আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ভারত থেকে ফেরাতে তালিকা তৈরি করছে সরকার

আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ভারত থেকে ফেরাতে তালিকা তৈরি করছে সরকার
আয়নাল হোসেন

ভারতে পালিয়ে যাওয়া আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ দলটির সাজাপ্রাপ্ত ও বিভিন্ন মামলায় নাম আসা নেতাকর্মীদের দেশে ফিরিয়ে আনতে বাংলাদেশ সরকার আইনি ও কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু করেছে। প্রত্যর্পণ আইন অনুযায়ী তাদের দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া এরই মধ্যে শুরু করা হয়েছে। এই লক্ষ্যে আওয়ামী লীগের সাজাপ্রাপ্ত ও যাদের নামে মামলা আছে, সেই সব নেতাকর্মীদের তালিকা করতে শুরু করেছে সরকার।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা এ বিষয়ে বলেছেন, ভারতে পালিয়ে যাওয়া আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রত্যর্পন আইন অনুযায়ী পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ভারত সরকারকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। আওয়ামী লীগের ঠিক কতজন নেতাকর্মী ভারতে পালিয়ে গেছেন, সরকার এখনও নিশ্চিত নয়। এজন্য যেসব নেতাকর্মী বিভিন্ন মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়েছেন কিংবা আসামি হয়েছেন, তাদের বিষয়ে অনুসন্ধান শুরু করেছে সরকার।
জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিবের দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত সচিব (রাজনৈতিক) জিয়াউদ্দিন আহমেদ সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, আওয়ামী লীগের যেসব নেতাকর্মী ভারতে পালিয়ে গেছেন, তাদের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। আর সেই তালিকা নেওয়া হচ্ছে আদালত থেকে। ভারতের সঙ্গে বন্দি বিনিময় চুক্তি অনুযায়ী শুধু সাজাপ্রাপ্তই নয়, যাদের নামে বিভিন্ন মামলা রয়েছে তাদেরকেও দেশে ফিরিয়ে আনা যাবে। আদালত থেকে নাম নিয়ে পূর্ণাঙ্গ তালিকা করার পরই এ ব্যাপারে কূটনৈতিক প্রক্রিয়া শুরু করবে সরকার।

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ২০১৩ সালে স্বাক্ষরিত এবং ২০১৬ সালে সংশোধিত একটি বন্দি প্রত্যর্পণ চুক্তি রয়েছে। সরকার মূলত এই চুক্তির আওতায় আসামিদের ফিরিয়ে আনার আইনি প্রক্রিয়া শুরু করেছে। তবে চুক্তির একটি ধারা অনুযায়ী, কোনো অপরাধ যদি ‘রাজনৈতিক প্রকৃতির’ হয়, তাহলে আসামিকে হস্তান্তর না করার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু হত্যা, গণহত্যা বা মানবতাবিরোধী অপরাধের ক্ষেত্রে এই রাজনৈতিক অজুহাত খাটবে না। বাংলাদেশ সরকার ট্রাইব্যুনালে হওয়া গণহত্যার মামলাগুলোকে সামনে রেখেই আইনি লড়াই চালাচ্ছে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে একাধিক গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে। পলাতক আসামিরা যাতে ভারতের বাইরে অন্য কোনো দেশে পালিয়ে যেতে না পারেন, সেজন্য বাংলাদেশ পুলিশের অনুরোধে ইন্টারপোল শেখ হাসিনাসহ বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতার বিরুদ্ধে ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি করেছে। সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে ফেরাতে এরই মধ্যে আনুষ্ঠানিক চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ। ওই চিঠির সঙ্গে তার বিরুদ্ধে হওয়া মামলার নথিপত্র এবং ট্রাইব্যুনালের রায়ের অনুলিপি সংযুক্ত করা হয়েছে। যাতে করে ভারত সরকার একে সাধারণ রাজনৈতিক মামলা বলে এড়াতে না পারে।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রতিবারই জানিয়েছে যে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আসা প্রত্যর্পণের অনুরোধগুলো তারা গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখছে। ভারতের অবস্থান হলো– এটি একটি দীর্ঘ আইনি ও বিচারিক প্রক্রিয়া এবং তাদের নিজস্ব আদালত ও আইন অনুযায়ী এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ভারত সরকারের দীর্ঘদিনের মিত্র শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের হাতে তুলে দেওয়া দিল্লির জন্য রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত সংবেদনশীল একটি বিষয়। তবে বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক রাখতে তারা এই আইনি অনুরোধ একেবারে বাতিলও করতে পারছে না।
বাংলাদেশ সরকারের আইন ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যৌথভাবে জানিয়েছে যে জুলাই বিপ্লবের শহীদদের বিচার নিশ্চিত করতে এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে প্রতিটি পলাতক আসামিকে দেশের মাটিতে এনে বিচারের মুখোমুখি করতে তারা আন্তর্জাতিক চাপ বজায় রাখবে।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ভারতে পালিয়ে গেছেন দলটির সভাপতি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেদিন বা তার পরে আওয়ামী লীগের শীর্ষ ও মাঝারি নেতাকর্মীদের অনেকেই ভারতে চলে যান

