এলজিইডির ৬ শতাধিক প্রকৌশলীকে ক্যাডার করার উদ্যোগ, প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন চেয়েছে মন্ত্রণালয়

এলজিইডির ৬ শতাধিক প্রকৌশলীকে ক্যাডার করার উদ্যোগ, প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন চেয়েছে মন্ত্রণালয়
নিজস্ব প্রতিবেদক

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) ৬ শতাধিক নন-ক্যাডার প্রকৌশলীকে ক্যাডারভুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন চেয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রস্তাব পাঠিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। তবে ক্যাডারভুক্তির প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে আইনগত বিভিন্ন বিষয় পরিবর্তন করতে হবে। এছাড়াও বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) মতামত ও সুপারিশ, রাষ্ট্রপতির অনুমোদন প্রয়োজন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিষয়টি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে।
এ বিষয়ে ইতোমধ্যে আন্তমন্ত্রণালয় সভা করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। সভায় জনপ্রশাসন, আইন, অর্থ, লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগ এবং স্থানীয় সরকার বিভাগের কর্মকর্তা ও প্রকৌশলীরা অংশ নেন।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিধি অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. মোস্তফা জামান বলেন, বিষয়টি নিয়ে তারা ইতিবাচকভাবে কাজ করছেন। তিনি বলেন, কোনো চাকরিজীবীকে ক্যাডারভুক্ত করতে প্রধানমন্ত্রীর পূর্বানুমোদন প্রয়োজন হয়। এছাড়া আইনগত বিভিন্ন বিষয় পরিবর্তন করতে হবে। ক্যাডারভুক্তির জন্য রাষ্ট্রপতি ও পিএসসির অনুমোদন এবং সুপারিশও লাগবে। প্রাথমিকভাবে প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন চেয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে ফাইল পাঠানো হয়েছে।
ক্যাডারভুক্তির আগে আরও অনেক কাজ বাকি রয়েছে বলেও জানান তিনি। মোস্তফা জামান বলেন, ২০০৫ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া এলজিইডি ভবন উদ্বোধনকালে প্রকৌশলীদের ক্যাডারভুক্ত করার আশ্বাস দিয়েছিলেন। সেই আশ্বাসের সূত্র ধরেই প্রকৌশলীরা আবেদন করেছেন।
জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আবদুল বারী বলেন, এলজিইডির প্রকৌশলীরা ক্যাডারভুক্ত হওয়ার আবেদন করেছেন। যেকোনো সরকারি সংস্থা এ ধরনের আবেদন করতে পারে। আবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী ও প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া যাচাই করা হচ্ছে। সবকিছু ঠিক থাকলে তাদের ক্যাডারভুক্ত করার বিষয়টি বিবেচনা করা হতে পারে। তবে এটি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে।
জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জনস্বার্থে কাজ করলে ক্যাডারভুক্তিতে আপত্তি নেই। তবে কর্মকর্তাদের ক্যাডারভুক্ত করার আগে তাদের দক্ষতা ও জনসেবায় অবদান মূল্যায়ন করা জরুরি। এদিকে পিএসসির সুপারিশ ছাড়া যেসব প্রকৌশলী জ্যেষ্ঠতা পেয়েছেন, তাদের বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, তা স্পষ্ট করা প্রয়োজন হবে। এজন্য ক্যাডার রুলস, ক্যাডার কম্পোজিশন রুলস ও নিয়োগবিধি সংশোধনসহ প্রয়োজনীয় অনুমোদন নিতে হবে বলেও জানান তারা।
তবে জনপ্রশাসন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, নন-ক্যাডার কর্মকর্তাদের ক্যাডারভুক্ত করার ক্ষেত্রে আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ জরুরি। এ কারণে প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের পর পিএসসির মতামত ও রাষ্ট্রপতির অনুমোদন নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে।
