ভারতের সঙ্গে শত্রুতা নয়, বাংলাদেশের স্বার্থ সুরক্ষা চান নাহিদ

ভারতের সঙ্গে শত্রুতা নয়, বাংলাদেশের স্বার্থ সুরক্ষা চান নাহিদ
সিজেডএন ডেস্ক

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বৈরিতা বা শত্রুতা কাম্য নয়। তবে দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের স্বার্থ কতটা সুরক্ষিত হচ্ছে, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অভিন্ন নদী রয়েছে। আন্তর্জাতিক নদী আইন অনুযায়ী এসব নদীর পানিতে বাংলাদেশের ন্যায্য হিস্যা পাওয়ার কথা থাকলেও গত পাঁচ দশকে তা নিশ্চিত হয়নি।
বুধবার বিকেলে রাজধানীর পলাশী মোড়ে আগ্রাসনবিরোধী আট স্তম্ভের সামনে বুয়েটের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণসভায় নাহিদ ইসলাম এসব কথা বলেন। ‘আবরার ফাহাদ স্মৃতি সংসদ’ এ সভার আয়োজন করে।
গঙ্গা চুক্তি নতুন করে করার দাবি
নাহিদ ইসলাম বলেন, ১৯৯৬ সালে হওয়া গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তির মেয়াদ আগামী ডিসেম্বরে শেষ হচ্ছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর ভারত বারবার বাংলাদেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক ও প্রতিবেশীসুলভ সম্পর্কের কথা বলেছে। এখন গঙ্গার পানিবণ্টনের নতুন ব্যবস্থায় তার প্রতিফলন দেখা উচিত।
তার মতে, শুধু আগের চুক্তি নবায়ন করলেই হবে না। নতুন বাস্তবতায় নতুন করে চুক্তি করতে হবে। বিষয়টি কেবল পানি ভাগাভাগির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, অভিন্ন নদীগুলোর ব্যবস্থাপনাতেও বাংলাদেশের অংশীদারত্ব নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
নদীতে সারা বছর ন্যূনতম নাব্যতা ও পানিপ্রবাহ বজায় রাখা এবং শুষ্ক মৌসুমে পানির ঘাটতি দেখা দিলে দুই দেশকে সমানভাবে তা মোকাবিলা করার ব্যবস্থা রাখার দাবি জানান নাহিদ। এ জন্য গঙ্গা চুক্তিতে ‘গ্যারান্টি ক্লজ’ রাখার কথাও বলেন তিনি।
বিএনপি সরকারের উদ্দেশে নাহিদ বলেন, আবরার ফাহাদের চেতনাকে ধারণ করতে হলে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক সমতা ও ন্যায্যতার ভিত্তিতে পুনর্গঠন করতে হবে। ভারত যদি সত্যিই প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক চায়, তাহলে গঙ্গা ও তিস্তাসহ অভিন্ন নদীগুলোর পানিবণ্টনে ন্যায্য সমাধান করতে হবে।
‘শুধু বোয়িং কিনলেই চলবে না’
সরকারের ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতির প্রসঙ্গ তুলে নাহিদ বলেন, শুধু বোয়িং বিমান কেনার মতো সিদ্ধান্ত নিলেই হবে না। আন্তর্জাতিক চুক্তির ক্ষেত্রেও বাংলাদেশের স্বার্থ কতটা আদায় করা হচ্ছে, সেটিই দেখতে হবে।
তার দাবি, গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তিসহ বাংলাদেশের সঙ্গে করা সব আন্তর্জাতিক চুক্তি জাতীয় সংসদে আলোচনা হওয়া উচিত। এসব চুক্তির ক্ষেত্রে জনগণের স্বার্থকে গুরুত্ব দিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
আবরার হত্যার রায় কার্যকরের দাবি
স্মরণসভায় আবরার ফাহাদ হত্যার বিচার দ্রুত কার্যকরের দাবিও জানান নাহিদ ইসলাম।
তিনি বলেন, আবরার তৎকালীন সরকারের বিরুদ্ধে কোনো বক্তব্য দেননি। তিনি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ফেনী নদী নিয়ে করা বা প্রস্তাবিত চুক্তির সমালোচনা করেছিলেন। তাঁর সেই অবস্থানের কারণেই তাঁকে নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছিল বলে দাবি করেন নাহিদ।
