রাজনীতির বিভেদ নয়, সম্প্রীতির সমাজ চাই: মির্জা ফখরুল

রাজনীতির বিভেদ নয়, সম্প্রীতির সমাজ চাই: মির্জা ফখরুল
সিজেডএন ডেস্ক

বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন এবং সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, রাজনৈতিক মতভেদ গণতন্ত্রের স্বাভাবিক বিষয় হলেও তা যেন সমাজে বিভাজন ও মানুষের পারস্পরিক সম্পর্কের অবনতি না ঘটায়। তিনি বলেন, মতের অমিল থাকতে পারে, কিন্তু সম্প্রীতি ও সামাজিক বন্ধন অটুট রাখাই হওয়া উচিত সবার লক্ষ্য।
রবিবার (২ আগস্ট) বিকালে ঠাকুরগাঁও নাট্য সমিতিতে আয়োজিত সাংস্কৃতিক মিলনমেলা ও মতবিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, রাজনীতি অনেক সময় মানুষে মানুষে দূরত্ব তৈরি করে এবং বিভক্তির জন্ম দেয়। তবে ঠাকুরগাঁওয়ে তিনি এমন কোনো বিভাজন দেখতে চান না। তার প্রত্যাশা, এখানে এমন একটি সমাজ গড়ে উঠবে, যেখানে রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও পারস্পরিক সম্পর্ক, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি অক্ষুণ্ন থাকবে।
তিনি অতীতের সামাজিক পরিবেশের কথা স্মরণ করে বলেন, আগে রাজনৈতিক মতের পার্থক্য থাকলেও ব্যক্তিগত সম্পর্কের ক্ষেত্রে তার প্রভাব পড়ত না। ভিন্ন রাজনৈতিক দলের মানুষ একসঙ্গে বসে আড্ডা দিতেন, চা পান করতেন এবং সামাজিক বন্ধন বজায় রাখতেন। রাজনৈতিক সভায় একে অপরের সমালোচনা করলেও সামাজিক সম্প্রীতি নষ্ট হতো না। সেই মূল্যবোধের সমাজ আবার ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানান তিনি।
তরুণদের উদ্দেশে মির্জা ফখরুল বলেন, নাটক, সংস্কৃতি ও খেলাধুলার সঙ্গে সম্পৃক্ততা তাদের সৃজনশীল, মানবিক ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়ক। পাশাপাশি এসব কর্মকাণ্ড তরুণদের মাদকাসক্তি ও সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রাখে। তিনি বলেন, ছেলেমেয়েরা যখন খেলাধুলা কিংবা সাংস্কৃতিক চর্চায় ব্যস্ত থাকে, তখন নেতিবাচক কর্মকাণ্ডের সুযোগ অনেকটাই কমে যায়।
সাংস্কৃতিক অঙ্গনের কর্মীদের প্রতি সহায়তার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, অনেক নাট্যকর্মী ও শিল্পী দীর্ঘদিন ধরে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করলেও আর্থিক সংকটের মধ্যে জীবনযাপন করছেন। তাদের পাশে দাঁড়ানো এবং শিল্প-সংস্কৃতির বিকাশে প্রয়োজনীয় পৃষ্ঠপোষকতা নিশ্চিত করা সবার দায়িত্ব।
বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রসঙ্গ টেনে মির্জা ফখরুল বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া যে সাংস্কৃতিক চর্চার ভিত্তি গড়ে দিয়েছিলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সেই ধারাবাহিকতাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক, পুলিশ সুপার বেলাল হোসেন, জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিন, সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী, শিক্ষাবিদ ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মনোতোষ কুমার দে এবং ঠাকুরগাঁও নাট্য সমিতির সভাপতি ফজলে এলাহী মুকুট চৌধুরীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা।

বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন এবং সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, রাজনৈতিক মতভেদ গণতন্ত্রের স্বাভাবিক বিষয় হলেও তা যেন সমাজে বিভাজন ও মানুষের পারস্পরিক সম্পর্কের অবনতি না ঘটায়। তিনি বলেন, মতের অমিল থাকতে পারে, কিন্তু সম্প্রীতি ও সামাজিক বন্ধন অটুট রাখাই হওয়া উচিত সবার লক্ষ্য।
রবিবার (২ আগস্ট) বিকালে ঠাকুরগাঁও নাট্য সমিতিতে আয়োজিত সাংস্কৃতিক মিলনমেলা ও মতবিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, রাজনীতি অনেক সময় মানুষে মানুষে দূরত্ব তৈরি করে এবং বিভক্তির জন্ম দেয়। তবে ঠাকুরগাঁওয়ে তিনি এমন কোনো বিভাজন দেখতে চান না। তার প্রত্যাশা, এখানে এমন একটি সমাজ গড়ে উঠবে, যেখানে রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও পারস্পরিক সম্পর্ক, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি অক্ষুণ্ন থাকবে।
তিনি অতীতের সামাজিক পরিবেশের কথা স্মরণ করে বলেন, আগে রাজনৈতিক মতের পার্থক্য থাকলেও ব্যক্তিগত সম্পর্কের ক্ষেত্রে তার প্রভাব পড়ত না। ভিন্ন রাজনৈতিক দলের মানুষ একসঙ্গে বসে আড্ডা দিতেন, চা পান করতেন এবং সামাজিক বন্ধন বজায় রাখতেন। রাজনৈতিক সভায় একে অপরের সমালোচনা করলেও সামাজিক সম্প্রীতি নষ্ট হতো না। সেই মূল্যবোধের সমাজ আবার ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানান তিনি।
তরুণদের উদ্দেশে মির্জা ফখরুল বলেন, নাটক, সংস্কৃতি ও খেলাধুলার সঙ্গে সম্পৃক্ততা তাদের সৃজনশীল, মানবিক ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়ক। পাশাপাশি এসব কর্মকাণ্ড তরুণদের মাদকাসক্তি ও সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রাখে। তিনি বলেন, ছেলেমেয়েরা যখন খেলাধুলা কিংবা সাংস্কৃতিক চর্চায় ব্যস্ত থাকে, তখন নেতিবাচক কর্মকাণ্ডের সুযোগ অনেকটাই কমে যায়।
সাংস্কৃতিক অঙ্গনের কর্মীদের প্রতি সহায়তার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, অনেক নাট্যকর্মী ও শিল্পী দীর্ঘদিন ধরে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করলেও আর্থিক সংকটের মধ্যে জীবনযাপন করছেন। তাদের পাশে দাঁড়ানো এবং শিল্প-সংস্কৃতির বিকাশে প্রয়োজনীয় পৃষ্ঠপোষকতা নিশ্চিত করা সবার দায়িত্ব।
বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রসঙ্গ টেনে মির্জা ফখরুল বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া যে সাংস্কৃতিক চর্চার ভিত্তি গড়ে দিয়েছিলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সেই ধারাবাহিকতাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক, পুলিশ সুপার বেলাল হোসেন, জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিন, সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী, শিক্ষাবিদ ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মনোতোষ কুমার দে এবং ঠাকুরগাঁও নাট্য সমিতির সভাপতি ফজলে এলাহী মুকুট চৌধুরীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা।

রাজনীতির বিভেদ নয়, সম্প্রীতির সমাজ চাই: মির্জা ফখরুল
সিজেডএন ডেস্ক

বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন এবং সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, রাজনৈতিক মতভেদ গণতন্ত্রের স্বাভাবিক বিষয় হলেও তা যেন সমাজে বিভাজন ও মানুষের পারস্পরিক সম্পর্কের অবনতি না ঘটায়। তিনি বলেন, মতের অমিল থাকতে পারে, কিন্তু সম্প্রীতি ও সামাজিক বন্ধন অটুট রাখাই হওয়া উচিত সবার লক্ষ্য।
রবিবার (২ আগস্ট) বিকালে ঠাকুরগাঁও নাট্য সমিতিতে আয়োজিত সাংস্কৃতিক মিলনমেলা ও মতবিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, রাজনীতি অনেক সময় মানুষে মানুষে দূরত্ব তৈরি করে এবং বিভক্তির জন্ম দেয়। তবে ঠাকুরগাঁওয়ে তিনি এমন কোনো বিভাজন দেখতে চান না। তার প্রত্যাশা, এখানে এমন একটি সমাজ গড়ে উঠবে, যেখানে রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও পারস্পরিক সম্পর্ক, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি অক্ষুণ্ন থাকবে।
তিনি অতীতের সামাজিক পরিবেশের কথা স্মরণ করে বলেন, আগে রাজনৈতিক মতের পার্থক্য থাকলেও ব্যক্তিগত সম্পর্কের ক্ষেত্রে তার প্রভাব পড়ত না। ভিন্ন রাজনৈতিক দলের মানুষ একসঙ্গে বসে আড্ডা দিতেন, চা পান করতেন এবং সামাজিক বন্ধন বজায় রাখতেন। রাজনৈতিক সভায় একে অপরের সমালোচনা করলেও সামাজিক সম্প্রীতি নষ্ট হতো না। সেই মূল্যবোধের সমাজ আবার ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানান তিনি।
তরুণদের উদ্দেশে মির্জা ফখরুল বলেন, নাটক, সংস্কৃতি ও খেলাধুলার সঙ্গে সম্পৃক্ততা তাদের সৃজনশীল, মানবিক ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়ক। পাশাপাশি এসব কর্মকাণ্ড তরুণদের মাদকাসক্তি ও সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রাখে। তিনি বলেন, ছেলেমেয়েরা যখন খেলাধুলা কিংবা সাংস্কৃতিক চর্চায় ব্যস্ত থাকে, তখন নেতিবাচক কর্মকাণ্ডের সুযোগ অনেকটাই কমে যায়।
সাংস্কৃতিক অঙ্গনের কর্মীদের প্রতি সহায়তার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, অনেক নাট্যকর্মী ও শিল্পী দীর্ঘদিন ধরে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করলেও আর্থিক সংকটের মধ্যে জীবনযাপন করছেন। তাদের পাশে দাঁড়ানো এবং শিল্প-সংস্কৃতির বিকাশে প্রয়োজনীয় পৃষ্ঠপোষকতা নিশ্চিত করা সবার দায়িত্ব।
বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রসঙ্গ টেনে মির্জা ফখরুল বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া যে সাংস্কৃতিক চর্চার ভিত্তি গড়ে দিয়েছিলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সেই ধারাবাহিকতাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক, পুলিশ সুপার বেলাল হোসেন, জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিন, সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী, শিক্ষাবিদ ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মনোতোষ কুমার দে এবং ঠাকুরগাঁও নাট্য সমিতির সভাপতি ফজলে এলাহী মুকুট চৌধুরীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা।









