কমলাপুরে মানুষের উপচে পড়া ভিড়

কমলাপুরে মানুষের উপচে পড়া ভিড়
নিজস্ব প্রতিবেদক

পবিত্র ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে নাড়ির টানে রাজধানী ছাড়ছেন নগরবাসী। লঞ্চ ও বাস টার্মিনালের মতো কমলাপুর রেলস্টেশনেও নেমেছে ঘরমুখো মানুষের ঢল। সকাল থেকেই স্টেশনে দেখা গেছে উপচেপড়া ভিড়।
মঙ্গলবার (২৬ মে) সকালে কমলাপুরে রেলস্টেশনে এমন চিত্র দেখা গেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, ট্রেন ছাড়ার অন্তত ৩০ মিনিট আগেই বুড়িমারী এক্সপ্রেসের ছাদ যাত্রীতে ভরে যায়। কেউ ব্যাগ শক্ত করে ধরে বসে আছেন, কেউ আবার ছাদের কিনারায় পা ঝুলিয়ে ঝুঁকি নিয়ে অবস্থান করছেন। বিভিন্ন বগির গেটেও অনেক যাত্রীকে ঝুলে থাকতে দেখা গেছে।
এদিকে, ট্রেনের ছাদে যাত্রী ওঠা ঠেকাতে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা বেশ তৎপর ছিল। তবে অতিরিক্ত যাত্রীর চাপে শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়নি।
রংপুরগামী যাত্রী রফিক আহসান বলেন, দুই দিন ধরে টিকিটের চেষ্টা করছি, কিন্তু পাইনি। বাসে গেলে ভাড়া অনেক বেশি, আবার যানযটও আছে। তাই বাধ্য হয়েই ঝুঁকি নিয়ে ছাদে উঠেছি।
আশিক নামে আরেক যাত্রী বলেন, ঈদে বাড়ি যাওয়ার আনন্দটাই আলাদা। ট্রেনের ভেতরে জায়গা পাইনি। তাই বাধ্য হয়েই নিয়ে ছাদেই বসেছি। আল্লাহ ভরসা।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে কমলাপুর রেলস্টেশনের এক রেলওয়ে কর্মকর্তা বলেন, আমরা যাত্রীদের ছাদে উঠতে নিষেধ করছি। নিরাপত্তা কর্মীরাও কাজ করছে। কিন্তু অতিরিক্ত চাপের কারণে অনেকেই জোর করে উঠে পড়ছেন। ঈদকে কেন্দ্র করে যাত্রীর এই চাপ সামাল দেওয়া কঠিন।

পবিত্র ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে নাড়ির টানে রাজধানী ছাড়ছেন নগরবাসী। লঞ্চ ও বাস টার্মিনালের মতো কমলাপুর রেলস্টেশনেও নেমেছে ঘরমুখো মানুষের ঢল। সকাল থেকেই স্টেশনে দেখা গেছে উপচেপড়া ভিড়।
মঙ্গলবার (২৬ মে) সকালে কমলাপুরে রেলস্টেশনে এমন চিত্র দেখা গেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, ট্রেন ছাড়ার অন্তত ৩০ মিনিট আগেই বুড়িমারী এক্সপ্রেসের ছাদ যাত্রীতে ভরে যায়। কেউ ব্যাগ শক্ত করে ধরে বসে আছেন, কেউ আবার ছাদের কিনারায় পা ঝুলিয়ে ঝুঁকি নিয়ে অবস্থান করছেন। বিভিন্ন বগির গেটেও অনেক যাত্রীকে ঝুলে থাকতে দেখা গেছে।
এদিকে, ট্রেনের ছাদে যাত্রী ওঠা ঠেকাতে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা বেশ তৎপর ছিল। তবে অতিরিক্ত যাত্রীর চাপে শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়নি।
রংপুরগামী যাত্রী রফিক আহসান বলেন, দুই দিন ধরে টিকিটের চেষ্টা করছি, কিন্তু পাইনি। বাসে গেলে ভাড়া অনেক বেশি, আবার যানযটও আছে। তাই বাধ্য হয়েই ঝুঁকি নিয়ে ছাদে উঠেছি।
আশিক নামে আরেক যাত্রী বলেন, ঈদে বাড়ি যাওয়ার আনন্দটাই আলাদা। ট্রেনের ভেতরে জায়গা পাইনি। তাই বাধ্য হয়েই নিয়ে ছাদেই বসেছি। আল্লাহ ভরসা।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে কমলাপুর রেলস্টেশনের এক রেলওয়ে কর্মকর্তা বলেন, আমরা যাত্রীদের ছাদে উঠতে নিষেধ করছি। নিরাপত্তা কর্মীরাও কাজ করছে। কিন্তু অতিরিক্ত চাপের কারণে অনেকেই জোর করে উঠে পড়ছেন। ঈদকে কেন্দ্র করে যাত্রীর এই চাপ সামাল দেওয়া কঠিন।

কমলাপুরে মানুষের উপচে পড়া ভিড়
নিজস্ব প্রতিবেদক

পবিত্র ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে নাড়ির টানে রাজধানী ছাড়ছেন নগরবাসী। লঞ্চ ও বাস টার্মিনালের মতো কমলাপুর রেলস্টেশনেও নেমেছে ঘরমুখো মানুষের ঢল। সকাল থেকেই স্টেশনে দেখা গেছে উপচেপড়া ভিড়।
মঙ্গলবার (২৬ মে) সকালে কমলাপুরে রেলস্টেশনে এমন চিত্র দেখা গেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, ট্রেন ছাড়ার অন্তত ৩০ মিনিট আগেই বুড়িমারী এক্সপ্রেসের ছাদ যাত্রীতে ভরে যায়। কেউ ব্যাগ শক্ত করে ধরে বসে আছেন, কেউ আবার ছাদের কিনারায় পা ঝুলিয়ে ঝুঁকি নিয়ে অবস্থান করছেন। বিভিন্ন বগির গেটেও অনেক যাত্রীকে ঝুলে থাকতে দেখা গেছে।
এদিকে, ট্রেনের ছাদে যাত্রী ওঠা ঠেকাতে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা বেশ তৎপর ছিল। তবে অতিরিক্ত যাত্রীর চাপে শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়নি।
রংপুরগামী যাত্রী রফিক আহসান বলেন, দুই দিন ধরে টিকিটের চেষ্টা করছি, কিন্তু পাইনি। বাসে গেলে ভাড়া অনেক বেশি, আবার যানযটও আছে। তাই বাধ্য হয়েই ঝুঁকি নিয়ে ছাদে উঠেছি।
আশিক নামে আরেক যাত্রী বলেন, ঈদে বাড়ি যাওয়ার আনন্দটাই আলাদা। ট্রেনের ভেতরে জায়গা পাইনি। তাই বাধ্য হয়েই নিয়ে ছাদেই বসেছি। আল্লাহ ভরসা।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে কমলাপুর রেলস্টেশনের এক রেলওয়ে কর্মকর্তা বলেন, আমরা যাত্রীদের ছাদে উঠতে নিষেধ করছি। নিরাপত্তা কর্মীরাও কাজ করছে। কিন্তু অতিরিক্ত চাপের কারণে অনেকেই জোর করে উঠে পড়ছেন। ঈদকে কেন্দ্র করে যাত্রীর এই চাপ সামাল দেওয়া কঠিন।

রাজধানীর হাটে গরুর সরবরাহ বাড়লেও কম ক্রেতা, দাম কেমন


