চবিতে জুলাই চিত্রকলা প্রদর্শনী ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা

চবিতে জুলাই চিত্রকলা প্রদর্শনী ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা
চবি সংবাদদাতা

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে দুই দিনব্যাপী চিত্রকলা ও গ্রাফিতি প্রদর্শনী এবং শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের জাদুঘর গ্যালারিত চিত্রকলা ও গ্রাফিতি প্রদর্শনী এবং পরে চাকসু কেন্দ্রে আয়োজিত শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন চবি উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চবি উপ-উপাচার্য (অ্যাকাডেমিক) ও ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল-আমীন এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর ড. মো. সফিকুল ইসলাম।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান বলেন, জুলাইয়ের ইতিহাসে আজকের দিনটি একটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও সংবেদনশীল দিন। আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ও আত্মত্যাগের মধ্য দিয়েই দেশের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পথ সুগম হয়েছিল।
তিনি আরও বলেন, নতুন প্রজন্মের কাছে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস তুলে ধরতে শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার মতো উদ্যোগ অত্যন্ত কার্যকর। শিশুরা তাদের কল্পনা ও সৃজনশীলতার মাধ্যমে যে চিত্র ফুটিয়ে তুলছে, তা প্রমাণ করে জুলাইয়ের চেতনা তাদের মনেও স্থান করে নিয়েছে।
উপাচার্য বলেন, জুলাইয়ের ঘটনাগুলো আমাদের কখনো ভুলে গেলে চলবে না। সেই ভয়াবহ দিনগুলোতে স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জীবন দিয়ে গণতন্ত্র, স্বাধীন মতপ্রকাশ এবং নিরাপদ রাষ্ট্রের স্বপ্ন দেখেছিল। আজ আমরা যে স্বাধীনভাবে কথা বলতে পারছি, সেটি তাদের আত্মত্যাগেরই ফল।
চবির শহীদ ফরহাদ ও শহীদ হৃদয় চন্দ্র তরুয়াসহ সব শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে তিনি আরও বলেন, তাদের আত্মত্যাগ আগামী প্রজন্মকে দেশপ্রেম, গণতন্ত্র ও মানবিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ করবে।
আয়োজকরা জানান, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক চেতনাকে নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া এবং তরুণদের শিল্পকর্মকে তুলে ধরাই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও প্রদর্শনীতে গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতি ও চেতনাভিত্তিক বৈচিত্র্যময় চিত্রকর্ম প্রদর্শিত হচ্ছে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে দুই দিনব্যাপী চিত্রকলা ও গ্রাফিতি প্রদর্শনী এবং শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের জাদুঘর গ্যালারিত চিত্রকলা ও গ্রাফিতি প্রদর্শনী এবং পরে চাকসু কেন্দ্রে আয়োজিত শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন চবি উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চবি উপ-উপাচার্য (অ্যাকাডেমিক) ও ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল-আমীন এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর ড. মো. সফিকুল ইসলাম।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান বলেন, জুলাইয়ের ইতিহাসে আজকের দিনটি একটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও সংবেদনশীল দিন। আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ও আত্মত্যাগের মধ্য দিয়েই দেশের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পথ সুগম হয়েছিল।
তিনি আরও বলেন, নতুন প্রজন্মের কাছে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস তুলে ধরতে শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার মতো উদ্যোগ অত্যন্ত কার্যকর। শিশুরা তাদের কল্পনা ও সৃজনশীলতার মাধ্যমে যে চিত্র ফুটিয়ে তুলছে, তা প্রমাণ করে জুলাইয়ের চেতনা তাদের মনেও স্থান করে নিয়েছে।
উপাচার্য বলেন, জুলাইয়ের ঘটনাগুলো আমাদের কখনো ভুলে গেলে চলবে না। সেই ভয়াবহ দিনগুলোতে স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জীবন দিয়ে গণতন্ত্র, স্বাধীন মতপ্রকাশ এবং নিরাপদ রাষ্ট্রের স্বপ্ন দেখেছিল। আজ আমরা যে স্বাধীনভাবে কথা বলতে পারছি, সেটি তাদের আত্মত্যাগেরই ফল।
চবির শহীদ ফরহাদ ও শহীদ হৃদয় চন্দ্র তরুয়াসহ সব শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে তিনি আরও বলেন, তাদের আত্মত্যাগ আগামী প্রজন্মকে দেশপ্রেম, গণতন্ত্র ও মানবিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ করবে।
আয়োজকরা জানান, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক চেতনাকে নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া এবং তরুণদের শিল্পকর্মকে তুলে ধরাই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও প্রদর্শনীতে গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতি ও চেতনাভিত্তিক বৈচিত্র্যময় চিত্রকর্ম প্রদর্শিত হচ্ছে।

চবিতে জুলাই চিত্রকলা প্রদর্শনী ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা
চবি সংবাদদাতা

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে দুই দিনব্যাপী চিত্রকলা ও গ্রাফিতি প্রদর্শনী এবং শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের জাদুঘর গ্যালারিত চিত্রকলা ও গ্রাফিতি প্রদর্শনী এবং পরে চাকসু কেন্দ্রে আয়োজিত শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন চবি উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চবি উপ-উপাচার্য (অ্যাকাডেমিক) ও ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল-আমীন এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর ড. মো. সফিকুল ইসলাম।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান বলেন, জুলাইয়ের ইতিহাসে আজকের দিনটি একটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও সংবেদনশীল দিন। আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ও আত্মত্যাগের মধ্য দিয়েই দেশের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পথ সুগম হয়েছিল।
তিনি আরও বলেন, নতুন প্রজন্মের কাছে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস তুলে ধরতে শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার মতো উদ্যোগ অত্যন্ত কার্যকর। শিশুরা তাদের কল্পনা ও সৃজনশীলতার মাধ্যমে যে চিত্র ফুটিয়ে তুলছে, তা প্রমাণ করে জুলাইয়ের চেতনা তাদের মনেও স্থান করে নিয়েছে।
উপাচার্য বলেন, জুলাইয়ের ঘটনাগুলো আমাদের কখনো ভুলে গেলে চলবে না। সেই ভয়াবহ দিনগুলোতে স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জীবন দিয়ে গণতন্ত্র, স্বাধীন মতপ্রকাশ এবং নিরাপদ রাষ্ট্রের স্বপ্ন দেখেছিল। আজ আমরা যে স্বাধীনভাবে কথা বলতে পারছি, সেটি তাদের আত্মত্যাগেরই ফল।
চবির শহীদ ফরহাদ ও শহীদ হৃদয় চন্দ্র তরুয়াসহ সব শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে তিনি আরও বলেন, তাদের আত্মত্যাগ আগামী প্রজন্মকে দেশপ্রেম, গণতন্ত্র ও মানবিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ করবে।
আয়োজকরা জানান, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক চেতনাকে নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া এবং তরুণদের শিল্পকর্মকে তুলে ধরাই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও প্রদর্শনীতে গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতি ও চেতনাভিত্তিক বৈচিত্র্যময় চিত্রকর্ম প্রদর্শিত হচ্ছে।

আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় বিতর্ক প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন চবি





