বিদ্যুৎ বিল অর্ধেকের মতো কমিয়ে আনার কার্যকর ৫টি সহজ উপায়

বিদ্যুৎ বিল অর্ধেকের মতো কমিয়ে আনার কার্যকর ৫টি সহজ উপায়
লাইফস্টাইল ডেস্ক

ক্রমবর্ধমান জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুৎ বিলের বাড়তি চাপ এখন প্রতিটি পরিবারের জন্যই চিন্তার কারণ। তবে নিত্যদিনের ব্যবহারে সামান্য কিছু অভ্যাসের পরিবর্তন এবং সচেতনতা আনলেই বিদ্যুৎ বিল এক লাফে অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব।
প্রতি মাসে বিদ্যুৎ বিল নিয়ন্ত্রণে রাখতে যে ৫টি কার্যকর নিয়ম মেনে চলতে পারেন:
১. এসি ব্যবহারে 'সঠিক তাপমাত্রা' নির্ধারণ
ঘরের এসি ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে চালানো সবচেয়ে সাশ্রয়ী। এসি প্রতি ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বাড়ালে প্রায় ৬ শতাংশ বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয়। এছাড়া এসি চালানোর সময় ঘরের দরজা-জানালা ভালোভাবে বন্ধ রাখুন এবং টাইমার অপশন ব্যবহার করুন।
২. পুরনো বাল্ব পরিবর্তন করে এলইডি লাইটের ব্যবহার
সাধারণ ফিলামেন্ট বা পুরনো টিউবলাইটের তুলনায় এলইডি লাইট প্রায় ৮০ শতাংশ পর্যন্ত কম বিদ্যুৎ খরচ করে এবং অনেক বেশি দীর্ঘস্থায়ী হয়। ঘরে পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আলো পাওয়ার জন্য দিনের বেলা পর্দা সরিয়ে রাখুন এবং অপ্রয়োজনে বাতি জ্বালানো থেকে বিরত থাকুন।
৩. 'ফ্যান্টম লোড' বা স্ট্যান্ডবাই পাওয়ার বন্ধ করা
টিভি, সেট-টপ বক্স, মাইক্রোওভেন, এসি বা মোবাইল চার্জার বন্ধ করার পরও সুইচে প্লাগ লাগানো থাকলে অল্প পরিমাণে বিদ্যুৎ খরচ হতে থাকে, যাকে 'ফ্যান্টম লোড' বলা হয়। কাজ শেষে সকেট থেকে প্লাগ খুলে ফেলা বা মেইন সুইচ বন্ধ করার অভ্যাস গড়ে তুলুন।
৪. ইনভার্টার ও স্টার রেটিংযুক্ত রেফ্রিজারেটর ব্যবহার
বাসাবাড়ির বিদ্যুৎ খরচের একটি বড় অংশ যায় ফ্রিজ থেকে। সবসময় ইনভার্টার ও ৪ বা ৫ স্টার এনার্জি রেটিংযুক্ত ফ্রিজ ব্যবহার করা উচিত। এছাড়া ফ্রিজের দরজা ঘন ঘন না খোলা এবং ফ্রিজ দেয়ালে একদম ঘেঁষে না রেখে বাতাস চলাচলের জায়গা রেখে বসানো জরুরি।
৫. ওয়াশিং মেশিন ও আয়রনের সঠিক ব্যবহার
অল্প কয়েকটি কাপড়ের জন্য বারবার ওয়াশিং মেশিন ব্যবহার না করে একসঙ্গে অনেক কাপড় ধোয়ার অভ্যাস করুন। সম্ভব হলে গরম পানির পরিবর্তে স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানিতে কাপড় ধুন। একইভাবে, প্রতিদিন একটি করে কাপড় ইস্ত্রি বা আয়রন না করে সপ্তাহের সব কাপড় একদিনে আয়রন করে নিলে বিদ্যুতের বড় অপচয় রোধ হয়।
এবি

