গাঁজা ও ঘুমের ওষুধ খেয়ে ককপিটে এয়ার ইন্ডিয়ার পাইলট!

গাঁজা ও ঘুমের ওষুধ খেয়ে ককপিটে এয়ার ইন্ডিয়ার পাইলট!
সিজেডএন ডেস্ক

৪ আগস্ট থাইল্যান্ডের ফুকেট থেকে দিল্লিগামী এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বিমান মাঝআকাশে আচমকা প্রায় ৩০০ ফুট নিচে নেমে যাওয়ার ঘটনায় এবার বেরিয়ে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। তদন্তে দেখা গেছে, ওই সময় বিমানে দায়িত্বে থাকা প্রধান পাইলট ডোপ টেস্টে গাঁজা সেবনের জন্য পজিটিভ প্রমাণিত হয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি তীব্র অনিদ্রাজনিত সমস্যার কারণে চিকিৎসকের দেওয়া ঘুমের ওষুধও সেবন করছিলেন। দায়িত্বপ্রাপ্ত পাইলটের এমন গুরুতর অসাবধানতায় উড়িষ্যার ওপর দিয়ে ওড়ার সময় বিমানটি ভয়াবহ ঝাঁকুনি খায় এবং চারজন ক্রু সদস্যসহ মোট ২৪ জন আরোহী মারাত্মকভাবে আহত হন।
এয়ার ইন্ডিয়ার অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা রিপোর্ট অনুযায়ী, দীর্ঘদিনের ব্যক্তিগত জটিলতা ও ঘুমের সংকটে ভুগছিলেন অভিযুক্ত পাইলট। ফুকেটে যাত্রাবিরতির সময় পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়ায় তিনি হাঁটাচলা ও ওষুধ খেয়ে ঘুম আনার চেষ্টা করেন। প্রতিবেদনে পাইলট এয়ারলাইন্সের কাজের সময়সূচি বা রোস্টার নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তার দাবি, কাগজে-কলমে বিশ্রামের সময়সীমা ঠিক দেখানো হলেও মাঝরাতের ডিউটি ও টানা ব্যস্তসূচির কারণে দিনের বেলায় প্রয়োজনীয় ঘুম পাওয়া কোনোভাবেই সম্ভব ছিল না।
তদন্তে আরও উঠে এসেছে, বিমানটি যখন আচমকা নিচে নেমে যায়, তখন প্রধান পাইলট ককপিটে নিজ আসনে ছিলেনই না। সহকারী পাইলট উড়োজাহাজটি নিয়ন্ত্রণ করছিলেন। ঝাঁকুনির পর প্রধান পাইলট কেবিনে গিয়ে আহতদের খোঁজ নেওয়ার পাশাপাশি এই ঘটনার কোনো ছবি বা ভিডিও ধারণ না করতে নির্দেশ দেন।
দিল্লিতে পৌঁছানোর পর থেকেই ওই পাইলটের শারীরিক ভারসাম্যহীনতা প্রকাশ পায়। তিনি একা হাঁটতে পারছিলেন না, এমনকি ডোপ টেস্টের নমুনা জমা দেওয়ার সময়ও তদন্ত কর্মকর্তারা তাকে ধরে ধরে নিয়ে যান। এছাড়া দিল্লি থেকে ফুকেটে যাওয়ার সময়ও বাথরুম থেকে ফিরে ককপিটে থাকা ক্রুকে ধমক দেওয়া এবং পরে তা সামাল দিতে পার্টি করার মতো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটিয়েছিলেন তিনি। বর্তমানে উভয় পাইলটকেই তাৎক্ষণিকভাবে সব ধরনের উড্ডয়ন দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে ঘটনার সার্বিক তদন্ত চালানো হচ্ছে।
সূত্র: এনডিটিভি

