৪২৯ রান করেও হারলো ইংল্যান্ড, অবিশ্বাস্য জয় শ্রীলঙ্কার

৪২৯ রান করেও হারলো ইংল্যান্ড, অবিশ্বাস্য জয় শ্রীলঙ্কার
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

ওয়ানডে ম্যাচে ৪৩০ রানের টার্গেট সহজ নয়। খেলা যারা দেখেন বা বোঝেন, হয়তো ধরেই নিয়েছিলেন- এই রান তাড়া করে জেতা সম্ভব নয়! কিন্তু ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এই অসম্ভব কাজটাই সম্ভব করেছে শ্রীলঙ্কা। ত্রিদেশীয় সিরিজে ৮৫৯ রানের ম্যাচে ইংলিশদের হতাশ করে ২ উইকেটের জয় তুলে নিয়েছে শ্রীলঙ্কার।
এই জয়ের ফলে হয়েছে রেকর্ড। নিজেদের ওয়ানডে ইতিহাসে সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জেতার রেকর্ড গড়েছে শ্রীলঙ্কা। আর সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জেতার রেকর্ডে এটির অবস্থান দুই নম্বরে। ২০০৬ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৪৩৫ রান তাড়া করে জিতেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা।
রান তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি শ্রীলঙ্কার। মাত্র ২৪ রানের মধ্যে ২ উইকেট হারায় লঙ্কানরা। শুরুর ধাক্কা সামলে নেন অধিনায়ক আভিস্কা ফার্নান্দো ও পবন রত্নায়েক। দুজন মিলে গড়েন ১৬৬ রানের জুটি।
সেঞ্চুরির কাছাকাছি গিয়েছিলেন আভিস্কা। কিন্তু ৮৩ বলে ৯৭ রানে থামেন এই ব্যাটার।
রত্নায়েক ও শানাকা মিলে মাত্র ৭৯ বলে গড়েন ১৩৩ রানের জুটি। কিন্তু এই দুই ব্যাটারেই কেউই জয় নিয়ে ফিরতে পারেননি। সেঞ্চুরি পূরণের পর ১৩০ রানে থামেন রত্নায়েক। মাত্র ১০৬ বলে খেলা ইনিংসটি ১৫টি চার ও তিনটি চারে সাজানো। এদিকে মাত্র ৫০ বলে ৯৭ রানে থামে শানাকার ইনিংস। তার ইনিংসটি ছয়টি চার ও আটটি ছয়ে সাজানো।
শেষ ওভারে রোমাঞ্চের জন্ম দেন জশ টাং। দ্বিতীয় এবং তৃতীয় বলে তুলে নেন দুটি উইকেট। তাতেই ঘুরে যাচ্ছিলো ম্যাচের মোড়। এক সময় ২ বলে দরকার ছিল ৬ রান। শেষ ওভারের পঞ্চম বলে ছক্কা হাঁকিয়ে জয় নিশ্চিত করেন জানিথ লিয়াঙ্গে। মাত্র ২৭ বলে ৬০ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি।
এর আগে ঝড় তোলেন ইংল্যান্ডের অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক। মাত্র ১১৪ বলে ডাবল সেঞ্চুরি করে বিশ্বরেকর্ড গড়েন তিনি। শেষ বলে ব্রুক আউট হওয়ার আগে করেন ১১৬ বলে ২০২ রান। ইংল্যান্ড তোলে ৪ উইকেটে ৪২৯ রান।