আবরার হত্যার ঘটনাকে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের প্রশ্নের সঙ্গে যুক্ত করে নাহিদ বলেন, ওই হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে তৎকালীন রাজনৈতিক বাস্তবতার একটি দিক স্পষ্ট হয়েছিল।
তিনি আবরার হত্যার মামলার সব আইনি প্রক্রিয়া শেষ করে রায় দ্রুত কার্যকর করার দাবি জানান। তার ভাষায়, খুনিদের মৃত্যুদণ্ড অবিলম্বে কার্যকর দেখতে চান তারা।
স্মরণসভায় সভাপতিত্ব করেন আবরার ফাহাদ স্মৃতি সংসদের আহ্বায়ক ও এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন। সভা সঞ্চালনা করেন এনসিপির রাজনৈতিক পর্ষদের সদস্য সালেহউদ্দিন সিফাত।
এতে আরও বক্তব্য দেন কবি ও চিন্তক ফরহাদ মজহার, আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ, সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান ও মাহফুজ আলম, এনসিপির ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক ইসহাক সরকার, জাতীয় যুবশক্তির আহ্বায়ক তারিকুল ইসলাম ও জাতীয় ছাত্রশক্তির সাবেক সভাপতি জাহিদ আহসানসহ অন্যরা।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বৈরিতা বা শত্রুতা কাম্য নয়। তবে দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের স্বার্থ কতটা সুরক্ষিত হচ্ছে, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অভিন্ন নদী রয়েছে। আন্তর্জাতিক নদী আইন অনুযায়ী এসব নদীর পানিতে বাংলাদেশের ন্যায্য হিস্যা পাওয়ার কথা থাকলেও গত পাঁচ দশকে তা নিশ্চিত হয়নি।
বুধবার বিকেলে রাজধানীর পলাশী মোড়ে আগ্রাসনবিরোধী আট স্তম্ভের সামনে বুয়েটের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণসভায় নাহিদ ইসলাম এসব কথা বলেন। ‘আবরার ফাহাদ স্মৃতি সংসদ’ এ সভার আয়োজন করে।
গঙ্গা চুক্তি নতুন করে করার দাবি
নাহিদ ইসলাম বলেন, ১৯৯৬ সালে হওয়া গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তির মেয়াদ আগামী ডিসেম্বরে শেষ হচ্ছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর ভারত বারবার বাংলাদেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক ও প্রতিবেশীসুলভ সম্পর্কের কথা বলেছে। এখন গঙ্গার পানিবণ্টনের নতুন ব্যবস্থায় তার প্রতিফলন দেখা উচিত।
তার মতে, শুধু আগের চুক্তি নবায়ন করলেই হবে না। নতুন বাস্তবতায় নতুন করে চুক্তি করতে হবে। বিষয়টি কেবল পানি ভাগাভাগির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, অভিন্ন নদীগুলোর ব্যবস্থাপনাতেও বাংলাদেশের অংশীদারত্ব নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
নদীতে সারা বছর ন্যূনতম নাব্যতা ও পানিপ্রবাহ বজায় রাখা এবং শুষ্ক মৌসুমে পানির ঘাটতি দেখা দিলে দুই দেশকে সমানভাবে তা মোকাবিলা করার ব্যবস্থা রাখার দাবি জানান নাহিদ। এ জন্য গঙ্গা চুক্তিতে ‘গ্যারান্টি ক্লজ’ রাখার কথাও বলেন তিনি।
বিএনপি সরকারের উদ্দেশে নাহিদ বলেন, আবরার ফাহাদের চেতনাকে ধারণ করতে হলে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক সমতা ও ন্যায্যতার ভিত্তিতে পুনর্গঠন করতে হবে। ভারত যদি সত্যিই প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক চায়, তাহলে গঙ্গা ও তিস্তাসহ অভিন্ন নদীগুলোর পানিবণ্টনে ন্যায্য সমাধান করতে হবে।
