‘রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে দায়িত্বপালন করবেন স্পিকার’

‘রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে দায়িত্বপালন করবেন স্পিকার’
নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করবেন কিনা, সে বিষয়ে আমি কিছু জানি না। সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে সাময়িকভাবে স্পিকার দায়িত্বপালন করবেন।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) দুপুরে থাইল্যান্ড থেকে দেশে ফিরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
স্পিকার বলেন, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করবেন কিনা, সে বিষয়ে আমি কিছু জানি না। গতকাল আমার মেডিকেল চেকআপ শেষ হয়েছে, তাই ফিরে এসেছি।
এদিকে, সংসদ সচিবালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, সফরসূচি অনুযায়ী ২৬ জুলাই দেশে ফেরার কথা থাকলেও উচ্চপর্যায় থেকে দ্রুত ফিরে আসার অনুরোধ জানানো হয়েছে। সেই কারণেই তিনি শুক্রবার দেশে ফিরছেন।
তিনি বলেন, বুধবার (২২ জুলাই) থেকেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে বিভিন্ন গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। বিষয়টির সঙ্গে সফর সংক্ষিপ্ত করার সিদ্ধান্তের সম্পর্ক থাকতে পারে। তবে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো তথ্য নেই। আশা করা হচ্ছে, শুক্রবার বিষয়টি আরও পরিষ্কার হবে।
সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের প্রক্রিয়াও স্পষ্টভাবে নির্ধারিত রয়েছে। সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি স্পিকারের উদ্দেশে স্বাক্ষরিত পত্র দিয়ে পদত্যাগ করতে পারেন। আর ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে অথবা তিনি অসুস্থতা, অনুপস্থিতি বা অন্য কোনো কারণে দায়িত্ব পালনে অক্ষম হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।
এছাড়া, সংবিধানের ১২৩ অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে, পদত্যাগ, মৃত্যু বা অপসারণের ফলে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে। সংসদ সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। বর্তমান সংসদে বিএনপির সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় দলটির মনোনীত প্রার্থীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনাই সবচেয়ে বেশি বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা।
এদিকে, রাষ্ট্রপতির পরিবার জানিয়েছে, আগামী শনি বা রবিবার পদত্যাগ করবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। শারীরিক অসুস্থতার কারণে এ সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মো. সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে গুঞ্জন আছে। সেটা গুঞ্জনই। উনি পদত্যাগ করবেন কি না, সেটা তাকে জিজ্ঞেস করতে হবে। তার পদত্যাগ করার অপশন আছে। এতে সরকারের তো কিছু করার নেই। পদত্যাগ করলে সেটা স্পিকার দেখবেন।
বঙ্গভবন সূত্র জানিয়েছে, রাষ্ট্রপতি নিজে তার অধস্তন কর্মীদের শিগগিরই বঙ্গভবন ছেড়ে যাওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন। পদত্যাগের পর তিনি কিছুদিন বিশ্রামে থাকবেন। চিকিৎসার জন্য বিদেশেও যেতে পারেন।

জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করবেন কিনা, সে বিষয়ে আমি কিছু জানি না। সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে সাময়িকভাবে স্পিকার দায়িত্বপালন করবেন।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) দুপুরে থাইল্যান্ড থেকে দেশে ফিরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
স্পিকার বলেন, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করবেন কিনা, সে বিষয়ে আমি কিছু জানি না। গতকাল আমার মেডিকেল চেকআপ শেষ হয়েছে, তাই ফিরে এসেছি।
এদিকে, সংসদ সচিবালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, সফরসূচি অনুযায়ী ২৬ জুলাই দেশে ফেরার কথা থাকলেও উচ্চপর্যায় থেকে দ্রুত ফিরে আসার অনুরোধ জানানো হয়েছে। সেই কারণেই তিনি শুক্রবার দেশে ফিরছেন।
তিনি বলেন, বুধবার (২২ জুলাই) থেকেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে বিভিন্ন গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। বিষয়টির সঙ্গে সফর সংক্ষিপ্ত করার সিদ্ধান্তের সম্পর্ক থাকতে পারে। তবে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো তথ্য নেই। আশা করা হচ্ছে, শুক্রবার বিষয়টি আরও পরিষ্কার হবে।
সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের প্রক্রিয়াও স্পষ্টভাবে নির্ধারিত রয়েছে। সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি স্পিকারের উদ্দেশে স্বাক্ষরিত পত্র দিয়ে পদত্যাগ করতে পারেন। আর ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে অথবা তিনি অসুস্থতা, অনুপস্থিতি বা অন্য কোনো কারণে দায়িত্ব পালনে অক্ষম হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।
এছাড়া, সংবিধানের ১২৩ অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে, পদত্যাগ, মৃত্যু বা অপসারণের ফলে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে। সংসদ সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। বর্তমান সংসদে বিএনপির সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় দলটির মনোনীত প্রার্থীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনাই সবচেয়ে বেশি বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা।
এদিকে, রাষ্ট্রপতির পরিবার জানিয়েছে, আগামী শনি বা রবিবার পদত্যাগ করবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। শারীরিক অসুস্থতার কারণে এ সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মো. সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে গুঞ্জন আছে। সেটা গুঞ্জনই। উনি পদত্যাগ করবেন কি না, সেটা তাকে জিজ্ঞেস করতে হবে। তার পদত্যাগ করার অপশন আছে। এতে সরকারের তো কিছু করার নেই। পদত্যাগ করলে সেটা স্পিকার দেখবেন।
বঙ্গভবন সূত্র জানিয়েছে, রাষ্ট্রপতি নিজে তার অধস্তন কর্মীদের শিগগিরই বঙ্গভবন ছেড়ে যাওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন। পদত্যাগের পর তিনি কিছুদিন বিশ্রামে থাকবেন। চিকিৎসার জন্য বিদেশেও যেতে পারেন।

