পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন

পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে শিগগিরই পদত্যাগ করতে পারেন বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র। ইতোমধ্যেই বিএনপির উচ্চপর্যায় থেকে রাষ্ট্রপতিকে পদত্যাগের বার্তা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
২০২৩ সালের এপ্রিলে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পান মো. সাহাবুদ্দিন। ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর তার পদত্যাগের দাবি উঠলেও অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং পরবর্তীতে নির্বাচিত বিএনপি সরকারও তাকে বহাল রেখেছিল। তবে সম্প্রতি রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের বিষয়টি আলোচনায় এসেছে।
বিএনপির একাধিক সূত্র জানিয়েছে, চলতি বছরের মে মাসে চিকিৎসার জন্য রাষ্ট্রপতি ৯ মে লন্ডনে যান এবং ১৮ মে দেশে ফেরেন। ওই সময় তিনি টেলিফোনে সাবেক ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে কথা বলেন। পরে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ওই ফোনালাপের বিষয়টি জানতে পারে। এরপরই তাকে পদত্যাগের বার্তা দেওয়া হয়। ২০২৪ সালের আগস্টে গণঅভ্যুত্থানের মুখে পদত্যাগের পর থেকেই শেখ হাসিনা ভারতে অবস্থান করছেন।
বিএনপির অন্য একটি সূত্র জানিয়েছে, ফোনকল ছাড়াও সম্প্রতি ডিসেম্বরের মধ্যে বাংলাদেশে ফেরার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন শেখ হাসিনা। এটা নিয়েও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে আলোচনা চলছে।
বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনা এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতা আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে ভারত থেকে বাংলাদেশে ফিরে আত্মসমর্পণের পরিকল্পনা করছেন।
বঙ্গভবন সূত্র জানিয়েছে, রাষ্ট্রপতি নিজে তার অধস্তন কর্মীদের শিগগিরই বঙ্গভবন ছেড়ে যাওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন। পদত্যাগের পর তিনি কিছুদিন বিশ্রামে থাকবেন। চিকিৎসার জন্য বিদেশেও যেতে পারেন।
এদিকে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হবেন সেটা নিয়ে চলছে জোর আলোচনা। সাংবাদিক জুলকারনাইন শায়ের সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে দাবি করেন, নতুন রাষ্ট্রপতি হিসেবে বিএনপির কোন শীর্ষ নেতার পরিবর্তে পছন্দের তালিকায় রয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি।
যদিও এর আগে এ পদের জন্য বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতা খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আবদুল মঈন খানসহ কয়েকজনের নাম আলোচনায় ছিল।
রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার সাময়িকভাবে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। এরপর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জাতীয় সংসদ সদস্যদের ভোটে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন। নতুন রাষ্ট্রপতির মেয়াদেই পরবর্তী জাতীয় সংসদ নির্বাচন হওয়ার কথা। ফলে কে দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন, তা রাজনৈতিকভাবেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে শিগগিরই পদত্যাগ করতে পারেন বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র। ইতোমধ্যেই বিএনপির উচ্চপর্যায় থেকে রাষ্ট্রপতিকে পদত্যাগের বার্তা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
২০২৩ সালের এপ্রিলে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পান মো. সাহাবুদ্দিন। ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর তার পদত্যাগের দাবি উঠলেও অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং পরবর্তীতে নির্বাচিত বিএনপি সরকারও তাকে বহাল রেখেছিল। তবে সম্প্রতি রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের বিষয়টি আলোচনায় এসেছে।
বিএনপির একাধিক সূত্র জানিয়েছে, চলতি বছরের মে মাসে চিকিৎসার জন্য রাষ্ট্রপতি ৯ মে লন্ডনে যান এবং ১৮ মে দেশে ফেরেন। ওই সময় তিনি টেলিফোনে সাবেক ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে কথা বলেন। পরে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ওই ফোনালাপের বিষয়টি জানতে পারে। এরপরই তাকে পদত্যাগের বার্তা দেওয়া হয়। ২০২৪ সালের আগস্টে গণঅভ্যুত্থানের মুখে পদত্যাগের পর থেকেই শেখ হাসিনা ভারতে অবস্থান করছেন।
বিএনপির অন্য একটি সূত্র জানিয়েছে, ফোনকল ছাড়াও সম্প্রতি ডিসেম্বরের মধ্যে বাংলাদেশে ফেরার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন শেখ হাসিনা। এটা নিয়েও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে আলোচনা চলছে।
বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনা এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতা আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে ভারত থেকে বাংলাদেশে ফিরে আত্মসমর্পণের পরিকল্পনা করছেন।
বঙ্গভবন সূত্র জানিয়েছে, রাষ্ট্রপতি নিজে তার অধস্তন কর্মীদের শিগগিরই বঙ্গভবন ছেড়ে যাওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন। পদত্যাগের পর তিনি কিছুদিন বিশ্রামে থাকবেন। চিকিৎসার জন্য বিদেশেও যেতে পারেন।
এদিকে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হবেন সেটা নিয়ে চলছে জোর আলোচনা। সাংবাদিক জুলকারনাইন শায়ের সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে দাবি করেন, নতুন রাষ্ট্রপতি হিসেবে বিএনপির কোন শীর্ষ নেতার পরিবর্তে পছন্দের তালিকায় রয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি।
যদিও এর আগে এ পদের জন্য বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতা খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আবদুল মঈন খানসহ কয়েকজনের নাম আলোচনায় ছিল।
রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার সাময়িকভাবে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। এরপর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জাতীয় সংসদ সদস্যদের ভোটে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন। নতুন রাষ্ট্রপতির মেয়াদেই পরবর্তী জাতীয় সংসদ নির্বাচন হওয়ার কথা। ফলে কে দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন, তা রাজনৈতিকভাবেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে শিগগিরই পদত্যাগ করতে পারেন বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র। ইতোমধ্যেই বিএনপির উচ্চপর্যায় থেকে রাষ্ট্রপতিকে পদত্যাগের বার্তা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
২০২৩ সালের এপ্রিলে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পান মো. সাহাবুদ্দিন। ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর তার পদত্যাগের দাবি উঠলেও অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং পরবর্তীতে নির্বাচিত বিএনপি সরকারও তাকে বহাল রেখেছিল। তবে সম্প্রতি রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের বিষয়টি আলোচনায় এসেছে।
বিএনপির একাধিক সূত্র জানিয়েছে, চলতি বছরের মে মাসে চিকিৎসার জন্য রাষ্ট্রপতি ৯ মে লন্ডনে যান এবং ১৮ মে দেশে ফেরেন। ওই সময় তিনি টেলিফোনে সাবেক ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে কথা বলেন। পরে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ওই ফোনালাপের বিষয়টি জানতে পারে। এরপরই তাকে পদত্যাগের বার্তা দেওয়া হয়। ২০২৪ সালের আগস্টে গণঅভ্যুত্থানের মুখে পদত্যাগের পর থেকেই শেখ হাসিনা ভারতে অবস্থান করছেন।
বিএনপির অন্য একটি সূত্র জানিয়েছে, ফোনকল ছাড়াও সম্প্রতি ডিসেম্বরের মধ্যে বাংলাদেশে ফেরার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন শেখ হাসিনা। এটা নিয়েও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে আলোচনা চলছে।
বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনা এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতা আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে ভারত থেকে বাংলাদেশে ফিরে আত্মসমর্পণের পরিকল্পনা করছেন।
বঙ্গভবন সূত্র জানিয়েছে, রাষ্ট্রপতি নিজে তার অধস্তন কর্মীদের শিগগিরই বঙ্গভবন ছেড়ে যাওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন। পদত্যাগের পর তিনি কিছুদিন বিশ্রামে থাকবেন। চিকিৎসার জন্য বিদেশেও যেতে পারেন।
এদিকে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হবেন সেটা নিয়ে চলছে জোর আলোচনা। সাংবাদিক জুলকারনাইন শায়ের সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে দাবি করেন, নতুন রাষ্ট্রপতি হিসেবে বিএনপির কোন শীর্ষ নেতার পরিবর্তে পছন্দের তালিকায় রয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি।
যদিও এর আগে এ পদের জন্য বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতা খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আবদুল মঈন খানসহ কয়েকজনের নাম আলোচনায় ছিল।
রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার সাময়িকভাবে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। এরপর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জাতীয় সংসদ সদস্যদের ভোটে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন। নতুন রাষ্ট্রপতির মেয়াদেই পরবর্তী জাতীয় সংসদ নির্বাচন হওয়ার কথা। ফলে কে দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন, তা রাজনৈতিকভাবেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

রাষ্ট্রপতির প্রটোকল নিয়ে নতুন নির্দেশনা






