্যাপ ২০২২-৩৫ সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে। এ লক্ষ্যে একটি প্রকল্প প্রস্তাব প্রস্তুত করেছে রাজউক। এ প্রকল্পের আওতায় বিদ্যমান ড্যাপ বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনা, সুপারিশকৃত নীতিমালা প্রণয়ন এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে পরিবর্তন ও সংযোজন করা হবে বলে জানা গেছে।
রাজউক সূত্র জানিয়েছে, ড্যাপ পর্যালোচনা প্রকল্পের আওতায় গুরুত্বপূর্ণ কিছু পরিবর্তন আনা হবে। ঢাকার বাসযোগ্যতা ফেরাতে ড্যাপে বেশকিছু নীতি প্রণয়নের সুপারিশ করা হয়েছিল। এর মধ্যে কৃষিজমি সুরক্ষার জন্য একটি নীতিমালা প্রণয়নের কথা ছিল, কিন্তু সেটি হয়নি। এছাড়া বেটারমেন্ট ফি বা উন্নয়ন ফি নামেও একটি নীতি প্রণয়নের কথা ছিল, সেটিও বাস্তবায়ন হয়নি। এবার সেগুলো যুক্ত করা হবে।
নগর পরিকল্পনাবিদরা বলছেন, ব্যক্তিমালিকানাধীন কৃষিজমি কিনে বিভিন্ন আবাসন প্রতিষ্ঠান তাদের সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে রেখেছে। কৃষিজমির তুলনায় আবাসন জমির মূল্য বেশি হওয়ায় কৃষিজমি ভরাট বন্ধ করা সম্ভব হচ্ছে না। এ পরিস্থিতি ঠেকাতে ড্যাপে কৃষিজমি সুরক্ষায় একটি নীতিমালা প্রণয়নের কথা বলা হয়েছে। এতে কৃষিজমি ও জলাশয় শ্রেণীর জমি সংরক্ষণ করলে ভূমি মালিকরা বেশকিছু সুবিধা দেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। কী কী সুবিধা দেওয়া হবে এবং কোন শর্তে তারা সেগুলো পাবেন, তা নীতিমালায় বিস্তারিত উল্লেখ থাকবে।
এছাড়া ড্যাপ সংশোধনের আওতায় উন্নয়ন ফি বা বেটারমেন্ট ফি-সংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়নেরও পরিকল্পনা করছে রাজউক। কোনো এলাকায় সরকারি প্রকল্পের কারণে জমির দাম বাড়লে ভূমি মালিকরা আর্থিকভাবে লাভবান হন। ড্যাপে এ ধরনের ক্ষেত্রে ভূমি মালিকদের উন্নয়ন ফি পরিশোধের কথা বলা হয়েছে। তবে গেজেট প্রকাশের পর ৪ বছর পেরিয়ে গেলেও এ-সংক্রান্ত নীতিমালা প্রণীত হয়নি। এবার ড্যাপ সংশোধনের আওতায় নীতিমালাটি প্রণয়ন করা হবে বলে জানা গেছে।
রাজউক সূত্রে জানা যায়, নিয়ম অনুযায়ী, প্রতি ৫ বছর অন্তর ড্যাপ পর্যালোচনা করার কথা। সে হিসাবে ২০২২ সালের ড্যাপ পর্যালোচনার সময় হবে ২০২৭ সালে। এ বিষয়টি বিবেচনায় রেখে ড্যাপ সংশোধনের জন্য একটি প্রাথমিক প্রকল্প প্রস্তাব প্রস্তুত করেছে প্রতিষ্ঠানটির নগর পরিকল্পনা বিভাগ। খসড়াটি বর্তমানে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে রয়েছে।
বিদ্যমান ড্যাপের গেজেট প্রকাশের পর থেকেই ছোট প্লটের মালিকদের প্রতি বৈষম্য করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে রাজউকের দাবি, রাস্তা সরু ও প্লটের আয়তন কম হওয়ায় বড় ভবন নির্মাণের সুযোগ দেওয়া হয়নি। ব্লক পদ্ধতিতে অবশ্য বড় ভবন নির্মাণের সুযোগ রাখা হয়েছে। ড্যাপ সংশোধনের সময় ছোট প্লটের মালিকদের বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

ড্যাপের নিয়ম ভেঙে প্রথমে হোটেল, এবার হচ্ছে বাণিজ্যিক ভবন 







