ফাঁকা ঝিলমিলে স্কুল নির্মাণ করে বিপাকে রাজউক পরিচালনার জন্য খোঁজা হচ্ছে প্রতিষ্ঠান

ফাঁকা ঝিলমিলে স্কুল নির্মাণ করে বিপাকে রাজউক পরিচালনার জন্য খোঁজা হচ্ছে প্রতিষ্ঠান
জুবায়ের আহমেদ

দিগন্তজুড়ে খোলা মাঠ। জঙ্গলে ঢাকা পড়েছে প্লটগুলো। রাজধানীর উপকণ্ঠে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের ঝিলমিল আবাসিক প্রকল্পের চিত্র অনেকটা এমন। ৩৮১ একরের বেশি জায়গায় গড়ে তোলা এই আবাসিক এলাকায় এখনো সেভাবে বসতি গড়ে ওঠেনি। এমন পরিস্থিতিতে বাসিন্দাদের জন্য নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে এবং সেখানে বসতি গড়ে তোলার লক্ষ্যে একটি স্কুল অ্যান্ড কলেজ নির্মাণ করেছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)।
রাজউক সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ১০ এপ্রিল ঝিলমিল আবাসিক প্রকল্পের ২ নম্বর সেক্টরে শূন্য দশমিক ৯৪ একর জমির ওপর স্কুল অ্যান্ড কলেজটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।
রাজউক সূত্রে জানা গেছে, রাজউক ৩৮১ দশমিক ১৯ একর জমিতে ঝিলমিল আবাসিক প্রকল্প গড়ে তুলেছে। এই প্রকল্পে ১ হাজার ৭০০টির বেশি প্লট আছে। এর অবকাঠামোগত উন্নয়নের অংশ হিসেবে ২২ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণের কাজ শেষ হয়েছে। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির দুটি উপকেন্দ্র নির্মাণ এবং ঢাকা ওয়াসার পানি সরবরাহ নেটওয়ার্ক স্থাপনের কাজও শেষ হয়েছে। এ ছাড়া প্রকল্প এলাকায় ছয়তলা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের দাপ্তরিক কার্যক্রম চালু হয়েছে। প্রকল্প এলাকায় নাগরিক সুবিধা বাড়াতে ফায়ার সার্ভিস স্টেশন ও সরকারি কর্মচারী হাসপাতাল নির্মাণেরও পরিকল্পনা রয়েছে রাজউকের। এসব স্থাপনা নির্মাণ করা হলে প্রকল্পটির বাসযোগ্যতা বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
রাজউকের পরিকল্পনা অনুযায়ী, রাজউক উত্তরা মডেল কলেজের আদলে পরিচালিত হবে ‘রাজউক ঝিলমিল স্কুল অ্যান্ড কলেজ’। তবে প্রতিষ্ঠানটির একাডেমিক কার্যক্রম কবে শুরু হবে, তা এখনো জানা যায়নি।
রাজউক সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি চালু হলে ঝিলমিল আবাসিক প্রকল্পের পাশাপাশি আশপাশের এলাকার শিক্ষার্থীরাও উপকৃত হবে। তবে প্রকল্প এলাকায় এখনো পর্যাপ্ত বসতি গড়ে নায় ওঠায় এবং আশপাশের এলাকা থেকে দূরে হওয়ায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম শুরুর ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
ঝিলমিলের প্রকল্পের পাশের একটি এলাকা নাজিরের বাগ। ওই এলাকার হাসান সিকদার সিজেডএন টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ‘ঝিলমিলেতো এখনও সেভাবে মানুষ থাকে না। সেখানে আগে বাড়িঘর হবে, তারপর না স্কুলে ছাত্ররা আসবে। তবে নাজিরের বাগ, চুনকুটিয়া, বাবুবাজারের ছেলেমেয়েরা সুযোগ পেলে – এই স্কুল চলবে।’
ঝিলমিল আবাসিক এলাকার পাসপোর্ট অফিসের সামনে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান আছে স্থানীয় বাসিন্দা মো. হাবিবের। তিনি বলেন, ‘স্কুল হলে মানুষের আসা যাওয়া বাড়বে এই এলাকায়। কিন্তু এলাকায় এখন থেকে বাসাবাড়ি বানানো শুরু না করলে, পুরোপুরি সুবিধা পাওয়া যাবে না স্কুলটার।’