‘শুধু বোয়িং কিনলেই চলবে না’
সরকারের ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতির প্রসঙ্গ তুলে নাহিদ বলেন, শুধু বোয়িং বিমান কেনার মতো সিদ্ধান্ত নিলেই হবে না। আন্তর্জাতিক চুক্তির ক্ষেত্রেও বাংলাদেশের স্বার্থ কতটা আদায় করা হচ্ছে, সেটিই দেখতে হবে।
তার দাবি, গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তিসহ বাংলাদেশের সঙ্গে করা সব আন্তর্জাতিক চুক্তি জাতীয় সংসদে আলোচনা হওয়া উচিত। এসব চুক্তির ক্ষেত্রে জনগণের স্বার্থকে গুরুত্ব দিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
আবরার হত্যার রায় কার্যকরের দাবি
স্মরণসভায় আবরার ফাহাদ হত্যার বিচার দ্রুত কার্যকরের দাবিও জানান নাহিদ ইসলাম।
তিনি বলেন, আবরার তৎকালীন সরকারের বিরুদ্ধে কোনো বক্তব্য দেননি। তিনি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ফেনী নদী নিয়ে করা বা প্রস্তাবিত চুক্তির সমালোচনা করেছিলেন। তাঁর সেই অবস্থানের কারণেই তাঁকে নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছিল বলে দাবি করেন নাহিদ।
আবরার হত্যার ঘটনাকে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের প্রশ্নের সঙ্গে যুক্ত করে নাহিদ বলেন, ওই হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে তৎকালীন রাজনৈতিক বাস্তবতার একটি দিক স্পষ্ট হয়েছিল।
তিনি আবরার হত্যার মামলার সব আইনি প্রক্রিয়া শেষ করে রায় দ্রুত কার্যকর করার দাবি জানান। তার ভাষায়, খুনিদের মৃত্যুদণ্ড অবিলম্বে কার্যকর দেখতে চান তারা।
স্মরণসভায় সভাপতিত্ব করেন আবরার ফাহাদ স্মৃতি সংসদের আহ্বায়ক ও এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন। সভা সঞ্চালনা করেন এনসিপির রাজনৈতিক পর্ষদের সদস্য সালেহউদ্দিন সিফাত।
এতে আরও বক্তব্য দেন কবি ও চিন্তক ফরহাদ মজহার, আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ, সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান ও মাহফুজ আলম, এনসিপির ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক ইসহাক সরকার, জাতীয় যুবশক্তির আহ্বায়ক তারিকুল ইসলাম ও জাতীয় ছাত্রশক্তির সাবেক সভাপতি জাহিদ আহসানসহ অন্যরা।

ভারতের সঙ্গে শত্রুতা নয়, বাংলাদেশের স্বার্থ সুরক্ষা চান নাহিদ
সিজেডএন ডেস্ক

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বৈরিতা বা শত্রুতা কাম্য নয়। তবে দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের স্বার্থ কতটা সুরক্ষিত হচ্ছে, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অভিন্ন নদী রয়েছে। আন্তর্জাতিক নদী আইন অনুযায়ী এসব নদীর পানিতে বাংলাদেশের ন্যায্য হিস্যা পাওয়ার কথা থাকলেও গত পাঁচ দশকে তা নিশ্চিত হয়নি।
বুধবার বিকেলে রাজধানীর পলাশী মোড়ে আগ্রাসনবিরোধী আট স্তম্ভের সামনে বুয়েটের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণসভায় নাহিদ ইসলাম এসব কথা বলেন। ‘আবরার ফাহাদ স্মৃতি সংসদ’ এ সভার আয়োজন করে।
গঙ্গা চুক্তি নতুন করে করার দাবি
নাহিদ ইসলাম বলেন, ১৯৯৬ সালে হওয়া গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তির মেয়াদ আগামী ডিসেম্বরে শেষ হচ্ছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর ভারত বারবার বাংলাদেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক ও প্রতিবেশীসুলভ সম্পর্কের কথা বলেছে। এখন গঙ্গার পানিবণ্টনের নতুন ব্যবস্থায় তার প্রতিফলন দেখা উচিত।
তার মতে, শুধু আগের চুক্তি নবায়ন করলেই হবে না। নতুন বাস্তবতায় নতুন করে চুক্তি করতে হবে। বিষয়টি কেবল পানি ভাগাভাগির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, অভিন্ন নদীগুলোর ব্যবস্থাপনাতেও বাংলাদেশের অংশীদারত্ব নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
নদীতে সারা বছর ন্যূনতম নাব্যতা ও পানিপ্রবাহ বজায় রাখা এবং শুষ্ক মৌসুমে পানির ঘাটতি দেখা দিলে দুই দেশকে সমানভাবে তা মোকাবিলা করার ব্যবস্থা রাখার দাবি জানান নাহিদ। এ জন্য গঙ্গা চুক্তিতে ‘গ্যারান্টি ক্লজ’ রাখার কথাও বলেন তিনি।
বিএনপি সরকারের উদ্দেশে নাহিদ বলেন, আবরার ফাহাদের চেতনাকে ধারণ করতে হলে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক সমতা ও ন্যায্যতার ভিত্তিতে পুনর্গঠন করতে হবে। ভারত যদি সত্যিই প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক চায়, তাহলে গঙ্গা ও তিস্তাসহ অভিন্ন নদীগুলোর পানিবণ্টনে ন্যায্য সমাধান করতে হবে।
‘শুধু বোয়িং কিনলেই চলবে না’
সরকারের ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতির প্রসঙ্গ তুলে নাহিদ বলেন, শুধু বোয়িং বিমান কেনার মতো সিদ্ধান্ত নিলেই হবে না। আন্তর্জাতিক চুক্তির ক্ষেত্রেও বাংলাদেশের স্বার্থ কতটা আদায় করা হচ্ছে, সেটিই দেখতে হবে।
তার দাবি, গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তিসহ বাংলাদেশের সঙ্গে করা সব আন্তর্জাতিক চুক্তি জাতীয় সংসদে আলোচনা হওয়া উচিত। এসব চুক্তির ক্ষেত্রে জনগণের স্বার্থকে গুরুত্ব দিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
আবরার হত্যার রায় কার্যকরের দাবি
স্মরণসভায় আবরার ফাহাদ হত্যার বিচার দ্রুত কার্যকরের দাবিও জানান নাহিদ ইসলাম।
তিনি বলেন, আবরার তৎকালীন সরকারের বিরুদ্ধে কোনো বক্তব্য দেননি। তিনি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ফেনী নদী নিয়ে করা বা প্রস্তাবিত চুক্তির সমালোচনা করেছিলেন। তাঁর সেই অবস্থানের কারণেই তাঁকে নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছিল বলে দাবি করেন নাহিদ।
আবরার হত্যার ঘটনাকে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের প্রশ্নের সঙ্গে যুক্ত করে নাহিদ বলেন, ওই হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে তৎকালীন রাজনৈতিক বাস্তবতার একটি দিক স্পষ্ট হয়েছিল।
তিনি আবরার হত্যার মামলার সব আইনি প্রক্রিয়া শেষ করে রায় দ্রুত কার্যকর করার দাবি জানান। তার ভাষায়, খুনিদের মৃত্যুদণ্ড অবিলম্বে কার্যকর দেখতে চান তারা।
স্মরণসভায় সভাপতিত্ব করেন আবরার ফাহাদ স্মৃতি সংসদের আহ্বায়ক ও এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন। সভা সঞ্চালনা করেন এনসিপির রাজনৈতিক পর্ষদের সদস্য সালেহউদ্দিন সিফাত।
এতে আরও বক্তব্য দেন কবি ও চিন্তক ফরহাদ মজহার, আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ, সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান ও মাহফুজ আলম, এনসিপির ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক ইসহাক সরকার, জাতীয় যুবশক্তির আহ্বায়ক তারিকুল ইসলাম ও জাতীয় ছাত্রশক্তির সাবেক সভাপতি জাহিদ আহসানসহ অন্যরা।









