২০ বছর পর পুলিশে যোগ দিলেন ৫৮ এএসপি

২০ বছর পর পুলিশে যোগ দিলেন ৫৮ এএসপি
নিজস্ব প্রতিবেদক

২০ বছরেরও অধিক সময় পর অবশেষে ২৭তম বিসিএস পুলিশ ব্যাচের বঞ্চিতদের মধ্যে প্রথম পর্যায়ের শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপারদের (এএসপি) প্রশিক্ষণ শেষ হয়েছে। রাজশাহীর সারদায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে ৬ মাসব্যাপী মৌলিক প্রশিক্ষণ শেষে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে কর্মজীবনে প্রবেশের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন।
রবিবার (২ আগস্ট) সারদায় আয়োজিত সমাপনী কুচকাওয়াজে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে দীর্ঘদিন ধরে বঞ্চিত এসব পুলিশ কর্মকর্তাদের অভিবাদন গ্রহণ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে গতকালের প্রশিক্ষণ ও সমাপনী অনুষ্ঠানটি ছিলো ব্যাতীক্রম। কারণ, নবীন কর্মকর্তা হিসেবে যে ৫৮ জন প্রশিক্ষণ শেষ করেছন, তাদের অধিকাংশের বয়সই ৪০ এর ওপরে। কারও কারও পঞ্চাশের কাছাকাছি। ২০০৫ সালে ২৭তম বিসিএসের মাধ্যমে এএসপি পদে চাকরির চূড়ান্ত পর্যায়ে গিয়েও তারা যোগদানের সুযোগ পাননি। তবে বিশেষ সুযোগে চলতি বছরের ৩১ জানুয়ারি সরকার তাদের পুলিশে নিয়োগ দেয়। এর পরদিনই শুরু হয় ৬ মাসের মৌলিক প্রশিক্ষণ। ইতিমধ্যেই দেশের বিভিন্ন জেলায় তাদের পদায়ন করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৫৭ জন ২৭তম বিসিএসের, আর একজন ২৮তম ব্যাচের।
রবিবার সকালে পুলিশ একাডেমিতে কুচকাওয়াজ পরিদর্শন ও অভিবাদন গ্রহণ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। পরে তিনি বিভিন্ন বিষয়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারী প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন এবং নবীন কর্মকর্তাদের উদ্দেশে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘দীর্ঘ বঞ্চনার পর অধিকার ফিরে পাওয়া এই কর্মকর্তাদের প্রতি জাতির প্রত্যাশা অনেক। সেজন্য দুর্নীতিমুক্ত থেকে জনগণের আস্থা অর্জন করে পুলিশকে সত্যিকার অর্থেই জনবান্ধব বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।’
সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে জানিয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘দুর্নীতির করাল গ্রাস যেন আপনাদের স্পর্শ করতে না পারে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। আপনারা এমন একটি ব্যাচ, যারা নতুন রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতায় কর্মজীবনে পদার্পণ করছেন। সুতরাং আপনাদের দায়িত্ব অনেক বেশি। রাষ্ট্রের এই রূপান্তরকালে নিজেদের উপযোগী করে গড়ে তুলতে হবে। সততা, দক্ষতা ও পেশাদারত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘সরকার বিশ্বাস করে পুলিশ কোনো বিশেষ দলের বা গোষ্ঠীর লাঠিয়াল বাহিনী নয় বরং পুলিশ হবে জনগণের প্রকৃত বন্ধু। পুলিশকে দলীয় প্রভাবমুক্ত করে একটি আধুনিক, সেবাধর্মী ও মানবিক সংস্থায় রূপান্তর করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রায় দেড় যুগ আগে আপনারা রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছিলেন। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ন্যায্য অধিকার ফিরে পেয়েছেন। তবে মনে রাখতে হবে, এই বঞ্চনা ও নিপীড়নের পর অধিকার ফিরে পাওয়ার কারণে জাতির প্রত্যাশাও আপনাদের প্রতি অনেক বেশি।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে পুলিশ বাহিনী বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে এসে জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধারে পেশাদারিত্ব, নিরপেক্ষতা ও মানবিক আচরণের বিকল্প নেই। কোনো ব্যক্তি যেন সেবা নিতে গিয়ে হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে যে নতুন প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে, সেই প্রত্যাশা পূরণে পুলিশকে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।’
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু ও পুলিশের মহাপরিদর্শক আলী হোসেন ফকির।