ওয়ানডে ম্যাচে ৪৩০ রানের টার্গেট সহজ নয়। খেলা যারা দেখেন বা বোঝেন, হয়তো ধরেই নিয়েছিলেন- এই রান তাড়া করে জেতা সম্ভব নয়! কিন্তু ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এই অসম্ভব কাজটাই সম্ভব করেছে শ্রীলঙ্কা। ত্রিদেশীয় সিরিজে ৮৫৯ রানের ম্যাচে ইংলিশদের হতাশ করে ২ উইকেটের জয় তুলে নিয়েছে শ্রীলঙ্কার।
এই জয়ের ফলে হয়েছে রেকর্ড। নিজেদের ওয়ানডে ইতিহাসে সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জেতার রেকর্ড গড়েছে শ্রীলঙ্কা। আর সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জেতার রেকর্ডে এটির অবস্থান দুই নম্বরে। ২০০৬ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৪৩৫ রান তাড়া করে জিতেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা।
রান তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি শ্রীলঙ্কার। মাত্র ২৪ রানের মধ্যে ২ উইকেট হারায় লঙ্কানরা। শুরুর ধাক্কা সামলে নেন অধিনায়ক আভিস্কা ফার্নান্দো ও পবন রত্নায়েক। দুজন মিলে গড়েন ১৬৬ রানের জুটি।
সেঞ্চুরির কাছাকাছি গিয়েছিলেন আভিস্কা। কিন্তু ৮৩ বলে ৯৭ রানে থামেন এই ব্যাটার।
রত্নায়েক ও শানাকা মিলে মাত্র ৭৯ বলে গড়েন ১৩৩ রানের জুটি। কিন্তু এই দুই ব্যাটারেই কেউই জয় নিয়ে ফিরতে পারেননি। সেঞ্চুরি পূরণের পর ১৩০ রানে থামেন রত্নায়েক। মাত্র ১০৬ বলে খেলা ইনিংসটি ১৫টি চার ও তিনটি চারে সাজানো। এদিকে মাত্র ৫০ বলে ৯৭ রানে থামে শানাকার ইনিংস। তার ইনিংসটি ছয়টি চার ও আটটি ছয়ে সাজানো।
শেষ ওভারে রোমাঞ্চের জন্ম দেন জশ টাং। দ্বিতীয় এবং তৃতীয় বলে তুলে নেন দুটি উইকেট। তাতেই ঘুরে যাচ্ছিলো ম্যাচের মোড়। এক সময় ২ বলে দরকার ছিল ৬ রান। শেষ ওভারের পঞ্চম বলে ছক্কা হাঁকিয়ে জয় নিশ্চিত করেন জানিথ লিয়াঙ্গে। মাত্র ২৭ বলে ৬০ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি।
এর আগে ঝড় তোলেন ইংল্যান্ডের অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক। মাত্র ১১৪ বলে ডাবল সেঞ্চুরি করে বিশ্বরেকর্ড গড়েন তিনি। শেষ বলে ব্রুক আউট হওয়ার আগে করেন ১১৬ বলে ২০২ রান। ইংল্যান্ড তোলে ৪ উইকেটে ৪২৯ রান।

৪২৯ রান করেও হারলো ইংল্যান্ড, অবিশ্বাস্য জয় শ্রীলঙ্কার
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

ওয়ানডে ম্যাচে ৪৩০ রানের টার্গেট সহজ নয়। খেলা যারা দেখেন বা বোঝেন, হয়তো ধরেই নিয়েছিলেন- এই রান তাড়া করে জেতা সম্ভব নয়! কিন্তু ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এই অসম্ভব কাজটাই সম্ভব করেছে শ্রীলঙ্কা। ত্রিদেশীয় সিরিজে ৮৫৯ রানের ম্যাচে ইংলিশদের হতাশ করে ২ উইকেটের জয় তুলে নিয়েছে শ্রীলঙ্কার।
এই জয়ের ফলে হয়েছে রেকর্ড। নিজেদের ওয়ানডে ইতিহাসে সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জেতার রেকর্ড গড়েছে শ্রীলঙ্কা। আর সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জেতার রেকর্ডে এটির অবস্থান দুই নম্বরে। ২০০৬ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৪৩৫ রান তাড়া করে জিতেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা।
রান তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি শ্রীলঙ্কার। মাত্র ২৪ রানের মধ্যে ২ উইকেট হারায় লঙ্কানরা। শুরুর ধাক্কা সামলে নেন অধিনায়ক আভিস্কা ফার্নান্দো ও পবন রত্নায়েক। দুজন মিলে গড়েন ১৬৬ রানের জুটি।
সেঞ্চুরির কাছাকাছি গিয়েছিলেন আভিস্কা। কিন্তু ৮৩ বলে ৯৭ রানে থামেন এই ব্যাটার।
রত্নায়েক ও শানাকা মিলে মাত্র ৭৯ বলে গড়েন ১৩৩ রানের জুটি। কিন্তু এই দুই ব্যাটারেই কেউই জয় নিয়ে ফিরতে পারেননি। সেঞ্চুরি পূরণের পর ১৩০ রানে থামেন রত্নায়েক। মাত্র ১০৬ বলে খেলা ইনিংসটি ১৫টি চার ও তিনটি চারে সাজানো। এদিকে মাত্র ৫০ বলে ৯৭ রানে থামে শানাকার ইনিংস। তার ইনিংসটি ছয়টি চার ও আটটি ছয়ে সাজানো।
শেষ ওভারে রোমাঞ্চের জন্ম দেন জশ টাং। দ্বিতীয় এবং তৃতীয় বলে তুলে নেন দুটি উইকেট। তাতেই ঘুরে যাচ্ছিলো ম্যাচের মোড়। এক সময় ২ বলে দরকার ছিল ৬ রান। শেষ ওভারের পঞ্চম বলে ছক্কা হাঁকিয়ে জয় নিশ্চিত করেন জানিথ লিয়াঙ্গে। মাত্র ২৭ বলে ৬০ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি।
এর আগে ঝড় তোলেন ইংল্যান্ডের অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক। মাত্র ১১৪ বলে ডাবল সেঞ্চুরি করে বিশ্বরেকর্ড গড়েন তিনি। শেষ বলে ব্রুক আউট হওয়ার আগে করেন ১১৬ বলে ২০২ রান। ইংল্যান্ড তোলে ৪ উইকেটে ৪২৯ রান।

অস্ট্রেলিয়াকে ইনিংস ব্যবধানে হারালো দক্ষিণ আফ্রিকা







