৩০ বলে সেঞ্চুরি অভিষেকের, পাওয়ার প্লেতে বিশ্বরেডর্ক

৩০ বলে সেঞ্চুরি অভিষেকের, পাওয়ার প্লেতে বিশ্বরেডর্ক
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

দিল্লিতে বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে মাত্র ৩০ বলে সেঞ্চুরি করেছেন অভিষেক শর্মা। এই সেঞ্চুরিতে হয়েছে বিশ্বরেকর্ড। টেস্ট খেলুড়ে দেশগুলোর ক্রিকেটারদের মধ্যে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ডটি নিজের করে নিয়েছেন অভিষেক শর্মা।
এর আগে টি-টোয়েন্টিতে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ডটি ছিল নিউজিল্যান্ডের ওপেনার ফিন অ্যালেনের। চলতি বছর দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে মাত্র ৩৩ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন তিনি। যদিও ৩৩ বলে সেঞ্চুরি রয়েছে জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক সিকান্দার রাজাও। কিন্তু তিনি করেছিলেন গাম্বিয়ার বিপক্ষে। গাম্বিয়া আইসিসির পূর্ণ সদস্য নয়।
সহযোগী দেশগুলোসহ হিসেবে করলে অভিষেক শর্মার সেঞ্চুরিটি তৃতীয় দ্রুততম। এই তালিকায় সবার উপরে অবস্থান এস্তোনিয়ার ব্যাটার সাহিল চৌহানের। সাইপ্রাসের বিপক্ষে মাত্র ২৭ বলে সেঞ্চুরি করেন তিনি। আর বুলগেরিয়ার বিপক্ষে মাত্র ২৯ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন তুরস্কের ক্রিকেটার মুহাম্মদ ফাহাদ।
অভিষেক সেঞ্চুরি পূরণের পর খেলতে পেরেছেন মাত্র ৪ বল। আউট হন ব্যক্তিগত ১০৮ রানে। মাত্র ৩৪ বলে খেলা তার এই ইনিংসটি ৯টি চার ও ১১টি ছক্কায় সাজানো। আরেক ওপেনার সঞ্জু স্যামসন ৩৫ বলে করেন ৫০ রান।
ভারত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ২২১ রান করে। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে পাওয়ার প্লেতে সবচেয়ে বেশি ব্যক্তিগত রানের রেকর্ড ছিল পর্তুগালের কুলদীপ গোলিয়ার। ২০২৩ সালে মাল্টার বিপক্ষে ২৫ বলে ৭৪ রান করেছিলেন তিনি। ৩ বল কম খেলেই সেটি ছাড়িয়ে গেছেন অভিষেক।

দিল্লিতে বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে মাত্র ৩০ বলে সেঞ্চুরি করেছেন অভিষেক শর্মা। এই সেঞ্চুরিতে হয়েছে বিশ্বরেকর্ড। টেস্ট খেলুড়ে দেশগুলোর ক্রিকেটারদের মধ্যে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ডটি নিজের করে নিয়েছেন অভিষেক শর্মা।
এর আগে টি-টোয়েন্টিতে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ডটি ছিল নিউজিল্যান্ডের ওপেনার ফিন অ্যালেনের। চলতি বছর দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে মাত্র ৩৩ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন তিনি। যদিও ৩৩ বলে সেঞ্চুরি রয়েছে জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক সিকান্দার রাজাও। কিন্তু তিনি করেছিলেন গাম্বিয়ার বিপক্ষে। গাম্বিয়া আইসিসির পূর্ণ সদস্য নয়।
সহযোগী দেশগুলোসহ হিসেবে করলে অভিষেক শর্মার সেঞ্চুরিটি তৃতীয় দ্রুততম। এই তালিকায় সবার উপরে অবস্থান এস্তোনিয়ার ব্যাটার সাহিল চৌহানের। সাইপ্রাসের বিপক্ষে মাত্র ২৭ বলে সেঞ্চুরি করেন তিনি। আর বুলগেরিয়ার বিপক্ষে মাত্র ২৯ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন তুরস্কের ক্রিকেটার মুহাম্মদ ফাহাদ।
অভিষেক সেঞ্চুরি পূরণের পর খেলতে পেরেছেন মাত্র ৪ বল। আউট হন ব্যক্তিগত ১০৮ রানে। মাত্র ৩৪ বলে খেলা তার এই ইনিংসটি ৯টি চার ও ১১টি ছক্কায় সাজানো। আরেক ওপেনার সঞ্জু স্যামসন ৩৫ বলে করেন ৫০ রান।
ভারত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ২২১ রান করে। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে পাওয়ার প্লেতে সবচেয়ে বেশি ব্যক্তিগত রানের রেকর্ড ছিল পর্তুগালের কুলদীপ গোলিয়ার। ২০২৩ সালে মাল্টার বিপক্ষে ২৫ বলে ৭৪ রান করেছিলেন তিনি। ৩ বল কম খেলেই সেটি ছাড়িয়ে গেছেন অভিষেক।

৩০ বলে সেঞ্চুরি অভিষেকের, পাওয়ার প্লেতে বিশ্বরেডর্ক
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

দিল্লিতে বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে মাত্র ৩০ বলে সেঞ্চুরি করেছেন অভিষেক শর্মা। এই সেঞ্চুরিতে হয়েছে বিশ্বরেকর্ড। টেস্ট খেলুড়ে দেশগুলোর ক্রিকেটারদের মধ্যে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ডটি নিজের করে নিয়েছেন অভিষেক শর্মা।
এর আগে টি-টোয়েন্টিতে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ডটি ছিল নিউজিল্যান্ডের ওপেনার ফিন অ্যালেনের। চলতি বছর দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে মাত্র ৩৩ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন তিনি। যদিও ৩৩ বলে সেঞ্চুরি রয়েছে জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক সিকান্দার রাজাও। কিন্তু তিনি করেছিলেন গাম্বিয়ার বিপক্ষে। গাম্বিয়া আইসিসির পূর্ণ সদস্য নয়।
সহযোগী দেশগুলোসহ হিসেবে করলে অভিষেক শর্মার সেঞ্চুরিটি তৃতীয় দ্রুততম। এই তালিকায় সবার উপরে অবস্থান এস্তোনিয়ার ব্যাটার সাহিল চৌহানের। সাইপ্রাসের বিপক্ষে মাত্র ২৭ বলে সেঞ্চুরি করেন তিনি। আর বুলগেরিয়ার বিপক্ষে মাত্র ২৯ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন তুরস্কের ক্রিকেটার মুহাম্মদ ফাহাদ।
অভিষেক সেঞ্চুরি পূরণের পর খেলতে পেরেছেন মাত্র ৪ বল। আউট হন ব্যক্তিগত ১০৮ রানে। মাত্র ৩৪ বলে খেলা তার এই ইনিংসটি ৯টি চার ও ১১টি ছক্কায় সাজানো। আরেক ওপেনার সঞ্জু স্যামসন ৩৫ বলে করেন ৫০ রান।
ভারত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ২২১ রান করে। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে পাওয়ার প্লেতে সবচেয়ে বেশি ব্যক্তিগত রানের রেকর্ড ছিল পর্তুগালের কুলদীপ গোলিয়ার। ২০২৩ সালে মাল্টার বিপক্ষে ২৫ বলে ৭৪ রান করেছিলেন তিনি। ৩ বল কম খেলেই সেটি ছাড়িয়ে গেছেন অভিষেক।

ব্যালন ডি’অর রিয়াল মাদ্রিদে ফেরাটা গুরুত্বপূর্ণ: এমবাপ্পে







