স্বর্ণের গহনা কেনার আগে ‘মেকিং চার্জ’ বা মজুরি নিয়ে যেসব বিষয় জানা জরুরি

স্বর্ণের গহনা কেনার আগে ‘মেকিং চার্জ’ বা মজুরি নিয়ে যেসব বিষয় জানা জরুরি
লাইফস্টাইল ডেস্ক

স্বর্ণের বাজারে দর পরিবর্তন কিংবা নতুন ডিজাইন দেখে গহনা কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া স্বাভাবিক। তবে অনেক ক্রেতাই স্বর্ণ কেনার আসল হিসাবটা ভালোভাবে না বুঝে কেনাকাটা করেন, যা পরবর্তীতে তাদের জন্য আর্থিক ক্ষতির কারণ হয়। স্বর্ণের ওজনের দামের পাশাপাশি একটি বড় খরচ যুক্ত হয় ‘মেকিং চার্জ’ বা তৈরি মজুরির ক্ষেত্রে। গহনা কেনার সময় এই মজুরি নিয়ে কোন কোন বিষয় জেনে রাখা অত্যন্ত জরুরি, তা তুলে ধরা হলো—
স্বর্ণের গহনার ডিজাইনভেদে মজুরির পার্থক্য
সাধারণ ও হালকা নকশার গহনার তুলনায় কারুকাজখচিত, ভারী বা হাতে নকশা করা গহনায় তৈরি মজুরি বেশি হয়। অন্যদিকে মেশিনমেড বা হালকা ডিজাইনের গহনায় মজুরি কিছুটা কম হতে পারে। জুয়েলার্সভেদে প্রতি ভরি বা গ্রামে একটি নির্দিষ্ট ন্যূনতম মজুরি ধরা থাকে। কেনার আগেই নকশা অনুযায়ী মজুরি কত ধরা হচ্ছে তা স্পষ্ট জেনে নিন।
ওজন নাকি পুরো গহনার ওপর মেকিং চার্জ?
মেকিং চার্জ সাধারণত প্রতি গ্রাম বা প্রতি ভরির হিসেবে হিসাব করা হয়। দোকানে দরদামের সময় নিশ্চিত হয়ে নিন যে মজুরি পুরো গহনাটির ওজন ধরে প্রতি ভরিতে চাওয়া হচ্ছে, নাকি নিছক একটি নির্দিষ্ট মজুরি ধরা হচ্ছে।
স্বর্ণের গহনা বিক্রির সময় মেকিং চার্জ ফেরত পাওয়া যায় না
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ভবিষ্যতে গহনা বিক্রি বা পরিবর্তন করতে গেলে এই মেকিং চার্জের টাকা আর ফেরত পাওয়া যায় না। বিক্রির সময় শুধু স্বর্ণের তখনকার বাজারদর এবং ওজনের ওপর ভিত্তি করে মূল্য হিসাব করা হয়। তাই অতিরিক্ত মজুরি দিয়ে খুব জটিল ডিজাইনের গহনা কিনলে তা বিনিয়োগের দৃষ্টি থেকে কিছুটা লোকসান তৈরি করে।
ক্যাশ মেমোতে আলাদা উল্লেখ
বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)-এর নিয়ম অনুযায়ী, গহনা কেনার রসিদে স্বর্ণের বর্তমান দর, ওজনের দাম, মেকিং চার্জ ও ভ্যাট—প্রতিটি খাত আলাদাভাবে ভেঙে উল্লেখ করার কথা। ক্যাশ মেমোতে ‘মেকিং চার্জ’ আলাদা করে লেখা আছে কি না তা ভালো করে দেখে নিন, যাতে ভবিষ্যতে পরিবর্তন করার সময় কোনো দ্বিধা না থাকে।
দরদামের সুযোগ রাখা
স্বর্ণের অফিশিয়াল রেট নির্দিষ্ট থাকলেও ‘মেকিং চার্জ’-এর ক্ষেত্রে সাধারণত জুয়েলার্সগুলোর নিজস্ব নীতি থাকে। তাই মেকিং চার্জের ওপর ক্রেতার কিছুটা দরদাম করার সুযোগ থাকে। বিশেষ করে উৎসবের মৌসুমে বা প্রদর্শনীগুলোতে অনেক দোকান মজুরিতে আকর্ষণীয় ছাড় দেয়।
বিনিয়োগের উদ্দেশ্যে স্বর্ণ কিনতে চাইলে স্বর্ণের বার, কয়েন বা খুব সাধারণ নকশার গহনা কেনা বুদ্ধিমানের কাজ, কারণ এতে মেকিং চার্জ বা কারিগরি খরচ সর্বনিম্ন বা শূন্য থাকে। তবে কেবল ব্যবহারের জন্য গহনা কিনলে মেকিং চার্জ বাবদ অতিরিক্ত কত খরচ হচ্ছে, তা হিসাবের তালিকায় আগেই রেখে নিন।
/এবি

