ফুটবল জাদুকরের জন্মদিন আজ

ফুটবল জাদুকরের জন্মদিন আজ
সিটিজেন জার্নাল স্পোর্টস ডেস্ক

আজ ৩০ অক্টোবর, ফুটবল কিংবদন্তি ডিয়েগো আরমান্দো ম্যারাডোনার জন্মদিন। বেঁচে থাকলে আজ ৬৬ বছরে পা দিতেন তিনি। আর্জেন্টিনার বুয়েনস আইরেসের লানুসে জন্মেছিলেন ম্যারাডোনা। দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়াই করে উঠে এসে ফুটবল দিয়ে বিশ্বকে মাত করে রেখে গেছেন।
১৯৭৬ সালের ২০ অক্টোবর, মাত্র ১৫ বছর ১১ মাস বয়সে আর্জেন্টিনোস জুনিয়র্সের হয়ে পেশাদার ফুটবলে অভিষেক হয় ম্যারাডোনার। পরের বছর ফেব্রুয়ারিতে মাত্র ১৬ বছর বয়সে জাতীয় দলে অভিষেক হয় এই প্লে-মেকারের।
ম্যারাডোনায় বিশ্ব মাতে ১৯৮৬ বিশ্বকাপে। পায়ে অবিশ্বাস্য কারুকাজ, আর হৃদয়ে আর্জেন্টিনার বিশ্ব জয়ের স্বপ্ন। ম্যারাডোনার নেতৃত্বেই মেক্সিকোর মাটিতে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছিল আর্জেন্টিনা। সাত ম্যাচে পাঁচ গোল, পাঁচটি অ্যাসিস্ট। জিতেছিলেন টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার গোল্ডেন বলও।
ম্যারাডোনা নামটি শুনলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে ১৯৮৬’র বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে একদিকে বিতর্কিত ‘হ্যান্ড অব গড’, অন্যদিকে নিজের অর্ধ থেকে বল নিয়ে পাঁচ ইংলিশ খেলোয়াড়কে পরাস্ত করে শতাব্দীর অন্যতম সেরা গোল।

ক্লাব পর্যায়েও ম্যারাডোনার ইতিহাসটা অন্যরকম। বার্সেলোনার অধ্যায় শেষে ১৯৮৪ সালে ম্যারাডোনা পা রাখেন ইতালির নাপোলিতে। তখন নাপোলি ইতালীয় ফুটবলের ক্ষমতাধর ক্লাব নয়। কিন্তু ম্যারাডোনা বদলে দেন ক্লাবটির ইতিহাস।
ম্যারাডোনার জাদুতে নাপোলি ১৯৮৬-৮৭ ও ১৯৮৯-৯০ মৌসুমে জেতে সিরি আ শিরোপা। ১৯৮৭ সালে ঘরে তোলে ইতালিয়ান কাপ, আর ১৯৮৯ সালে জয় করে উয়েফা কাপ। দক্ষিণ ইতালির মানুষের কাছে তিনি গর্বের প্রতীক।
ম্যারাডোনা জাতীয় দলের হয়ে চারটি বিশ্বকাপ (১৯৮২ ১৯৮৬, ১৯৯০ ও ১৯৯৪) খেলেছেন। ৯১ ম্যাচে করেছেন ৩৪ গোল। তবে ম্যারাডোনার শ্রেষ্ঠত্ব পরিসংখ্যান দিয়ে মাপলে ভুল হবে।
ম্যারাডোনা পৃথিবী ছেড়েছেন ২০২০ সালের ২৫ নভেম্বর। তবে স্মৃতিতে, ফুটবল প্রেমীদের মনে বেঁচে থাকবেন। যতদিন ফুটবল থাকবে বেঁচে থাকবেন ম্যারাডোনা।

আজ ৩০ অক্টোবর, ফুটবল কিংবদন্তি ডিয়েগো আরমান্দো ম্যারাডোনার জন্মদিন। বেঁচে থাকলে আজ ৬৬ বছরে পা দিতেন তিনি। আর্জেন্টিনার বুয়েনস আইরেসের লানুসে জন্মেছিলেন ম্যারাডোনা। দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়াই করে উঠে এসে ফুটবল দিয়ে বিশ্বকে মাত করে রেখে গেছেন।
১৯৭৬ সালের ২০ অক্টোবর, মাত্র ১৫ বছর ১১ মাস বয়সে আর্জেন্টিনোস জুনিয়র্সের হয়ে পেশাদার ফুটবলে অভিষেক হয় ম্যারাডোনার। পরের বছর ফেব্রুয়ারিতে মাত্র ১৬ বছর বয়সে জাতীয় দলে অভিষেক হয় এই প্লে-মেকারের।
ম্যারাডোনায় বিশ্ব মাতে ১৯৮৬ বিশ্বকাপে। পায়ে অবিশ্বাস্য কারুকাজ, আর হৃদয়ে আর্জেন্টিনার বিশ্ব জয়ের স্বপ্ন। ম্যারাডোনার নেতৃত্বেই মেক্সিকোর মাটিতে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছিল আর্জেন্টিনা। সাত ম্যাচে পাঁচ গোল, পাঁচটি অ্যাসিস্ট। জিতেছিলেন টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার গোল্ডেন বলও।
ম্যারাডোনা নামটি শুনলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে ১৯৮৬’র বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে একদিকে বিতর্কিত ‘হ্যান্ড অব গড’, অন্যদিকে নিজের অর্ধ থেকে বল নিয়ে পাঁচ ইংলিশ খেলোয়াড়কে পরাস্ত করে শতাব্দীর অন্যতম সেরা গোল।

