গ্যাস সংকট: চাকরি হারানোর শঙ্কায় ফিলিং স্টেশনের কর্মচারীরা

গ্যাস সংকট: চাকরি হারানোর শঙ্কায় ফিলিং স্টেশনের কর্মচারীরা
সিজেডএন ডেস্ক

টানা কয়েকদিন ধরে দেশজুড়ে তীব্র আকার ধারণ করেছে গ্যাস সংকট। যার প্রভাব পড়েছে সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতে। সরবরাহ কম থাকায় অধিকাংশ স্টেশনে গ্যাস বিক্রি অর্ধেকেরও নিচে নেমে আসায় বিপাকে পড়েছেন মালিকরা। ফিলিং স্টেশনের কর্মচারীদের বেতন-ভাতা, বিদ্যুৎ বিল, পানির বিল, স্টেশন ভাড়াসহ যাবতীয় ব্যয়ে পকেট থেকে অর্থ থেকে বহন করতে হচ্ছে। এমন বাস্তবতায় ও কাজ কমে যাওয়ায় চাকরি হারানোর আশঙ্কায় রয়েছেন ফিলিং স্টেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
অভিযোগ উঠেছে, গ্যাস সংকট নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না।
সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরেই নানা সংকটে রয়েছে দেশের সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলো। সরকার নির্ধারিত ১৮ শতাংশ লাভের মধ্যে প্রায় ১৪ শতাংশই বিদ্যুৎ বিল পরিশোধে ব্যয় করতে হয় ফিলিং স্টেশনের মালিককে। বাকি ৪ শতাংশ দিয়ে স্টাফদের বেতনসহ স্টেশনের যাবতীয় ব্যয় চালাতে হয়। এর মধ্যে চলমান গ্যাস সংকট পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করে তুলেছে।
রাজধানীর পূর্বাচল ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. শাহ আলম বলেন, গ্যাস বিক্রির আয় থেকেই স্টাফদের বেতন ও স্টেশনের ব্যয় সব করা হয়। কিন্তু গ্যাসের চাপ কম থাকায় বিক্রি অনেক কমে গেছে। ফলে কর্মচারীদের বসিয়ে রেখেই বেতন দিতে হচ্ছে। এ সংকট দীর্ঘস্থায়ী হলে কর্মচারী ছাঁটাই ছাড়া উপায় থাকবে না।
এনএস সিএনজি ফিলিং অ্যান্ড সার্ভিসিং সেন্টারের ক্যাশিয়ার আক্তারুজ্জামান বলেন, বর্তমানে গ্যাসের চাপ কম থাকায় দুই থেকে তিনজন নজেলম্যানই যথেষ্ট। অথচ আমাদের এখানে আটজন নজেলম্যান রয়েছেন। দ্রুত সংকটের সমাধান না হলে সব স্টেশনের কর্মীরা ঝুঁকিতে পড়বেন।