স্বর্ণের বাজারে দর পরিবর্তন কিংবা নতুন ডিজাইন দেখে গহনা কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া স্বাভাবিক। তবে অনেক ক্রেতাই স্বর্ণ কেনার আসল হিসাবটা ভালোভাবে না বুঝে কেনাকাটা করেন, যা পরবর্তীতে তাদের জন্য আর্থিক ক্ষতির কারণ হয়। স্বর্ণের ওজনের দামের পাশাপাশি একটি বড় খরচ যুক্ত হয় ‘মেকিং চার্জ’ বা তৈরি মজুরির ক্ষেত্রে। গহনা কেনার সময় এই মজুরি নিয়ে কোন কোন বিষয় জেনে রাখা অত্যন্ত জরুরি, তা তুলে ধরা হলো—
স্বর্ণের গহনার ডিজাইনভেদে মজুরির পার্থক্য
সাধারণ ও হালকা নকশার গহনার তুলনায় কারুকাজখচিত, ভারী বা হাতে নকশা করা গহনায় তৈরি মজুরি বেশি হয়। অন্যদিকে মেশিনমেড বা হালকা ডিজাইনের গহনায় মজুরি কিছুটা কম হতে পারে। জুয়েলার্সভেদে প্রতি ভরি বা গ্রামে একটি নির্দিষ্ট ন্যূনতম মজুরি ধরা থাকে। কেনার আগেই নকশা অনুযায়ী মজুরি কত ধরা হচ্ছে তা স্পষ্ট জেনে নিন।
ওজন নাকি পুরো গহনার ওপর মেকিং চার্জ?
মেকিং চার্জ সাধারণত প্রতি গ্রাম বা প্রতি ভরির হিসেবে হিসাব করা হয়। দোকানে দরদামের সময় নিশ্চিত হয়ে নিন যে মজুরি পুরো গহনাটির ওজন ধরে প্রতি ভরিতে চাওয়া হচ্ছে, নাকি নিছক একটি নির্দিষ্ট মজুরি ধরা হচ্ছে।
স্বর্ণের গহনা বিক্রির সময় মেকিং চার্জ ফেরত পাওয়া যায় না
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ভবিষ্যতে গহনা বিক্রি বা পরিবর্তন করতে গেলে এই মেকিং চার্জের টাকা আর ফেরত পাওয়া যায় না। বিক্রির সময় শুধু স্বর্ণের তখনকার বাজারদর এবং ওজনের ওপর ভিত্তি করে মূল্য হিসাব করা হয়। তাই অতিরিক্ত মজুরি দিয়ে খুব জটিল ডিজাইনের গহনা কিনলে তা বিনিয়োগের দৃষ্টি থেকে কিছুটা লোকসান তৈরি করে।
ক্যাশ মেমোতে আলাদা উল্লেখ
বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)-এর নিয়ম অনুযায়ী, গহনা কেনার রসিদে স্বর্ণের বর্তমান দর, ওজনের দাম, মেকিং চার্জ ও ভ্যাট—প্রতিটি খাত আলাদাভাবে ভেঙে উল্লেখ করার কথা। ক্যাশ মেমোতে ‘মেকিং চার্জ’ আলাদা করে লেখা আছে কি না তা ভালো করে দেখে নিন, যাতে ভবিষ্যতে পরিবর্তন করার সময় কোনো দ্বিধা না থাকে।
দরদামের সুযোগ রাখা
স্বর্ণের অফিশিয়াল রেট নির্দিষ্ট থাকলেও ‘মেকিং চার্জ’-এর ক্ষেত্রে সাধারণত জুয়েলার্সগুলোর নিজস্ব নীতি থাকে। তাই মেকিং চার্জের ওপর ক্রেতার কিছুটা দরদাম করার সুযোগ থাকে। বিশেষ করে উৎসবের মৌসুমে বা প্রদর্শনীগুলোতে অনেক দোকান মজুরিতে আকর্ষণীয় ছাড় দেয়।
বিনিয়োগের উদ্দেশ্যে স্বর্ণ কিনতে চাইলে স্বর্ণের বার, কয়েন বা খুব সাধারণ নকশার গহনা কেনা বুদ্ধিমানের কাজ, কারণ এতে মেকিং চার্জ বা কারিগরি খরচ সর্বনিম্ন বা শূন্য থাকে। তবে কেবল ব্যবহারের জন্য গহনা কিনলে মেকিং চার্জ বাবদ অতিরিক্ত কত খরচ হচ্ছে, তা হিসাবের তালিকায় আগেই রেখে নিন।
/এবি

স্বর্ণের গহনা কেনার আগে ‘মেকিং চার্জ’ বা মজুরি নিয়ে যেসব বিষয় জানা জরুরি
লাইফস্টাইল ডেস্ক

স্বর্ণের বাজারে দর পরিবর্তন কিংবা নতুন ডিজাইন দেখে গহনা কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া স্বাভাবিক। তবে অনেক ক্রেতাই স্বর্ণ কেনার আসল হিসাবটা ভালোভাবে না বুঝে কেনাকাটা করেন, যা পরবর্তীতে তাদের জন্য আর্থিক ক্ষতির কারণ হয়। স্বর্ণের ওজনের দামের পাশাপাশি একটি বড় খরচ যুক্ত হয় ‘মেকিং চার্জ’ বা তৈরি মজুরির ক্ষেত্রে। গহনা কেনার সময় এই মজুরি নিয়ে কোন কোন বিষয় জেনে রাখা অত্যন্ত জরুরি, তা তুলে ধরা হলো—
স্বর্ণের গহনার ডিজাইনভেদে মজুরির পার্থক্য
সাধারণ ও হালকা নকশার গহনার তুলনায় কারুকাজখচিত, ভারী বা হাতে নকশা করা গহনায় তৈরি মজুরি বেশি হয়। অন্যদিকে মেশিনমেড বা হালকা ডিজাইনের গহনায় মজুরি কিছুটা কম হতে পারে। জুয়েলার্সভেদে প্রতি ভরি বা গ্রামে একটি নির্দিষ্ট ন্যূনতম মজুরি ধরা থাকে। কেনার আগেই নকশা অনুযায়ী মজুরি কত ধরা হচ্ছে তা স্পষ্ট জেনে নিন।
ওজন নাকি পুরো গহনার ওপর মেকিং চার্জ?
মেকিং চার্জ সাধারণত প্রতি গ্রাম বা প্রতি ভরির হিসেবে হিসাব করা হয়। দোকানে দরদামের সময় নিশ্চিত হয়ে নিন যে মজুরি পুরো গহনাটির ওজন ধরে প্রতি ভরিতে চাওয়া হচ্ছে, নাকি নিছক একটি নির্দিষ্ট মজুরি ধরা হচ্ছে।
স্বর্ণের গহনা বিক্রির সময় মেকিং চার্জ ফেরত পাওয়া যায় না
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ভবিষ্যতে গহনা বিক্রি বা পরিবর্তন করতে গেলে এই মেকিং চার্জের টাকা আর ফেরত পাওয়া যায় না। বিক্রির সময় শুধু স্বর্ণের তখনকার বাজারদর এবং ওজনের ওপর ভিত্তি করে মূল্য হিসাব করা হয়। তাই অতিরিক্ত মজুরি দিয়ে খুব জটিল ডিজাইনের গহনা কিনলে তা বিনিয়োগের দৃষ্টি থেকে কিছুটা লোকসান তৈরি করে।
ক্যাশ মেমোতে আলাদা উল্লেখ
বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)-এর নিয়ম অনুযায়ী, গহনা কেনার রসিদে স্বর্ণের বর্তমান দর, ওজনের দাম, মেকিং চার্জ ও ভ্যাট—প্রতিটি খাত আলাদাভাবে ভেঙে উল্লেখ করার কথা। ক্যাশ মেমোতে ‘মেকিং চার্জ’ আলাদা করে লেখা আছে কি না তা ভালো করে দেখে নিন, যাতে ভবিষ্যতে পরিবর্তন করার সময় কোনো দ্বিধা না থাকে।
দরদামের সুযোগ রাখা
স্বর্ণের অফিশিয়াল রেট নির্দিষ্ট থাকলেও ‘মেকিং চার্জ’-এর ক্ষেত্রে সাধারণত জুয়েলার্সগুলোর নিজস্ব নীতি থাকে। তাই মেকিং চার্জের ওপর ক্রেতার কিছুটা দরদাম করার সুযোগ থাকে। বিশেষ করে উৎসবের মৌসুমে বা প্রদর্শনীগুলোতে অনেক দোকান মজুরিতে আকর্ষণীয় ছাড় দেয়।
বিনিয়োগের উদ্দেশ্যে স্বর্ণ কিনতে চাইলে স্বর্ণের বার, কয়েন বা খুব সাধারণ নকশার গহনা কেনা বুদ্ধিমানের কাজ, কারণ এতে মেকিং চার্জ বা কারিগরি খরচ সর্বনিম্ন বা শূন্য থাকে। তবে কেবল ব্যবহারের জন্য গহনা কিনলে মেকিং চার্জ বাবদ অতিরিক্ত কত খরচ হচ্ছে, তা হিসাবের তালিকায় আগেই রেখে নিন।
/এবি

স্বর্ণের পুরনো গয়না কখন বিক্রি করা ভালো







