প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এই কূপ থেকে প্রতিদিন ৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রীডে যুক্ত হবে।
ভোলার গ্যাস মূল ভূখণ্ডে এনে ব্যবহারের জন্য পাইপলাইন নির্মাণে প্রাথমিক ব্যয় ধরা হয়েছিল ৬০০ কোটি টাকা। কিন্তু অর্থনৈতিক ঝুঁকি বিবেচনা, সিদ্ধান্তহীনতা ও এলএনজি আমদানি লবির তদবির ও দেনদরবারে তা হাতছাড়া হয়।