ঘরোয়া ক্রিকেটে নজর কাড়লেন আব্দুল রাজ্জাকের ছেলে

ঘরোয়া ক্রিকেটে নজর কাড়লেন আব্দুল রাজ্জাকের ছেলে
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

আব্দুল রাজ্জাক ছিলেন পাকিস্তানের ক্রিকেটের এক সময়ের মারকুটে অলরাউন্ডার। ব্যাটে-বলে বাইশ গজ কাঁপিয়েছেন লম্বা সময়। এবার তার পথ ধরে মাঠে ঝড় তুলছেন ছেলে আলী রাজ্জাক। পাকিস্তানের ঘরোয়া ক্রিকেটে রীতিমতো আলো ছড়াচ্ছেন ২২ বছর বয়সী এ তরুণ। বিশেষ করে প্রেসিডেন্টস ট্রফির শেষ রাউন্ডে আলী যা করলেন, তা দীর্ঘদিন মনে রাখবে সমর্থকরা। এক ম্যাচেই ব্যাট হাতে সেঞ্চুরি আর ফিফটির দারুণ এক ইনিংস খেলেছেন তিনি।
ম্যাচটির দ্বিতীয় ইনিংসে চরম বিপর্যয়ে পড়েছিল আলীর দল। ১৪৯ রান তুলতেই ৫ উইকেট হারিয় চাপে পড়ে তার দল। এমন চাপের মুখে সাত নম্বরে ব্যাট করতে নামেন আলী। উইকেটে এসেই পরিস্থিতি সামাল দেন দক্ষতার সঙ্গে। ষষ্ঠ উইকেটে হুসেইন তালাতের সঙ্গে গড়েন ১০৯ রানের দারুণ এক জুটি। তালাত তুলে নেন সেঞ্চুরি (১০৮)। এরপর সপ্তম উইকেটে হাসিবুল্লাহ খানের সঙ্গে আরও ১২০ রান যোগ করেন আলী। তাদের এ প্রতিরোধেই শেষ পর্যন্ত ম্যাচটি ড্র করতে সক্ষম হয় দল।
১৫১ বল খেলে ৮টি চার ও ৬টি ছক্কায় ১১১ রানে অপরাজিত থাকেন আলী। ফার্স্ট ক্লাস ক্যারিয়ারে এটি তার তৃতীয় এবং চলতি মৌসুমের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। সব মিলিয়ে ৭ উইকেটে ৩৮৩ রান তুলে ইনিংস শেষ করে তার দল। এর আগে প্রথম ইনিংসেও আলো ছড়িয়েছিলেন আলী। ৭টি চার ও ২টি ছক্কার সাহায্যে করেছিলেন ৬৪ রান। তার গড়া ইনিংসে ভর করে দল সংগ্রহ করে ২৩২ রান। অবশ্য ইমাম উল হকের দুর্দান্ত এক ডাবল সেঞ্চুরিতে ৯ উইকেটে ৪১০ রান করে ইনিংস ঘোষণা করেছিল ওয়েল অ্যান্ড গ্যাস।
চলতি প্রেসিডেন্টস ট্রফিতে দুর্দান্ত ফর্মে আছেন আলী। টুর্নামেন্টের শেষ রাউন্ড পর্যন্ত ১১ ইনিংসে ৫৩.৬৬ গড়ে তিনি করেছেন মোট ৪৮৩ রান। এর মধ্যে রয়েছে জোড়া সেঞ্চুরি আর তিনটি ফিফটির ইনিংস। নিজের দলের হয়ে এবারের আসরে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকও এখন এ তরুণ ব্যাটার। বাবার মতো তিনিও যে পাকিস্তানের ক্রিকেটে লম্বা পথ পাড়ি দিতে এসেছেন এ পারফর্ম্যান্স তারই স্পষ্ট ইঙ্গিত।

আব্দুল রাজ্জাক ছিলেন পাকিস্তানের ক্রিকেটের এক সময়ের মারকুটে অলরাউন্ডার। ব্যাটে-বলে বাইশ গজ কাঁপিয়েছেন লম্বা সময়। এবার তার পথ ধরে মাঠে ঝড় তুলছেন ছেলে আলী রাজ্জাক। পাকিস্তানের ঘরোয়া ক্রিকেটে রীতিমতো আলো ছড়াচ্ছেন ২২ বছর বয়সী এ তরুণ। বিশেষ করে প্রেসিডেন্টস ট্রফির শেষ রাউন্ডে আলী যা করলেন, তা দীর্ঘদিন মনে রাখবে সমর্থকরা। এক ম্যাচেই ব্যাট হাতে সেঞ্চুরি আর ফিফটির দারুণ এক ইনিংস খেলেছেন তিনি।
ম্যাচটির দ্বিতীয় ইনিংসে চরম বিপর্যয়ে পড়েছিল আলীর দল। ১৪৯ রান তুলতেই ৫ উইকেট হারিয় চাপে পড়ে তার দল। এমন চাপের মুখে সাত নম্বরে ব্যাট করতে নামেন আলী। উইকেটে এসেই পরিস্থিতি সামাল দেন দক্ষতার সঙ্গে। ষষ্ঠ উইকেটে হুসেইন তালাতের সঙ্গে গড়েন ১০৯ রানের দারুণ এক জুটি। তালাত তুলে নেন সেঞ্চুরি (১০৮)। এরপর সপ্তম উইকেটে হাসিবুল্লাহ খানের সঙ্গে আরও ১২০ রান যোগ করেন আলী। তাদের এ প্রতিরোধেই শেষ পর্যন্ত ম্যাচটি ড্র করতে সক্ষম হয় দল।
১৫১ বল খেলে ৮টি চার ও ৬টি ছক্কায় ১১১ রানে অপরাজিত থাকেন আলী। ফার্স্ট ক্লাস ক্যারিয়ারে এটি তার তৃতীয় এবং চলতি মৌসুমের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। সব মিলিয়ে ৭ উইকেটে ৩৮৩ রান তুলে ইনিংস শেষ করে তার দল। এর আগে প্রথম ইনিংসেও আলো ছড়িয়েছিলেন আলী। ৭টি চার ও ২টি ছক্কার সাহায্যে করেছিলেন ৬৪ রান। তার গড়া ইনিংসে ভর করে দল সংগ্রহ করে ২৩২ রান। অবশ্য ইমাম উল হকের দুর্দান্ত এক ডাবল সেঞ্চুরিতে ৯ উইকেটে ৪১০ রান করে ইনিংস ঘোষণা করেছিল ওয়েল অ্যান্ড গ্যাস।
চলতি প্রেসিডেন্টস ট্রফিতে দুর্দান্ত ফর্মে আছেন আলী। টুর্নামেন্টের শেষ রাউন্ড পর্যন্ত ১১ ইনিংসে ৫৩.৬৬ গড়ে তিনি করেছেন মোট ৪৮৩ রান। এর মধ্যে রয়েছে জোড়া সেঞ্চুরি আর তিনটি ফিফটির ইনিংস। নিজের দলের হয়ে এবারের আসরে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকও এখন এ তরুণ ব্যাটার। বাবার মতো তিনিও যে পাকিস্তানের ক্রিকেটে লম্বা পথ পাড়ি দিতে এসেছেন এ পারফর্ম্যান্স তারই স্পষ্ট ইঙ্গিত।

