অস্বাস্থ্যকর আবাসনে মানবেতর জীবন, ডেঙ্গু ঝুঁকিতে মাঠপর্যায়ের বেশিরভাগ পুলিশ

অস্বাস্থ্যকর আবাসনে মানবেতর জীবন, ডেঙ্গু ঝুঁকিতে মাঠপর্যায়ের বেশিরভাগ পুলিশ
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অস্বাস্থ্যকর ও ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে বসবাস করছেন মাঠপর্যায়ের বেশিরভাগ পুলিশ সদস্য। এমন অনেক থানা রয়েছে যার চারপাশে ঝোপঝাড়, ভবনের পাশে জমে থাকা পানি এবং তীব্র মশা ও মাছির উপদ্রব। এর মধ্যে পুরোনো ভবনের ছোট ছোট কক্ষে গাদাগাদি করে থাকতে হচ্ছে তাদের। পরিস্থিতি এমন যে, মশার উপদ্রব থেকে বাঁচতে দিন-রাত মশারি টানিয়ে রাখতে হচ্ছে। চলমান ডেঙ্গু পরিস্থিতিতে এমন আবাসন বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে রোগ সংক্রমণের ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে।
সরকারি হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছরের ২৮ জুলাই পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ৪৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৪ হাজার ১৫৬ জন।
ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার জেলা থেকে উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত সমন্বিত প্রস্তুতি নেওয়ার কথা বললেও ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন পুলিশ সদস্যরা।
পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, কনস্টেবল, নায়েক, এএসআই, এসআই মিলিয়ে প্রায় দুই লাখ ৭৩ হাজারের মতো পুলিশ সদস্য রয়েছেন। এরা মূলত সরাসরি মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করেন। এর মধ্যে কেউ কেউ থানায় যুক্ত, আবার কেউ থাকেন রিজার্ভ ফোর্স হিসেবে। বর্তমানে বাহিনীর মোট সদস্যের মধ্যে ১০ শতাংশের মতো আবাসন সুবিধা পান। বাকিরা থাকেন নিজ নিজ ব্যবস্থাপনায়।
রাজধানীর বিভিন্ন থানায় পুরোনো ও জীর্ণ ভবনে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বসবাস করছেন অধিকাংশ পুলিশ সদস্য। এক রুমে বোর্ড লাগিয়ে কয়েকজন সদস্য গাদাগাদি করে থাকছেন। বৃষ্টি হলেই জমে থাকে পানি। নেই গোসলের তেমন কোনো সুব্যবস্থা। রয়েছে শৌচাগার সংকট। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ হওয়ায় বাড়ছে মশার উপদ্রব। এমন পরিস্থিতিতে দিনরাত মশারি টানিয়ে রাখতে হয় তাদের।
শুধু রাজধানী নয়, সারা দেশেই মাঠপর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের আবাসনের চিত্র প্রায় একই। ডিএমপির ভিআইপি প্রটেকশন ব্যারাকেও পুলিশ সদস্যদের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে থাকতে হয়। পর্যাপ্ত আবাসন ব্যবস্থা না থাকায় গাদাগাতি করে এক রুমে অনেকজনকে থাকতে হচ্ছে। এতে অনেক পুলিশ সদস্য ডেঙ্গু ছাড়াও নানা ধরনের রোগব্যাধিতে আক্রান্ত হন।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নোঙরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে থাকলে ডেঙ্গুর সংক্রমণ বাড়তে পারে। কোনো স্থানে জনঘনত্ব বেশি হলে তা ছোঁয়াচে ও দ্রুত সংক্রমণশীল রোগের বিস্তার ঘটানোর জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে। পাশাপাশি গাদাগাদি করে থাকার ফলে মানসিক স্বাস্থ্যেও প্রভাব পড়ে। কোনো সদস্য যখন থাকার জায়গা থেকেই বিরক্তি নিয়ে আসবে, সেটার প্রভাব তার কাজেও পড়বে। পুলিশের কাছ থেকে ভালো সেবা পেতে সবার আগে তাদের স্বাস্থ্যকর আবাসনসহ মৌলিক সুবিধাগুলো নিশ্চিত করা জরুরি বলে মনে করছেন তারা।