৪ আগস্ট থাইল্যান্ডের ফুকেট থেকে দিল্লিগামী এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বিমান মাঝআকাশে আচমকা প্রায় ৩০০ ফুট নিচে নেমে যাওয়ার ঘটনায় এবার বেরিয়ে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। তদন্তে দেখা গেছে, ওই সময় বিমানে দায়িত্বে থাকা প্রধান পাইলট ডোপ টেস্টে গাঁজা সেবনের জন্য পজিটিভ প্রমাণিত হয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি তীব্র অনিদ্রাজনিত সমস্যার কারণে চিকিৎসকের দেওয়া ঘুমের ওষুধও সেবন করছিলেন। দায়িত্বপ্রাপ্ত পাইলটের এমন গুরুতর অসাবধানতায় উড়িষ্যার ওপর দিয়ে ওড়ার সময় বিমানটি ভয়াবহ ঝাঁকুনি খায় এবং চারজন ক্রু সদস্যসহ মোট ২৪ জন আরোহী মারাত্মকভাবে আহত হন।
এয়ার ইন্ডিয়ার অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা রিপোর্ট অনুযায়ী, দীর্ঘদিনের ব্যক্তিগত জটিলতা ও ঘুমের সংকটে ভুগছিলেন অভিযুক্ত পাইলট। ফুকেটে যাত্রাবিরতির সময় পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়ায় তিনি হাঁটাচলা ও ওষুধ খেয়ে ঘুম আনার চেষ্টা করেন। প্রতিবেদনে পাইলট এয়ারলাইন্সের কাজের সময়সূচি বা রোস্টার নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তার দাবি, কাগজে-কলমে বিশ্রামের সময়সীমা ঠিক দেখানো হলেও মাঝরাতের ডিউটি ও টানা ব্যস্তসূচির কারণে দিনের বেলায় প্রয়োজনীয় ঘুম পাওয়া কোনোভাবেই সম্ভব ছিল না।
তদন্তে আরও উঠে এসেছে, বিমানটি যখন আচমকা নিচে নেমে যায়, তখন প্রধান পাইলট ককপিটে নিজ আসনে ছিলেনই না। সহকারী পাইলট উড়োজাহাজটি নিয়ন্ত্রণ করছিলেন। ঝাঁকুনির পর প্রধান পাইলট কেবিনে গিয়ে আহতদের খোঁজ নেওয়ার পাশাপাশি এই ঘটনার কোনো ছবি বা ভিডিও ধারণ না করতে নির্দেশ দেন।
দিল্লিতে পৌঁছানোর পর থেকেই ওই পাইলটের শারীরিক ভারসাম্যহীনতা প্রকাশ পায়। তিনি একা হাঁটতে পারছিলেন না, এমনকি ডোপ টেস্টের নমুনা জমা দেওয়ার সময়ও তদন্ত কর্মকর্তারা তাকে ধরে ধরে নিয়ে যান। এছাড়া দিল্লি থেকে ফুকেটে যাওয়ার সময়ও বাথরুম থেকে ফিরে ককপিটে থাকা ক্রুকে ধমক দেওয়া এবং পরে তা সামাল দিতে পার্টি করার মতো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটিয়েছিলেন তিনি। বর্তমানে উভয় পাইলটকেই তাৎক্ষণিকভাবে সব ধরনের উড্ডয়ন দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে ঘটনার সার্বিক তদন্ত চালানো হচ্ছে।
সূত্র: এনডিটিভি

গাঁজা ও ঘুমের ওষুধ খেয়ে ককপিটে এয়ার ইন্ডিয়ার পাইলট!
সিজেডএন ডেস্ক

৪ আগস্ট থাইল্যান্ডের ফুকেট থেকে দিল্লিগামী এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বিমান মাঝআকাশে আচমকা প্রায় ৩০০ ফুট নিচে নেমে যাওয়ার ঘটনায় এবার বেরিয়ে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। তদন্তে দেখা গেছে, ওই সময় বিমানে দায়িত্বে থাকা প্রধান পাইলট ডোপ টেস্টে গাঁজা সেবনের জন্য পজিটিভ প্রমাণিত হয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি তীব্র অনিদ্রাজনিত সমস্যার কারণে চিকিৎসকের দেওয়া ঘুমের ওষুধও সেবন করছিলেন। দায়িত্বপ্রাপ্ত পাইলটের এমন গুরুতর অসাবধানতায় উড়িষ্যার ওপর দিয়ে ওড়ার সময় বিমানটি ভয়াবহ ঝাঁকুনি খায় এবং চারজন ক্রু সদস্যসহ মোট ২৪ জন আরোহী মারাত্মকভাবে আহত হন।
এয়ার ইন্ডিয়ার অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা রিপোর্ট অনুযায়ী, দীর্ঘদিনের ব্যক্তিগত জটিলতা ও ঘুমের সংকটে ভুগছিলেন অভিযুক্ত পাইলট। ফুকেটে যাত্রাবিরতির সময় পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়ায় তিনি হাঁটাচলা ও ওষুধ খেয়ে ঘুম আনার চেষ্টা করেন। প্রতিবেদনে পাইলট এয়ারলাইন্সের কাজের সময়সূচি বা রোস্টার নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তার দাবি, কাগজে-কলমে বিশ্রামের সময়সীমা ঠিক দেখানো হলেও মাঝরাতের ডিউটি ও টানা ব্যস্তসূচির কারণে দিনের বেলায় প্রয়োজনীয় ঘুম পাওয়া কোনোভাবেই সম্ভব ছিল না।
তদন্তে আরও উঠে এসেছে, বিমানটি যখন আচমকা নিচে নেমে যায়, তখন প্রধান পাইলট ককপিটে নিজ আসনে ছিলেনই না। সহকারী পাইলট উড়োজাহাজটি নিয়ন্ত্রণ করছিলেন। ঝাঁকুনির পর প্রধান পাইলট কেবিনে গিয়ে আহতদের খোঁজ নেওয়ার পাশাপাশি এই ঘটনার কোনো ছবি বা ভিডিও ধারণ না করতে নির্দেশ দেন।
দিল্লিতে পৌঁছানোর পর থেকেই ওই পাইলটের শারীরিক ভারসাম্যহীনতা প্রকাশ পায়। তিনি একা হাঁটতে পারছিলেন না, এমনকি ডোপ টেস্টের নমুনা জমা দেওয়ার সময়ও তদন্ত কর্মকর্তারা তাকে ধরে ধরে নিয়ে যান। এছাড়া দিল্লি থেকে ফুকেটে যাওয়ার সময়ও বাথরুম থেকে ফিরে ককপিটে থাকা ক্রুকে ধমক দেওয়া এবং পরে তা সামাল দিতে পার্টি করার মতো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটিয়েছিলেন তিনি। বর্তমানে উভয় পাইলটকেই তাৎক্ষণিকভাবে সব ধরনের উড্ডয়ন দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে ঘটনার সার্বিক তদন্ত চালানো হচ্ছে।
সূত্র: এনডিটিভি

মুম্বাইয়ে পাহাড়ধসে নিহত ৬, উদ্ধার অভিযান অব্যাহত