ঘরোয়া ক্রিকেটে নজর কাড়লেন আব্দুল রাজ্জাকের ছেলে
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

আব্দুল রাজ্জাক ছিলেন পাকিস্তানের ক্রিকেটের এক সময়ের মারকুটে অলরাউন্ডার। ব্যাটে-বলে বাইশ গজ কাঁপিয়েছেন লম্বা সময়। এবার তার পথ ধরে মাঠে ঝড় তুলছেন ছেলে আলী রাজ্জাক। পাকিস্তানের ঘরোয়া ক্রিকেটে রীতিমতো আলো ছড়াচ্ছেন ২২ বছর বয়সী এ তরুণ। বিশেষ করে প্রেসিডেন্টস ট্রফির শেষ রাউন্ডে আলী যা করলেন, তা দীর্ঘদিন মনে রাখবে সমর্থকরা। এক ম্যাচেই ব্যাট হাতে সেঞ্চুরি আর ফিফটির দারুণ এক ইনিংস খেলেছেন তিনি।
ম্যাচটির দ্বিতীয় ইনিংসে চরম বিপর্যয়ে পড়েছিল আলীর দল। ১৪৯ রান তুলতেই ৫ উইকেট হারিয় চাপে পড়ে তার দল। এমন চাপের মুখে সাত নম্বরে ব্যাট করতে নামেন আলী। উইকেটে এসেই পরিস্থিতি সামাল দেন দক্ষতার সঙ্গে। ষষ্ঠ উইকেটে হুসেইন তালাতের সঙ্গে গড়েন ১০৯ রানের দারুণ এক জুটি। তালাত তুলে নেন সেঞ্চুরি (১০৮)। এরপর সপ্তম উইকেটে হাসিবুল্লাহ খানের সঙ্গে আরও ১২০ রান যোগ করেন আলী। তাদের এ প্রতিরোধেই শেষ পর্যন্ত ম্যাচটি ড্র করতে সক্ষম হয় দল।
১৫১ বল খেলে ৮টি চার ও ৬টি ছক্কায় ১১১ রানে অপরাজিত থাকেন আলী। ফার্স্ট ক্লাস ক্যারিয়ারে এটি তার তৃতীয় এবং চলতি মৌসুমের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। সব মিলিয়ে ৭ উইকেটে ৩৮৩ রান তুলে ইনিংস শেষ করে তার দল। এর আগে প্রথম ইনিংসেও আলো ছড়িয়েছিলেন আলী। ৭টি চার ও ২টি ছক্কার সাহায্যে করেছিলেন ৬৪ রান। তার গড়া ইনিংসে ভর করে দল সংগ্রহ করে ২৩২ রান। অবশ্য ইমাম উল হকের দুর্দান্ত এক ডাবল সেঞ্চুরিতে ৯ উইকেটে ৪১০ রান করে ইনিংস ঘোষণা করেছিল ওয়েল অ্যান্ড গ্যাস।
চলতি প্রেসিডেন্টস ট্রফিতে দুর্দান্ত ফর্মে আছেন আলী। টুর্নামেন্টের শেষ রাউন্ড পর্যন্ত ১১ ইনিংসে ৫৩.৬৬ গড়ে তিনি করেছেন মোট ৪৮৩ রান। এর মধ্যে রয়েছে জোড়া সেঞ্চুরি আর তিনটি ফিফটির ইনিংস। নিজের দলের হয়ে এবারের আসরে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকও এখন এ তরুণ ব্যাটার। বাবার মতো তিনিও যে পাকিস্তানের ক্রিকেটে লম্বা পথ পাড়ি দিতে এসেছেন এ পারফর্ম্যান্স তারই স্পষ্ট ইঙ্গিত।

প্রথম বোলার হিসেবে ভারতের বিপক্ষে ইতিহাস গড়লেন স্যান্টনার