ভারতে পালিয়ে যাওয়া আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ দলটির সাজাপ্রাপ্ত ও বিভিন্ন মামলায় নাম আসা নেতাকর্মীদের দেশে ফিরিয়ে আনতে বাংলাদেশ সরকার আইনি ও কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু করেছে। প্রত্যর্পণ আইন অনুযায়ী তাদের দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া এরই মধ্যে শুরু করা হয়েছে। এই লক্ষ্যে আওয়ামী লীগের সাজাপ্রাপ্ত ও যাদের নামে মামলা আছে, সেই সব নেতাকর্মীদের তালিকা করতে শুরু করেছে সরকার।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা এ বিষয়ে বলেছেন, ভারতে পালিয়ে যাওয়া আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রত্যর্পন আইন অনুযায়ী পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ভারত সরকারকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। আওয়ামী লীগের ঠিক কতজন নেতাকর্মী ভারতে পালিয়ে গেছেন, সরকার এখনও নিশ্চিত নয়। এজন্য যেসব নেতাকর্মী বিভিন্ন মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়েছেন কিংবা আসামি হয়েছেন, তাদের বিষয়ে অনুসন্ধান শুরু করেছে সরকার।
জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিবের দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত সচিব (রাজনৈতিক) জিয়াউদ্দিন আহমেদ সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, আওয়ামী লীগের যেসব নেতাকর্মী ভারতে পালিয়ে গেছেন, তাদের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। আর সেই তালিকা নেওয়া হচ্ছে আদালত থেকে। ভারতের সঙ্গে বন্দি বিনিময় চুক্তি অনুযায়ী শুধু সাজাপ্রাপ্তই নয়, যাদের নামে বিভিন্ন মামলা রয়েছে তাদেরকেও দেশে ফিরিয়ে আনা যাবে। আদালত থেকে নাম নিয়ে পূর্ণাঙ্গ তালিকা করার পরই এ ব্যাপারে কূটনৈতিক প্রক্রিয়া শুরু করবে সরকার।

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ২০১৩ সালে স্বাক্ষরিত এবং ২০১৬ সালে সংশোধিত একটি বন্দি প্রত্যর্পণ চুক্তি রয়েছে। সরকার মূলত এই চুক্তির আওতায় আসামিদের ফিরিয়ে আনার আইনি প্রক্রিয়া শুরু করেছে। তবে চুক্তির একটি ধারা অনুযায়ী, কোনো অপরাধ যদি ‘রাজনৈতিক প্রকৃতির’ হয়, তাহলে আসামিকে হস্তান্তর না করার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু হত্যা, গণহত্যা বা মানবতাবিরোধী অপরাধের ক্ষেত্রে এই রাজনৈতিক অজুহাত খাটবে না। বাংলাদেশ সরকার ট্রাইব্যুনালে হওয়া গণহত্যার মামলাগুলোকে সামনে রেখেই আইনি লড়াই চালাচ্ছে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে একাধিক গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে। পলাতক আসামিরা যাতে ভারতের বাইরে অন্য কোনো দেশে পালিয়ে যেতে না পারেন, সেজন্য বাংলাদেশ পুলিশের অনুরোধে ইন্টারপোল শেখ হাসিনাসহ বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতার বিরুদ্ধে ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি করেছে। সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে ফেরাতে এরই মধ্যে আনুষ্ঠানিক চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ। ওই চিঠির সঙ্গে তার বিরুদ্ধে হওয়া মামলার নথিপত্র এবং ট্রাইব্যুনালের রায়ের অনুলিপি সংযুক্ত করা হয়েছে। যাতে করে ভারত সরকার একে সাধারণ রাজনৈতিক মামলা বলে এড়াতে না পারে।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রতিবারই জানিয়েছে যে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আসা প্রত্যর্পণের অনুরোধগুলো তারা গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখছে। ভারতের অবস্থান হলো– এটি একটি দীর্ঘ আইনি ও বিচারিক প্রক্রিয়া এবং তাদের নিজস্ব আদালত ও আইন অনুযায়ী এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ভারত সরকারের দীর্ঘদিনের মিত্র শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের হাতে তুলে দেওয়া দিল্লির জন্য রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত সংবেদনশীল একটি বিষয়। তবে বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক রাখতে তারা এই আইনি অনুরোধ একেবারে বাতিলও করতে পারছে না।
বাংলাদেশ সরকারের আইন ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যৌথভাবে জানিয়েছে যে জুলাই বিপ্লবের শহীদদের বিচার নিশ্চিত করতে এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে প্রতিটি পলাতক আসামিকে দেশের মাটিতে এনে বিচারের মুখোমুখি করতে তারা আন্তর্জাতিক চাপ বজায় রাখবে।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ভারতে পালিয়ে গেছেন দলটির সভাপতি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেদিন বা তার পরে আওয়ামী লীগের শীর্ষ ও মাঝারি নেতাকর্মীদের অনেকেই ভারতে চলে যান

আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ভারত থেকে ফেরাতে তালিকা তৈরি করছে সরকার
আয়নাল হোসেন

ভারতে পালিয়ে যাওয়া আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ দলটির সাজাপ্রাপ্ত ও বিভিন্ন মামলায় নাম আসা নেতাকর্মীদের দেশে ফিরিয়ে আনতে বাংলাদেশ সরকার আইনি ও কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু করেছে। প্রত্যর্পণ আইন অনুযায়ী তাদের দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া এরই মধ্যে শুরু করা হয়েছে। এই লক্ষ্যে আওয়ামী লীগের সাজাপ্রাপ্ত ও যাদের নামে মামলা আছে, সেই সব নেতাকর্মীদের তালিকা করতে শুরু করেছে সরকার।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা এ বিষয়ে বলেছেন, ভারতে পালিয়ে যাওয়া আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রত্যর্পন আইন অনুযায়ী পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ভারত সরকারকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। আওয়ামী লীগের ঠিক কতজন নেতাকর্মী ভারতে পালিয়ে গেছেন, সরকার এখনও নিশ্চিত নয়। এজন্য যেসব নেতাকর্মী বিভিন্ন মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়েছেন কিংবা আসামি হয়েছেন, তাদের বিষয়ে অনুসন্ধান শুরু করেছে সরকার।
জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিবের দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত সচিব (রাজনৈতিক) জিয়াউদ্দিন আহমেদ সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, আওয়ামী লীগের যেসব নেতাকর্মী ভারতে পালিয়ে গেছেন, তাদের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। আর সেই তালিকা নেওয়া হচ্ছে আদালত থেকে। ভারতের সঙ্গে বন্দি বিনিময় চুক্তি অনুযায়ী শুধু সাজাপ্রাপ্তই নয়, যাদের নামে বিভিন্ন মামলা রয়েছে তাদেরকেও দেশে ফিরিয়ে আনা যাবে। আদালত থেকে নাম নিয়ে পূর্ণাঙ্গ তালিকা করার পরই এ ব্যাপারে কূটনৈতিক প্রক্রিয়া শুরু করবে সরকার।

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ২০১৩ সালে স্বাক্ষরিত এবং ২০১৬ সালে সংশোধিত একটি বন্দি প্রত্যর্পণ চুক্তি রয়েছে। সরকার মূলত এই চুক্তির আওতায় আসামিদের ফিরিয়ে আনার আইনি প্রক্রিয়া শুরু করেছে। তবে চুক্তির একটি ধারা অনুযায়ী, কোনো অপরাধ যদি ‘রাজনৈতিক প্রকৃতির’ হয়, তাহলে আসামিকে হস্তান্তর না করার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু হত্যা, গণহত্যা বা মানবতাবিরোধী অপরাধের ক্ষেত্রে এই রাজনৈতিক অজুহাত খাটবে না। বাংলাদেশ সরকার ট্রাইব্যুনালে হওয়া গণহত্যার মামলাগুলোকে সামনে রেখেই আইনি লড়াই চালাচ্ছে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে একাধিক গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে। পলাতক আসামিরা যাতে ভারতের বাইরে অন্য কোনো দেশে পালিয়ে যেতে না পারেন, সেজন্য বাংলাদেশ পুলিশের অনুরোধে ইন্টারপোল শেখ হাসিনাসহ বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতার বিরুদ্ধে ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি করেছে। সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে ফেরাতে এরই মধ্যে আনুষ্ঠানিক চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ। ওই চিঠির সঙ্গে তার বিরুদ্ধে হওয়া মামলার নথিপত্র এবং ট্রাইব্যুনালের রায়ের অনুলিপি সংযুক্ত করা হয়েছে। যাতে করে ভারত সরকার একে সাধারণ রাজনৈতিক মামলা বলে এড়াতে না পারে।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রতিবারই জানিয়েছে যে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আসা প্রত্যর্পণের অনুরোধগুলো তারা গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখছে। ভারতের অবস্থান হলো– এটি একটি দীর্ঘ আইনি ও বিচারিক প্রক্রিয়া এবং তাদের নিজস্ব আদালত ও আইন অনুযায়ী এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ভারত সরকারের দীর্ঘদিনের মিত্র শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের হাতে তুলে দেওয়া দিল্লির জন্য রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত সংবেদনশীল একটি বিষয়। তবে বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক রাখতে তারা এই আইনি অনুরোধ একেবারে বাতিলও করতে পারছে না।
বাংলাদেশ সরকারের আইন ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যৌথভাবে জানিয়েছে যে জুলাই বিপ্লবের শহীদদের বিচার নিশ্চিত করতে এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে প্রতিটি পলাতক আসামিকে দেশের মাটিতে এনে বিচারের মুখোমুখি করতে তারা আন্তর্জাতিক চাপ বজায় রাখবে।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ভারতে পালিয়ে গেছেন দলটির সভাপতি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেদিন বা তার পরে আওয়ামী লীগের শীর্ষ ও মাঝারি নেতাকর্মীদের অনেকেই ভারতে চলে যান