ক্লাব পর্যায়েও ম্যারাডোনার ইতিহাসটা অন্যরকম। বার্সেলোনার অধ্যায় শেষে ১৯৮৪ সালে ম্যারাডোনা পা রাখেন ইতালির নাপোলিতে। তখন নাপোলি ইতালীয় ফুটবলের ক্ষমতাধর ক্লাব নয়। কিন্তু ম্যারাডোনা বদলে দেন ক্লাবটির ইতিহাস।
ম্যারাডোনার জাদুতে নাপোলি ১৯৮৬-৮৭ ও ১৯৮৯-৯০ মৌসুমে জেতে সিরি আ শিরোপা। ১৯৮৭ সালে ঘরে তোলে ইতালিয়ান কাপ, আর ১৯৮৯ সালে জয় করে উয়েফা কাপ। দক্ষিণ ইতালির মানুষের কাছে তিনি গর্বের প্রতীক।
ম্যারাডোনা জাতীয় দলের হয়ে চারটি বিশ্বকাপ (১৯৮২ ১৯৮৬, ১৯৯০ ও ১৯৯৪) খেলেছেন। ৯১ ম্যাচে করেছেন ৩৪ গোল। তবে ম্যারাডোনার শ্রেষ্ঠত্ব পরিসংখ্যান দিয়ে মাপলে ভুল হবে।
ম্যারাডোনা পৃথিবী ছেড়েছেন ২০২০ সালের ২৫ নভেম্বর। তবে স্মৃতিতে, ফুটবল প্রেমীদের মনে বেঁচে থাকবেন। যতদিন ফুটবল থাকবে বেঁচে থাকবেন ম্যারাডোনা।

ফুটবল জাদুকরের জন্মদিন আজ
সিটিজেন জার্নাল স্পোর্টস ডেস্ক

আজ ৩০ অক্টোবর, ফুটবল কিংবদন্তি ডিয়েগো আরমান্দো ম্যারাডোনার জন্মদিন। বেঁচে থাকলে আজ ৬৬ বছরে পা দিতেন তিনি। আর্জেন্টিনার বুয়েনস আইরেসের লানুসে জন্মেছিলেন ম্যারাডোনা। দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়াই করে উঠে এসে ফুটবল দিয়ে বিশ্বকে মাত করে রেখে গেছেন।
১৯৭৬ সালের ২০ অক্টোবর, মাত্র ১৫ বছর ১১ মাস বয়সে আর্জেন্টিনোস জুনিয়র্সের হয়ে পেশাদার ফুটবলে অভিষেক হয় ম্যারাডোনার। পরের বছর ফেব্রুয়ারিতে মাত্র ১৬ বছর বয়সে জাতীয় দলে অভিষেক হয় এই প্লে-মেকারের।
ম্যারাডোনায় বিশ্ব মাতে ১৯৮৬ বিশ্বকাপে। পায়ে অবিশ্বাস্য কারুকাজ, আর হৃদয়ে আর্জেন্টিনার বিশ্ব জয়ের স্বপ্ন। ম্যারাডোনার নেতৃত্বেই মেক্সিকোর মাটিতে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছিল আর্জেন্টিনা। সাত ম্যাচে পাঁচ গোল, পাঁচটি অ্যাসিস্ট। জিতেছিলেন টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার গোল্ডেন বলও।
ম্যারাডোনা নামটি শুনলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে ১৯৮৬’র বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে একদিকে বিতর্কিত ‘হ্যান্ড অব গড’, অন্যদিকে নিজের অর্ধ থেকে বল নিয়ে পাঁচ ইংলিশ খেলোয়াড়কে পরাস্ত করে শতাব্দীর অন্যতম সেরা গোল।

ক্লাব পর্যায়েও ম্যারাডোনার ইতিহাসটা অন্যরকম। বার্সেলোনার অধ্যায় শেষে ১৯৮৪ সালে ম্যারাডোনা পা রাখেন ইতালির নাপোলিতে। তখন নাপোলি ইতালীয় ফুটবলের ক্ষমতাধর ক্লাব নয়। কিন্তু ম্যারাডোনা বদলে দেন ক্লাবটির ইতিহাস।
ম্যারাডোনার জাদুতে নাপোলি ১৯৮৬-৮৭ ও ১৯৮৯-৯০ মৌসুমে জেতে সিরি আ শিরোপা। ১৯৮৭ সালে ঘরে তোলে ইতালিয়ান কাপ, আর ১৯৮৯ সালে জয় করে উয়েফা কাপ। দক্ষিণ ইতালির মানুষের কাছে তিনি গর্বের প্রতীক।
ম্যারাডোনা জাতীয় দলের হয়ে চারটি বিশ্বকাপ (১৯৮২ ১৯৮৬, ১৯৯০ ও ১৯৯৪) খেলেছেন। ৯১ ম্যাচে করেছেন ৩৪ গোল। তবে ম্যারাডোনার শ্রেষ্ঠত্ব পরিসংখ্যান দিয়ে মাপলে ভুল হবে।
ম্যারাডোনা পৃথিবী ছেড়েছেন ২০২০ সালের ২৫ নভেম্বর। তবে স্মৃতিতে, ফুটবল প্রেমীদের মনে বেঁচে থাকবেন। যতদিন ফুটবল থাকবে বেঁচে থাকবেন ম্যারাডোনা।

সৌদি লিগে রোনালদোর ‘পারফেক্ট হ্যাটট্রিক’







