আলিয়ার অধ্যক্ষের ওপর হামলায় শিক্ষক পরিষদের নিন্দা, বিচার দাবি

আলিয়ার অধ্যক্ষের ওপর হামলায় শিক্ষক পরিষদের নিন্দা, বিচার দাবি
ঢাকা কলেজ সংবাদদাতা

সরকারি মাদ্রাসা-ই-আলিয়ার অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, শিক্ষক-কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের ওপর সাম্প্রতিক হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক পরিষদ।
মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক মুহাম্মদ মহসীন কবীর স্বাক্ষরিত এক প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়, গত ৪ আগস্ট সরকারি মাদ্রাসা-ই-আলিয়া, ঢাকার ক্যাম্পাসে সংঘটিত সহিংস ঘটনায় ১৬তম বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের সদস্য এবং প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ ওয়ায়দুল হক গুরুতর আহত হন। এছাড়া উপাধ্যক্ষসহ কয়েকজন শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীও হামলার শিকার হয়েছেন।
প্রতিবাদলিপিতে শিক্ষক পরিষদ উল্লেখ করে, একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানসহ শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের ওপর এ ধরনের হামলা কেবল ব্যক্তির ওপর আঘাত নয়; এটি শিক্ষা, শৃঙ্খলা, আইনের শাসন এবং শিক্ষাঙ্গনের স্বাভাবিক পরিবেশের ওপরও আঘাত।
তারা আরও বলেন, সরকারি মাদ্রাসা-ই-আলিয়া, ঢাকা সবসময় শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেকোনো ধরনের সহিংসতা, বিশৃঙ্খলা ও আইনবহির্ভূত কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে শিক্ষক পরিষদ কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছে।
এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তিন দফা দাবি জানিয়েছে শিক্ষক পরিষদ। দাবিগুলো হলো— ঘটনার সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও দ্রুত তদন্ত নিশ্চিত করা, প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা।

সরকারি মাদ্রাসা-ই-আলিয়ার অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, শিক্ষক-কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের ওপর সাম্প্রতিক হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক পরিষদ।
মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক মুহাম্মদ মহসীন কবীর স্বাক্ষরিত এক প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়, গত ৪ আগস্ট সরকারি মাদ্রাসা-ই-আলিয়া, ঢাকার ক্যাম্পাসে সংঘটিত সহিংস ঘটনায় ১৬তম বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের সদস্য এবং প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ ওয়ায়দুল হক গুরুতর আহত হন। এছাড়া উপাধ্যক্ষসহ কয়েকজন শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীও হামলার শিকার হয়েছেন।
প্রতিবাদলিপিতে শিক্ষক পরিষদ উল্লেখ করে, একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানসহ শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের ওপর এ ধরনের হামলা কেবল ব্যক্তির ওপর আঘাত নয়; এটি শিক্ষা, শৃঙ্খলা, আইনের শাসন এবং শিক্ষাঙ্গনের স্বাভাবিক পরিবেশের ওপরও আঘাত।
তারা আরও বলেন, সরকারি মাদ্রাসা-ই-আলিয়া, ঢাকা সবসময় শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেকোনো ধরনের সহিংসতা, বিশৃঙ্খলা ও আইনবহির্ভূত কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে শিক্ষক পরিষদ কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছে।
এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তিন দফা দাবি জানিয়েছে শিক্ষক পরিষদ। দাবিগুলো হলো— ঘটনার সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও দ্রুত তদন্ত নিশ্চিত করা, প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা।

আলিয়ার অধ্যক্ষের ওপর হামলায় শিক্ষক পরিষদের নিন্দা, বিচার দাবি
ঢাকা কলেজ সংবাদদাতা

সরকারি মাদ্রাসা-ই-আলিয়ার অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, শিক্ষক-কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের ওপর সাম্প্রতিক হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক পরিষদ।
মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক মুহাম্মদ মহসীন কবীর স্বাক্ষরিত এক প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়, গত ৪ আগস্ট সরকারি মাদ্রাসা-ই-আলিয়া, ঢাকার ক্যাম্পাসে সংঘটিত সহিংস ঘটনায় ১৬তম বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের সদস্য এবং প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ ওয়ায়দুল হক গুরুতর আহত হন। এছাড়া উপাধ্যক্ষসহ কয়েকজন শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীও হামলার শিকার হয়েছেন।
প্রতিবাদলিপিতে শিক্ষক পরিষদ উল্লেখ করে, একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানসহ শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের ওপর এ ধরনের হামলা কেবল ব্যক্তির ওপর আঘাত নয়; এটি শিক্ষা, শৃঙ্খলা, আইনের শাসন এবং শিক্ষাঙ্গনের স্বাভাবিক পরিবেশের ওপরও আঘাত।
তারা আরও বলেন, সরকারি মাদ্রাসা-ই-আলিয়া, ঢাকা সবসময় শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেকোনো ধরনের সহিংসতা, বিশৃঙ্খলা ও আইনবহির্ভূত কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে শিক্ষক পরিষদ কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছে।
এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তিন দফা দাবি জানিয়েছে শিক্ষক পরিষদ। দাবিগুলো হলো— ঘটনার সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও দ্রুত তদন্ত নিশ্চিত করা, প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা।








