নির্বাচনী প্রচারে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের বিধি মেনে চলার নির্দেশ

নির্বাচনী প্রচারে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের বিধি মেনে চলার নির্দেশ
নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রচার-প্রচারণার ক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণবিধি যথাযথভাবে মেনে চলার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
ইসি সচিবালয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) মো. রুহুল আমিন মল্লিক জানান, এ সংক্রান্ত একটি চিঠি সকল রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) এ তথ্য জানান তিনি।
চিঠিতে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার-প্রচারণার ক্ষেত্রে আচরণবিধির ১৬ নম্বর ধারায় উল্লেখ রয়েছে— ‘কোনো প্রার্থী বা তার নির্বাচনী এজেন্ট বা প্রার্থীর পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা পরিচালনা করতে পারবে। তবে সেক্ষেত্রে প্রার্থী বা তার নির্বাচনী এজেন্ট বা দল বা প্রার্থী সংশ্লিষ্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নাম, অ্যাকাউন্ট আইডি, ই-মেইল আইডিসহ অন্যান্য শনাক্তকরণ তথ্য প্রচার-প্রচারণা শুরুর আগে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে দাখিল করবেন।’
আচরণবিধিরন ২২-এর (২) উপধারায় উল্লেখ করা হয়েছে, ‘কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল কিংবা তাদের মনোনীত প্রার্থী বা স্বতন্ত্র প্রার্থী কিংবা তাদের পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্বাচন বিষয়ক কোনো কনটেন্ট তৈরি, বিজ্ঞাপন প্রদান, বুস্টিং ও স্পন্সরশিপসহ সকল প্রচার-প্রচারণার ব্যয়ের শিরোনামে সামগ্রিক নির্বাচনী ব্যয়সহ নির্বাচন কমিশন বরাবর দাখিল করিবেন।’
এক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার প্রচারণায় যে ব্যয় হবে তা নির্বাচনী ব্যয় হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে দাখিল করার বিধান রয়েছে।
এ অবস্থায় আচরণবিধির উল্লিখিত বিষয়গুলো যথাযথভাবে মেনে চলার জন্য অনুরোধ করা হলো। একই সঙ্গে রিটার্নিং কর্মকর্তাকে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীরা কোন কোন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করছে, সে সংক্রান্ত তথ্য নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের জনসংযোগ শাখায় পাঠানোর জন্য নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে।
সূত্র: বাসস

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রচার-প্রচারণার ক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণবিধি যথাযথভাবে মেনে চলার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
ইসি সচিবালয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) মো. রুহুল আমিন মল্লিক জানান, এ সংক্রান্ত একটি চিঠি সকল রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) এ তথ্য জানান তিনি।
চিঠিতে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার-প্রচারণার ক্ষেত্রে আচরণবিধির ১৬ নম্বর ধারায় উল্লেখ রয়েছে— ‘কোনো প্রার্থী বা তার নির্বাচনী এজেন্ট বা প্রার্থীর পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা পরিচালনা করতে পারবে। তবে সেক্ষেত্রে প্রার্থী বা তার নির্বাচনী এজেন্ট বা দল বা প্রার্থী সংশ্লিষ্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নাম, অ্যাকাউন্ট আইডি, ই-মেইল আইডিসহ অন্যান্য শনাক্তকরণ তথ্য প্রচার-প্রচারণা শুরুর আগে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে দাখিল করবেন।’
আচরণবিধিরন ২২-এর (২) উপধারায় উল্লেখ করা হয়েছে, ‘কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল কিংবা তাদের মনোনীত প্রার্থী বা স্বতন্ত্র প্রার্থী কিংবা তাদের পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্বাচন বিষয়ক কোনো কনটেন্ট তৈরি, বিজ্ঞাপন প্রদান, বুস্টিং ও স্পন্সরশিপসহ সকল প্রচার-প্রচারণার ব্যয়ের শিরোনামে সামগ্রিক নির্বাচনী ব্যয়সহ নির্বাচন কমিশন বরাবর দাখিল করিবেন।’
এক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার প্রচারণায় যে ব্যয় হবে তা নির্বাচনী ব্যয় হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে দাখিল করার বিধান রয়েছে।
এ অবস্থায় আচরণবিধির উল্লিখিত বিষয়গুলো যথাযথভাবে মেনে চলার জন্য অনুরোধ করা হলো। একই সঙ্গে রিটার্নিং কর্মকর্তাকে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীরা কোন কোন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করছে, সে সংক্রান্ত তথ্য নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের জনসংযোগ শাখায় পাঠানোর জন্য নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে।
সূত্র: বাসস

নির্বাচনী প্রচারে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের বিধি মেনে চলার নির্দেশ
নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রচার-প্রচারণার ক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণবিধি যথাযথভাবে মেনে চলার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
ইসি সচিবালয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) মো. রুহুল আমিন মল্লিক জানান, এ সংক্রান্ত একটি চিঠি সকল রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) এ তথ্য জানান তিনি।
চিঠিতে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার-প্রচারণার ক্ষেত্রে আচরণবিধির ১৬ নম্বর ধারায় উল্লেখ রয়েছে— ‘কোনো প্রার্থী বা তার নির্বাচনী এজেন্ট বা প্রার্থীর পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা পরিচালনা করতে পারবে। তবে সেক্ষেত্রে প্রার্থী বা তার নির্বাচনী এজেন্ট বা দল বা প্রার্থী সংশ্লিষ্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নাম, অ্যাকাউন্ট আইডি, ই-মেইল আইডিসহ অন্যান্য শনাক্তকরণ তথ্য প্রচার-প্রচারণা শুরুর আগে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে দাখিল করবেন।’
আচরণবিধিরন ২২-এর (২) উপধারায় উল্লেখ করা হয়েছে, ‘কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল কিংবা তাদের মনোনীত প্রার্থী বা স্বতন্ত্র প্রার্থী কিংবা তাদের পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্বাচন বিষয়ক কোনো কনটেন্ট তৈরি, বিজ্ঞাপন প্রদান, বুস্টিং ও স্পন্সরশিপসহ সকল প্রচার-প্রচারণার ব্যয়ের শিরোনামে সামগ্রিক নির্বাচনী ব্যয়সহ নির্বাচন কমিশন বরাবর দাখিল করিবেন।’
এক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার প্রচারণায় যে ব্যয় হবে তা নির্বাচনী ব্যয় হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে দাখিল করার বিধান রয়েছে।
এ অবস্থায় আচরণবিধির উল্লিখিত বিষয়গুলো যথাযথভাবে মেনে চলার জন্য অনুরোধ করা হলো। একই সঙ্গে রিটার্নিং কর্মকর্তাকে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীরা কোন কোন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করছে, সে সংক্রান্ত তথ্য নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের জনসংযোগ শাখায় পাঠানোর জন্য নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে।
সূত্র: বাসস