এর আগে বিগত সরকারের সময় ট্রেড, সমবায় ও তথ্য ক্যাডারকে প্রশাসন ক্যাডারের সঙ্গে একীভূত করার উদ্যোগ নেওয়া হলেও বিষয়টি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ট্রেড ক্যাডারে ২০ জন, সমবায় ক্যাডারে ১৯৬ জন এবং তথ্য ক্যাডারের বিভিন্ন শাখায় প্রায় সাড়ে সাতশ কর্মকর্তা কর্মরত রয়েছেন।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) ৬ শতাধিক নন-ক্যাডার প্রকৌশলীকে ক্যাডারভুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন চেয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রস্তাব পাঠিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। তবে ক্যাডারভুক্তির প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে আইনগত বিভিন্ন বিষয় পরিবর্তন করতে হবে। এছাড়াও বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) মতামত ও সুপারিশ, রাষ্ট্রপতির অনুমোদন প্রয়োজন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিষয়টি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে।
এ বিষয়ে ইতোমধ্যে আন্তমন্ত্রণালয় সভা করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। সভায় জনপ্রশাসন, আইন, অর্থ, লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগ এবং স্থানীয় সরকার বিভাগের কর্মকর্তা ও প্রকৌশলীরা অংশ নেন।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিধি অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. মোস্তফা জামান বলেন, বিষয়টি নিয়ে তারা ইতিবাচকভাবে কাজ করছেন। তিনি বলেন, কোনো চাকরিজীবীকে ক্যাডারভুক্ত করতে প্রধানমন্ত্রীর পূর্বানুমোদন প্রয়োজন হয়। এছাড়া আইনগত বিভিন্ন বিষয় পরিবর্তন করতে হবে। ক্যাডারভুক্তির জন্য রাষ্ট্রপতি ও পিএসসির অনুমোদন এবং সুপারিশও লাগবে। প্রাথমিকভাবে প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন চেয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে ফাইল পাঠানো হয়েছে।
ক্যাডারভুক্তির আগে আরও অনেক কাজ বাকি রয়েছে বলেও জানান তিনি। মোস্তফা জামান বলেন, ২০০৫ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া এলজিইডি ভবন উদ্বোধনকালে প্রকৌশলীদের ক্যাডারভুক্ত করার আশ্বাস দিয়েছিলেন। সেই আশ্বাসের সূত্র ধরেই প্রকৌশলীরা আবেদন করেছেন।
জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আবদুল বারী বলেন, এলজিইডির প্রকৌশলীরা ক্যাডারভুক্ত হওয়ার আবেদন করেছেন। যেকোনো সরকারি সংস্থা এ ধরনের আবেদন করতে পারে। আবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী ও প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া যাচাই করা হচ্ছে। সবকিছু ঠিক থাকলে তাদের ক্যাডারভুক্ত করার বিষয়টি বিবেচনা করা হতে পারে। তবে এটি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে।
জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জনস্বার্থে কাজ করলে ক্যাডারভুক্তিতে আপত্তি নেই। তবে কর্মকর্তাদের ক্যাডারভুক্ত করার আগে তাদের দক্ষতা ও জনসেবায় অবদান মূল্যায়ন করা জরুরি। এদিকে পিএসসির সুপারিশ ছাড়া যেসব প্রকৌশলী জ্যেষ্ঠতা পেয়েছেন, তাদের বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, তা স্পষ্ট করা প্রয়োজন হবে। এজন্য ক্যাডার রুলস, ক্যাডার কম্পোজিশন রুলস ও নিয়োগবিধি সংশোধনসহ প্রয়োজনীয় অনুমোদন নিতে হবে বলেও জানান তারা।
তবে জনপ্রশাসন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, নন-ক্যাডার কর্মকর্তাদের ক্যাডারভুক্ত করার ক্ষেত্রে আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ জরুরি। এ কারণে প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের পর পিএসসির মতামত ও রাষ্ট্রপতির অনুমোদন নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে।
এর আগে বিগত সরকারের সময় ট্রেড, সমবায় ও তথ্য ক্যাডারকে প্রশাসন ক্যাডারের সঙ্গে একীভূত করার উদ্যোগ নেওয়া হলেও বিষয়টি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ট্রেড ক্যাডারে ২০ জন, সমবায় ক্যাডারে ১৯৬ জন এবং তথ্য ক্যাডারের বিভিন্ন শাখায় প্রায় সাড়ে সাতশ কর্মকর্তা কর্মরত রয়েছেন।

