অবশেষে সামনে এল চীনের গোপন মহাকাশযান ‘শেনলোং’

অবশেষে সামনে এল চীনের গোপন মহাকাশযান ‘শেনলোং’
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

মহাকাশে চীনের অতি গোপনীয় মহাকাশযান ‘শেনলোং’ নিয়ে দীর্ঘদিনের জল্পনা-কল্পনার এবার কিছুটা অবসান ঘটল। যুক্তরাষ্ট্রের ডিফেন্স ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি (ডিআইএ) এ রহস্যময় মহাকাশযানটির এযাবৎকালের সবচেয়ে স্পষ্ট ও নিখুঁত একটি ছবি প্রকাশ করেছে। ভূ-স্থানিক গোয়েন্দা সংস্থা ‘ম্যাক্সার টেকনোলজিস’-এর ক্যামেরায় ধরা পড়া ছবিতে যানটিকে নিচ থেকে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে, যার লেজের অংশে রয়েছে সোলার বা সৌর প্যানেল। ম্যাক্সারের ছবিটি ২০২৩ সালে শেনলোংয়ের দীর্ঘ মেয়াদী মহাকাশ অভিযানের সময় ধারণ করা হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। সম্প্রতি ডিআইএ তাদের ১৩০ পৃষ্ঠার ‘চ্যালেঞ্জেস টু সিকিউরিটি ইন স্পেস’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এ ছবি ও নানা চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আনে।
প্রায় দুই দশক ধরে অস্তিত্বে থাকলেও চীনের মহাকাশযানটির আসল কাজ এবং এর প্রকৃত ক্ষমতা নিয়ে রহস্যের শেষ নেই। ২০২০ সালে প্রথমবার এর একটি প্রোটোটাইপ দুদিনের কক্ষপথ অভিযানে পাঠানো হয়েছিল। এরপর ২০২২ সালে এটি টানা ২৭৬ দিন এবং ২০২৩ সালে তৃতীয় দফায় ২৬৮ দিন মহাকাশে কাটিয়ে ইতিহাস গড়ে। ডিআইএর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের সে অভিযানের সময়ই শেনলোং কক্ষপথে রহস্যজনকভাবে একটি অজ্ঞাত বস্তু ছেড়ে দিয়েছিল। তবে এটি ছাড়া যানটির ভেতরের কারিগরি সক্ষমতা বা অন্যান্য কার্যক্রম আজও পুরোপুরি গোপনীয়তার চাদরে ঢাকা। সাম্প্রতিক তথ্য বলছে, গত ২০২৬ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি চীনের জিউকুয়ান স্যাটেলাইট লাঞ্চ সেন্টার থেকে চতুর্থবারের মতো মহাকাশযাত্রায় অংশ নিয়েছে শেনলোং।
ডিআইএর নতুন প্রতিবেদনে শুধু চীন একা নয়, বরং রাশিয়া, ইরান এবং উত্তর কোরিয়ার ক্রমবর্ধমান মহাকাশ উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে ভবিষ্যতের বড় নিরাপত্তা ঝুঁকি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিবেদনে বিশেষভাবে জোর দেওয়া হয়েছে মহাকাশ বর্জ্যের ক্রমবর্ধমান সংকটের ওপর। অকেজো স্যাটেলাইট ও মহাকাশযানের নানা ধ্বংসাবশেষ যেভাবে বাড়ছে, তাতে যে কোনো সময় ‘কেসলার সিনড্রোম’ নামক এক ভয়ংকর চেইন রিঅ্যাকশন বা শৃঙ্খল বিক্রিয়া শুরু হতে পারে। এমনটা ঘটলে উচ্চগতির সংঘর্ষে একের পর এক কর্মক্ষম স্যাটেলাইট ধ্বংস হয়ে মহাকাশে আরও লাখ লাখ বিপজ্জনক বর্জ্য তৈরি হবে।
চীনের শেনলোংয়ের সঙ্গে বরাবরই তুলনা চলে যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব গোপন মহাকাশযান বোয়িংয়ের তৈরি ‘এক্স-৩৭বি’র। মার্কিন মহকাশযানটি ইতোমধ্যেই তার অষ্টম অভিযানে পৃথিবীর কক্ষপথে ৪৩১ দিন কাটিয়ে দারুণ সক্ষমতা দেখিয়েছে। বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য গ্যালিয়াম আর্সেনাইড সোলার সেল ব্যবহার করা ২৯ ফুটের বেশি লম্বা যানটির ডানার বিস্তার প্রায় ১৫ ফুট। ঘণ্টায় ২৮ হাজার ৪৪ কিলোমিটার অবিশ্বাস্য গতিতে ছুটে চলা এ মার্কিন স্পেসপ্লেনটি খাড়াভাবে উড্ডয়ন এবং আনুভূমিকভাবে অবতরণে সক্ষম।
সূত্র: উইয়ন নিউজ