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অস্বাস্থ্যকর ও ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে বসবাস করছেন মাঠপর্যায়ের বেশিরভাগ পুলিশ সদস্য। এমন অনেক থানা রয়েছে যার চারপাশে ঝোপঝাড়, ভবনের পাশে জমে থাকা পানি এবং তীব্র মশা ও মাছির উপদ্রব। এর মধ্যে পুরোনো ভবনের ছোট ছোট কক্ষে গাদাগাদি করে থাকতে হচ্ছে তাদের। পরিস্থিতি এমন যে, মশার উপদ্রব থেকে বাঁচতে দিন-রাত মশারি টানিয়ে রাখতে হচ্ছে। চলমান ডেঙ্গু পরিস্থিতিতে এমন আবাসন বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে রোগ সংক্রমণের ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে।
সরকারি হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছরের ২৮ জুলাই পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ৪৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৪ হাজার ১৫৬ জন।
ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার জেলা থেকে উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত সমন্বিত প্রস্তুতি নেওয়ার কথা বললেও ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন পুলিশ সদস্যরা।
পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, কনস্টেবল, নায়েক, এএসআই, এসআই মিলিয়ে প্রায় দুই লাখ ৭৩ হাজারের মতো পুলিশ সদস্য রয়েছেন। এরা মূলত সরাসরি মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করেন। এর মধ্যে কেউ কেউ থানায় যুক্ত, আবার কেউ থাকেন রিজার্ভ ফোর্স হিসেবে। বর্তমানে বাহিনীর মোট সদস্যের মধ্যে ১০ শতাংশের মতো আবাসন সুবিধা পান। বাকিরা থাকেন নিজ নিজ ব্যবস্থাপনায়।
রাজধানীর বিভিন্ন থানায় পুরোনো ও জীর্ণ ভবনে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বসবাস করছেন অধিকাংশ পুলিশ সদস্য। এক রুমে বোর্ড লাগিয়ে কয়েকজন সদস্য গাদাগাদি করে থাকছেন। বৃষ্টি হলেই জমে থাকে পানি। নেই গোসলের তেমন কোনো সুব্যবস্থা। রয়েছে শৌচাগার সংকট। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ হওয়ায় বাড়ছে মশার উপদ্রব। এমন পরিস্থিতিতে দিনরাত মশারি টানিয়ে রাখতে হয় তাদের।
শুধু রাজধানী নয়, সারা দেশেই মাঠপর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের আবাসনের চিত্র প্রায় একই। ডিএমপির ভিআইপি প্রটেকশন ব্যারাকেও পুলিশ সদস্যদের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে থাকতে হয়। পর্যাপ্ত আবাসন ব্যবস্থা না থাকায় গাদাগাতি করে এক রুমে অনেকজনকে থাকতে হচ্ছে। এতে অনেক পুলিশ সদস্য ডেঙ্গু ছাড়াও নানা ধরনের রোগব্যাধিতে আক্রান্ত হন।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নোঙরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে থাকলে ডেঙ্গুর সংক্রমণ বাড়তে পারে। কোনো স্থানে জনঘনত্ব বেশি হলে তা ছোঁয়াচে ও দ্রুত সংক্রমণশীল রোগের বিস্তার ঘটানোর জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে। পাশাপাশি গাদাগাদি করে থাকার ফলে মানসিক স্বাস্থ্যেও প্রভাব পড়ে। কোনো সদস্য যখন থাকার জায়গা থেকেই বিরক্তি নিয়ে আসবে, সেটার প্রভাব তার কাজেও পড়বে। পুলিশের কাছ থেকে ভালো সেবা পেতে সবার আগে তাদের স্বাস্থ্যকর আবাসনসহ মৌলিক সুবিধাগুলো নিশ্চিত করা জরুরি বলে মনে করছেন তারা।

