বিরোধী দল শেখ হাসিনার মতো কথা বলছে: মির্জা ফখরুল

বিরোধী দল শেখ হাসিনার মতো কথা বলছে: মির্জা ফখরুল
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিরোধী দল শেখ হাসিনার মতো কথা বলছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
সোমবার (৩ আগস্ট) জাতীয় প্রেস ক্লাবে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) আয়োজিত জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ফ্যাসিস্ট চলে যাওয়াতে একটা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের সুযোগ হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকার আমরা দিয়েছি। এদেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ সৃষ্টি করার জন্য তারা চেষ্টা করেছে। সেসময় জুলাই সনদ তৈরী করা সম্ভব হয়েছে।
জুলাই সনদ নিয়ে ভুল বুঝানো হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, একটা মহল থেকে বলা হয়েছে বিএনপি নাকি জুলাই সনদ গ্রহণ করছে না। এটা পুরোপুরি ভ্রান্ত ধারণা তৈরী করছে। আমি এর তীব্র নিন্দা জানাই। বিএনপি হচ্ছে সেই দল, যারা সংস্কারের মধ্যে দিয়ে এগিয়ে গেছে। বিএনপি জোর করে ক্ষমতা দখল করেনি। তারা জনগণের মেন্ডেট নিয়ে সরকার গঠন করেছে।
তিনি আরও বলেন, সমস্যা হচ্ছে গণভোট নিয়ে। সেই গণভোটে যে চারটি প্রশ্ন ছিল, সেখানে তিনটা প্রশ্নে আমরা একমত হয়েছি। সংবিধান সংস্কার কমিশন-এটা কারো সঙ্গে আলোচনা না করে তারা (ইন্টেরিম) চাপিয়ে দিয়েছে। জাতির সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে। এটা আমরা কখনো মেনে নেইনি। আমরা বারবার বলেছি, এখানে আমরা একমত নই।
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, আমরা জুলাই ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করেছি এবং তা পালন করতে চাই। আমরা কাজ শুরু করেছি। ইতোমধ্যে অনেকদূর এগিয়ে গেছে। পার্লামেন্টে একটা কমিটি গঠন করা হয়েছে। এখানে শব্দ নিয়ে বিভেদ শুরু হয়েছে। সংস্কার হবে, নাকি সংশোধন হবে।
বিরোধী দলকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আসুন আমরা পার্লামেন্টে এটা নিয়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিই। কথা বলি। তখন যদি একমত না হন, তাহলে বেরিয়ে যাবেন। কিন্তু এখন যে ভাষায় বিরোধী দলের নেতারা কথা বলছেন, এভাবে কথা বলতেন শেখ হাসিনা।
তিনি আরও বলেন, বিরোধীদল অবশ্যই সমালোচনা করবে এবং সরকারের ভুল ধরিয়ে দেবে। তবে, সেটা পার্লামেন্টে হলে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ঠিক থাকে। কিন্তু দূর্ভাগ্যজনক বিষয় হচ্ছে, আবার আগের মতোই শুরু হয়েছে। রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করার চেষ্টা করছে। এটাতেও আপত্তি নেই। কারণ এটা গণতান্ত্রিক নীতি। কিন্তু সেটা যেন এমন পর্যায়ে না যায়, যে পর্যায়ে গিয়ে সেটা সংঘাতে রূপ নেয়। এ বিষয়ে সতর্ক থাকা জরুরি।
ফখরুল ইসলাম বলেন, প্রধানমন্ত্রী প্রতিটা মূহুর্তে মানুষের জন্য কাজ করছেন। তাকে তো আমাদের সহযোগিতা করতে হবে। কিন্তু, এখন যদি নেগেটিভ কথা বলে তাকে পেছনে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করি, তাহলে তো সামনে এগিয়ে যেতে সমস্যা হবে। দেশটা আমাদের। এখানে যদি সারাক্ষণ মারামারি-কাটাকাটি করি, তাহলে দেশ কখনোই সামনে এগিয়ে যাবে না।
