সৌদির এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিতের দাবি হুথিদের

সৌদির এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিতের দাবি হুথিদের
সিজেডএন ডেস্ক

ইয়েমেনের আকাশসীমায় সৌদি আরবের একটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবি করেছে হুথিরা। তাদের দাবি, স্থানীয়ভাবে তৈরি ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রের মাধ্যমেই বিমানটি ভূপাতিত হয়েছে।
হুথিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, ইয়েমেন ও দেশটির জনগণের বিরুদ্ধে সৌদি আরবের ‘আগ্রাসনের’ জবাব দিতে গিয়ে তাদের সশস্ত্র বাহিনী সৌদি এফ-১৫ যুদ্ধবিমানটি ভূপাতিত করেছে। তিনি জানান, বিমানটি ভূপাতিত হওয়ার পর এর ধ্বংসাবশেষের খোঁজে আসা আরও দুটি সৌদি এফ-১৫ বিমানের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ হয়।
এছাড়া চলতি সপ্তাহে তাইজ, হাজ্জাহ ও মারিবসহ ইয়েমেনের বিভিন্ন এলাকায় ৪ শতাধিক হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। ইয়েমেনের আকাশসীমা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় যেকোনো আগ্রাসন বা লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে ‘সম্ভাব্য সব উপায়’ ব্যবহার করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে হুথিরা।
এদিকে পবিত্র নগরী মক্কার দিকে এগিয়ে যাওয়া একটি হুথি ড্রোন ধ্বংসের দাবি করেছে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকি জানান, মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ড্রোনটি শনাক্ত করে এবং মক্কার নিষিদ্ধ আকাশসীমায় প্রবেশের আগেই তা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।
সৌদি জোটের দাবি, পবিত্র এ নগরীকে লক্ষ্য করে এটি হুতিদের দ্বিতীয় হামলার চেষ্টা। তবে এ অভিযোগ কঠোরভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে হুথিরা। হুথি রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য হিজাম আল-আসাদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, মক্কার মতো পবিত্র নগরীকে লক্ষ্য করার অভিযোগ ‘মিথ্যা’।
মক্কা ও মদিনা অঞ্চলে হামলার চেষ্টার নিন্দা জানিয়ে সৌদি আরবের সার্বভৌমত্বের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেছে ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি)। পবিত্র স্থান ও বেসামরিক অবকাঠামোর নিরাপত্তা নিশ্চিতের ওপর জোর দিয়ে সংস্থাটি জানিয়েছে, এ ধরনের কর্মকাণ্ড আন্তর্জাতিক আইন ও ইসলামি মূল্যবোধের পরিপন্থী। এর আগে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় সৌদির খামিস মুশাইত, আবহা ও তাইফে বেশ কয়েকজন বেসামরিক নাগরিক আহত এবং ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলে জানায় সৌদি জোট।
উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে হুথিরা রাজধানী সানা দখলের পর ইয়েমেনে শুরু হওয়া সংঘাতে ২০১৫ সাল থেকে সৌদি জোট হস্তক্ষেপ করার পর থেকেই দেশটিতে এ লড়াই চলছে। সম্প্রতি এটি আরও তীব্র হয়ে উঠেছে।
সূত্র: আল জাজিরা

ইয়েমেনের আকাশসীমায় সৌদি আরবের একটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবি করেছে হুথিরা। তাদের দাবি, স্থানীয়ভাবে তৈরি ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রের মাধ্যমেই বিমানটি ভূপাতিত হয়েছে।
হুথিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, ইয়েমেন ও দেশটির জনগণের বিরুদ্ধে সৌদি আরবের ‘আগ্রাসনের’ জবাব দিতে গিয়ে তাদের সশস্ত্র বাহিনী সৌদি এফ-১৫ যুদ্ধবিমানটি ভূপাতিত করেছে। তিনি জানান, বিমানটি ভূপাতিত হওয়ার পর এর ধ্বংসাবশেষের খোঁজে আসা আরও দুটি সৌদি এফ-১৫ বিমানের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ হয়।
এছাড়া চলতি সপ্তাহে তাইজ, হাজ্জাহ ও মারিবসহ ইয়েমেনের বিভিন্ন এলাকায় ৪ শতাধিক হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। ইয়েমেনের আকাশসীমা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় যেকোনো আগ্রাসন বা লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে ‘সম্ভাব্য সব উপায়’ ব্যবহার করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে হুথিরা।
এদিকে পবিত্র নগরী মক্কার দিকে এগিয়ে যাওয়া একটি হুথি ড্রোন ধ্বংসের দাবি করেছে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকি জানান, মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ড্রোনটি শনাক্ত করে এবং মক্কার নিষিদ্ধ আকাশসীমায় প্রবেশের আগেই তা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।
সৌদি জোটের দাবি, পবিত্র এ নগরীকে লক্ষ্য করে এটি হুতিদের দ্বিতীয় হামলার চেষ্টা। তবে এ অভিযোগ কঠোরভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে হুথিরা। হুথি রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য হিজাম আল-আসাদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, মক্কার মতো পবিত্র নগরীকে লক্ষ্য করার অভিযোগ ‘মিথ্যা’।
মক্কা ও মদিনা অঞ্চলে হামলার চেষ্টার নিন্দা জানিয়ে সৌদি আরবের সার্বভৌমত্বের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেছে ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি)। পবিত্র স্থান ও বেসামরিক অবকাঠামোর নিরাপত্তা নিশ্চিতের ওপর জোর দিয়ে সংস্থাটি জানিয়েছে, এ ধরনের কর্মকাণ্ড আন্তর্জাতিক আইন ও ইসলামি মূল্যবোধের পরিপন্থী। এর আগে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় সৌদির খামিস মুশাইত, আবহা ও তাইফে বেশ কয়েকজন বেসামরিক নাগরিক আহত এবং ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলে জানায় সৌদি জোট।
উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে হুথিরা রাজধানী সানা দখলের পর ইয়েমেনে শুরু হওয়া সংঘাতে ২০১৫ সাল থেকে সৌদি জোট হস্তক্ষেপ করার পর থেকেই দেশটিতে এ লড়াই চলছে। সম্প্রতি এটি আরও তীব্র হয়ে উঠেছে।
সূত্র: আল জাজিরা

