হবিগঞ্জে মামলা করবো, তারপর যাবো: নাহিদ ইসলাম

হবিগঞ্জে মামলা করবো, তারপর যাবো: নাহিদ ইসলাম
হবিগঞ্জ সংবাদদাতা

হবিগঞ্জে যাওয়ার পথে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে পুলিশের বাধার মুখে পড়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় নেতাকর্মীরা। বুধবার (২৯ জুলাই) বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে শ্রীমঙ্গলের চা-কন্যা এলাকায় এনসিপির গাড়িবহর আটকে দেয় পুলিশ।
এরপর পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে এগিয়ে গেলেও হবিগঞ্জের মিরপুর এলাকায় ফের বাধার মুখে পড়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাকর্মীরা। এ সময় তারা সড়কে অবস্থান নিয়ে বসে পড়েন।
তখন এনসিপির আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেন, হবিগঞ্জে আমাদের পূর্বঘোষিত কর্মসূচি ছিলো। প্রথমে আমাদের শ্রীমঙ্গলে বাধা দেওয়া হয়েছে। তারপর কয়েক দফায় বালুর ট্রাক, ট্রাক্টর ইত্যাদি গাড়ি দিয়ে বাধা দিয়েছে। এরপর এখানে পুলিশ আটকে রেখেছে।
তিনি বলেন, 'আমরা বলেছি. যেহেতু হবিগঞ্জের পৌর এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করেছে স্থানীয় প্রশাসন, তাই শুধু যাবো এবং মামলা করব, আহতদের দেখবো, তাদের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে চলে আসবো। প্রয়োজনে আপনারা (পুলিশ) যতজন বলবেন আমরা ততজন যাবো।
নাহিদ ইসলাম বলেন, আমাদেরকে সহযোগিতা করুন, আমরা এখানে কোনো অশান্তি চাই না। এখানে কিন্তু ১৪৪ ধারা জারি নেই। তারা (পুলিশ) আমাদেরকে ব্যারিকেড দিয়ে রেখেছে। তারা আমাদের যেতে দেবে না।
তিনি আরও বলেন, আমরা আসছি ঢাকা থেকে হবিগঞ্জে মামলা করবো, তারপর যাবো।
গতকাল মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সন্ধ্যায় হবিগঞ্জ শহরের টাউন হলের সামনে পদযাত্রা শেষে ফেরার পথে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সারজিস আলমের গাড়িতে স্থানীয় ছাত্রদল নেতাকর্মীরা অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় সাংবাদিক ও এনসিপি নেতাকর্মীরা আহত হন। এ ঘটনার প্রতিবাদে বুধবার (২৯ জুলাই) সারাদেশে বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দেয় জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।

হবিগঞ্জে যাওয়ার পথে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে পুলিশের বাধার মুখে পড়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় নেতাকর্মীরা। বুধবার (২৯ জুলাই) বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে শ্রীমঙ্গলের চা-কন্যা এলাকায় এনসিপির গাড়িবহর আটকে দেয় পুলিশ।
এরপর পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে এগিয়ে গেলেও হবিগঞ্জের মিরপুর এলাকায় ফের বাধার মুখে পড়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাকর্মীরা। এ সময় তারা সড়কে অবস্থান নিয়ে বসে পড়েন।
তখন এনসিপির আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেন, হবিগঞ্জে আমাদের পূর্বঘোষিত কর্মসূচি ছিলো। প্রথমে আমাদের শ্রীমঙ্গলে বাধা দেওয়া হয়েছে। তারপর কয়েক দফায় বালুর ট্রাক, ট্রাক্টর ইত্যাদি গাড়ি দিয়ে বাধা দিয়েছে। এরপর এখানে পুলিশ আটকে রেখেছে।
তিনি বলেন, 'আমরা বলেছি. যেহেতু হবিগঞ্জের পৌর এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করেছে স্থানীয় প্রশাসন, তাই শুধু যাবো এবং মামলা করব, আহতদের দেখবো, তাদের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে চলে আসবো। প্রয়োজনে আপনারা (পুলিশ) যতজন বলবেন আমরা ততজন যাবো।
নাহিদ ইসলাম বলেন, আমাদেরকে সহযোগিতা করুন, আমরা এখানে কোনো অশান্তি চাই না। এখানে কিন্তু ১৪৪ ধারা জারি নেই। তারা (পুলিশ) আমাদেরকে ব্যারিকেড দিয়ে রেখেছে। তারা আমাদের যেতে দেবে না।
তিনি আরও বলেন, আমরা আসছি ঢাকা থেকে হবিগঞ্জে মামলা করবো, তারপর যাবো।
গতকাল মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সন্ধ্যায় হবিগঞ্জ শহরের টাউন হলের সামনে পদযাত্রা শেষে ফেরার পথে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সারজিস আলমের গাড়িতে স্থানীয় ছাত্রদল নেতাকর্মীরা অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় সাংবাদিক ও এনসিপি নেতাকর্মীরা আহত হন। এ ঘটনার প্রতিবাদে বুধবার (২৯ জুলাই) সারাদেশে বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দেয় জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।

হবিগঞ্জে মামলা করবো, তারপর যাবো: নাহিদ ইসলাম
হবিগঞ্জ সংবাদদাতা

হবিগঞ্জে যাওয়ার পথে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে পুলিশের বাধার মুখে পড়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় নেতাকর্মীরা। বুধবার (২৯ জুলাই) বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে শ্রীমঙ্গলের চা-কন্যা এলাকায় এনসিপির গাড়িবহর আটকে দেয় পুলিশ।
এরপর পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে এগিয়ে গেলেও হবিগঞ্জের মিরপুর এলাকায় ফের বাধার মুখে পড়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাকর্মীরা। এ সময় তারা সড়কে অবস্থান নিয়ে বসে পড়েন।
তখন এনসিপির আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেন, হবিগঞ্জে আমাদের পূর্বঘোষিত কর্মসূচি ছিলো। প্রথমে আমাদের শ্রীমঙ্গলে বাধা দেওয়া হয়েছে। তারপর কয়েক দফায় বালুর ট্রাক, ট্রাক্টর ইত্যাদি গাড়ি দিয়ে বাধা দিয়েছে। এরপর এখানে পুলিশ আটকে রেখেছে।
তিনি বলেন, 'আমরা বলেছি. যেহেতু হবিগঞ্জের পৌর এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করেছে স্থানীয় প্রশাসন, তাই শুধু যাবো এবং মামলা করব, আহতদের দেখবো, তাদের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে চলে আসবো। প্রয়োজনে আপনারা (পুলিশ) যতজন বলবেন আমরা ততজন যাবো।
নাহিদ ইসলাম বলেন, আমাদেরকে সহযোগিতা করুন, আমরা এখানে কোনো অশান্তি চাই না। এখানে কিন্তু ১৪৪ ধারা জারি নেই। তারা (পুলিশ) আমাদেরকে ব্যারিকেড দিয়ে রেখেছে। তারা আমাদের যেতে দেবে না।
তিনি আরও বলেন, আমরা আসছি ঢাকা থেকে হবিগঞ্জে মামলা করবো, তারপর যাবো।
গতকাল মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সন্ধ্যায় হবিগঞ্জ শহরের টাউন হলের সামনে পদযাত্রা শেষে ফেরার পথে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সারজিস আলমের গাড়িতে স্থানীয় ছাত্রদল নেতাকর্মীরা অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় সাংবাদিক ও এনসিপি নেতাকর্মীরা আহত হন। এ ঘটনার প্রতিবাদে বুধবার (২৯ জুলাই) সারাদেশে বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দেয় জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।









