বিশ্বকাপে মেসিকে হামলার টার্গেট, হুমকিতে রোনালদোও

বিশ্বকাপে মেসিকে হামলার টার্গেট, হুমকিতে রোনালদোও
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

ফুটবল বিশ্বকাপ চলাকালে লিওনেল মেসিকে লক্ষ্য করে আত্মঘাতী হামলার পরিকল্পনা করা হয়েছিলো বলে দাবি করা হয়েছে। শুধু মেসি নয়, ওই সময় আর্জেন্টিনা দলসহ বিভিন্ন দলের খেলোয়াড়, ফিফার কর্মকর্তা, রেফারি ও পুলিশ সদস্যদেরও হামলার হুমকি দেওয়া হয়েছিলো। এ ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা বাহিনীকে একাধিক হুমকিমূলক ই-মেইল ও বার্তা দেওয়া হয়।
যুক্তরাষ্ট্র পুলিশের ফাঁস হওয়া এক নিরাপত্তা নথিতে উঠে এসেছে, গত মাসে শেষ হওয়া ফুটবল বিশ্বকাপ চলাকালে মেসি, রোনালদো, খেলোয়াড়, রেফারি ও কর্মকর্তাদের ঘিরে একের পর এক ভয়াবহ হুমকির চিত্র। যেখানে ছিলো বোমা হামলার হুমকি, মৃত্যুর হুমকি, অস্ত্র নিয়ে স্টেডিয়ামে ঢোকার পরিকল্পনা- এমন কী আত্মঘাতী হামলার হুমকিও।
স্পেনের ইনফরমেশন ডট ইএসের বরাত দিয়ে এসব তথ্য প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য সান।
এছাড়া, টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফাঁস হওয়া পুলিশের প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী সবচেয়ে বড় হামলার পরিকল্পনার কথা বলা হয়েছিলো আর্জেন্টিনা-জর্ডান ম্যাচকে ঘিরে। এক ব্যক্তি ফোন করে হুমকি দিয়ে দাবি করেন, তিনি ও আরো দুজন ঘরে তৈরি বোমা এবং এআর-১৫ রাইফেল নিয়ে স্টেডিয়ামে প্রবেশ করবেন। তাদের লক্ষ্য ছিল মেসিসহ আর্জেন্টিনা দলের খেলোয়াড় ও কর্মকর্তারা। পাশাপাশি জর্ডান দলের সদস্য এবং পুলিশকেও হামলার হুমকি দেওয়া হয়। তবে মেসিকেই প্রধান লক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিলো।
▫ Bomb plot to kill Messi
— 𝙵𝚛𝚘𝚗𝚝 𝙿𝚊𝚐𝚎𝚜 𝚃𝚘𝚍𝚊𝚢 📰 (@ukpapers) August 8, 2026
▫Lionel Messi terror plot as dossier exposes plan to 'blow him up' with suicide bombers
▫@LiamJRandall
▫https://t.co/08izZCewHy@dailystar #frontpagestoday #UK 🇬🇧 pic.twitter.com/R3YOHRviuc
আর্জেন্টিনা-মিশর ম্যাচ ঘিরেও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিলো। ম্যাচ শুরুর কিছুক্ষণ আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক ব্যক্তি দাবি করেন, শরীরে চারটি বোমা বেঁধে তিনি আটলান্টার স্টেডিয়ামে প্রবেশ করবেন এবং বিস্ফোরণ ঘটিয়ে মেসিকে হত্যা করবেন। একই দিন অজ্ঞাতপরিচয় আরেক ব্যক্তি পুলিশকে ফোন করে দাবি করেন, স্টেডিয়ামের ভেতরে তিনটি ময়লার স্থানে বোমা রাখা হয়েছে।