রাজউক বলছে. ২০২৭-২৮ শিক্ষাবর্ষেই এই স্কুল অ্যান্ড কলেজটি চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। তবে নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু হতে আর মাত্র দুই মাস বাকি। কিন্তু এখনো প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনার কারা নেবে, সে বিষয়টি অনিশ্চিত। ছাত্র ভর্তির বিষয়েও কোনো উদ্যোগ নিতে দেখা যায়নি।
এই বিষয়ে কথা হয় ঝিলমিল আবাসিক প্রকল্পের পরিচালক রাজউকের প্রধান প্রকৌশলী (বাস্তবায়ন) মো. আমিনুর রহমানের সঙ্গে। তিনি সিজেডএন টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ‘রাজউকের উদ্যোগে স্কুল অ্যান্ড কলেজটি বানিয়েছে গনপূর্ত মন্ত্রণালয়। তাই এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি কীভাবে পরিচালিত হবে সে বিষয়ে গনপূর্ত মন্ত্রণালয়কে একটা সভা আহ্বানের জন্য সেখানে আবেদন পাঠিয়েছি। সেই আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় শিক্ষা মন্ত্রাণালয়ের প্রতিনিধি থাকবেন। সেখানে শিক্ষা মন্ত্রাণালয় ঠিক করে দিবে কারা এই স্কুল অ্যান্ড কলেজটি পরিচালনা করবে।’
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি নির্মাণের আগে পরিচালনার বিষয়টি ভাবা হয়নি কেন-এমন প্রশ্নের জবাবে রাজউকের এই কর্মকর্তা বলেন, ‘এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ মসজিদ, থানা, হাসপাতাল নির্মানের দাবি করছিল ঝিলমিলের প্লট মালিকরা। তাদের সেই চাওয়া এবং দ্রুত বসতি স্থাপনে এটি বানানো হয়েছে। আশা করি দ্রুত সময়ে আধুনিক এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি চালু হবে। এতে ঝিলমিলসহ আশপাশ এলাকার বসিন্দাদের সন্তানদের জন্য ভালো একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়াশোনার সুযোগ হবে।’

দিগন্তজুড়ে খোলা মাঠ। জঙ্গলে ঢাকা পড়েছে প্লটগুলো। রাজধানীর উপকণ্ঠে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের ঝিলমিল আবাসিক প্রকল্পের চিত্র অনেকটা এমন। ৩৮১ একরের বেশি জায়গায় গড়ে তোলা এই আবাসিক এলাকায় এখনো সেভাবে বসতি গড়ে ওঠেনি। এমন পরিস্থিতিতে বাসিন্দাদের জন্য নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে এবং সেখানে বসতি গড়ে তোলার লক্ষ্যে একটি স্কুল অ্যান্ড কলেজ নির্মাণ করেছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)।
রাজউক সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ১০ এপ্রিল ঝিলমিল আবাসিক প্রকল্পের ২ নম্বর সেক্টরে শূন্য দশমিক ৯৪ একর জমির ওপর স্কুল অ্যান্ড কলেজটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।
রাজউক সূত্রে জানা গেছে, রাজউক ৩৮১ দশমিক ১৯ একর জমিতে ঝিলমিল আবাসিক প্রকল্প গড়ে তুলেছে। এই প্রকল্পে ১ হাজার ৭০০টির বেশি প্লট আছে। এর অবকাঠামোগত উন্নয়নের অংশ হিসেবে ২২ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণের কাজ শেষ হয়েছে। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির দুটি উপকেন্দ্র নির্মাণ এবং ঢাকা ওয়াসার পানি সরবরাহ নেটওয়ার্ক স্থাপনের কাজও শেষ হয়েছে। এ ছাড়া প্রকল্প এলাকায় ছয়তলা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের দাপ্তরিক কার্যক্রম চালু হয়েছে। প্রকল্প এলাকায় নাগরিক সুবিধা বাড়াতে ফায়ার সার্ভিস স্টেশন ও সরকারি কর্মচারী হাসপাতাল নির্মাণেরও পরিকল্পনা রয়েছে রাজউকের। এসব স্থাপনা নির্মাণ করা হলে প্রকল্পটির বাসযোগ্যতা বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
রাজউকের পরিকল্পনা অনুযায়ী, রাজউক উত্তরা মডেল কলেজের আদলে পরিচালিত হবে ‘রাজউক ঝিলমিল স্কুল অ্যান্ড কলেজ’। তবে প্রতিষ্ঠানটির একাডেমিক কার্যক্রম কবে শুরু হবে, তা এখনো জানা যায়নি।
রাজউক সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি চালু হলে ঝিলমিল আবাসিক প্রকল্পের পাশাপাশি আশপাশের এলাকার শিক্ষার্থীরাও উপকৃত হবে। তবে প্রকল্প এলাকায় এখনো পর্যাপ্ত বসতি গড়ে নায় ওঠায় এবং আশপাশের এলাকা থেকে দূরে হওয়ায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম শুরুর ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
ঝিলমিলের প্রকল্পের পাশের একটি এলাকা নাজিরের বাগ। ওই এলাকার হাসান সিকদার সিজেডএন টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ‘ঝিলমিলেতো এখনও সেভাবে মানুষ থাকে না। সেখানে আগে বাড়িঘর হবে, তারপর না স্কুলে ছাত্ররা আসবে। তবে নাজিরের বাগ, চুনকুটিয়া, বাবুবাজারের ছেলেমেয়েরা সুযোগ পেলে – এই স্কুল চলবে।’
ঝিলমিল আবাসিক এলাকার পাসপোর্ট অফিসের সামনে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান আছে স্থানীয় বাসিন্দা মো. হাবিবের। তিনি বলেন, ‘স্কুল হলে মানুষের আসা যাওয়া বাড়বে এই এলাকায়। কিন্তু এলাকায় এখন থেকে বাসাবাড়ি বানানো শুরু না করলে, পুরোপুরি সুবিধা পাওয়া যাবে না স্কুলটার।’