‘রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে দায়িত্বপালন করবেন স্পিকার’
নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করবেন কিনা, সে বিষয়ে আমি কিছু জানি না। সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে সাময়িকভাবে স্পিকার দায়িত্বপালন করবেন।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) দুপুরে থাইল্যান্ড থেকে দেশে ফিরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
স্পিকার বলেন, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করবেন কিনা, সে বিষয়ে আমি কিছু জানি না। গতকাল আমার মেডিকেল চেকআপ শেষ হয়েছে, তাই ফিরে এসেছি।
এদিকে, সংসদ সচিবালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, সফরসূচি অনুযায়ী ২৬ জুলাই দেশে ফেরার কথা থাকলেও উচ্চপর্যায় থেকে দ্রুত ফিরে আসার অনুরোধ জানানো হয়েছে। সেই কারণেই তিনি শুক্রবার দেশে ফিরছেন।
তিনি বলেন, বুধবার (২২ জুলাই) থেকেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে বিভিন্ন গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। বিষয়টির সঙ্গে সফর সংক্ষিপ্ত করার সিদ্ধান্তের সম্পর্ক থাকতে পারে। তবে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো তথ্য নেই। আশা করা হচ্ছে, শুক্রবার বিষয়টি আরও পরিষ্কার হবে।
সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের প্রক্রিয়াও স্পষ্টভাবে নির্ধারিত রয়েছে। সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি স্পিকারের উদ্দেশে স্বাক্ষরিত পত্র দিয়ে পদত্যাগ করতে পারেন। আর ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে অথবা তিনি অসুস্থতা, অনুপস্থিতি বা অন্য কোনো কারণে দায়িত্ব পালনে অক্ষম হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।
এছাড়া, সংবিধানের ১২৩ অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে, পদত্যাগ, মৃত্যু বা অপসারণের ফলে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে। সংসদ সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। বর্তমান সংসদে বিএনপির সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় দলটির মনোনীত প্রার্থীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনাই সবচেয়ে বেশি বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা।
এদিকে, রাষ্ট্রপতির পরিবার জানিয়েছে, আগামী শনি বা রবিবার পদত্যাগ করবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। শারীরিক অসুস্থতার কারণে এ সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মো. সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে গুঞ্জন আছে। সেটা গুঞ্জনই। উনি পদত্যাগ করবেন কি না, সেটা তাকে জিজ্ঞেস করতে হবে। তার পদত্যাগ করার অপশন আছে। এতে সরকারের তো কিছু করার নেই। পদত্যাগ করলে সেটা স্পিকার দেখবেন।
বঙ্গভবন সূত্র জানিয়েছে, রাষ্ট্রপতি নিজে তার অধস্তন কর্মীদের শিগগিরই বঙ্গভবন ছেড়ে যাওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন। পদত্যাগের পর তিনি কিছুদিন বিশ্রামে থাকবেন। চিকিৎসার জন্য বিদেশেও যেতে পারেন।

সফর সংক্ষিপ্ত করে দেশে ফিরেছেন স্পিকার




