গাজায় শরণার্থী শিবির ও মসজিদে ইসরায়েলি বিমান হামলা, নিহত ২

গাজায় শরণার্থী শিবির ও মসজিদে ইসরায়েলি বিমান হামলা, নিহত ২
সিজেডএন ডেস্ক

গাজা উপত্যকায় আবারও বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) গাজা সিটির একটি মসজিদ ও বাস্তুচ্যুত মানুষদের আশ্রয়শিবিরে বোমা হামলা চালায় ইসরায়েলি বিমান বাহিনী। পৃথক এসব হামলায় অন্তত দুজন নিহত এবং ত্রিশজনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। বোমার আঘাতে ধ্বংস হয়ে গেছে একটি মসজিদ ও গৃহহীন মানুষের মাথা গোঁজার একাধিক তাঁবু। আকস্মিক এই হামলায় পুরো অঞ্চলজুড়ে নতুন করে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, গাজা সিটির ওয়াইএমসিএ ভবনের কাছের আল-মুত্তাকিন মসজিদে হামলার ঠিক কয়েক মুহূর্ত আগে সাধারণ মানুষকে সরে যাওয়ার বার্তা দেওয়া হয়। তবে সময় এতটাই কম ছিল যে অধিকাংশ মানুষ নিরাপদে সরে যাওয়ার সুযোগই পাননি। গাজা সিটির পাশাপাশি নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরের একটি জনাকীর্ণ বাজারেও পৃথক হামলা চালানো হয়, যেখানে কেনাকাটা করতে আসা সাধারণ মানুষের ওপর হামলা চালালে একজন নিহত ও অন্তত ২০ জন আহত হন।
এমন এক সময়ে এ হামলা চালানো হলো, যখন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতির অংশ হিসেবে গাজায় আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনীর প্রথম দল প্রবেশের অনুমতি দেয় ইসরায়েলের নিরাপত্তা মন্ত্রিসভা। রবিবার (২৬ জুলাই) এই প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হলেও বাস্তবে সংঘাত কমার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।
এদিকে কেবল গাজা নয়, অধিকৃত পশ্চিম তীরেও ফিলিস্তিনিদের ওপর হামলা ও জমি দখল অব্যাহত রয়েছে। বেথলেহেমের কাছে ফিলিস্তিনিদের একটি বসতবাড়ি ও গাড়িতে আগুন দিয়েছে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীরা। এর ফলে জীবন বাঁচাতে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন একই পরিবারের আটজন সদস্য। এছাড়া সামরিক প্রয়োজনের দোহাই দিয়ে জেনিন এলাকায় ফিলিস্তিনিদের প্রায় ৪৯ একর জমি কেড়ে নিয়েছে ইসরায়েল, যা ব্যবহার করা হবে সামরিক সড়ক ও নতুন বসতি গড়ার কাজে।
সূত্র: আল জাজিরা

গাজা উপত্যকায় আবারও বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) গাজা সিটির একটি মসজিদ ও বাস্তুচ্যুত মানুষদের আশ্রয়শিবিরে বোমা হামলা চালায় ইসরায়েলি বিমান বাহিনী। পৃথক এসব হামলায় অন্তত দুজন নিহত এবং ত্রিশজনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। বোমার আঘাতে ধ্বংস হয়ে গেছে একটি মসজিদ ও গৃহহীন মানুষের মাথা গোঁজার একাধিক তাঁবু। আকস্মিক এই হামলায় পুরো অঞ্চলজুড়ে নতুন করে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, গাজা সিটির ওয়াইএমসিএ ভবনের কাছের আল-মুত্তাকিন মসজিদে হামলার ঠিক কয়েক মুহূর্ত আগে সাধারণ মানুষকে সরে যাওয়ার বার্তা দেওয়া হয়। তবে সময় এতটাই কম ছিল যে অধিকাংশ মানুষ নিরাপদে সরে যাওয়ার সুযোগই পাননি। গাজা সিটির পাশাপাশি নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরের একটি জনাকীর্ণ বাজারেও পৃথক হামলা চালানো হয়, যেখানে কেনাকাটা করতে আসা সাধারণ মানুষের ওপর হামলা চালালে একজন নিহত ও অন্তত ২০ জন আহত হন।
এমন এক সময়ে এ হামলা চালানো হলো, যখন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতির অংশ হিসেবে গাজায় আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনীর প্রথম দল প্রবেশের অনুমতি দেয় ইসরায়েলের নিরাপত্তা মন্ত্রিসভা। রবিবার (২৬ জুলাই) এই প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হলেও বাস্তবে সংঘাত কমার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।
এদিকে কেবল গাজা নয়, অধিকৃত পশ্চিম তীরেও ফিলিস্তিনিদের ওপর হামলা ও জমি দখল অব্যাহত রয়েছে। বেথলেহেমের কাছে ফিলিস্তিনিদের একটি বসতবাড়ি ও গাড়িতে আগুন দিয়েছে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীরা। এর ফলে জীবন বাঁচাতে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন একই পরিবারের আটজন সদস্য। এছাড়া সামরিক প্রয়োজনের দোহাই দিয়ে জেনিন এলাকায় ফিলিস্তিনিদের প্রায় ৪৯ একর জমি কেড়ে নিয়েছে ইসরায়েল, যা ব্যবহার করা হবে সামরিক সড়ক ও নতুন বসতি গড়ার কাজে।
সূত্র: আল জাজিরা