মেসির মতো ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকেও ঘিরে ছিল নিরাপত্তার উদ্বেগ। ফিফার এক কর্মী পুলিশকে জানান, এক সন্দেহজনক ব্যক্তি রোনালদো কোথায় থাকছেন, সেই তথ্য জানার চেষ্টা করেছিলেন। এরপর আরও এক ব্যক্তি রোনালদোর হোটেলে ঢুকে তার সঙ্গে লিফটে ওঠার চেষ্টা করেন। পুলিশ তাকে থামালে দাবি করেন, তার উদ্দেশ্য ছিল শুধু একটি সেলফি তোলা।
শুধু খেলোয়াড় নয়, নিরাপত্তার ঝুঁকিতে ছিলেন ম্যাচ অফিসিয়ালরাও। আর্জেন্টিনা-মিশর ম্যাচের সিদ্ধান্ত নিয়ে ক্ষুব্ধ সমর্থকদের রোষে পড়েন ফরাসি রেফারি ফ্রাঁসোয়া ল্যাটেক্সিয়ার। তার হোয়াটসঅ্যাপে আসে ৬ হাজারের বেশি হুমকিমূলক বার্তা। ভিডিও সহকারী রেফারি উইলি দেলাজোও পান মৃত্যুর হুমকি।
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে আর্লিং হল্যান্ডকে পাস না দেওয়ার ঘটনায় নরওয়ের আলেক্সান্ডার সোরলথ ও তার স্ত্রী মৃত্যুর হুমকি পান। কলম্বিয়ার জোন হামিন্তন কামপাজ পেনাল্টি মিস করার পরও একই ধরনের হুমকির মুখে পড়েন। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে জাতীয় দলের সঙ্গে দেশে ফেরাও তার জন্য সম্ভব হয়নি।
বিশ্বকাপজুড়ে উত্তেজনার আরেক কেন্দ্রে ছিলেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। ফ্রান্সের কাছে হারের পর প্যারাগুয়ের সমর্থকরা এমবাপের নাম লেখা কুশপুত্তলিকা পোড়ান। ফরাসি তারকাকে লক্ষ্য করে দেওয়া হয় বর্ণবাদী স্লোগানও। এমন কী প্যারাগুয়ের এক সিনেটরও তাকে আক্রমণ করে মন্তব্য করেন।
নিরাপত্তা ভাঙার চেষ্টা হয়েছিল ইংল্যান্ডের মিডিয়া সেন্টারেও। এক ব্যক্তি হাতে রেঞ্চ নিয়ে সেখানে ঢুকে চিৎকার শুরু করেন। এরপর নিরাপত্তাব্যবস্থা আরও কড়া করা হয়। মিডিয়া সেন্টার ঘিরে তৈরি করা হয় তিন স্তরের নিরাপত্তাবেষ্টনী। বসানো হয় কংক্রিটের ব্যারিয়ার ও অ্যান্টি-স্নাইপার স্ক্রিন।
ড্রোন হামলা ঠেকাতে জারি করা হয় নো-ফ্লাই জোন। মোতায়েন করা হয় বিপুলসংখ্যক সশস্ত্র পুলিশ।

ফুটবল বিশ্বকাপ চলাকালে লিওনেল মেসিকে লক্ষ্য করে আত্মঘাতী হামলার পরিকল্পনা করা হয়েছিলো বলে দাবি করা হয়েছে। শুধু মেসি নয়, ওই সময় আর্জেন্টিনা দলসহ বিভিন্ন দলের খেলোয়াড়, ফিফার কর্মকর্তা, রেফারি ও পুলিশ সদস্যদেরও হামলার হুমকি দেওয়া হয়েছিলো। এ ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা বাহিনীকে একাধিক হুমকিমূলক ই-মেইল ও বার্তা দেওয়া হয়।
যুক্তরাষ্ট্র পুলিশের ফাঁস হওয়া এক নিরাপত্তা নথিতে উঠে এসেছে, গত মাসে শেষ হওয়া ফুটবল বিশ্বকাপ চলাকালে মেসি, রোনালদো, খেলোয়াড়, রেফারি ও কর্মকর্তাদের ঘিরে একের পর এক ভয়াবহ হুমকির চিত্র। যেখানে ছিলো বোমা হামলার হুমকি, মৃত্যুর হুমকি, অস্ত্র নিয়ে স্টেডিয়ামে ঢোকার পরিকল্পনা- এমন কী আত্মঘাতী হামলার হুমকিও।