অস্বাস্থ্যকর আবাসনে মানবেতর জীবন, ডেঙ্গু ঝুঁকিতে মাঠপর্যায়ের বেশিরভাগ পুলিশ
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অস্বাস্থ্যকর ও ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে বসবাস করছেন মাঠপর্যায়ের বেশিরভাগ পুলিশ সদস্য। এমন অনেক থানা রয়েছে যার চারপাশে ঝোপঝাড়, ভবনের পাশে জমে থাকা পানি এবং তীব্র মশা ও মাছির উপদ্রব। এর মধ্যে পুরোনো ভবনের ছোট ছোট কক্ষে গাদাগাদি করে থাকতে হচ্ছে তাদের। পরিস্থিতি এমন যে, মশার উপদ্রব থেকে বাঁচতে দিন-রাত মশারি টানিয়ে রাখতে হচ্ছে। চলমান ডেঙ্গু পরিস্থিতিতে এমন আবাসন বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে রোগ সংক্রমণের ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে।
সরকারি হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছরের ২৮ জুলাই পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ৪৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৪ হাজার ১৫৬ জন।
ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার জেলা থেকে উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত সমন্বিত প্রস্তুতি নেওয়ার কথা বললেও ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন পুলিশ সদস্যরা।
পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, কনস্টেবল, নায়েক, এএসআই, এসআই মিলিয়ে প্রায় দুই লাখ ৭৩ হাজারের মতো পুলিশ সদস্য রয়েছেন। এরা মূলত সরাসরি মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করেন। এর মধ্যে কেউ কেউ থানায় যুক্ত, আবার কেউ থাকেন রিজার্ভ ফোর্স হিসেবে। বর্তমানে বাহিনীর মোট সদস্যের মধ্যে ১০ শতাংশের মতো আবাসন সুবিধা পান। বাকিরা থাকেন নিজ নিজ ব্যবস্থাপনায়।
রাজধানীর বিভিন্ন থানায় পুরোনো ও জীর্ণ ভবনে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বসবাস করছেন অধিকাংশ পুলিশ সদস্য। এক রুমে বোর্ড লাগিয়ে কয়েকজন সদস্য গাদাগাদি করে থাকছেন। বৃষ্টি হলেই জমে থাকে পানি। নেই গোসলের তেমন কোনো সুব্যবস্থা। রয়েছে শৌচাগার সংকট। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ হওয়ায় বাড়ছে মশার উপদ্রব। এমন পরিস্থিতিতে দিনরাত মশারি টানিয়ে রাখতে হয় তাদের।
শুধু রাজধানী নয়, সারা দেশেই মাঠপর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের আবাসনের চিত্র প্রায় একই। ডিএমপির ভিআইপি প্রটেকশন ব্যারাকেও পুলিশ সদস্যদের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে থাকতে হয়। পর্যাপ্ত আবাসন ব্যবস্থা না থাকায় গাদাগাতি করে এক রুমে অনেকজনকে থাকতে হচ্ছে। এতে অনেক পুলিশ সদস্য ডেঙ্গু ছাড়াও নানা ধরনের রোগব্যাধিতে আক্রান্ত হন।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নোঙরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে থাকলে ডেঙ্গুর সংক্রমণ বাড়তে পারে। কোনো স্থানে জনঘনত্ব বেশি হলে তা ছোঁয়াচে ও দ্রুত সংক্রমণশীল রোগের বিস্তার ঘটানোর জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে। পাশাপাশি গাদাগাদি করে থাকার ফলে মানসিক স্বাস্থ্যেও প্রভাব পড়ে। কোনো সদস্য যখন থাকার জায়গা থেকেই বিরক্তি নিয়ে আসবে, সেটার প্রভাব তার কাজেও পড়বে। পুলিশের কাছ থেকে ভালো সেবা পেতে সবার আগে তাদের স্বাস্থ্যকর আবাসনসহ মৌলিক সুবিধাগুলো নিশ্চিত করা জরুরি বলে মনে করছেন তারা।

২০ বছর পর পুলিশে যোগ দিলেন ৫৮ এএসপি