রাজউক বলছে. ২০২৭-২৮ শিক্ষাবর্ষেই এই স্কুল অ্যান্ড কলেজটি চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। তবে নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু হতে আর মাত্র দুই মাস বাকি। কিন্তু এখনো প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনার কারা নেবে, সে বিষয়টি অনিশ্চিত। ছাত্র ভর্তির বিষয়েও কোনো উদ্যোগ নিতে দেখা যায়নি।
এই বিষয়ে কথা হয় ঝিলমিল আবাসিক প্রকল্পের পরিচালক রাজউকের প্রধান প্রকৌশলী (বাস্তবায়ন) মো. আমিনুর রহমানের সঙ্গে। তিনি সিজেডএন টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ‘রাজউকের উদ্যোগে স্কুল অ্যান্ড কলেজটি বানিয়েছে গনপূর্ত মন্ত্রণালয়। তাই এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি কীভাবে পরিচালিত হবে সে বিষয়ে গনপূর্ত মন্ত্রণালয়কে একটা সভা আহ্বানের জন্য সেখানে আবেদন পাঠিয়েছি। সেই আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় শিক্ষা মন্ত্রাণালয়ের প্রতিনিধি থাকবেন। সেখানে শিক্ষা মন্ত্রাণালয় ঠিক করে দিবে কারা এই স্কুল অ্যান্ড কলেজটি পরিচালনা করবে।’
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি নির্মাণের আগে পরিচালনার বিষয়টি ভাবা হয়নি কেন-এমন প্রশ্নের জবাবে রাজউকের এই কর্মকর্তা বলেন, ‘এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ মসজিদ, থানা, হাসপাতাল নির্মানের দাবি করছিল ঝিলমিলের প্লট মালিকরা। তাদের সেই চাওয়া এবং দ্রুত বসতি স্থাপনে এটি বানানো হয়েছে। আশা করি দ্রুত সময়ে আধুনিক এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি চালু হবে। এতে ঝিলমিলসহ আশপাশ এলাকার বসিন্দাদের সন্তানদের জন্য ভালো একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়াশোনার সুযোগ হবে।’

ফাঁকা ঝিলমিলে স্কুল নির্মাণ করে বিপাকে রাজউক পরিচালনার জন্য খোঁজা হচ্ছে প্রতিষ্ঠান
জুবায়ের আহমেদ