গাজায় শরণার্থী শিবির ও মসজিদে ইসরায়েলি বিমান হামলা, নিহত ২
সিজেডএন ডেস্ক

গাজা উপত্যকায় আবারও বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) গাজা সিটির একটি মসজিদ ও বাস্তুচ্যুত মানুষদের আশ্রয়শিবিরে বোমা হামলা চালায় ইসরায়েলি বিমান বাহিনী। পৃথক এসব হামলায় অন্তত দুজন নিহত এবং ত্রিশজনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। বোমার আঘাতে ধ্বংস হয়ে গেছে একটি মসজিদ ও গৃহহীন মানুষের মাথা গোঁজার একাধিক তাঁবু। আকস্মিক এই হামলায় পুরো অঞ্চলজুড়ে নতুন করে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, গাজা সিটির ওয়াইএমসিএ ভবনের কাছের আল-মুত্তাকিন মসজিদে হামলার ঠিক কয়েক মুহূর্ত আগে সাধারণ মানুষকে সরে যাওয়ার বার্তা দেওয়া হয়। তবে সময় এতটাই কম ছিল যে অধিকাংশ মানুষ নিরাপদে সরে যাওয়ার সুযোগই পাননি। গাজা সিটির পাশাপাশি নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরের একটি জনাকীর্ণ বাজারেও পৃথক হামলা চালানো হয়, যেখানে কেনাকাটা করতে আসা সাধারণ মানুষের ওপর হামলা চালালে একজন নিহত ও অন্তত ২০ জন আহত হন।
এমন এক সময়ে এ হামলা চালানো হলো, যখন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতির অংশ হিসেবে গাজায় আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনীর প্রথম দল প্রবেশের অনুমতি দেয় ইসরায়েলের নিরাপত্তা মন্ত্রিসভা। রবিবার (২৬ জুলাই) এই প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হলেও বাস্তবে সংঘাত কমার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।
এদিকে কেবল গাজা নয়, অধিকৃত পশ্চিম তীরেও ফিলিস্তিনিদের ওপর হামলা ও জমি দখল অব্যাহত রয়েছে। বেথলেহেমের কাছে ফিলিস্তিনিদের একটি বসতবাড়ি ও গাড়িতে আগুন দিয়েছে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীরা। এর ফলে জীবন বাঁচাতে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন একই পরিবারের আটজন সদস্য। এছাড়া সামরিক প্রয়োজনের দোহাই দিয়ে জেনিন এলাকায় ফিলিস্তিনিদের প্রায় ৪৯ একর জমি কেড়ে নিয়েছে ইসরায়েল, যা ব্যবহার করা হবে সামরিক সড়ক ও নতুন বসতি গড়ার কাজে।
সূত্র: আল জাজিরা

নেতানিয়াহুর ‘ট্রাম্প কার্ড’ কি কার্যকারিতা হারাচ্ছে





