শিরোনাম

রুয়েটে ‘ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া কোলাবোরেশন মিট’ অনুষ্ঠিত

রুয়েট সংবাদদাতা
রুয়েট সংবাদদাতা
রুয়েটে ‘ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া কোলাবোরেশন মিট’ অনুষ্ঠিত
রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘এমএসই ডে ২০২৬’ এবং দ্বিতীয় ‘ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া কোলাবোরেশন মিট’ অনুষ্ঠিত হয়েছে

রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) ম্যাটেরিয়ালস সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (এমএসই) বিভাগের উদ্যোগে মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘এমএসই ডে ২০২৬’ এবং দ্বিতীয় ‘ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া কোলাবোরেশন মিট’। গবেষণার বাস্তব প্রয়োগ, শিল্পখাতের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংযোগ বৃদ্ধি এবং শিক্ষার্থীদের শিল্পমুখী দক্ষতা উন্নয়নের লক্ষ্য নিয়ে এ আয়োজন করা হয়।

দিনের শুরুতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অতিথিদের অংশগ্রহণে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি অনুষ্ঠিত হয়। পরে ২০ সিরিজের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে থিসিস প্রেজেন্টেশন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এতে শিক্ষার্থীরা তাদের গবেষণা ও প্রযুক্তিনির্ভর উদ্ভাবনী ধারণা উপস্থাপন করেন। গবেষণার মান, উপস্থাপনা এবং শিল্পখাতে প্রয়োগযোগ্যতার ভিত্তিতে সেগুলো মূল্যায়ন করা হয়।

অনুষ্ঠানে কী-নোট সেশন, প্যানেল আলোচনা ও মতবিনিময়ের মাধ্যমে গবেষণার ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন এবং দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা শিল্পপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, গবেষক ও কর্পোরেট বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় এবং পেশাগত নেটওয়ার্ক তৈরির সুযোগ পান।

এতে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট), হলোপ্লাস সিস্টেম অ্যান্ড টেকনোলজি, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্যাকেজিং, বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (বিসিএসআইআর)সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, শিক্ষক, অ্যালামনাই ও শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি এক মিলনমেলায় পরিণত হয়।

অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল এমএসই বিভাগের সঙ্গে এসিআই প্রিমিয়াফ্লেক্স, ইন্টারলিংক ইন্টারন্যাশনাল ক্রিস্টাল, বায়োটেক, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্যাকেজিং এবং হলোপ্লাসের সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর। আয়োজকদের মতে, এসব চুক্তির মাধ্যমে গবেষণা, প্রযুক্তি স্থানান্তর, যৌথ প্রকল্প, ইন্টার্নশিপ, দক্ষতা উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হবে।

সমাপনী পর্বে শিল্পপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা শিক্ষার্থীদের বাস্তবমুখী দক্ষতা অর্জন, গবেষণাভিত্তিক উদ্ভাবন এবং শিল্পখাতের চাহিদা অনুযায়ী নিজেদের প্রস্তুত করার আহ্বান জানান। আয়োজকদের প্রত্যাশা, এ ধরনের উদ্যোগ বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্পখাতের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতা বাড়ানোর পাশাপাশি দেশের জন্য দক্ষ ও যুগোপযোগী প্রকৌশলী গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

/এমআর/