
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক


অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে অস্ট্রেলিয়াকে টেস্টে হারিয়ে ইতিহাস গড়লো বাংলাদেশ। ডারউইন টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে অস্ট্রেলিয়া অলআউট হয় ২৮৪ রানে। তাতে ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ের জন্য দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের লক্ষ্য দাঁড়ায় ৫৭ রান। ৯ উইকেট হাতে রেখেই জয় পেয়েছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
এই জয় অবিশ্বাস্য! অস্ট্রেলিয়াতে প্রস্তুতি ম্যাচে মাত্র ৫৪ রানে অলআউট হয়েছিল বাংলাদেশ দল। এরপর থেকেই অস্ট্রেলিয়ার সংবাদমাধ্যমে আলোচনা ছিল বাংলাদেশ এই টেস্ট কয়দিন লড়াই করতে পারবে! টেস্ট র্যাংকিংয়ে অস্ট্রেলিয়ার অবস্থান এক নম্বরে, বাংলাদেশ নয়ে। ২৩ বছর আগে প্রথম অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট খেলতে এসে দুই ম্যাচেই ইনিংস ব্যবধানে হেরেছিল বাংলাদেশ। তবে এবার ডারউইনে চার দিনে ১১ সেশন দাপট দেখিয়ে জিতলো বাংলাদেশ।
এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে কম টেস্ট খেলে অস্ট্রলিয়ার মাটিতে জিতলো বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্টে ভারত প্রথম জয় পেয়েছিল ১২তম টেস্টে, পাকিস্তান সপ্তম টেস্টে, শ্রীলঙ্কা ১৫ টেস্ট খেলে কোনো জয় পায়নি। বাংলাদেশ তৃতীয় টেস্টেই পেলো জয়। আফগানিস্তান এখনো অস্ট্রেলিয়ায় কোনো টেস্ট খেলার সুযোগ পায়নি।
জয়ের লক্ষ্যে দ্বিতীয় ইনিংসে খেলতে নেমে দ্বিতীয় ওভারেই বোল্ড হন তানজিদ হাসান তামিম। জশ হ্যাজেলউডের বল বুঝতেই পারেননি প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরি (১০১) করা এই ওপেনার। তানজিদ ফেরেন কোনো রান না করেই। এরপর আর বিপদ ঘটতে দেননি সাদমান ইসলাম ও মুমিনুল হক। সাদমান ৪ চারে ৪২ বলে ২৫ আর মুমিনুল ২ চারে ৩৯ বলে ৩০ রান করে অপরাজিত থাকেন।
এর আগে টেস্টের চতুর্থ দিনে ৪ উইকেটে ১৬১ রান নিয়ে খেলতে নামে অস্ট্রেলিয়া। প্রথম সেশনে ৩ উইকেট হারায় তারা। সবগুলো ছিল মেহেদী হাসান মিরাজের। লাঞ্চ বিরতির পর প্রথম আঘাত হানেন তাসকিন আহমেদ। তিনি ফেরান স্টার্ককে (১৮)। এরপর হাসান মাহমুদ বোল্ড করেন সেঞ্চুরি করা ক্যামেরুন গ্রিনকে (১০৪)। ইনিংসে এটি ছিল হাসানের তৃতীয়, ম্যাচে নবম উইকেট।
অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসের শেষ উইকেটটি নেন মিরাজ। ন্যাথান লায়নকে এলবিডাব্লিউর ফাঁদে ফেলেন তিনি। রিভিউ নিয়েও লাভ হয়নি। তাতে ইনিংসে ৫ উইকেট পূর্ণ করেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ১৫তম বার টেস্ট ইনিংসে ৫ বা তার বেশি উইকেট নিলেন অলরাউন্ডার মিরাজ।
প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়া অলআউট হয়েছিল ১৯৮ রানে। পেসার হাসান মাহমুদ নেন ৬ উইকেট। বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে করে ৪২৬ রান। সেঞ্চুরি করেন তানজিদ হাসান তামিম। এছাড়া ৮৪ রান করে নাজমুল হোসেন শান্ত। মেহেদী হাসান মিরাজ খেলেন ৬৫ রানের ইনিংস।
দুই ইনিংস মিলিয়ে ৯ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হয়েছেন হাসান মাহমুদ। দুই টেস্টের সিরিজে ১-০ তে এগিয়ে গেলো বাংলাদেশ দল।
ডারউইনে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঐতিহাসিক টেস্ট জিততে বাংলাদেশের লক্ষ্য ৫৭ রান। ১০ ওভার শেষে তারা করেছে ৩৭ রান। অর্থাৎ জয়ের জন্য বাংলাদেশের দরকার আর মাত্র ২০ রান। হাতে আছে ৯ উইকেট।

৫৭ রানের লক্ষ্যে দ্বিতীয় ইনিংস খেলতে নেমে ৭ ওভারেই বাংলাদেশ তুলেছে ৩০ রান। তানজিদ হাসানের উইকেট হারিয়েছে তারা।
সাদমান ইসলাম ও মুমিনুল হক দুইজনই দুই অঙ্গের ঘরে রান করে অপরাজিত আছেন। জয়ের জন্য বাংলাদেশের দরকার আর মাত্র ২৭ রান।
দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ৫ ওভার শেষে বাংলাদেশ করেছে ১ উইকেটে ১৮ রান। ঐতিহাসিক টেস্ট জিততে বাংলাদেশের দরকার আর ৩৯ রান।
ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই বোল্ড হয়েছেন তানজিদ হাসান তামিম। জশ হ্যাজেলউডের বল বুঝতেই পারেননি তানজিদ। প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরি করা তানজিদ এবার কোনো রান করতে পারেননি।
৩ ওভার শেষে দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের রান ১ উইকেটে ৯। জয়ের জন্য দরকার আর ৪৮ রান।
ডারউইনে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ের পথে বাংলাদেশ। ৫৭ রানের লক্ষ্যে দ্বিতীয় ইনিংস খেরতে নেমে প্রথম ওভারে ৪ রান করেছে বাংলাদেশ। জয়ের জন্য আর ৫৩ রান দরকার বাংলাদেশের।

ডারউইন টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে অস্ট্রেলিয়া অলআউট হয়েছে ২৮৪ রানে। তাতে অস্ট্রেলিয়ার লিড দাঁড়ায় ৫৬ রান। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ের জন্য দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের দরকার ৫৭ রান।
আজ রবিবার (১৬ আগস্ট) টেস্টের চতুর্থ দিনে প্রথম সেশনে ৩ উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া। সবগুলো ছিল মেহেদী হাসান মিরাজের। লাঞ্চ বিরতির পর প্রথম আঘাত হানেন তাসকিন আহমেদ। তিনি ফেরান স্টার্ককে (১৮)। এরপর হাসান মাহমুদ বোল্ড করেন সেঞ্চুরি করা ক্যামেরুন গ্রিনকে (১০৪)।
অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসের শেষ উইকেটটি নেন মিরাজ। ন্যাথান লায়নকে এলবিডাব্লিউর ফাঁদে ফেলেন মিরাজ। রিভিউ নিয়েও লাভ হয়নি। তাতে ইনিংসে ৫ উইকেট পূর্ণ করেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ১৫তম বার টেস্ট ইনিংসে ৫ বা তার বেশি উইকেট নিলেন অলরাউন্ডার মিরাজ।