মহাকাশে চীনের অতি গোপনীয় মহাকাশযান ‘শেনলোং’ নিয়ে দীর্ঘদিনের জল্পনা-কল্পনার এবার কিছুটা অবসান ঘটল। যুক্তরাষ্ট্রের ডিফেন্স ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি (ডিআইএ) এ রহস্যময় মহাকাশযানটির এযাবৎকালের সবচেয়ে স্পষ্ট ও নিখুঁত একটি ছবি প্রকাশ করেছে। ভূ-স্থানিক গোয়েন্দা সংস্থা ‘ম্যাক্সার টেকনোলজিস’-এর ক্যামেরায় ধরা পড়া ছবিতে যানটিকে নিচ থেকে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে, যার লেজের অংশে রয়েছে সোলার বা সৌর প্যানেল। ম্যাক্সারের ছবিটি ২০২৩ সালে শেনলোংয়ের দীর্ঘ মেয়াদী মহাকাশ অভিযানের সময় ধারণ করা হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। সম্প্রতি ডিআইএ তাদের ১৩০ পৃষ্ঠার ‘চ্যালেঞ্জেস টু সিকিউরিটি ইন স্পেস’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এ ছবি ও নানা চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আনে।
প্রায় দুই দশক ধরে অস্তিত্বে থাকলেও চীনের মহাকাশযানটির আসল কাজ এবং এর প্রকৃত ক্ষমতা নিয়ে রহস্যের শেষ নেই। ২০২০ সালে প্রথমবার এর একটি প্রোটোটাইপ দুদিনের কক্ষপথ অভিযানে পাঠানো হয়েছিল। এরপর ২০২২ সালে এটি টানা ২৭৬ দিন এবং ২০২৩ সালে তৃতীয় দফায় ২৬৮ দিন মহাকাশে কাটিয়ে ইতিহাস গড়ে। ডিআইএর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের সে অভিযানের সময়ই শেনলোং কক্ষপথে রহস্যজনকভাবে একটি অজ্ঞাত বস্তু ছেড়ে দিয়েছিল। তবে এটি ছাড়া যানটির ভেতরের কারিগরি সক্ষমতা বা অন্যান্য কার্যক্রম আজও পুরোপুরি গোপনীয়তার চাদরে ঢাকা। সাম্প্রতিক তথ্য বলছে, গত ২০২৬ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি চীনের জিউকুয়ান স্যাটেলাইট লাঞ্চ সেন্টার থেকে চতুর্থবারের মতো মহাকাশযাত্রায় অংশ নিয়েছে শেনলোং।
ডিআইএর নতুন প্রতিবেদনে শুধু চীন একা নয়, বরং রাশিয়া, ইরান এবং উত্তর কোরিয়ার ক্রমবর্ধমান মহাকাশ উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে ভবিষ্যতের বড় নিরাপত্তা ঝুঁকি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিবেদনে বিশেষভাবে জোর দেওয়া হয়েছে মহাকাশ বর্জ্যের ক্রমবর্ধমান সংকটের ওপর। অকেজো স্যাটেলাইট ও মহাকাশযানের নানা ধ্বংসাবশেষ যেভাবে বাড়ছে, তাতে যে কোনো সময় ‘কেসলার সিনড্রোম’ নামক এক ভয়ংকর চেইন রিঅ্যাকশন বা শৃঙ্খল বিক্রিয়া শুরু হতে পারে। এমনটা ঘটলে উচ্চগতির সংঘর্ষে একের পর এক কর্মক্ষম স্যাটেলাইট ধ্বংস হয়ে মহাকাশে আরও লাখ লাখ বিপজ্জনক বর্জ্য তৈরি হবে।
চীনের শেনলোংয়ের সঙ্গে বরাবরই তুলনা চলে যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব গোপন মহাকাশযান বোয়িংয়ের তৈরি ‘এক্স-৩৭বি’র। মার্কিন মহকাশযানটি ইতোমধ্যেই তার অষ্টম অভিযানে পৃথিবীর কক্ষপথে ৪৩১ দিন কাটিয়ে দারুণ সক্ষমতা দেখিয়েছে। বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য গ্যালিয়াম আর্সেনাইড সোলার সেল ব্যবহার করা ২৯ ফুটের বেশি লম্বা যানটির ডানার বিস্তার প্রায় ১৫ ফুট। ঘণ্টায় ২৮ হাজার ৪৪ কিলোমিটার অবিশ্বাস্য গতিতে ছুটে চলা এ মার্কিন স্পেসপ্লেনটি খাড়াভাবে উড্ডয়ন এবং আনুভূমিকভাবে অবতরণে সক্ষম।
সূত্র: উইয়ন নিউজ

অবশেষে সামনে এল চীনের গোপন মহাকাশযান ‘শেনলোং’
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