মিডিয়া স্বাধীনভাবে কাজ করছে দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, আজকে মিডিয়ার ওপর সরকারের কোনো হস্তক্ষেপ নেই। এটা তো একটা পজিটিভ বিষয়। বেকার সাংবাদিকদের কর্মসংস্থান ব্যবস্থার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলবেন বলেও জানান এই মন্ত্রী।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের অনেক সমস্যা রয়েছে। আমাদেরকে সহনশীল পর্যায়ে গিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। সরকার যাতে ঠিক কাজগুলো করতে পারে, সেজন্য সরকারকে সুযোগ দিতে হবে। সরকারের তো মাত্র ৫ মাস হয়েছে। এরমধ্যে যদি সবকিছু আমরা সঠিক চাই, তাহলে তো হবে না।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ফ্যাসিবাদ আন্দোলন থেকে শুরু করে জুলাইয়ে যারা শহীদ হয়েছে, তাদের পরিবার এবং সন্তানদের যেন রাষ্ট্র দেখভাল করে-এ ব্যাপারে আমরা নজর দেবো।
আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ, বিএফইউজের মহাসচিব কাদের গণি চৌধুরী, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি কবি হাসান হাফিজ, ডিইউজের সভাপতি শহীদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক খুরশিদ আলম প্রমুখ।

বিরোধী দল শেখ হাসিনার মতো কথা বলছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
সোমবার (৩ আগস্ট) জাতীয় প্রেস ক্লাবে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) আয়োজিত জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ফ্যাসিস্ট চলে যাওয়াতে একটা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের সুযোগ হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকার আমরা দিয়েছি। এদেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ সৃষ্টি করার জন্য তারা চেষ্টা করেছে। সেসময় জুলাই সনদ তৈরী করা সম্ভব হয়েছে।
জুলাই সনদ নিয়ে ভুল বুঝানো হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, একটা মহল থেকে বলা হয়েছে বিএনপি নাকি জুলাই সনদ গ্রহণ করছে না। এটা পুরোপুরি ভ্রান্ত ধারণা তৈরী করছে। আমি এর তীব্র নিন্দা জানাই। বিএনপি হচ্ছে সেই দল, যারা সংস্কারের মধ্যে দিয়ে এগিয়ে গেছে। বিএনপি জোর করে ক্ষমতা দখল করেনি। তারা জনগণের মেন্ডেট নিয়ে সরকার গঠন করেছে।
তিনি আরও বলেন, সমস্যা হচ্ছে গণভোট নিয়ে। সেই গণভোটে যে চারটি প্রশ্ন ছিল, সেখানে তিনটা প্রশ্নে আমরা একমত হয়েছি। সংবিধান সংস্কার কমিশন-এটা কারো সঙ্গে আলোচনা না করে তারা (ইন্টেরিম) চাপিয়ে দিয়েছে। জাতির সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে। এটা আমরা কখনো মেনে নেইনি। আমরা বারবার বলেছি, এখানে আমরা একমত নই।
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, আমরা জুলাই ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করেছি এবং তা পালন করতে চাই। আমরা কাজ শুরু করেছি। ইতোমধ্যে অনেকদূর এগিয়ে গেছে। পার্লামেন্টে একটা কমিটি গঠন করা হয়েছে। এখানে শব্দ নিয়ে বিভেদ শুরু হয়েছে। সংস্কার হবে, নাকি সংশোধন হবে।
বিরোধী দলকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আসুন আমরা পার্লামেন্টে এটা নিয়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিই। কথা বলি। তখন যদি একমত না হন, তাহলে বেরিয়ে যাবেন। কিন্তু এখন যে ভাষায় বিরোধী দলের নেতারা কথা বলছেন, এভাবে কথা বলতেন শেখ হাসিনা।