স্পেনের ইনফরমেশন ডট ইএসের বরাত দিয়ে এসব তথ্য প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য সান।
এছাড়া, টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফাঁস হওয়া পুলিশের প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী সবচেয়ে বড় হামলার পরিকল্পনার কথা বলা হয়েছিলো আর্জেন্টিনা-জর্ডান ম্যাচকে ঘিরে। এক ব্যক্তি ফোন করে হুমকি দিয়ে দাবি করেন, তিনি ও আরো দুজন ঘরে তৈরি বোমা এবং এআর-১৫ রাইফেল নিয়ে স্টেডিয়ামে প্রবেশ করবেন। তাদের লক্ষ্য ছিল মেসিসহ আর্জেন্টিনা দলের খেলোয়াড় ও কর্মকর্তারা। পাশাপাশি জর্ডান দলের সদস্য এবং পুলিশকেও হামলার হুমকি দেওয়া হয়। তবে মেসিকেই প্রধান লক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিলো।
▫ Bomb plot to kill Messi
— 𝙵𝚛𝚘𝚗𝚝 𝙿𝚊𝚐𝚎𝚜 𝚃𝚘𝚍𝚊𝚢 📰 (@ukpapers) August 8, 2026
▫Lionel Messi terror plot as dossier exposes plan to 'blow him up' with suicide bombers
▫@LiamJRandall
▫https://t.co/08izZCewHy@dailystar #frontpagestoday #UK 🇬🇧 pic.twitter.com/R3YOHRviuc
আর্জেন্টিনা-মিশর ম্যাচ ঘিরেও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিলো। ম্যাচ শুরুর কিছুক্ষণ আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক ব্যক্তি দাবি করেন, শরীরে চারটি বোমা বেঁধে তিনি আটলান্টার স্টেডিয়ামে প্রবেশ করবেন এবং বিস্ফোরণ ঘটিয়ে মেসিকে হত্যা করবেন। একই দিন অজ্ঞাতপরিচয় আরেক ব্যক্তি পুলিশকে ফোন করে দাবি করেন, স্টেডিয়ামের ভেতরে তিনটি ময়লার স্থানে বোমা রাখা হয়েছে।
মেসির মতো ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকেও ঘিরে ছিল নিরাপত্তার উদ্বেগ। ফিফার এক কর্মী পুলিশকে জানান, এক সন্দেহজনক ব্যক্তি রোনালদো কোথায় থাকছেন, সেই তথ্য জানার চেষ্টা করেছিলেন। এরপর আরও এক ব্যক্তি রোনালদোর হোটেলে ঢুকে তার সঙ্গে লিফটে ওঠার চেষ্টা করেন। পুলিশ তাকে থামালে দাবি করেন, তার উদ্দেশ্য ছিল শুধু একটি সেলফি তোলা।
শুধু খেলোয়াড় নয়, নিরাপত্তার ঝুঁকিতে ছিলেন ম্যাচ অফিসিয়ালরাও। আর্জেন্টিনা-মিশর ম্যাচের সিদ্ধান্ত নিয়ে ক্ষুব্ধ সমর্থকদের রোষে পড়েন ফরাসি রেফারি ফ্রাঁসোয়া ল্যাটেক্সিয়ার। তার হোয়াটসঅ্যাপে আসে ৬ হাজারের বেশি হুমকিমূলক বার্তা। ভিডিও সহকারী রেফারি উইলি দেলাজোও পান মৃত্যুর হুমকি।
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে আর্লিং হল্যান্ডকে পাস না দেওয়ার ঘটনায় নরওয়ের আলেক্সান্ডার সোরলথ ও তার স্ত্রী মৃত্যুর হুমকি পান। কলম্বিয়ার জোন হামিন্তন কামপাজ পেনাল্টি মিস করার পরও একই ধরনের হুমকির মুখে পড়েন। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে জাতীয় দলের সঙ্গে দেশে ফেরাও তার জন্য সম্ভব হয়নি।
