একমাসে হুথিদের ওপর ৪০ হাজার হামলা, হতাহত ২০ হাজার

একমাসে হুথিদের ওপর ৪০ হাজার হামলা, হতাহত ২০ হাজার
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

ইয়েমেনে হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে সরকারি বাহিনীর ‘ডন অফ ইয়েমেন’ অভিযান প্রথম মাস পার করেছে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) এক বিবৃতিতে দেশটির রাষ্ট্রপতি নেতৃত্ব পরিষদ জানায়, গত এক মাসে হুথিদের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে ৪০,৭৬১টি অভিযান চালানো হয়েছে। এ সামরিক হামলায় প্রায় ২০ হাজার হুথি নেতা ও যোদ্ধা নিষ্ক্রিয় হয়েছে এবং ৫ হাজারের বেশি সামরিক যানবাহন ধ্বংস বা অচল করে দেওয়া হয়েছে।
পরিষদ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, সারা দেশে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও সরকারি নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত তাদের এ লড়াই থামবে না। ৫ অক্টোবর শুরু হওয়া এ অভিযানের মূল উদ্দেশ্যই হলো রাজধানী সানা পুনর্দখল করা এবং রাষ্ট্রীয় কাঠামোর ওপর সরকারি কর্তৃত্ব ফিরিয়ে আনা।
বিবৃতিতে তাইজ শহরের পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করা হয়। সেখানে সরকারি বাহিনী ও স্থানীয় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো হুথিদের অবরোধ ও ধারাবাহিক হামলা প্রতিহত করে যাচ্ছে। এ অবস্থায় ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারকে সহায়তা, সরকারি বেতন, জনসেবা চালু রাখা ও মানবিক ত্রাণ কার্যক্রমে অবদানের জন্য সৌদি আরবের ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেছে পরিষদ।
জাতিসংঘের তথ্যানুযায়ী, চলতি বছরের জুলাইয়ে সরকারি বাহিনী ও হুথিদের মধ্যে নতুন করে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। এতে হাজার হাজার মানুষ হতাহত হওয়ার পাশাপাশি আড়াই লাখেরও বেশি মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছে। এ সাম্প্রতিক হামলা ২০২২ সালের এপ্রিল থেকে চলে আসা একটি দীর্ঘ আপেক্ষিক শান্তির অবসান ঘটিয়েছে, যা দেশের চরম মানবিক সংকটকে আরও ভয়াবহ করে তুলেছে।
উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরে হুথিরা সানা সহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা দখল করে নিলে ইয়েমেনে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। পরবর্তীতে ২০১৫ সালের মার্চে দেশটির বৈধ সরকারকে পুনরধিষ্ঠিত করতে সামরিক হস্তক্ষেপ করে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

ইয়েমেনে হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে সরকারি বাহিনীর ‘ডন অফ ইয়েমেন’ অভিযান প্রথম মাস পার করেছে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) এক বিবৃতিতে দেশটির রাষ্ট্রপতি নেতৃত্ব পরিষদ জানায়, গত এক মাসে হুথিদের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে ৪০,৭৬১টি অভিযান চালানো হয়েছে। এ সামরিক হামলায় প্রায় ২০ হাজার হুথি নেতা ও যোদ্ধা নিষ্ক্রিয় হয়েছে এবং ৫ হাজারের বেশি সামরিক যানবাহন ধ্বংস বা অচল করে দেওয়া হয়েছে।
পরিষদ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, সারা দেশে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও সরকারি নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত তাদের এ লড়াই থামবে না। ৫ অক্টোবর শুরু হওয়া এ অভিযানের মূল উদ্দেশ্যই হলো রাজধানী সানা পুনর্দখল করা এবং রাষ্ট্রীয় কাঠামোর ওপর সরকারি কর্তৃত্ব ফিরিয়ে আনা।
বিবৃতিতে তাইজ শহরের পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করা হয়। সেখানে সরকারি বাহিনী ও স্থানীয় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো হুথিদের অবরোধ ও ধারাবাহিক হামলা প্রতিহত করে যাচ্ছে। এ অবস্থায় ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারকে সহায়তা, সরকারি বেতন, জনসেবা চালু রাখা ও মানবিক ত্রাণ কার্যক্রমে অবদানের জন্য সৌদি আরবের ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেছে পরিষদ।
জাতিসংঘের তথ্যানুযায়ী, চলতি বছরের জুলাইয়ে সরকারি বাহিনী ও হুথিদের মধ্যে নতুন করে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। এতে হাজার হাজার মানুষ হতাহত হওয়ার পাশাপাশি আড়াই লাখেরও বেশি মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছে। এ সাম্প্রতিক হামলা ২০২২ সালের এপ্রিল থেকে চলে আসা একটি দীর্ঘ আপেক্ষিক শান্তির অবসান ঘটিয়েছে, যা দেশের চরম মানবিক সংকটকে আরও ভয়াবহ করে তুলেছে।
উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরে হুথিরা সানা সহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা দখল করে নিলে ইয়েমেনে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। পরবর্তীতে ২০১৫ সালের মার্চে দেশটির বৈধ সরকারকে পুনরধিষ্ঠিত করতে সামরিক হস্তক্ষেপ করে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