মহাকাশে চীনের অতি গোপনীয় মহাকাশযান ‘শেনলোং’ নিয়ে দীর্ঘদিনের জল্পনা-কল্পনার এবার কিছুটা অবসান ঘটল। যুক্তরাষ্ট্রের ডিফেন্স ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি (ডিআইএ) এ রহস্যময় মহাকাশযানটির এযাবৎকালের সবচেয়ে স্পষ্ট ও নিখুঁত একটি ছবি প্রকাশ করেছে। ভূ-স্থানিক গোয়েন্দা সংস্থা ‘ম্যাক্সার টেকনোলজিস’-এর ক্যামেরায় ধরা পড়া ছবিতে যানটিকে নিচ থেকে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে, যার লেজের অংশে রয়েছে সোলার বা সৌর প্যানেল। ম্যাক্সারের ছবিটি ২০২৩ সালে শেনলোংয়ের দীর্ঘ মেয়াদী মহাকাশ অভিযানের সময় ধারণ করা হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। সম্প্রতি ডিআইএ তাদের ১৩০ পৃষ্ঠার ‘চ্যালেঞ্জেস টু সিকিউরিটি ইন স্পেস’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এ ছবি ও নানা চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আনে।
প্রায় দুই দশক ধরে অস্তিত্বে থাকলেও চীনের মহাকাশযানটির আসল কাজ এবং এর প্রকৃত ক্ষমতা নিয়ে রহস্যের শেষ নেই। ২০২০ সালে প্রথমবার এর একটি প্রোটোটাইপ দুদিনের কক্ষপথ অভিযানে পাঠানো হয়েছিল। এরপর ২০২২ সালে এটি টানা ২৭৬ দিন এবং ২০২৩ সালে তৃতীয় দফায় ২৬৮ দিন মহাকাশে কাটিয়ে ইতিহাস গড়ে। ডিআইএর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের সে অভিযানের সময়ই শেনলোং কক্ষপথে রহস্যজনকভাবে একটি অজ্ঞাত বস্তু ছেড়ে দিয়েছিল। তবে এটি ছাড়া যানটির ভেতরের কারিগরি সক্ষমতা বা অন্যান্য কার্যক্রম আজও পুরোপুরি গোপনীয়তার চাদরে ঢাকা। সাম্প্রতিক তথ্য বলছে, গত ২০২৬ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি চীনের জিউকুয়ান স্যাটেলাইট লাঞ্চ সেন্টার থেকে চতুর্থবারের মতো মহাকাশযাত্রায় অংশ নিয়েছে শেনলোং।
ডিআইএর নতুন প্রতিবেদনে শুধু চীন একা নয়, বরং রাশিয়া, ইরান এবং উত্তর কোরিয়ার ক্রমবর্ধমান মহাকাশ উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে ভবিষ্যতের বড় নিরাপত্তা ঝুঁকি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিবেদনে বিশেষভাবে জোর দেওয়া হয়েছে মহাকাশ বর্জ্যের ক্রমবর্ধমান সংকটের ওপর। অকেজো স্যাটেলাইট ও মহাকাশযানের নানা ধ্বংসাবশেষ যেভাবে বাড়ছে, তাতে যে কোনো সময় ‘কেসলার সিনড্রোম’ নামক এক ভয়ংকর চেইন রিঅ্যাকশন বা শৃঙ্খল বিক্রিয়া শুরু হতে পারে। এমনটা ঘটলে উচ্চগতির সংঘর্ষে একের পর এক কর্মক্ষম স্যাটেলাইট ধ্বংস হয়ে মহাকাশে আরও লাখ লাখ বিপজ্জনক বর্জ্য তৈরি হবে।
চীনের শেনলোংয়ের সঙ্গে বরাবরই তুলনা চলে যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব গোপন মহাকাশযান বোয়িংয়ের তৈরি ‘এক্স-৩৭বি’র। মার্কিন মহকাশযানটি ইতোমধ্যেই তার অষ্টম অভিযানে পৃথিবীর কক্ষপথে ৪৩১ দিন কাটিয়ে দারুণ সক্ষমতা দেখিয়েছে। বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য গ্যালিয়াম আর্সেনাইড সোলার সেল ব্যবহার করা ২৯ ফুটের বেশি লম্বা যানটির ডানার বিস্তার প্রায় ১৫ ফুট। ঘণ্টায় ২৮ হাজার ৪৪ কিলোমিটার অবিশ্বাস্য গতিতে ছুটে চলা এ মার্কিন স্পেসপ্লেনটি খাড়াভাবে উড্ডয়ন এবং আনুভূমিকভাবে অবতরণে সক্ষম।
সূত্র: উইয়ন নিউজ

আরও নির্ভুল পারমাণবিক আলোকঘড়ি তৈরি চীনা বিজ্ঞানীদের