ক্রমবর্ধমান জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুৎ বিলের বাড়তি চাপ এখন প্রতিটি পরিবারের জন্যই চিন্তার কারণ। তবে নিত্যদিনের ব্যবহারে সামান্য কিছু অভ্যাসের পরিবর্তন এবং সচেতনতা আনলেই বিদ্যুৎ বিল এক লাফে অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব।
প্রতি মাসে বিদ্যুৎ বিল নিয়ন্ত্রণে রাখতে যে ৫টি কার্যকর নিয়ম মেনে চলতে পারেন:
১. এসি ব্যবহারে 'সঠিক তাপমাত্রা' নির্ধারণ
ঘরের এসি ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে চালানো সবচেয়ে সাশ্রয়ী। এসি প্রতি ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বাড়ালে প্রায় ৬ শতাংশ বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয়। এছাড়া এসি চালানোর সময় ঘরের দরজা-জানালা ভালোভাবে বন্ধ রাখুন এবং টাইমার অপশন ব্যবহার করুন।
২. পুরনো বাল্ব পরিবর্তন করে এলইডি লাইটের ব্যবহার
সাধারণ ফিলামেন্ট বা পুরনো টিউবলাইটের তুলনায় এলইডি লাইট প্রায় ৮০ শতাংশ পর্যন্ত কম বিদ্যুৎ খরচ করে এবং অনেক বেশি দীর্ঘস্থায়ী হয়। ঘরে পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আলো পাওয়ার জন্য দিনের বেলা পর্দা সরিয়ে রাখুন এবং অপ্রয়োজনে বাতি জ্বালানো থেকে বিরত থাকুন।
৩. 'ফ্যান্টম লোড' বা স্ট্যান্ডবাই পাওয়ার বন্ধ করা
টিভি, সেট-টপ বক্স, মাইক্রোওভেন, এসি বা মোবাইল চার্জার বন্ধ করার পরও সুইচে প্লাগ লাগানো থাকলে অল্প পরিমাণে বিদ্যুৎ খরচ হতে থাকে, যাকে 'ফ্যান্টম লোড' বলা হয়। কাজ শেষে সকেট থেকে প্লাগ খুলে ফেলা বা মেইন সুইচ বন্ধ করার অভ্যাস গড়ে তুলুন।
৪. ইনভার্টার ও স্টার রেটিংযুক্ত রেফ্রিজারেটর ব্যবহার
বাসাবাড়ির বিদ্যুৎ খরচের একটি বড় অংশ যায় ফ্রিজ থেকে। সবসময় ইনভার্টার ও ৪ বা ৫ স্টার এনার্জি রেটিংযুক্ত ফ্রিজ ব্যবহার করা উচিত। এছাড়া ফ্রিজের দরজা ঘন ঘন না খোলা এবং ফ্রিজ দেয়ালে একদম ঘেঁষে না রেখে বাতাস চলাচলের জায়গা রেখে বসানো জরুরি।
৫. ওয়াশিং মেশিন ও আয়রনের সঠিক ব্যবহার
অল্প কয়েকটি কাপড়ের জন্য বারবার ওয়াশিং মেশিন ব্যবহার না করে একসঙ্গে অনেক কাপড় ধোয়ার অভ্যাস করুন। সম্ভব হলে গরম পানির পরিবর্তে স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানিতে কাপড় ধুন। একইভাবে, প্রতিদিন একটি করে কাপড় ইস্ত্রি বা আয়রন না করে সপ্তাহের সব কাপড় একদিনে আয়রন করে নিলে বিদ্যুতের বড় অপচয় রোধ হয়।
এবি

বিদ্যুৎ বিল অর্ধেকের মতো কমিয়ে আনার কার্যকর ৫টি সহজ উপায়
লাইফস্টাইল ডেস্ক

ক্রমবর্ধমান জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুৎ বিলের বাড়তি চাপ এখন প্রতিটি পরিবারের জন্যই চিন্তার কারণ। তবে নিত্যদিনের ব্যবহারে সামান্য কিছু অভ্যাসের পরিবর্তন এবং সচেতনতা আনলেই বিদ্যুৎ বিল এক লাফে অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব।
প্রতি মাসে বিদ্যুৎ বিল নিয়ন্ত্রণে রাখতে যে ৫টি কার্যকর নিয়ম মেনে চলতে পারেন:
১. এসি ব্যবহারে 'সঠিক তাপমাত্রা' নির্ধারণ
ঘরের এসি ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে চালানো সবচেয়ে সাশ্রয়ী। এসি প্রতি ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বাড়ালে প্রায় ৬ শতাংশ বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয়। এছাড়া এসি চালানোর সময় ঘরের দরজা-জানালা ভালোভাবে বন্ধ রাখুন এবং টাইমার অপশন ব্যবহার করুন।
২. পুরনো বাল্ব পরিবর্তন করে এলইডি লাইটের ব্যবহার
সাধারণ ফিলামেন্ট বা পুরনো টিউবলাইটের তুলনায় এলইডি লাইট প্রায় ৮০ শতাংশ পর্যন্ত কম বিদ্যুৎ খরচ করে এবং অনেক বেশি দীর্ঘস্থায়ী হয়। ঘরে পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আলো পাওয়ার জন্য দিনের বেলা পর্দা সরিয়ে রাখুন এবং অপ্রয়োজনে বাতি জ্বালানো থেকে বিরত থাকুন।
৩. 'ফ্যান্টম লোড' বা স্ট্যান্ডবাই পাওয়ার বন্ধ করা
টিভি, সেট-টপ বক্স, মাইক্রোওভেন, এসি বা মোবাইল চার্জার বন্ধ করার পরও সুইচে প্লাগ লাগানো থাকলে অল্প পরিমাণে বিদ্যুৎ খরচ হতে থাকে, যাকে 'ফ্যান্টম লোড' বলা হয়। কাজ শেষে সকেট থেকে প্লাগ খুলে ফেলা বা মেইন সুইচ বন্ধ করার অভ্যাস গড়ে তুলুন।
৪. ইনভার্টার ও স্টার রেটিংযুক্ত রেফ্রিজারেটর ব্যবহার
বাসাবাড়ির বিদ্যুৎ খরচের একটি বড় অংশ যায় ফ্রিজ থেকে। সবসময় ইনভার্টার ও ৪ বা ৫ স্টার এনার্জি রেটিংযুক্ত ফ্রিজ ব্যবহার করা উচিত। এছাড়া ফ্রিজের দরজা ঘন ঘন না খোলা এবং ফ্রিজ দেয়ালে একদম ঘেঁষে না রেখে বাতাস চলাচলের জায়গা রেখে বসানো জরুরি।
৫. ওয়াশিং মেশিন ও আয়রনের সঠিক ব্যবহার
অল্প কয়েকটি কাপড়ের জন্য বারবার ওয়াশিং মেশিন ব্যবহার না করে একসঙ্গে অনেক কাপড় ধোয়ার অভ্যাস করুন। সম্ভব হলে গরম পানির পরিবর্তে স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানিতে কাপড় ধুন। একইভাবে, প্রতিদিন একটি করে কাপড় ইস্ত্রি বা আয়রন না করে সপ্তাহের সব কাপড় একদিনে আয়রন করে নিলে বিদ্যুতের বড় অপচয় রোধ হয়।
এবি