একমাসে হুথিদের ওপর ৪০ হাজার হামলা, হতাহত ২০ হাজার
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

ইয়েমেনে হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে সরকারি বাহিনীর ‘ডন অফ ইয়েমেন’ অভিযান প্রথম মাস পার করেছে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) এক বিবৃতিতে দেশটির রাষ্ট্রপতি নেতৃত্ব পরিষদ জানায়, গত এক মাসে হুথিদের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে ৪০,৭৬১টি অভিযান চালানো হয়েছে। এ সামরিক হামলায় প্রায় ২০ হাজার হুথি নেতা ও যোদ্ধা নিষ্ক্রিয় হয়েছে এবং ৫ হাজারের বেশি সামরিক যানবাহন ধ্বংস বা অচল করে দেওয়া হয়েছে।
পরিষদ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, সারা দেশে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও সরকারি নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত তাদের এ লড়াই থামবে না। ৫ অক্টোবর শুরু হওয়া এ অভিযানের মূল উদ্দেশ্যই হলো রাজধানী সানা পুনর্দখল করা এবং রাষ্ট্রীয় কাঠামোর ওপর সরকারি কর্তৃত্ব ফিরিয়ে আনা।
বিবৃতিতে তাইজ শহরের পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করা হয়। সেখানে সরকারি বাহিনী ও স্থানীয় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো হুথিদের অবরোধ ও ধারাবাহিক হামলা প্রতিহত করে যাচ্ছে। এ অবস্থায় ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারকে সহায়তা, সরকারি বেতন, জনসেবা চালু রাখা ও মানবিক ত্রাণ কার্যক্রমে অবদানের জন্য সৌদি আরবের ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেছে পরিষদ।
জাতিসংঘের তথ্যানুযায়ী, চলতি বছরের জুলাইয়ে সরকারি বাহিনী ও হুথিদের মধ্যে নতুন করে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। এতে হাজার হাজার মানুষ হতাহত হওয়ার পাশাপাশি আড়াই লাখেরও বেশি মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছে। এ সাম্প্রতিক হামলা ২০২২ সালের এপ্রিল থেকে চলে আসা একটি দীর্ঘ আপেক্ষিক শান্তির অবসান ঘটিয়েছে, যা দেশের চরম মানবিক সংকটকে আরও ভয়াবহ করে তুলেছে।
উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরে হুথিরা সানা সহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা দখল করে নিলে ইয়েমেনে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। পরবর্তীতে ২০১৫ সালের মার্চে দেশটির বৈধ সরকারকে পুনরধিষ্ঠিত করতে সামরিক হস্তক্ষেপ করে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

হরমুজে জাহাজ চলাচলে ভারতসহ ৪ দেশের জন্য ছাড় ইরানের