বিশ্বকাপজুড়ে উত্তেজনার আরেক কেন্দ্রে ছিলেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। ফ্রান্সের কাছে হারের পর প্যারাগুয়ের সমর্থকরা এমবাপের নাম লেখা কুশপুত্তলিকা পোড়ান। ফরাসি তারকাকে লক্ষ্য করে দেওয়া হয় বর্ণবাদী স্লোগানও। এমন কী প্যারাগুয়ের এক সিনেটরও তাকে আক্রমণ করে মন্তব্য করেন।
নিরাপত্তা ভাঙার চেষ্টা হয়েছিল ইংল্যান্ডের মিডিয়া সেন্টারেও। এক ব্যক্তি হাতে রেঞ্চ নিয়ে সেখানে ঢুকে চিৎকার শুরু করেন। এরপর নিরাপত্তাব্যবস্থা আরও কড়া করা হয়। মিডিয়া সেন্টার ঘিরে তৈরি করা হয় তিন স্তরের নিরাপত্তাবেষ্টনী। বসানো হয় কংক্রিটের ব্যারিয়ার ও অ্যান্টি-স্নাইপার স্ক্রিন।
ড্রোন হামলা ঠেকাতে জারি করা হয় নো-ফ্লাই জোন। মোতায়েন করা হয় বিপুলসংখ্যক সশস্ত্র পুলিশ।

বিশ্বকাপে মেসিকে হামলার টার্গেট, হুমকিতে রোনালদোও
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

ফুটবল বিশ্বকাপ চলাকালে লিওনেল মেসিকে লক্ষ্য করে আত্মঘাতী হামলার পরিকল্পনা করা হয়েছিলো বলে দাবি করা হয়েছে। শুধু মেসি নয়, ওই সময় আর্জেন্টিনা দলসহ বিভিন্ন দলের খেলোয়াড়, ফিফার কর্মকর্তা, রেফারি ও পুলিশ সদস্যদেরও হামলার হুমকি দেওয়া হয়েছিলো। এ ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা বাহিনীকে একাধিক হুমকিমূলক ই-মেইল ও বার্তা দেওয়া হয়।
যুক্তরাষ্ট্র পুলিশের ফাঁস হওয়া এক নিরাপত্তা নথিতে উঠে এসেছে, গত মাসে শেষ হওয়া ফুটবল বিশ্বকাপ চলাকালে মেসি, রোনালদো, খেলোয়াড়, রেফারি ও কর্মকর্তাদের ঘিরে একের পর এক ভয়াবহ হুমকির চিত্র। যেখানে ছিলো বোমা হামলার হুমকি, মৃত্যুর হুমকি, অস্ত্র নিয়ে স্টেডিয়ামে ঢোকার পরিকল্পনা- এমন কী আত্মঘাতী হামলার হুমকিও।
স্পেনের ইনফরমেশন ডট ইএসের বরাত দিয়ে এসব তথ্য প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য সান।
এছাড়া, টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফাঁস হওয়া পুলিশের প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী সবচেয়ে বড় হামলার পরিকল্পনার কথা বলা হয়েছিলো আর্জেন্টিনা-জর্ডান ম্যাচকে ঘিরে। এক ব্যক্তি ফোন করে হুমকি দিয়ে দাবি করেন, তিনি ও আরো দুজন ঘরে তৈরি বোমা এবং এআর-১৫ রাইফেল নিয়ে স্টেডিয়ামে প্রবেশ করবেন। তাদের লক্ষ্য ছিল মেসিসহ আর্জেন্টিনা দলের খেলোয়াড় ও কর্মকর্তারা। পাশাপাশি জর্ডান দলের সদস্য এবং পুলিশকেও হামলার হুমকি দেওয়া হয়। তবে মেসিকেই প্রধান লক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিলো।
▫ Bomb plot to kill Messi
— 𝙵𝚛𝚘𝚗𝚝 𝙿𝚊𝚐𝚎𝚜 𝚃𝚘𝚍𝚊𝚢 📰 (@ukpapers) August 8, 2026