সৌদির এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিতের দাবি হুথিদের
সিজেডএন ডেস্ক

ইয়েমেনের আকাশসীমায় সৌদি আরবের একটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবি করেছে হুথিরা। তাদের দাবি, স্থানীয়ভাবে তৈরি ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রের মাধ্যমেই বিমানটি ভূপাতিত হয়েছে।
হুথিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, ইয়েমেন ও দেশটির জনগণের বিরুদ্ধে সৌদি আরবের ‘আগ্রাসনের’ জবাব দিতে গিয়ে তাদের সশস্ত্র বাহিনী সৌদি এফ-১৫ যুদ্ধবিমানটি ভূপাতিত করেছে। তিনি জানান, বিমানটি ভূপাতিত হওয়ার পর এর ধ্বংসাবশেষের খোঁজে আসা আরও দুটি সৌদি এফ-১৫ বিমানের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ হয়।
এছাড়া চলতি সপ্তাহে তাইজ, হাজ্জাহ ও মারিবসহ ইয়েমেনের বিভিন্ন এলাকায় ৪ শতাধিক হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। ইয়েমেনের আকাশসীমা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় যেকোনো আগ্রাসন বা লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে ‘সম্ভাব্য সব উপায়’ ব্যবহার করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে হুথিরা।
এদিকে পবিত্র নগরী মক্কার দিকে এগিয়ে যাওয়া একটি হুথি ড্রোন ধ্বংসের দাবি করেছে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকি জানান, মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ড্রোনটি শনাক্ত করে এবং মক্কার নিষিদ্ধ আকাশসীমায় প্রবেশের আগেই তা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।
সৌদি জোটের দাবি, পবিত্র এ নগরীকে লক্ষ্য করে এটি হুতিদের দ্বিতীয় হামলার চেষ্টা। তবে এ অভিযোগ কঠোরভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে হুথিরা। হুথি রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য হিজাম আল-আসাদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, মক্কার মতো পবিত্র নগরীকে লক্ষ্য করার অভিযোগ ‘মিথ্যা’।
মক্কা ও মদিনা অঞ্চলে হামলার চেষ্টার নিন্দা জানিয়ে সৌদি আরবের সার্বভৌমত্বের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেছে ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি)। পবিত্র স্থান ও বেসামরিক অবকাঠামোর নিরাপত্তা নিশ্চিতের ওপর জোর দিয়ে সংস্থাটি জানিয়েছে, এ ধরনের কর্মকাণ্ড আন্তর্জাতিক আইন ও ইসলামি মূল্যবোধের পরিপন্থী। এর আগে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় সৌদির খামিস মুশাইত, আবহা ও তাইফে বেশ কয়েকজন বেসামরিক নাগরিক আহত এবং ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলে জানায় সৌদি জোট।
উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে হুথিরা রাজধানী সানা দখলের পর ইয়েমেনে শুরু হওয়া সংঘাতে ২০১৫ সাল থেকে সৌদি জোট হস্তক্ষেপ করার পর থেকেই দেশটিতে এ লড়াই চলছে। সম্প্রতি এটি আরও তীব্র হয়ে উঠেছে।
সূত্র: আল জাজিরা

গাজায় ভবন ধসে পাঁচ শিশুসহ নিহত ১৬







