বিশ্বকাপে বেসরকারি বিনিয়োগ পরিকল্পনা বাতিল ফিফার

বিশ্বকাপে বেসরকারি বিনিয়োগ পরিকল্পনা বাতিল ফিফার
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

ব্যাপক বিরোধিতার মুখে বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে বিশ্বকাপের অংশীদারিত্ব বিক্রির পরিকল্পনা বাতিল করেছেন ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। ইনফান্তিনো বলেন, ‘প্রকল্পটি এমন বিভাজন তৈরি করেছে, যা এর মূল উদ্দেশ্যের সঙ্গে আর সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। ফলে এই প্রস্তাব আর এগিয়ে নেওয়া হবে না।’
ফিফার পরিকল্পনা ছিল, বিশ্বকাপসহ ফিফার বিভিন্ন ইভেন্ট পরিচালনার জন্য একটি নতুন সংস্থার কাছে প্রায় ২০ শতাংশ অংশীদারিত্ব বিক্রি করে ৪.২ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত তহবিল সংগ্রহ করা। পরিকল্পনাটির সমর্থন আদায়ে ফিফার ২১১টি সদস্য দেশের প্রত্যেককে ৪ কোটি মার্কিন ডলার দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন ইনফান্তিনো। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে সদস্য দেশগুলোর ফুটবল ফেডারেশনগুলোকে ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছিলেন ফিফা।
ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফার ৫৫টি সদস্য সংস্থা গত বৃহস্পতিবার ভোট দিয়ে সিদ্ধান্ত নেয় যে পরিকল্পনাটি কার্যকর হলে তারা বিশ্বকাপ বয়কট করবে। এর আগে আরও দুটি বড় আঞ্চলিক ফুটবল কনফেডারেশন এই পরিকল্পনার বিরোধিতা করে। উত্তর, মধ্য আমেরিকা ও ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থা এবং চলতি গ্রীষ্মের বিশ্বকাপের আয়োজক কনকাকাফ জানায় যে, এর সদস্যরা প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান করেছে। এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন বা এএফসি জানায়, তারা উয়েফা ও কনকাকাফের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে।
উয়েফা ও কনকাকাফ পরিকল্পনাটি প্রত্যাখ্যান করলেও, শুক্রবার প্রথমদিকে ফিফা জানিয়েছিল যে তারা প্রস্তাবটি নিয়ে এগিয়ে যাবে।
তবে পরিকল্পনা বাতিলের ঘোষণা দিতে গিয়ে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো স্বীকার করেন, প্রস্তাবটি অনুমোদনের জন্য ফিফার সদস্য দেশগুলোর সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন প্রয়োজন ছিল। অর্থাৎ, ২১১ সদস্যের মধ্যে অন্তত ১০৬টি দেশের ভোট দরকার ছিল।
ইনফান্তিনো কি টিকে থাকতে পারবেন?
জিয়ান্নি ইনফান্তিনো ২০১৬ সালে ফিফার সভাপতি নির্বাচিত হন। সে সময় তিনি এএফসি সভাপতি শেখ সালমান আল-খলিফাকে ১১৫-৮৮ ভোটে পরাজিত করেছিলেন। ফিফার পরবর্তী সভাপতি নির্বাচিত হবেন আগামী বছরের মার্চে, মরক্কোতে অনুষ্ঠিতব্য সংস্থাটির ৭৭তম কংগ্রেসে। প্রার্থীদের মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ সময় ১৮ই নভেম্বর।
চলতি সপ্তাহের ঘটনাগুলোর আগে ধারণা করা হচ্ছিল, ইনফান্তিনো বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হবেন। তবে বিতর্কের পর ইনফান্তিনোর আবার সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হওয়া কঠিন মনে হচ্ছে।

