শেরেবাংলা নগরে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব অনুমোদন

শেরেবাংলা নগরে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব অনুমোদন
বিশেষ প্রতিনিধি

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে পুরনো বাণিজ্য মেলার মাঠে বাংলাদেশ সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে সরকার। রবিবার (১৮ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, চলতি বছরের ডিসেম্বরেই নতুন সচিবালয়ের নির্মাণকাজ শুরুর পরিকল্পনা করা হয়েছে। আর ২০২৯ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন সচিবালয়ে দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরুর লক্ষ্য রয়েছে।
বৈঠক শেষে সন্ধ্যায় মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি এক সংবাদ ব্রিফিং–এ এসব তথ্য জানান।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, নতুন সচিবালয়ের জন্য প্রায় ৩১ লাখ বর্গফুট জায়গা নিয়ে ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। তবে প্রাথমিকভাবে এ নির্মাণকাজের বাজেট এখনো চূড়ান্ত করা হয়নি।
তিনি জানান, নতুন সচিবালয় কমপ্লেক্সে তিনটি বেজমেন্টসহ ১৪টি ১২ তলা ভবন নির্মাণ করা হবে। সেখানে প্রায় ৩ হাজার ৮০০টি গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা থাকবে। এ ছাড়া দুটি মসজিদ, দুটি মাল্টিপারপাস হল, একটি ক্যাফেটেরিয়া ও একটি ডাকঘর নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

নতুন সচিবালয় ঘিরে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখার বিষয়টিও পরিকল্পনায় রাখা হচ্ছে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব। মিরপুর ও ধানমন্ডিগামী যানবাহনের চলাচল সহজ করতে আশপাশের কয়েকটি সড়ক আন্ডারগ্রাউন্ড করার চিন্তা করা হচ্ছে। এতে ওই এলাকার যানবাহন চলাচলের চাপ সামলানো সহজ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এর আগে, শেরেবাংলা নগরে সচিবালয় সরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে গত ৭ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে বৈঠকে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়।

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে পুরনো বাণিজ্য মেলার মাঠে বাংলাদেশ সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে সরকার। রবিবার (১৮ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, চলতি বছরের ডিসেম্বরেই নতুন সচিবালয়ের নির্মাণকাজ শুরুর পরিকল্পনা করা হয়েছে। আর ২০২৯ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন সচিবালয়ে দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরুর লক্ষ্য রয়েছে।
বৈঠক শেষে সন্ধ্যায় মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি এক সংবাদ ব্রিফিং–এ এসব তথ্য জানান।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, নতুন সচিবালয়ের জন্য প্রায় ৩১ লাখ বর্গফুট জায়গা নিয়ে ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। তবে প্রাথমিকভাবে এ নির্মাণকাজের বাজেট এখনো চূড়ান্ত করা হয়নি।
তিনি জানান, নতুন সচিবালয় কমপ্লেক্সে তিনটি বেজমেন্টসহ ১৪টি ১২ তলা ভবন নির্মাণ করা হবে। সেখানে প্রায় ৩ হাজার ৮০০টি গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা থাকবে। এ ছাড়া দুটি মসজিদ, দুটি মাল্টিপারপাস হল, একটি ক্যাফেটেরিয়া ও একটি ডাকঘর নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

নতুন সচিবালয় ঘিরে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখার বিষয়টিও পরিকল্পনায় রাখা হচ্ছে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব। মিরপুর ও ধানমন্ডিগামী যানবাহনের চলাচল সহজ করতে আশপাশের কয়েকটি সড়ক আন্ডারগ্রাউন্ড করার চিন্তা করা হচ্ছে। এতে ওই এলাকার যানবাহন চলাচলের চাপ সামলানো সহজ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এর আগে, শেরেবাংলা নগরে সচিবালয় সরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে গত ৭ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে বৈঠকে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়।

শেরেবাংলা নগরে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব অনুমোদন
বিশেষ প্রতিনিধি

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে পুরনো বাণিজ্য মেলার মাঠে বাংলাদেশ সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে সরকার। রবিবার (১৮ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, চলতি বছরের ডিসেম্বরেই নতুন সচিবালয়ের নির্মাণকাজ শুরুর পরিকল্পনা করা হয়েছে। আর ২০২৯ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন সচিবালয়ে দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরুর লক্ষ্য রয়েছে।
বৈঠক শেষে সন্ধ্যায় মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি এক সংবাদ ব্রিফিং–এ এসব তথ্য জানান।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, নতুন সচিবালয়ের জন্য প্রায় ৩১ লাখ বর্গফুট জায়গা নিয়ে ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। তবে প্রাথমিকভাবে এ নির্মাণকাজের বাজেট এখনো চূড়ান্ত করা হয়নি।
তিনি জানান, নতুন সচিবালয় কমপ্লেক্সে তিনটি বেজমেন্টসহ ১৪টি ১২ তলা ভবন নির্মাণ করা হবে। সেখানে প্রায় ৩ হাজার ৮০০টি গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা থাকবে। এ ছাড়া দুটি মসজিদ, দুটি মাল্টিপারপাস হল, একটি ক্যাফেটেরিয়া ও একটি ডাকঘর নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

নতুন সচিবালয় ঘিরে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখার বিষয়টিও পরিকল্পনায় রাখা হচ্ছে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব। মিরপুর ও ধানমন্ডিগামী যানবাহনের চলাচল সহজ করতে আশপাশের কয়েকটি সড়ক আন্ডারগ্রাউন্ড করার চিন্তা করা হচ্ছে। এতে ওই এলাকার যানবাহন চলাচলের চাপ সামলানো সহজ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এর আগে, শেরেবাংলা নগরে সচিবালয় সরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে গত ৭ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে বৈঠকে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়।