টানা কয়েকদিন ধরে দেশজুড়ে তীব্র আকার ধারণ করেছে গ্যাস সংকট। যার প্রভাব পড়েছে সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতে। সরবরাহ কম থাকায় অধিকাংশ স্টেশনে গ্যাস বিক্রি অর্ধেকেরও নিচে নেমে আসায় বিপাকে পড়েছেন মালিকরা। ফিলিং স্টেশনের কর্মচারীদের বেতন-ভাতা, বিদ্যুৎ বিল, পানির বিল, স্টেশন ভাড়াসহ যাবতীয় ব্যয়ে পকেট থেকে অর্থ থেকে বহন করতে হচ্ছে। এমন বাস্তবতায় ও কাজ কমে যাওয়ায় চাকরি হারানোর আশঙ্কায় রয়েছেন ফিলিং স্টেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
অভিযোগ উঠেছে, গ্যাস সংকট নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না।
সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরেই নানা সংকটে রয়েছে দেশের সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলো। সরকার নির্ধারিত ১৮ শতাংশ লাভের মধ্যে প্রায় ১৪ শতাংশই বিদ্যুৎ বিল পরিশোধে ব্যয় করতে হয় ফিলিং স্টেশনের মালিককে। বাকি ৪ শতাংশ দিয়ে স্টাফদের বেতনসহ স্টেশনের যাবতীয় ব্যয় চালাতে হয়। এর মধ্যে চলমান গ্যাস সংকট পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করে তুলেছে।
রাজধানীর পূর্বাচল ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. শাহ আলম বলেন, গ্যাস বিক্রির আয় থেকেই স্টাফদের বেতন ও স্টেশনের ব্যয় সব করা হয়। কিন্তু গ্যাসের চাপ কম থাকায় বিক্রি অনেক কমে গেছে। ফলে কর্মচারীদের বসিয়ে রেখেই বেতন দিতে হচ্ছে। এ সংকট দীর্ঘস্থায়ী হলে কর্মচারী ছাঁটাই ছাড়া উপায় থাকবে না।
এনএস সিএনজি ফিলিং অ্যান্ড সার্ভিসিং সেন্টারের ক্যাশিয়ার আক্তারুজ্জামান বলেন, বর্তমানে গ্যাসের চাপ কম থাকায় দুই থেকে তিনজন নজেলম্যানই যথেষ্ট। অথচ আমাদের এখানে আটজন নজেলম্যান রয়েছেন। দ্রুত সংকটের সমাধান না হলে সব স্টেশনের কর্মীরা ঝুঁকিতে পড়বেন।

গ্যাস সংকট: চাকরি হারানোর শঙ্কায় ফিলিং স্টেশনের কর্মচারীরা
সিজেডএন ডেস্ক

টানা কয়েকদিন ধরে দেশজুড়ে তীব্র আকার ধারণ করেছে গ্যাস সংকট। যার প্রভাব পড়েছে সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতে। সরবরাহ কম থাকায় অধিকাংশ স্টেশনে গ্যাস বিক্রি অর্ধেকেরও নিচে নেমে আসায় বিপাকে পড়েছেন মালিকরা। ফিলিং স্টেশনের কর্মচারীদের বেতন-ভাতা, বিদ্যুৎ বিল, পানির বিল, স্টেশন ভাড়াসহ যাবতীয় ব্যয়ে পকেট থেকে অর্থ থেকে বহন করতে হচ্ছে। এমন বাস্তবতায় ও কাজ কমে যাওয়ায় চাকরি হারানোর আশঙ্কায় রয়েছেন ফিলিং স্টেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
অভিযোগ উঠেছে, গ্যাস সংকট নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না।
সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরেই নানা সংকটে রয়েছে দেশের সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলো। সরকার নির্ধারিত ১৮ শতাংশ লাভের মধ্যে প্রায় ১৪ শতাংশই বিদ্যুৎ বিল পরিশোধে ব্যয় করতে হয় ফিলিং স্টেশনের মালিককে। বাকি ৪ শতাংশ দিয়ে স্টাফদের বেতনসহ স্টেশনের যাবতীয় ব্যয় চালাতে হয়। এর মধ্যে চলমান গ্যাস সংকট পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করে তুলেছে।
রাজধানীর পূর্বাচল ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. শাহ আলম বলেন, গ্যাস বিক্রির আয় থেকেই স্টাফদের বেতন ও স্টেশনের ব্যয় সব করা হয়। কিন্তু গ্যাসের চাপ কম থাকায় বিক্রি অনেক কমে গেছে। ফলে কর্মচারীদের বসিয়ে রেখেই বেতন দিতে হচ্ছে। এ সংকট দীর্ঘস্থায়ী হলে কর্মচারী ছাঁটাই ছাড়া উপায় থাকবে না।
এনএস সিএনজি ফিলিং অ্যান্ড সার্ভিসিং সেন্টারের ক্যাশিয়ার আক্তারুজ্জামান বলেন, বর্তমানে গ্যাসের চাপ কম থাকায় দুই থেকে তিনজন নজেলম্যানই যথেষ্ট। অথচ আমাদের এখানে আটজন নজেলম্যান রয়েছেন। দ্রুত সংকটের সমাধান না হলে সব স্টেশনের কর্মীরা ঝুঁকিতে পড়বেন।

গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে নাকাল দেশবাসী