২০ বছরেরও অধিক সময় পর অবশেষে ২৭তম বিসিএস পুলিশ ব্যাচের বঞ্চিতদের মধ্যে প্রথম পর্যায়ের শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপারদের (এএসপি) প্রশিক্ষণ শেষ হয়েছে। রাজশাহীর সারদায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে ৬ মাসব্যাপী মৌলিক প্রশিক্ষণ শেষে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে কর্মজীবনে প্রবেশের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন।
রবিবার (২ আগস্ট) সারদায় আয়োজিত সমাপনী কুচকাওয়াজে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে দীর্ঘদিন ধরে বঞ্চিত এসব পুলিশ কর্মকর্তাদের অভিবাদন গ্রহণ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে গতকালের প্রশিক্ষণ ও সমাপনী অনুষ্ঠানটি ছিলো ব্যাতীক্রম। কারণ, নবীন কর্মকর্তা হিসেবে যে ৫৮ জন প্রশিক্ষণ শেষ করেছন, তাদের অধিকাংশের বয়সই ৪০ এর ওপরে। কারও কারও পঞ্চাশের কাছাকাছি। ২০০৫ সালে ২৭তম বিসিএসের মাধ্যমে এএসপি পদে চাকরির চূড়ান্ত পর্যায়ে গিয়েও তারা যোগদানের সুযোগ পাননি। তবে বিশেষ সুযোগে চলতি বছরের ৩১ জানুয়ারি সরকার তাদের পুলিশে নিয়োগ দেয়। এর পরদিনই শুরু হয় ৬ মাসের মৌলিক প্রশিক্ষণ। ইতিমধ্যেই দেশের বিভিন্ন জেলায় তাদের পদায়ন করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৫৭ জন ২৭তম বিসিএসের, আর একজন ২৮তম ব্যাচের।
রবিবার সকালে পুলিশ একাডেমিতে কুচকাওয়াজ পরিদর্শন ও অভিবাদন গ্রহণ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। পরে তিনি বিভিন্ন বিষয়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারী প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন এবং নবীন কর্মকর্তাদের উদ্দেশে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘দীর্ঘ বঞ্চনার পর অধিকার ফিরে পাওয়া এই কর্মকর্তাদের প্রতি জাতির প্রত্যাশা অনেক। সেজন্য দুর্নীতিমুক্ত থেকে জনগণের আস্থা অর্জন করে পুলিশকে সত্যিকার অর্থেই জনবান্ধব বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।’
সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে জানিয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘দুর্নীতির করাল গ্রাস যেন আপনাদের স্পর্শ করতে না পারে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। আপনারা এমন একটি ব্যাচ, যারা নতুন রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতায় কর্মজীবনে পদার্পণ করছেন। সুতরাং আপনাদের দায়িত্ব অনেক বেশি। রাষ্ট্রের এই রূপান্তরকালে নিজেদের উপযোগী করে গড়ে তুলতে হবে। সততা, দক্ষতা ও পেশাদারত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘সরকার বিশ্বাস করে পুলিশ কোনো বিশেষ দলের বা গোষ্ঠীর লাঠিয়াল বাহিনী নয় বরং পুলিশ হবে জনগণের প্রকৃত বন্ধু। পুলিশকে দলীয় প্রভাবমুক্ত করে একটি আধুনিক, সেবাধর্মী ও মানবিক সংস্থায় রূপান্তর করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রায় দেড় যুগ আগে আপনারা রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছিলেন। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ন্যায্য অধিকার ফিরে পেয়েছেন। তবে মনে রাখতে হবে, এই বঞ্চনা ও নিপীড়নের পর অধিকার ফিরে পাওয়ার কারণে জাতির প্রত্যাশাও আপনাদের প্রতি অনেক বেশি।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে পুলিশ বাহিনী বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে এসে জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধারে পেশাদারিত্ব, নিরপেক্ষতা ও মানবিক আচরণের বিকল্প নেই। কোনো ব্যক্তি যেন সেবা নিতে গিয়ে হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে যে নতুন প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে, সেই প্রত্যাশা পূরণে পুলিশকে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।’
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু ও পুলিশের মহাপরিদর্শক আলী হোসেন ফকির।