তিনি আরও বলেন, বিরোধীদল অবশ্যই সমালোচনা করবে এবং সরকারের ভুল ধরিয়ে দেবে। তবে, সেটা পার্লামেন্টে হলে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ঠিক থাকে। কিন্তু দূর্ভাগ্যজনক বিষয় হচ্ছে, আবার আগের মতোই শুরু হয়েছে। রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করার চেষ্টা করছে। এটাতেও আপত্তি নেই। কারণ এটা গণতান্ত্রিক নীতি। কিন্তু সেটা যেন এমন পর্যায়ে না যায়, যে পর্যায়ে গিয়ে সেটা সংঘাতে রূপ নেয়। এ বিষয়ে সতর্ক থাকা জরুরি।
ফখরুল ইসলাম বলেন, প্রধানমন্ত্রী প্রতিটা মূহুর্তে মানুষের জন্য কাজ করছেন। তাকে তো আমাদের সহযোগিতা করতে হবে। কিন্তু, এখন যদি নেগেটিভ কথা বলে তাকে পেছনে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করি, তাহলে তো সামনে এগিয়ে যেতে সমস্যা হবে। দেশটা আমাদের। এখানে যদি সারাক্ষণ মারামারি-কাটাকাটি করি, তাহলে দেশ কখনোই সামনে এগিয়ে যাবে না।
মিডিয়া স্বাধীনভাবে কাজ করছে দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, আজকে মিডিয়ার ওপর সরকারের কোনো হস্তক্ষেপ নেই। এটা তো একটা পজিটিভ বিষয়। বেকার সাংবাদিকদের কর্মসংস্থান ব্যবস্থার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলবেন বলেও জানান এই মন্ত্রী।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের অনেক সমস্যা রয়েছে। আমাদেরকে সহনশীল পর্যায়ে গিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। সরকার যাতে ঠিক কাজগুলো করতে পারে, সেজন্য সরকারকে সুযোগ দিতে হবে। সরকারের তো মাত্র ৫ মাস হয়েছে। এরমধ্যে যদি সবকিছু আমরা সঠিক চাই, তাহলে তো হবে না।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ফ্যাসিবাদ আন্দোলন থেকে শুরু করে জুলাইয়ে যারা শহীদ হয়েছে, তাদের পরিবার এবং সন্তানদের যেন রাষ্ট্র দেখভাল করে-এ ব্যাপারে আমরা নজর দেবো।
আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ, বিএফইউজের মহাসচিব কাদের গণি চৌধুরী, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি কবি হাসান হাফিজ, ডিইউজের সভাপতি শহীদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক খুরশিদ আলম প্রমুখ।

বিরোধী দল শেখ হাসিনার মতো কথা বলছে: মির্জা ফখরুল
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিরোধী দল শেখ হাসিনার মতো কথা বলছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
সোমবার (৩ আগস্ট) জাতীয় প্রেস ক্লাবে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) আয়োজিত জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ফ্যাসিস্ট চলে যাওয়াতে একটা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের সুযোগ হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকার আমরা দিয়েছি। এদেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ সৃষ্টি করার জন্য তারা চেষ্টা করেছে। সেসময় জুলাই সনদ তৈরী করা সম্ভব হয়েছে।
জুলাই সনদ নিয়ে ভুল বুঝানো হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, একটা মহল থেকে বলা হয়েছে বিএনপি নাকি জুলাই সনদ গ্রহণ করছে না। এটা পুরোপুরি ভ্রান্ত ধারণা তৈরী করছে। আমি এর তীব্র নিন্দা জানাই। বিএনপি হচ্ছে সেই দল, যারা সংস্কারের মধ্যে দিয়ে এগিয়ে গেছে। বিএনপি জোর করে ক্ষমতা দখল করেনি। তারা জনগণের মেন্ডেট নিয়ে সরকার গঠন করেছে।