দিগন্তজুড়ে খোলা মাঠ। জঙ্গলে ঢাকা পড়েছে প্লটগুলো। রাজধানীর উপকণ্ঠে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের ঝিলমিল আবাসিক প্রকল্পের চিত্র অনেকটা এমন। ৩৮১ একরের বেশি জায়গায় গড়ে তোলা এই আবাসিক এলাকায় এখনো সেভাবে বসতি গড়ে ওঠেনি। এমন পরিস্থিতিতে বাসিন্দাদের জন্য নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে এবং সেখানে বসতি গড়ে তোলার লক্ষ্যে একটি স্কুল অ্যান্ড কলেজ নির্মাণ করেছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)।
রাজউক সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ১০ এপ্রিল ঝিলমিল আবাসিক প্রকল্পের ২ নম্বর সেক্টরে শূন্য দশমিক ৯৪ একর জমির ওপর স্কুল অ্যান্ড কলেজটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।
রাজউক সূত্রে জানা গেছে, রাজউক ৩৮১ দশমিক ১৯ একর জমিতে ঝিলমিল আবাসিক প্রকল্প গড়ে তুলেছে। এই প্রকল্পে ১ হাজার ৭০০টির বেশি প্লট আছে। এর অবকাঠামোগত উন্নয়নের অংশ হিসেবে ২২ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণের কাজ শেষ হয়েছে। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির দুটি উপকেন্দ্র নির্মাণ এবং ঢাকা ওয়াসার পানি সরবরাহ নেটওয়ার্ক স্থাপনের কাজও শেষ হয়েছে। এ ছাড়া প্রকল্প এলাকায় ছয়তলা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের দাপ্তরিক কার্যক্রম চালু হয়েছে। প্রকল্প এলাকায় নাগরিক সুবিধা বাড়াতে ফায়ার সার্ভিস স্টেশন ও সরকারি কর্মচারী হাসপাতাল নির্মাণেরও পরিকল্পনা রয়েছে রাজউকের। এসব স্থাপনা নির্মাণ করা হলে প্রকল্পটির বাসযোগ্যতা বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
রাজউকের পরিকল্পনা অনুযায়ী, রাজউক উত্তরা মডেল কলেজের আদলে পরিচালিত হবে ‘রাজউক ঝিলমিল স্কুল অ্যান্ড কলেজ’। তবে প্রতিষ্ঠানটির একাডেমিক কার্যক্রম কবে শুরু হবে, তা এখনো জানা যায়নি।
রাজউক সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি চালু হলে ঝিলমিল আবাসিক প্রকল্পের পাশাপাশি আশপাশের এলাকার শিক্ষার্থীরাও উপকৃত হবে। তবে প্রকল্প এলাকায় এখনো পর্যাপ্ত বসতি গড়ে নায় ওঠায় এবং আশপাশের এলাকা থেকে দূরে হওয়ায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম শুরুর ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
ঝিলমিলের প্রকল্পের পাশের একটি এলাকা নাজিরের বাগ। ওই এলাকার হাসান সিকদার সিজেডএন টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ‘ঝিলমিলেতো এখনও সেভাবে মানুষ থাকে না। সেখানে আগে বাড়িঘর হবে, তারপর না স্কুলে ছাত্ররা আসবে। তবে নাজিরের বাগ, চুনকুটিয়া, বাবুবাজারের ছেলেমেয়েরা সুযোগ পেলে – এই স্কুল চলবে।’
ঝিলমিল আবাসিক এলাকার পাসপোর্ট অফিসের সামনে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান আছে স্থানীয় বাসিন্দা মো. হাবিবের। তিনি বলেন, ‘স্কুল হলে মানুষের আসা যাওয়া বাড়বে এই এলাকায়। কিন্তু এলাকায় এখন থেকে বাসাবাড়ি বানানো শুরু না করলে, পুরোপুরি সুবিধা পাওয়া যাবে না স্কুলটার।’

রাজউক বলছে. ২০২৭-২৮ শিক্ষাবর্ষেই এই স্কুল অ্যান্ড কলেজটি চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। তবে নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু হতে আর মাত্র দুই মাস বাকি। কিন্তু এখনো প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনার কারা নেবে, সে বিষয়টি অনিশ্চিত। ছাত্র ভর্তির বিষয়েও কোনো উদ্যোগ নিতে দেখা যায়নি।
এই বিষয়ে কথা হয় ঝিলমিল আবাসিক প্রকল্পের পরিচালক রাজউকের প্রধান প্রকৌশলী (বাস্তবায়ন) মো. আমিনুর রহমানের সঙ্গে। তিনি সিজেডএন টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ‘রাজউকের উদ্যোগে স্কুল অ্যান্ড কলেজটি বানিয়েছে গনপূর্ত মন্ত্রণালয়। তাই এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি কীভাবে পরিচালিত হবে সে বিষয়ে গনপূর্ত মন্ত্রণালয়কে একটা সভা আহ্বানের জন্য সেখানে আবেদন পাঠিয়েছি। সেই আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় শিক্ষা মন্ত্রাণালয়ের প্রতিনিধি থাকবেন। সেখানে শিক্ষা মন্ত্রাণালয় ঠিক করে দিবে কারা এই স্কুল অ্যান্ড কলেজটি পরিচালনা করবে।’
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি নির্মাণের আগে পরিচালনার বিষয়টি ভাবা হয়নি কেন-এমন প্রশ্নের জবাবে রাজউকের এই কর্মকর্তা বলেন, ‘এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ মসজিদ, থানা, হাসপাতাল নির্মানের দাবি করছিল ঝিলমিলের প্লট মালিকরা। তাদের সেই চাওয়া এবং দ্রুত বসতি স্থাপনে এটি বানানো হয়েছে। আশা করি দ্রুত সময়ে আধুনিক এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি চালু হবে। এতে ঝিলমিলসহ আশপাশ এলাকার বসিন্দাদের সন্তানদের জন্য ভালো একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়াশোনার সুযোগ হবে।’









