গাজা শান্তি চুক্তি বাস্তবায়নে প্রস্তুত হামাস

গাজা শান্তি চুক্তি বাস্তবায়নে প্রস্তুত হামাস
সিজেডএন ডেস্ক

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় প্রস্তাবিত গাজা শান্তি পরিকল্পনা বাস্তবায়নে নিজেদের পূর্ণ প্রস্তুতির কথা জানিয়েছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। একই সঙ্গে এই চুক্তি মেনে নিতে ইসরায়েলের ওপর কার্যকর চাপ সৃষ্টির জন্য ওয়াশিংটনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে তারা। ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হামাসের এক শীর্ষ কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই কর্মকর্তা জানান, মধ্যস্থতাকারীদের ইতোমধ্যেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে হামাসসহ অন্যান্য প্রতিরোধ গোষ্ঠীগুলো চুক্তির দ্বিতীয় ধাপে প্রবেশ করতে রাজি। প্রস্তাবিত শর্ত অনুযায়ী, হামাস তাদের অস্ত্র সমর্পণ করবে। বিনিময়ে ইসরায়েল গাজা উপত্যকার দখলে রাখা অঞ্চলগুলো থেকে সামরিক উপস্থিতি আংশিক প্রত্যাহার করে নেবে। এ সমঝোতার মূল লক্ষ্য হলো ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপস্থাপিত সমন্বিত শান্তি পরিকল্পনা কার্যকর করা। তবে পুরো বিষয়টি এখন নির্ভর করছে ইসরায়েলের সম্মতি ও বাস্তবায়নের ওপর।
অন্যদিকে, পরিস্থিতি নিয়ে শুরু থেকেই কঠোর অবস্থান বজায় রেখেছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। তিনি জানিয়েছেন, ইসরায়েল এ চুক্তিতে সম্মত হয়নি। নেতানিয়াহুর এক কথা, হামাস সম্পূর্ণরূপে নিরস্ত না হওয়া পর্যন্ত গাজায় ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) তাদের বর্তমান অবস্থানেই শক্ত হয়ে বসে থাকবে। ফলে একদিকে হামাসের সম্মতি ও মার্কিন চাপের আহ্বান, আর অন্যদিকে ইসরায়েলের অনড় অবস্থান- সব মিলিয়ে গাজা শান্তি প্রক্রিয়ার ভবিষ্যৎ আবারও বড় অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।
সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় প্রস্তাবিত গাজা শান্তি পরিকল্পনা বাস্তবায়নে নিজেদের পূর্ণ প্রস্তুতির কথা জানিয়েছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। একই সঙ্গে এই চুক্তি মেনে নিতে ইসরায়েলের ওপর কার্যকর চাপ সৃষ্টির জন্য ওয়াশিংটনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে তারা। ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হামাসের এক শীর্ষ কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই কর্মকর্তা জানান, মধ্যস্থতাকারীদের ইতোমধ্যেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে হামাসসহ অন্যান্য প্রতিরোধ গোষ্ঠীগুলো চুক্তির দ্বিতীয় ধাপে প্রবেশ করতে রাজি। প্রস্তাবিত শর্ত অনুযায়ী, হামাস তাদের অস্ত্র সমর্পণ করবে। বিনিময়ে ইসরায়েল গাজা উপত্যকার দখলে রাখা অঞ্চলগুলো থেকে সামরিক উপস্থিতি আংশিক প্রত্যাহার করে নেবে। এ সমঝোতার মূল লক্ষ্য হলো ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপস্থাপিত সমন্বিত শান্তি পরিকল্পনা কার্যকর করা। তবে পুরো বিষয়টি এখন নির্ভর করছে ইসরায়েলের সম্মতি ও বাস্তবায়নের ওপর।
অন্যদিকে, পরিস্থিতি নিয়ে শুরু থেকেই কঠোর অবস্থান বজায় রেখেছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। তিনি জানিয়েছেন, ইসরায়েল এ চুক্তিতে সম্মত হয়নি। নেতানিয়াহুর এক কথা, হামাস সম্পূর্ণরূপে নিরস্ত না হওয়া পর্যন্ত গাজায় ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) তাদের বর্তমান অবস্থানেই শক্ত হয়ে বসে থাকবে। ফলে একদিকে হামাসের সম্মতি ও মার্কিন চাপের আহ্বান, আর অন্যদিকে ইসরায়েলের অনড় অবস্থান- সব মিলিয়ে গাজা শান্তি প্রক্রিয়ার ভবিষ্যৎ আবারও বড় অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।
সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল

গাজা শান্তি চুক্তি বাস্তবায়নে প্রস্তুত হামাস
সিজেডএন ডেস্ক

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় প্রস্তাবিত গাজা শান্তি পরিকল্পনা বাস্তবায়নে নিজেদের পূর্ণ প্রস্তুতির কথা জানিয়েছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। একই সঙ্গে এই চুক্তি মেনে নিতে ইসরায়েলের ওপর কার্যকর চাপ সৃষ্টির জন্য ওয়াশিংটনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে তারা। ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হামাসের এক শীর্ষ কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই কর্মকর্তা জানান, মধ্যস্থতাকারীদের ইতোমধ্যেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে হামাসসহ অন্যান্য প্রতিরোধ গোষ্ঠীগুলো চুক্তির দ্বিতীয় ধাপে প্রবেশ করতে রাজি। প্রস্তাবিত শর্ত অনুযায়ী, হামাস তাদের অস্ত্র সমর্পণ করবে। বিনিময়ে ইসরায়েল গাজা উপত্যকার দখলে রাখা অঞ্চলগুলো থেকে সামরিক উপস্থিতি আংশিক প্রত্যাহার করে নেবে। এ সমঝোতার মূল লক্ষ্য হলো ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপস্থাপিত সমন্বিত শান্তি পরিকল্পনা কার্যকর করা। তবে পুরো বিষয়টি এখন নির্ভর করছে ইসরায়েলের সম্মতি ও বাস্তবায়নের ওপর।
অন্যদিকে, পরিস্থিতি নিয়ে শুরু থেকেই কঠোর অবস্থান বজায় রেখেছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। তিনি জানিয়েছেন, ইসরায়েল এ চুক্তিতে সম্মত হয়নি। নেতানিয়াহুর এক কথা, হামাস সম্পূর্ণরূপে নিরস্ত না হওয়া পর্যন্ত গাজায় ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) তাদের বর্তমান অবস্থানেই শক্ত হয়ে বসে থাকবে। ফলে একদিকে হামাসের সম্মতি ও মার্কিন চাপের আহ্বান, আর অন্যদিকে ইসরায়েলের অনড় অবস্থান- সব মিলিয়ে গাজা শান্তি প্রক্রিয়ার ভবিষ্যৎ আবারও বড় অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।
সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল

‘নেতৃত্বের যেকোন সিদ্ধান্তে শেষ পর্যন্ত সঙ্গে থাকবে ইরানিরা’