ব্যাপক বিরোধিতার মুখে বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে বিশ্বকাপের অংশীদারিত্ব বিক্রির পরিকল্পনা বাতিল করেছেন ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। ইনফান্তিনো বলেন, ‘প্রকল্পটি এমন বিভাজন তৈরি করেছে, যা এর মূল উদ্দেশ্যের সঙ্গে আর সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। ফলে এই প্রস্তাব আর এগিয়ে নেওয়া হবে না।’
ফিফার পরিকল্পনা ছিল, বিশ্বকাপসহ ফিফার বিভিন্ন ইভেন্ট পরিচালনার জন্য একটি নতুন সংস্থার কাছে প্রায় ২০ শতাংশ অংশীদারিত্ব বিক্রি করে ৪.২ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত তহবিল সংগ্রহ করা। পরিকল্পনাটির সমর্থন আদায়ে ফিফার ২১১টি সদস্য দেশের প্রত্যেককে ৪ কোটি মার্কিন ডলার দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন ইনফান্তিনো। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে সদস্য দেশগুলোর ফুটবল ফেডারেশনগুলোকে ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছিলেন ফিফা।
ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফার ৫৫টি সদস্য সংস্থা গত বৃহস্পতিবার ভোট দিয়ে সিদ্ধান্ত নেয় যে পরিকল্পনাটি কার্যকর হলে তারা বিশ্বকাপ বয়কট করবে। এর আগে আরও দুটি বড় আঞ্চলিক ফুটবল কনফেডারেশন এই পরিকল্পনার বিরোধিতা করে। উত্তর, মধ্য আমেরিকা ও ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থা এবং চলতি গ্রীষ্মের বিশ্বকাপের আয়োজক কনকাকাফ জানায় যে, এর সদস্যরা প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান করেছে। এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন বা এএফসি জানায়, তারা উয়েফা ও কনকাকাফের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে।
উয়েফা ও কনকাকাফ পরিকল্পনাটি প্রত্যাখ্যান করলেও, শুক্রবার প্রথমদিকে ফিফা জানিয়েছিল যে তারা প্রস্তাবটি নিয়ে এগিয়ে যাবে।
তবে পরিকল্পনা বাতিলের ঘোষণা দিতে গিয়ে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো স্বীকার করেন, প্রস্তাবটি অনুমোদনের জন্য ফিফার সদস্য দেশগুলোর সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন প্রয়োজন ছিল। অর্থাৎ, ২১১ সদস্যের মধ্যে অন্তত ১০৬টি দেশের ভোট দরকার ছিল।
ইনফান্তিনো কি টিকে থাকতে পারবেন?
জিয়ান্নি ইনফান্তিনো ২০১৬ সালে ফিফার সভাপতি নির্বাচিত হন। সে সময় তিনি এএফসি সভাপতি শেখ সালমান আল-খলিফাকে ১১৫-৮৮ ভোটে পরাজিত করেছিলেন। ফিফার পরবর্তী সভাপতি নির্বাচিত হবেন আগামী বছরের মার্চে, মরক্কোতে অনুষ্ঠিতব্য সংস্থাটির ৭৭তম কংগ্রেসে। প্রার্থীদের মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ সময় ১৮ই নভেম্বর।
চলতি সপ্তাহের ঘটনাগুলোর আগে ধারণা করা হচ্ছিল, ইনফান্তিনো বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হবেন। তবে বিতর্কের পর ইনফান্তিনোর আবার সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হওয়া কঠিন মনে হচ্ছে।

বিশ্বকাপে বেসরকারি বিনিয়োগ পরিকল্পনা বাতিল ফিফার
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

ব্যাপক বিরোধিতার মুখে বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে বিশ্বকাপের অংশীদারিত্ব বিক্রির পরিকল্পনা বাতিল করেছেন ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। ইনফান্তিনো বলেন, ‘প্রকল্পটি এমন বিভাজন তৈরি করেছে, যা এর মূল উদ্দেশ্যের সঙ্গে আর সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। ফলে এই প্রস্তাব আর এগিয়ে নেওয়া হবে না।’
ফিফার পরিকল্পনা ছিল, বিশ্বকাপসহ ফিফার বিভিন্ন ইভেন্ট পরিচালনার জন্য একটি নতুন সংস্থার কাছে প্রায় ২০ শতাংশ অংশীদারিত্ব বিক্রি করে ৪.২ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত তহবিল সংগ্রহ করা। পরিকল্পনাটির সমর্থন আদায়ে ফিফার ২১১টি সদস্য দেশের প্রত্যেককে ৪ কোটি মার্কিন ডলার দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন ইনফান্তিনো। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে সদস্য দেশগুলোর ফুটবল ফেডারেশনগুলোকে ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছিলেন ফিফা।
ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফার ৫৫টি সদস্য সংস্থা গত বৃহস্পতিবার ভোট দিয়ে সিদ্ধান্ত নেয় যে পরিকল্পনাটি কার্যকর হলে তারা বিশ্বকাপ বয়কট করবে। এর আগে আরও দুটি বড় আঞ্চলিক ফুটবল কনফেডারেশন এই পরিকল্পনার বিরোধিতা করে। উত্তর, মধ্য আমেরিকা ও ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থা এবং চলতি গ্রীষ্মের বিশ্বকাপের আয়োজক কনকাকাফ জানায় যে, এর সদস্যরা প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান করেছে। এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন বা এএফসি জানায়, তারা উয়েফা ও কনকাকাফের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে।
উয়েফা ও কনকাকাফ পরিকল্পনাটি প্রত্যাখ্যান করলেও, শুক্রবার প্রথমদিকে ফিফা জানিয়েছিল যে তারা প্রস্তাবটি নিয়ে এগিয়ে যাবে।
তবে পরিকল্পনা বাতিলের ঘোষণা দিতে গিয়ে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো স্বীকার করেন, প্রস্তাবটি অনুমোদনের জন্য ফিফার সদস্য দেশগুলোর সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন প্রয়োজন ছিল। অর্থাৎ, ২১১ সদস্যের মধ্যে অন্তত ১০৬টি দেশের ভোট দরকার ছিল।
ইনফান্তিনো কি টিকে থাকতে পারবেন?
জিয়ান্নি ইনফান্তিনো ২০১৬ সালে ফিফার সভাপতি নির্বাচিত হন। সে সময় তিনি এএফসি সভাপতি শেখ সালমান আল-খলিফাকে ১১৫-৮৮ ভোটে পরাজিত করেছিলেন। ফিফার পরবর্তী সভাপতি নির্বাচিত হবেন আগামী বছরের মার্চে, মরক্কোতে অনুষ্ঠিতব্য সংস্থাটির ৭৭তম কংগ্রেসে। প্রার্থীদের মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ সময় ১৮ই নভেম্বর।
চলতি সপ্তাহের ঘটনাগুলোর আগে ধারণা করা হচ্ছিল, ইনফান্তিনো বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হবেন। তবে বিতর্কের পর ইনফান্তিনোর আবার সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হওয়া কঠিন মনে হচ্ছে।

২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট খেলতে দেশ ছেড়েছেন শান্তরা