২০ বছর পর পুলিশে যোগ দিলেন ৫৮ এএসপি
নিজস্ব প্রতিবেদক

২০ বছরেরও অধিক সময় পর অবশেষে ২৭তম বিসিএস পুলিশ ব্যাচের বঞ্চিতদের মধ্যে প্রথম পর্যায়ের শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপারদের (এএসপি) প্রশিক্ষণ শেষ হয়েছে। রাজশাহীর সারদায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে ৬ মাসব্যাপী মৌলিক প্রশিক্ষণ শেষে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে কর্মজীবনে প্রবেশের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন।
রবিবার (২ আগস্ট) সারদায় আয়োজিত সমাপনী কুচকাওয়াজে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে দীর্ঘদিন ধরে বঞ্চিত এসব পুলিশ কর্মকর্তাদের অভিবাদন গ্রহণ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে গতকালের প্রশিক্ষণ ও সমাপনী অনুষ্ঠানটি ছিলো ব্যাতীক্রম। কারণ, নবীন কর্মকর্তা হিসেবে যে ৫৮ জন প্রশিক্ষণ শেষ করেছন, তাদের অধিকাংশের বয়সই ৪০ এর ওপরে। কারও কারও পঞ্চাশের কাছাকাছি। ২০০৫ সালে ২৭তম বিসিএসের মাধ্যমে এএসপি পদে চাকরির চূড়ান্ত পর্যায়ে গিয়েও তারা যোগদানের সুযোগ পাননি। তবে বিশেষ সুযোগে চলতি বছরের ৩১ জানুয়ারি সরকার তাদের পুলিশে নিয়োগ দেয়। এর পরদিনই শুরু হয় ৬ মাসের মৌলিক প্রশিক্ষণ। ইতিমধ্যেই দেশের বিভিন্ন জেলায় তাদের পদায়ন করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৫৭ জন ২৭তম বিসিএসের, আর একজন ২৮তম ব্যাচের।
রবিবার সকালে পুলিশ একাডেমিতে কুচকাওয়াজ পরিদর্শন ও অভিবাদন গ্রহণ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। পরে তিনি বিভিন্ন বিষয়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারী প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন এবং নবীন কর্মকর্তাদের উদ্দেশে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘দীর্ঘ বঞ্চনার পর অধিকার ফিরে পাওয়া এই কর্মকর্তাদের প্রতি জাতির প্রত্যাশা অনেক। সেজন্য দুর্নীতিমুক্ত থেকে জনগণের আস্থা অর্জন করে পুলিশকে সত্যিকার অর্থেই জনবান্ধব বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।’
সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে জানিয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘দুর্নীতির করাল গ্রাস যেন আপনাদের স্পর্শ করতে না পারে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। আপনারা এমন একটি ব্যাচ, যারা নতুন রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতায় কর্মজীবনে পদার্পণ করছেন। সুতরাং আপনাদের দায়িত্ব অনেক বেশি। রাষ্ট্রের এই রূপান্তরকালে নিজেদের উপযোগী করে গড়ে তুলতে হবে। সততা, দক্ষতা ও পেশাদারত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘সরকার বিশ্বাস করে পুলিশ কোনো বিশেষ দলের বা গোষ্ঠীর লাঠিয়াল বাহিনী নয় বরং পুলিশ হবে জনগণের প্রকৃত বন্ধু। পুলিশকে দলীয় প্রভাবমুক্ত করে একটি আধুনিক, সেবাধর্মী ও মানবিক সংস্থায় রূপান্তর করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রায় দেড় যুগ আগে আপনারা রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছিলেন। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ন্যায্য অধিকার ফিরে পেয়েছেন। তবে মনে রাখতে হবে, এই বঞ্চনা ও নিপীড়নের পর অধিকার ফিরে পাওয়ার কারণে জাতির প্রত্যাশাও আপনাদের প্রতি অনেক বেশি।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে পুলিশ বাহিনী বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে এসে জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধারে পেশাদারিত্ব, নিরপেক্ষতা ও মানবিক আচরণের বিকল্প নেই। কোনো ব্যক্তি যেন সেবা নিতে গিয়ে হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে যে নতুন প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে, সেই প্রত্যাশা পূরণে পুলিশকে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।’
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু ও পুলিশের মহাপরিদর্শক আলী হোসেন ফকির।

পুলিশ কোনো দলের লাঠিয়াল বাহিনী নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বেনজীরের জামিন বাতিলে দুবাইয়ে ল’ ফার্ম নিয়োগ হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী







