এয়ারবাসের ১০টি উড়োজাহাজ কিনছে সরকার, অক্টোবরে চুক্তি: বিমানমন্ত্রী

এয়ারবাসের ১০টি উড়োজাহাজ কিনছে সরকার, অক্টোবরে চুক্তি: বিমানমন্ত্রী
বিশেষ প্রতিনিধি

বোয়িংয়ের পর এবার এয়ারবাসের ১০টি উড়োজাহাজ কিনতে যাচ্ছে সরকার। এ বিষয়ে আগামী অক্টোবরেই চুক্তি হবে বলে জানিয়েছেন বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী এম রাশিদুজ্জামান মিল্লাত। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।
বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী এম রাশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, এয়ারবাস থেকে চারটি ওয়াইড-বডি এবং ছয়টি ন্যারো-বডি উড়োজাহাজ কেনার লক্ষ্যে আলোচনা চলছে। আমরা টেকসই মিক্সড ফ্লিট তৈরির জন্য কাজ করছি।
তিনি আরও বলেন, যাত্রী চাহিদার আলোকে বিমানের নেটওয়ার্ক ও বহর পরিকল্পনা, উড়োজাহাজের উড্ডয়ন পরিসর ও যাত্রী ধারণক্ষমতা, প্রতি ফ্লাইটে সম্ভাব্য যাত্রী এবং সাপ্তাহিক ফ্লাইটের সংখ্যা বিবেচনায় ওয়াইড-বডি ও ন্যারো-বডি উড়োজাহাজের সংখ্যা নির্ধারণ করা হয়েছে।
মন্ত্রী জানান, ওয়াইড-বডি উড়োজাহাজ মূলত মধ্যপ্রাচ্যের উচ্চ চাহিদার রুট এবং ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার দীর্ঘ রুটে ব্যবহারের জন্য। অন্যদিকে ন্যারো-বডি উড়োজাহাজ আঞ্চলিক ও স্বল্প দূরত্বের রুটে ব্যবহারের জন্য। এগুলো বিমানের পুরোনো ৭৩৭-৮০০ উড়োজাহাজগুলোও প্রতিস্থাপন করবে।
তিনি বলেন, বিমানের বহর সম্প্রসারণে আমরা ইথিওপিয়ান এয়ারলাইনসের মডেল অনুসরণ করছি। একটি ছোট ও পুরোনো বহরভিত্তিক এয়ারলাইনস থেকে বর্তমানে ইথিওপিয়ান এয়ারলাইনসের বহরে ১৬৭টি উড়োজাহাজ রয়েছে। সেখানে আমাদের রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থার বহরে রয়েছে মাত্র ১৯টি উড়োজাহাজ।
বিমানমন্ত্রী আরও বলেন, ইথিওপিয়ার তুলনায় আমাদের জিডিপি বেশি এবং আমাদের বিমানবন্দরগুলোতে যাত্রী চাহিদাও বেশি। বর্তমানে আমাদের মোট চাহিদার তুলনায় ২০ শতাংশের কিছু বেশি বিমান পরিবহন করতে পারছে। বাকি ৮০ শতাংশই বিদেশি এয়ারলাইন্সের দখলে। তাই উড়োজাহাজ স্বল্পতা দূরীকরণে সরকার উড়োজাহাজ ক্রয়ের সময়োপযোগী উদ্যোগ নিয়েছে। এখানে কোনো ভূরাজনৈতিক প্রভাব নেই।
বোয়িং নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, আগে ১৪টি এবং পরে ১১টি, সব মিলিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এ পর্যন্ত মোট ২৫টি বোয়িং কেনার চুক্তি হয়েছে। এর মধ্যে ন্যারো বডি ১১, ওয়াইড বডি ১৪টি। মোট ৬.৪ বিলিয়ন ডলার লাগছে।
বিমানমন্ত্রী জানান, চুক্তি অনুযায়ী প্রথম এয়ারক্রাফট আসবে ২০৩১ সালে। একটি হলেও ২০২৭–২৮ সালে দিতে যুক্তরাষ্ট্রকে অনুরোধ করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সবগুলো বিমান আসতে ২০৩৫-৩৬ সাল লাগবে। আপাতত টাকা এখনই দিতে হচ্ছে না, গ্যারান্টি দিচ্ছি। একটা করে বিমান দেবে তারপর টাকা দেব। এ টাকা ফ্লিটের আয় থেকেই দিতে পারবো, আশা করি।
তিনি আরও জানান, সব মিলিয়ে ৩৫টি নতুন কেনা এবং বর্তমানে থাকা ১৭টি নিয়ে ৫০টির বেশি এয়ারক্রাফট থাকবে ফ্লিটে। নতুন কেনা বিমানগুলো আসতে ২০৩৬ থেকে ২০৪০ সাল পর্যন্ত লাগতে পারে। ১০টি এয়ারক্রাফট লিজ নেওয়ার চেষ্টা চলছে।

বোয়িংয়ের পর এবার এয়ারবাসের ১০টি উড়োজাহাজ কিনতে যাচ্ছে সরকার। এ বিষয়ে আগামী অক্টোবরেই চুক্তি হবে বলে জানিয়েছেন বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী এম রাশিদুজ্জামান মিল্লাত। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।
বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী এম রাশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, এয়ারবাস থেকে চারটি ওয়াইড-বডি এবং ছয়টি ন্যারো-বডি উড়োজাহাজ কেনার লক্ষ্যে আলোচনা চলছে। আমরা টেকসই মিক্সড ফ্লিট তৈরির জন্য কাজ করছি।
তিনি আরও বলেন, যাত্রী চাহিদার আলোকে বিমানের নেটওয়ার্ক ও বহর পরিকল্পনা, উড়োজাহাজের উড্ডয়ন পরিসর ও যাত্রী ধারণক্ষমতা, প্রতি ফ্লাইটে সম্ভাব্য যাত্রী এবং সাপ্তাহিক ফ্লাইটের সংখ্যা বিবেচনায় ওয়াইড-বডি ও ন্যারো-বডি উড়োজাহাজের সংখ্যা নির্ধারণ করা হয়েছে।
মন্ত্রী জানান, ওয়াইড-বডি উড়োজাহাজ মূলত মধ্যপ্রাচ্যের উচ্চ চাহিদার রুট এবং ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার দীর্ঘ রুটে ব্যবহারের জন্য। অন্যদিকে ন্যারো-বডি উড়োজাহাজ আঞ্চলিক ও স্বল্প দূরত্বের রুটে ব্যবহারের জন্য। এগুলো বিমানের পুরোনো ৭৩৭-৮০০ উড়োজাহাজগুলোও প্রতিস্থাপন করবে।
তিনি বলেন, বিমানের বহর সম্প্রসারণে আমরা ইথিওপিয়ান এয়ারলাইনসের মডেল অনুসরণ করছি। একটি ছোট ও পুরোনো বহরভিত্তিক এয়ারলাইনস থেকে বর্তমানে ইথিওপিয়ান এয়ারলাইনসের বহরে ১৬৭টি উড়োজাহাজ রয়েছে। সেখানে আমাদের রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থার বহরে রয়েছে মাত্র ১৯টি উড়োজাহাজ।
বিমানমন্ত্রী আরও বলেন, ইথিওপিয়ার তুলনায় আমাদের জিডিপি বেশি এবং আমাদের বিমানবন্দরগুলোতে যাত্রী চাহিদাও বেশি। বর্তমানে আমাদের মোট চাহিদার তুলনায় ২০ শতাংশের কিছু বেশি বিমান পরিবহন করতে পারছে। বাকি ৮০ শতাংশই বিদেশি এয়ারলাইন্সের দখলে। তাই উড়োজাহাজ স্বল্পতা দূরীকরণে সরকার উড়োজাহাজ ক্রয়ের সময়োপযোগী উদ্যোগ নিয়েছে। এখানে কোনো ভূরাজনৈতিক প্রভাব নেই।
বোয়িং নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, আগে ১৪টি এবং পরে ১১টি, সব মিলিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এ পর্যন্ত মোট ২৫টি বোয়িং কেনার চুক্তি হয়েছে। এর মধ্যে ন্যারো বডি ১১, ওয়াইড বডি ১৪টি। মোট ৬.৪ বিলিয়ন ডলার লাগছে।
বিমানমন্ত্রী জানান, চুক্তি অনুযায়ী প্রথম এয়ারক্রাফট আসবে ২০৩১ সালে। একটি হলেও ২০২৭–২৮ সালে দিতে যুক্তরাষ্ট্রকে অনুরোধ করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সবগুলো বিমান আসতে ২০৩৫-৩৬ সাল লাগবে। আপাতত টাকা এখনই দিতে হচ্ছে না, গ্যারান্টি দিচ্ছি। একটা করে বিমান দেবে তারপর টাকা দেব। এ টাকা ফ্লিটের আয় থেকেই দিতে পারবো, আশা করি।
তিনি আরও জানান, সব মিলিয়ে ৩৫টি নতুন কেনা এবং বর্তমানে থাকা ১৭টি নিয়ে ৫০টির বেশি এয়ারক্রাফট থাকবে ফ্লিটে। নতুন কেনা বিমানগুলো আসতে ২০৩৬ থেকে ২০৪০ সাল পর্যন্ত লাগতে পারে। ১০টি এয়ারক্রাফট লিজ নেওয়ার চেষ্টা চলছে।

এয়ারবাসের ১০টি উড়োজাহাজ কিনছে সরকার, অক্টোবরে চুক্তি: বিমানমন্ত্রী
বিশেষ প্রতিনিধি

বোয়িংয়ের পর এবার এয়ারবাসের ১০টি উড়োজাহাজ কিনতে যাচ্ছে সরকার। এ বিষয়ে আগামী অক্টোবরেই চুক্তি হবে বলে জানিয়েছেন বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী এম রাশিদুজ্জামান মিল্লাত। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।
বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী এম রাশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, এয়ারবাস থেকে চারটি ওয়াইড-বডি এবং ছয়টি ন্যারো-বডি উড়োজাহাজ কেনার লক্ষ্যে আলোচনা চলছে। আমরা টেকসই মিক্সড ফ্লিট তৈরির জন্য কাজ করছি।
তিনি আরও বলেন, যাত্রী চাহিদার আলোকে বিমানের নেটওয়ার্ক ও বহর পরিকল্পনা, উড়োজাহাজের উড্ডয়ন পরিসর ও যাত্রী ধারণক্ষমতা, প্রতি ফ্লাইটে সম্ভাব্য যাত্রী এবং সাপ্তাহিক ফ্লাইটের সংখ্যা বিবেচনায় ওয়াইড-বডি ও ন্যারো-বডি উড়োজাহাজের সংখ্যা নির্ধারণ করা হয়েছে।
মন্ত্রী জানান, ওয়াইড-বডি উড়োজাহাজ মূলত মধ্যপ্রাচ্যের উচ্চ চাহিদার রুট এবং ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার দীর্ঘ রুটে ব্যবহারের জন্য। অন্যদিকে ন্যারো-বডি উড়োজাহাজ আঞ্চলিক ও স্বল্প দূরত্বের রুটে ব্যবহারের জন্য। এগুলো বিমানের পুরোনো ৭৩৭-৮০০ উড়োজাহাজগুলোও প্রতিস্থাপন করবে।
তিনি বলেন, বিমানের বহর সম্প্রসারণে আমরা ইথিওপিয়ান এয়ারলাইনসের মডেল অনুসরণ করছি। একটি ছোট ও পুরোনো বহরভিত্তিক এয়ারলাইনস থেকে বর্তমানে ইথিওপিয়ান এয়ারলাইনসের বহরে ১৬৭টি উড়োজাহাজ রয়েছে। সেখানে আমাদের রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থার বহরে রয়েছে মাত্র ১৯টি উড়োজাহাজ।
বিমানমন্ত্রী আরও বলেন, ইথিওপিয়ার তুলনায় আমাদের জিডিপি বেশি এবং আমাদের বিমানবন্দরগুলোতে যাত্রী চাহিদাও বেশি। বর্তমানে আমাদের মোট চাহিদার তুলনায় ২০ শতাংশের কিছু বেশি বিমান পরিবহন করতে পারছে। বাকি ৮০ শতাংশই বিদেশি এয়ারলাইন্সের দখলে। তাই উড়োজাহাজ স্বল্পতা দূরীকরণে সরকার উড়োজাহাজ ক্রয়ের সময়োপযোগী উদ্যোগ নিয়েছে। এখানে কোনো ভূরাজনৈতিক প্রভাব নেই।
বোয়িং নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, আগে ১৪টি এবং পরে ১১টি, সব মিলিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এ পর্যন্ত মোট ২৫টি বোয়িং কেনার চুক্তি হয়েছে। এর মধ্যে ন্যারো বডি ১১, ওয়াইড বডি ১৪টি। মোট ৬.৪ বিলিয়ন ডলার লাগছে।
বিমানমন্ত্রী জানান, চুক্তি অনুযায়ী প্রথম এয়ারক্রাফট আসবে ২০৩১ সালে। একটি হলেও ২০২৭–২৮ সালে দিতে যুক্তরাষ্ট্রকে অনুরোধ করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সবগুলো বিমান আসতে ২০৩৫-৩৬ সাল লাগবে। আপাতত টাকা এখনই দিতে হচ্ছে না, গ্যারান্টি দিচ্ছি। একটা করে বিমান দেবে তারপর টাকা দেব। এ টাকা ফ্লিটের আয় থেকেই দিতে পারবো, আশা করি।
তিনি আরও জানান, সব মিলিয়ে ৩৫টি নতুন কেনা এবং বর্তমানে থাকা ১৭টি নিয়ে ৫০টির বেশি এয়ারক্রাফট থাকবে ফ্লিটে। নতুন কেনা বিমানগুলো আসতে ২০৩৬ থেকে ২০৪০ সাল পর্যন্ত লাগতে পারে। ১০টি এয়ারক্রাফট লিজ নেওয়ার চেষ্টা চলছে।

বোয়িংয়ের আরও ১১ উড়োজাহাজ কিনতে বিমানের চুক্তি