এলজিইডির ৬ শতাধিক প্রকৌশলীকে ক্যাডার করার উদ্যোগ, প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন চেয়েছে মন্ত্রণালয়
নিজস্ব প্রতিবেদক

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) ৬ শতাধিক নন-ক্যাডার প্রকৌশলীকে ক্যাডারভুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন চেয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রস্তাব পাঠিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। তবে ক্যাডারভুক্তির প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে আইনগত বিভিন্ন বিষয় পরিবর্তন করতে হবে। এছাড়াও বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) মতামত ও সুপারিশ, রাষ্ট্রপতির অনুমোদন প্রয়োজন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিষয়টি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে।
এ বিষয়ে ইতোমধ্যে আন্তমন্ত্রণালয় সভা করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। সভায় জনপ্রশাসন, আইন, অর্থ, লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগ এবং স্থানীয় সরকার বিভাগের কর্মকর্তা ও প্রকৌশলীরা অংশ নেন।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিধি অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. মোস্তফা জামান বলেন, বিষয়টি নিয়ে তারা ইতিবাচকভাবে কাজ করছেন। তিনি বলেন, কোনো চাকরিজীবীকে ক্যাডারভুক্ত করতে প্রধানমন্ত্রীর পূর্বানুমোদন প্রয়োজন হয়। এছাড়া আইনগত বিভিন্ন বিষয় পরিবর্তন করতে হবে। ক্যাডারভুক্তির জন্য রাষ্ট্রপতি ও পিএসসির অনুমোদন এবং সুপারিশও লাগবে। প্রাথমিকভাবে প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন চেয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে ফাইল পাঠানো হয়েছে।
ক্যাডারভুক্তির আগে আরও অনেক কাজ বাকি রয়েছে বলেও জানান তিনি। মোস্তফা জামান বলেন, ২০০৫ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া এলজিইডি ভবন উদ্বোধনকালে প্রকৌশলীদের ক্যাডারভুক্ত করার আশ্বাস দিয়েছিলেন। সেই আশ্বাসের সূত্র ধরেই প্রকৌশলীরা আবেদন করেছেন।
জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আবদুল বারী বলেন, এলজিইডির প্রকৌশলীরা ক্যাডারভুক্ত হওয়ার আবেদন করেছেন। যেকোনো সরকারি সংস্থা এ ধরনের আবেদন করতে পারে। আবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী ও প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া যাচাই করা হচ্ছে। সবকিছু ঠিক থাকলে তাদের ক্যাডারভুক্ত করার বিষয়টি বিবেচনা করা হতে পারে। তবে এটি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে।
জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জনস্বার্থে কাজ করলে ক্যাডারভুক্তিতে আপত্তি নেই। তবে কর্মকর্তাদের ক্যাডারভুক্ত করার আগে তাদের দক্ষতা ও জনসেবায় অবদান মূল্যায়ন করা জরুরি। এদিকে পিএসসির সুপারিশ ছাড়া যেসব প্রকৌশলী জ্যেষ্ঠতা পেয়েছেন, তাদের বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, তা স্পষ্ট করা প্রয়োজন হবে। এজন্য ক্যাডার রুলস, ক্যাডার কম্পোজিশন রুলস ও নিয়োগবিধি সংশোধনসহ প্রয়োজনীয় অনুমোদন নিতে হবে বলেও জানান তারা।
তবে জনপ্রশাসন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, নন-ক্যাডার কর্মকর্তাদের ক্যাডারভুক্ত করার ক্ষেত্রে আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ জরুরি। এ কারণে প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের পর পিএসসির মতামত ও রাষ্ট্রপতির অনুমোদন নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে।
এর আগে বিগত সরকারের সময় ট্রেড, সমবায় ও তথ্য ক্যাডারকে প্রশাসন ক্যাডারের সঙ্গে একীভূত করার উদ্যোগ নেওয়া হলেও বিষয়টি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ট্রেড ক্যাডারে ২০ জন, সমবায় ক্যাডারে ১৯৬ জন এবং তথ্য ক্যাডারের বিভিন্ন শাখায় প্রায় সাড়ে সাতশ কর্মকর্তা কর্মরত রয়েছেন।

গণপূর্তে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী পদে দুইজনের পদোন্নতি





