মাসিক পেনশন সর্বনিম্ন ১৮ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ৭০ হাজার ২০০ টাকা

মাসিক পেনশন সর্বনিম্ন ১৮ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ৭০ হাজার ২০০ টাকা
সিজেডএন ডেস্ক

অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য সুখবর নিয়ে এল নতুন বেতনকাঠামো। সংশোধিত এ কাঠামো অনুযায়ী পাঁচ ধাপে বাড়ানো হচ্ছে পেনশন। বিশেষ করে যেসব কর্মকর্তা-কর্মচারী বহু আগে অবসরে গেছেন এবং বর্তমান বাজারদরের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তুলনামূলক কম পেনশন পাচ্ছিলেন, নতুন নিয়মে তাদের পেনশনের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি বাড়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) নতুন এ বেতনকাঠামোর প্রজ্ঞাপন জারি হলেও শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) তা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত হয়। তবে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে গত ১ জুলাই থেকে।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পেনশন বৃদ্ধির হিসাবটি নির্ধারণ করা হয়েছে পাঁচটি আলাদা স্তরে। এর মধ্যে যাদের মাসিক নিট পেনশন বর্তমানে ৯ হাজার টাকা বা তার কম রয়েছে, তাদের পেনশন শতভাগ বেড়ে ১৮ হাজার টাকায় উন্নীত হচ্ছে। অন্যদিকে, বর্তমানে যাদের পেনশন মাসে ৪০ হাজার ১ টাকা বা তার বেশি, তারা এখন থেকে পাবেন ৭০ হাজার ২০০ টাকা। এ দুই সীমার মাঝে থাকা পেনশনারদের জন্যও রয়েছে সুনির্দিষ্ট হার।
নিয়মানুযায়ী, ৯ হাজার ১ টাকা থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত পেনশনভোগীরা পাবেন ৭৫ শতাংশ বেশি, আর ২০ হাজার ১ টাকা থেকে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত পান যারা, তাদের বাড়বে ৬৫ শতাংশ। এছাড়া ৩০ হাজার ১ টাকা থেকে ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত পেনশন গ্রহণকারীদের ক্ষেত্রে এ বৃদ্ধির হার নির্ধারণ করা হয়েছে ৬০ শতাংশ এবং ৪০ হাজার ১ টাকার বেশি পেনশনভোগীদের নিট পেনশন বাড়বে ৫৫ শতাংশ।
মূলত ৩১ আগস্ট মন্ত্রিসভার বৈঠকে নতুন এ বেতনকাঠামোর প্রস্তাব অনুমোদন পায়। বৈঠক শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি জানিয়েছিলেন, সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী ‘এক গ্রেড এক পেনশন’ বা ‘ওয়ান র্যাঙ্ক ওয়ান পেনশন’ (ওআরওপি) পদ্ধতি চালুর বিষয়ে বর্তমান সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। সামরিক ও বেসামরিক উভয় ক্ষেত্রেই এ পদ্ধতি একই সঙ্গে বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন বলে মনে করে সরকার।
তবে এ বিশাল পদ্ধতি চালু করতে বিপুল পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন। একই সঙ্গে বেসামরিক কর্মচারীদের ক্ষেত্রে ২০১৯ সালের আগের অবসর গ্রহণকারীদের অনেকেরই প্রয়োজনীয় তথ্য সংরক্ষণে ঘাটতি থাকায় পুরো প্রক্রিয়াটি রাতারাতি চালু করা সম্ভব হচ্ছে না। সে কারণেই সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এ লক্ষ্য অর্জনে কাজ চলবে পর্যায়ক্রমে এবং তা ২০৩০ সালের মধ্যে পুরোপুরি বাস্তবায়ন করা হবে।

অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য সুখবর নিয়ে এল নতুন বেতনকাঠামো। সংশোধিত এ কাঠামো অনুযায়ী পাঁচ ধাপে বাড়ানো হচ্ছে পেনশন। বিশেষ করে যেসব কর্মকর্তা-কর্মচারী বহু আগে অবসরে গেছেন এবং বর্তমান বাজারদরের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তুলনামূলক কম পেনশন পাচ্ছিলেন, নতুন নিয়মে তাদের পেনশনের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি বাড়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) নতুন এ বেতনকাঠামোর প্রজ্ঞাপন জারি হলেও শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) তা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত হয়। তবে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে গত ১ জুলাই থেকে।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পেনশন বৃদ্ধির হিসাবটি নির্ধারণ করা হয়েছে পাঁচটি আলাদা স্তরে। এর মধ্যে যাদের মাসিক নিট পেনশন বর্তমানে ৯ হাজার টাকা বা তার কম রয়েছে, তাদের পেনশন শতভাগ বেড়ে ১৮ হাজার টাকায় উন্নীত হচ্ছে। অন্যদিকে, বর্তমানে যাদের পেনশন মাসে ৪০ হাজার ১ টাকা বা তার বেশি, তারা এখন থেকে পাবেন ৭০ হাজার ২০০ টাকা। এ দুই সীমার মাঝে থাকা পেনশনারদের জন্যও রয়েছে সুনির্দিষ্ট হার।
নিয়মানুযায়ী, ৯ হাজার ১ টাকা থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত পেনশনভোগীরা পাবেন ৭৫ শতাংশ বেশি, আর ২০ হাজার ১ টাকা থেকে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত পান যারা, তাদের বাড়বে ৬৫ শতাংশ। এছাড়া ৩০ হাজার ১ টাকা থেকে ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত পেনশন গ্রহণকারীদের ক্ষেত্রে এ বৃদ্ধির হার নির্ধারণ করা হয়েছে ৬০ শতাংশ এবং ৪০ হাজার ১ টাকার বেশি পেনশনভোগীদের নিট পেনশন বাড়বে ৫৫ শতাংশ।
মূলত ৩১ আগস্ট মন্ত্রিসভার বৈঠকে নতুন এ বেতনকাঠামোর প্রস্তাব অনুমোদন পায়। বৈঠক শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি জানিয়েছিলেন, সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী ‘এক গ্রেড এক পেনশন’ বা ‘ওয়ান র্যাঙ্ক ওয়ান পেনশন’ (ওআরওপি) পদ্ধতি চালুর বিষয়ে বর্তমান সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। সামরিক ও বেসামরিক উভয় ক্ষেত্রেই এ পদ্ধতি একই সঙ্গে বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন বলে মনে করে সরকার।
তবে এ বিশাল পদ্ধতি চালু করতে বিপুল পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন। একই সঙ্গে বেসামরিক কর্মচারীদের ক্ষেত্রে ২০১৯ সালের আগের অবসর গ্রহণকারীদের অনেকেরই প্রয়োজনীয় তথ্য সংরক্ষণে ঘাটতি থাকায় পুরো প্রক্রিয়াটি রাতারাতি চালু করা সম্ভব হচ্ছে না। সে কারণেই সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এ লক্ষ্য অর্জনে কাজ চলবে পর্যায়ক্রমে এবং তা ২০৩০ সালের মধ্যে পুরোপুরি বাস্তবায়ন করা হবে।

মাসিক পেনশন সর্বনিম্ন ১৮ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ৭০ হাজার ২০০ টাকা
সিজেডএন ডেস্ক

অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য সুখবর নিয়ে এল নতুন বেতনকাঠামো। সংশোধিত এ কাঠামো অনুযায়ী পাঁচ ধাপে বাড়ানো হচ্ছে পেনশন। বিশেষ করে যেসব কর্মকর্তা-কর্মচারী বহু আগে অবসরে গেছেন এবং বর্তমান বাজারদরের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তুলনামূলক কম পেনশন পাচ্ছিলেন, নতুন নিয়মে তাদের পেনশনের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি বাড়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) নতুন এ বেতনকাঠামোর প্রজ্ঞাপন জারি হলেও শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) তা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত হয়। তবে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে গত ১ জুলাই থেকে।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পেনশন বৃদ্ধির হিসাবটি নির্ধারণ করা হয়েছে পাঁচটি আলাদা স্তরে। এর মধ্যে যাদের মাসিক নিট পেনশন বর্তমানে ৯ হাজার টাকা বা তার কম রয়েছে, তাদের পেনশন শতভাগ বেড়ে ১৮ হাজার টাকায় উন্নীত হচ্ছে। অন্যদিকে, বর্তমানে যাদের পেনশন মাসে ৪০ হাজার ১ টাকা বা তার বেশি, তারা এখন থেকে পাবেন ৭০ হাজার ২০০ টাকা। এ দুই সীমার মাঝে থাকা পেনশনারদের জন্যও রয়েছে সুনির্দিষ্ট হার।
নিয়মানুযায়ী, ৯ হাজার ১ টাকা থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত পেনশনভোগীরা পাবেন ৭৫ শতাংশ বেশি, আর ২০ হাজার ১ টাকা থেকে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত পান যারা, তাদের বাড়বে ৬৫ শতাংশ। এছাড়া ৩০ হাজার ১ টাকা থেকে ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত পেনশন গ্রহণকারীদের ক্ষেত্রে এ বৃদ্ধির হার নির্ধারণ করা হয়েছে ৬০ শতাংশ এবং ৪০ হাজার ১ টাকার বেশি পেনশনভোগীদের নিট পেনশন বাড়বে ৫৫ শতাংশ।
মূলত ৩১ আগস্ট মন্ত্রিসভার বৈঠকে নতুন এ বেতনকাঠামোর প্রস্তাব অনুমোদন পায়। বৈঠক শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি জানিয়েছিলেন, সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী ‘এক গ্রেড এক পেনশন’ বা ‘ওয়ান র্যাঙ্ক ওয়ান পেনশন’ (ওআরওপি) পদ্ধতি চালুর বিষয়ে বর্তমান সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। সামরিক ও বেসামরিক উভয় ক্ষেত্রেই এ পদ্ধতি একই সঙ্গে বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন বলে মনে করে সরকার।
তবে এ বিশাল পদ্ধতি চালু করতে বিপুল পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন। একই সঙ্গে বেসামরিক কর্মচারীদের ক্ষেত্রে ২০১৯ সালের আগের অবসর গ্রহণকারীদের অনেকেরই প্রয়োজনীয় তথ্য সংরক্ষণে ঘাটতি থাকায় পুরো প্রক্রিয়াটি রাতারাতি চালু করা সম্ভব হচ্ছে না। সে কারণেই সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এ লক্ষ্য অর্জনে কাজ চলবে পর্যায়ক্রমে এবং তা ২০৩০ সালের মধ্যে পুরোপুরি বাস্তবায়ন করা হবে।