তিনি আরও বলেন, সমস্যা হচ্ছে গণভোট নিয়ে। সেই গণভোটে যে চারটি প্রশ্ন ছিল, সেখানে তিনটা প্রশ্নে আমরা একমত হয়েছি। সংবিধান সংস্কার কমিশন-এটা কারো সঙ্গে আলোচনা না করে তারা (ইন্টেরিম) চাপিয়ে দিয়েছে। জাতির সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে। এটা আমরা কখনো মেনে নেইনি। আমরা বারবার বলেছি, এখানে আমরা একমত নই।
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, আমরা জুলাই ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করেছি এবং তা পালন করতে চাই। আমরা কাজ শুরু করেছি। ইতোমধ্যে অনেকদূর এগিয়ে গেছে। পার্লামেন্টে একটা কমিটি গঠন করা হয়েছে। এখানে শব্দ নিয়ে বিভেদ শুরু হয়েছে। সংস্কার হবে, নাকি সংশোধন হবে।
বিরোধী দলকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আসুন আমরা পার্লামেন্টে এটা নিয়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিই। কথা বলি। তখন যদি একমত না হন, তাহলে বেরিয়ে যাবেন। কিন্তু এখন যে ভাষায় বিরোধী দলের নেতারা কথা বলছেন, এভাবে কথা বলতেন শেখ হাসিনা।
তিনি আরও বলেন, বিরোধীদল অবশ্যই সমালোচনা করবে এবং সরকারের ভুল ধরিয়ে দেবে। তবে, সেটা পার্লামেন্টে হলে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ঠিক থাকে। কিন্তু দূর্ভাগ্যজনক বিষয় হচ্ছে, আবার আগের মতোই শুরু হয়েছে। রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করার চেষ্টা করছে। এটাতেও আপত্তি নেই। কারণ এটা গণতান্ত্রিক নীতি। কিন্তু সেটা যেন এমন পর্যায়ে না যায়, যে পর্যায়ে গিয়ে সেটা সংঘাতে রূপ নেয়। এ বিষয়ে সতর্ক থাকা জরুরি।
ফখরুল ইসলাম বলেন, প্রধানমন্ত্রী প্রতিটা মূহুর্তে মানুষের জন্য কাজ করছেন। তাকে তো আমাদের সহযোগিতা করতে হবে। কিন্তু, এখন যদি নেগেটিভ কথা বলে তাকে পেছনে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করি, তাহলে তো সামনে এগিয়ে যেতে সমস্যা হবে। দেশটা আমাদের। এখানে যদি সারাক্ষণ মারামারি-কাটাকাটি করি, তাহলে দেশ কখনোই সামনে এগিয়ে যাবে না।
মিডিয়া স্বাধীনভাবে কাজ করছে দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, আজকে মিডিয়ার ওপর সরকারের কোনো হস্তক্ষেপ নেই। এটা তো একটা পজিটিভ বিষয়। বেকার সাংবাদিকদের কর্মসংস্থান ব্যবস্থার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলবেন বলেও জানান এই মন্ত্রী।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের অনেক সমস্যা রয়েছে। আমাদেরকে সহনশীল পর্যায়ে গিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। সরকার যাতে ঠিক কাজগুলো করতে পারে, সেজন্য সরকারকে সুযোগ দিতে হবে। সরকারের তো মাত্র ৫ মাস হয়েছে। এরমধ্যে যদি সবকিছু আমরা সঠিক চাই, তাহলে তো হবে না।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ফ্যাসিবাদ আন্দোলন থেকে শুরু করে জুলাইয়ে যারা শহীদ হয়েছে, তাদের পরিবার এবং সন্তানদের যেন রাষ্ট্র দেখভাল করে-এ ব্যাপারে আমরা নজর দেবো।
আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ, বিএফইউজের মহাসচিব কাদের গণি চৌধুরী, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি কবি হাসান হাফিজ, ডিইউজের সভাপতি শহীদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক খুরশিদ আলম প্রমুখ।

রাজনীতির বিভেদ নয়, সম্প্রীতির সমাজ চাই: মির্জা ফখরুল
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রীকে দেওয়া হয়েছে: মির্জা ফখরুল