▫Lionel Messi terror plot as dossier exposes plan to 'blow him up' with suicide bombers
▫@LiamJRandall
▫https://t.co/08izZCewHy@dailystar #frontpagestoday #UK 🇬🇧 pic.twitter.com/R3YOHRviuc
আর্জেন্টিনা-মিশর ম্যাচ ঘিরেও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিলো। ম্যাচ শুরুর কিছুক্ষণ আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক ব্যক্তি দাবি করেন, শরীরে চারটি বোমা বেঁধে তিনি আটলান্টার স্টেডিয়ামে প্রবেশ করবেন এবং বিস্ফোরণ ঘটিয়ে মেসিকে হত্যা করবেন। একই দিন অজ্ঞাতপরিচয় আরেক ব্যক্তি পুলিশকে ফোন করে দাবি করেন, স্টেডিয়ামের ভেতরে তিনটি ময়লার স্থানে বোমা রাখা হয়েছে।
মেসির মতো ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকেও ঘিরে ছিল নিরাপত্তার উদ্বেগ। ফিফার এক কর্মী পুলিশকে জানান, এক সন্দেহজনক ব্যক্তি রোনালদো কোথায় থাকছেন, সেই তথ্য জানার চেষ্টা করেছিলেন। এরপর আরও এক ব্যক্তি রোনালদোর হোটেলে ঢুকে তার সঙ্গে লিফটে ওঠার চেষ্টা করেন। পুলিশ তাকে থামালে দাবি করেন, তার উদ্দেশ্য ছিল শুধু একটি সেলফি তোলা।
শুধু খেলোয়াড় নয়, নিরাপত্তার ঝুঁকিতে ছিলেন ম্যাচ অফিসিয়ালরাও। আর্জেন্টিনা-মিশর ম্যাচের সিদ্ধান্ত নিয়ে ক্ষুব্ধ সমর্থকদের রোষে পড়েন ফরাসি রেফারি ফ্রাঁসোয়া ল্যাটেক্সিয়ার। তার হোয়াটসঅ্যাপে আসে ৬ হাজারের বেশি হুমকিমূলক বার্তা। ভিডিও সহকারী রেফারি উইলি দেলাজোও পান মৃত্যুর হুমকি।
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে আর্লিং হল্যান্ডকে পাস না দেওয়ার ঘটনায় নরওয়ের আলেক্সান্ডার সোরলথ ও তার স্ত্রী মৃত্যুর হুমকি পান। কলম্বিয়ার জোন হামিন্তন কামপাজ পেনাল্টি মিস করার পরও একই ধরনের হুমকির মুখে পড়েন। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে জাতীয় দলের সঙ্গে দেশে ফেরাও তার জন্য সম্ভব হয়নি।
বিশ্বকাপজুড়ে উত্তেজনার আরেক কেন্দ্রে ছিলেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। ফ্রান্সের কাছে হারের পর প্যারাগুয়ের সমর্থকরা এমবাপের নাম লেখা কুশপুত্তলিকা পোড়ান। ফরাসি তারকাকে লক্ষ্য করে দেওয়া হয় বর্ণবাদী স্লোগানও। এমন কী প্যারাগুয়ের এক সিনেটরও তাকে আক্রমণ করে মন্তব্য করেন।
নিরাপত্তা ভাঙার চেষ্টা হয়েছিল ইংল্যান্ডের মিডিয়া সেন্টারেও। এক ব্যক্তি হাতে রেঞ্চ নিয়ে সেখানে ঢুকে চিৎকার শুরু করেন। এরপর নিরাপত্তাব্যবস্থা আরও কড়া করা হয়। মিডিয়া সেন্টার ঘিরে তৈরি করা হয় তিন স্তরের নিরাপত্তাবেষ্টনী। বসানো হয় কংক্রিটের ব্যারিয়ার ও অ্যান্টি-স্নাইপার স্ক্রিন।
ড্রোন হামলা ঠেকাতে জারি করা হয় নো-ফ্লাই জোন। মোতায়েন করা হয় বিপুলসংখ্যক সশস্ত্র পুলিশ।









