সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলার নেপথ্যে কি?

সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলার নেপথ্যে কি?
সিজেডএন ডেস্ক

কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মোহাম্মদ মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় নৈপথ্যে চাঁদাবাজি নয়, রয়েছে জমি নিয়ে বিরোধ– এমন তথ্য জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।
পুলিশের দাবি, পাশের জমির মালিকের সঙ্গে নিউ গিনি প্রপার্টিজ লিমিটেডের বিরোধের জেরেই এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলাকারীদের মূল লক্ষ্য সালমানের স্টুডিও ছিল না বলেও জানিয়েছে পুলিশ।

রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) ঘটনাস্থলে ব্রিফিংকালে ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার মো. মাহিদুল ইসলাম এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, চাঁদাবাজির কোনো ঘটনা ঘটেনি। সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়নি।
পুলিশ জানায়, শনিবার রাতে একদল লোক এসে সেখানে ভাঙচুর শুরু করে। খবর পেয়ে ক্যান্টনমেন্ট থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে আটক করা হয়। পরে রাতে অভিযান চালিয়ে আরও একজনকে আটক করা হয়।

এর আগে, হামলার পরপরই সালমান মুক্তাদির দাবি করেছিলেন, চাঁদা না দেওয়াকে কেন্দ্র করে তার স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়েছে। স্টুডিওর বিভিন্ন সরঞ্জাম নষ্ট ও লুট করা হয়েছে।

এ ভিডিওতে তিনি বলেন, হামলায় তার স্টুডিও ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হামলাকারীরা সিসিটিভি ক্যামেরাসহ বিভিন্ন যন্ত্রাংশ এবং কক্ষের অন্যান্য জিনিসপত্র নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি স্টুডিওর ভেতরের বিভিন্ন সরঞ্জামও ভাঙচুর করা হয়েছে।

তবে পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, ঘটনার সঙ্গে সালমানের স্টুডিওকে সরাসরি লক্ষ্য করার প্রমাণ এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত চলছে।

কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মোহাম্মদ মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় নৈপথ্যে চাঁদাবাজি নয়, রয়েছে জমি নিয়ে বিরোধ– এমন তথ্য জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।
পুলিশের দাবি, পাশের জমির মালিকের সঙ্গে নিউ গিনি প্রপার্টিজ লিমিটেডের বিরোধের জেরেই এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলাকারীদের মূল লক্ষ্য সালমানের স্টুডিও ছিল না বলেও জানিয়েছে পুলিশ।

রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) ঘটনাস্থলে ব্রিফিংকালে ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার মো. মাহিদুল ইসলাম এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, চাঁদাবাজির কোনো ঘটনা ঘটেনি। সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়নি।
পুলিশ জানায়, শনিবার রাতে একদল লোক এসে সেখানে ভাঙচুর শুরু করে। খবর পেয়ে ক্যান্টনমেন্ট থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে আটক করা হয়। পরে রাতে অভিযান চালিয়ে আরও একজনকে আটক করা হয়।

এর আগে, হামলার পরপরই সালমান মুক্তাদির দাবি করেছিলেন, চাঁদা না দেওয়াকে কেন্দ্র করে তার স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়েছে। স্টুডিওর বিভিন্ন সরঞ্জাম নষ্ট ও লুট করা হয়েছে।

এ ভিডিওতে তিনি বলেন, হামলায় তার স্টুডিও ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হামলাকারীরা সিসিটিভি ক্যামেরাসহ বিভিন্ন যন্ত্রাংশ এবং কক্ষের অন্যান্য জিনিসপত্র নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি স্টুডিওর ভেতরের বিভিন্ন সরঞ্জামও ভাঙচুর করা হয়েছে।

তবে পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, ঘটনার সঙ্গে সালমানের স্টুডিওকে সরাসরি লক্ষ্য করার প্রমাণ এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত চলছে।

সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলার নেপথ্যে কি?
সিজেডএন ডেস্ক

কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মোহাম্মদ মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় নৈপথ্যে চাঁদাবাজি নয়, রয়েছে জমি নিয়ে বিরোধ– এমন তথ্য জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।
পুলিশের দাবি, পাশের জমির মালিকের সঙ্গে নিউ গিনি প্রপার্টিজ লিমিটেডের বিরোধের জেরেই এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলাকারীদের মূল লক্ষ্য সালমানের স্টুডিও ছিল না বলেও জানিয়েছে পুলিশ।

রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) ঘটনাস্থলে ব্রিফিংকালে ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার মো. মাহিদুল ইসলাম এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, চাঁদাবাজির কোনো ঘটনা ঘটেনি। সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়নি।
পুলিশ জানায়, শনিবার রাতে একদল লোক এসে সেখানে ভাঙচুর শুরু করে। খবর পেয়ে ক্যান্টনমেন্ট থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে আটক করা হয়। পরে রাতে অভিযান চালিয়ে আরও একজনকে আটক করা হয়।

এর আগে, হামলার পরপরই সালমান মুক্তাদির দাবি করেছিলেন, চাঁদা না দেওয়াকে কেন্দ্র করে তার স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়েছে। স্টুডিওর বিভিন্ন সরঞ্জাম নষ্ট ও লুট করা হয়েছে।

এ ভিডিওতে তিনি বলেন, হামলায় তার স্টুডিও ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হামলাকারীরা সিসিটিভি ক্যামেরাসহ বিভিন্ন যন্ত্রাংশ এবং কক্ষের অন্যান্য জিনিসপত্র নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি স্টুডিওর ভেতরের বিভিন্ন সরঞ্জামও ভাঙচুর করা হয়েছে।

তবে পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, ঘটনার সঙ্গে সালমানের স্টুডিওকে সরাসরি লক্ষ্য করার প্রমাণ এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত চলছে।









