বিক্ষোভে উত্তাল ভারতের অরুণাচল প্রদেশ, জরুরি অবস্থা জারি

বিক্ষোভে উত্তাল ভারতের অরুণাচল প্রদেশ, জরুরি অবস্থা জারি
সিজেডএন ডেস্ক

ভারতের অরুণাচল প্রদেশে ব্যাপক বিক্ষোভ-সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে।রাজ্যটির সিয়াং আপার মাল্টিপারপাস প্রজেক্ট (এসইউএমপি)-কে কেন্দ্র করে পূর্ব সিয়াং জেলায় উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে। স্থানীয় অধিবাসীদের চলমান আন্দোলনের মুখে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ও সহিংসতার আশঙ্কায় জেলার তিনটি গুরুত্বপূর্ণ শহরে কড়া প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা (বিএনএসএস)-এর ১৬৩ ধারা জারি করেছে জেলা প্রশাসন।
ডেপুটি কমিশনার-কাম-ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেট জয়ন্তী পার্টিন (এপিসিএস) জারি করা এক আদেশে শনিবার (২৪ অক্টোবর) বিকেল ৫টা থেকে অবিলম্বে এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার নির্দেশ দেন। পাসিঘাট সদর দপ্তর, মেবো এবং রুকসিন শহরে এ প্রশাসনিক বিধিনিষেধ বলবৎ থাকবে।
মূলত পাসিঘাটে হরতাল ও ধরনা কর্মসূচি পালনকারীদের মাধ্যমে সরকারি-বেসরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের সম্ভাব্য ঝুঁকি রয়েছে বলে জানান পুলিশ সুপার। এরপরই জেলা প্রশাসন এ কঠোর সিদ্ধান্ত নেয়।
ডিসি তার আদেশে জানান, এ পরিস্থিতি আরও ঘটনার এবং মানুষের জীবন ও নিরাপত্তার সম্ভাব্য বিপদের আশঙ্কা তৈরি করে। এলাকায় শান্তি ও জনশৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থেই এমন প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা অপরিহার্য হয়ে পড়েছে।
নতুন এ আদেশের ফলে চিহ্নিত এলাকাগুলোতে যেকোনো ধরনের জনসভা, মিছিল, সমাবেশ ও ৫ বা তার বেশি মানুষের এক জায়গায় জড়ো হওয়া সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সাধারণ মানুষের সুরক্ষার কথা ভেবে কর্তব্যরত নিরাপত্তা কর্মী ছাড়া অন্যদের ক্ষেত্রে আগ্নেয়াস্ত্র, দা, ধনুক ও তীর, ছোরা, ছুরি, কুড়াল কিংবা লাঠির মতো অস্ত্র হিসেবে ব্যবহারযোগ্য যেকোনো সরঞ্জাম বহনও বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যেকোনো ধরণের ভাঙচুর, সম্পত্তি ধ্বংস, ভয়ভীতি প্রদর্শন কিংবা সহিংসতায় উস্কানি দেওয়া দণ্ডনীয় অপরাধ বলে গণ্য হবে। তাছাড়া উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমতি ছাড়া কোনো প্রকার মিছিল বা বিক্ষোভ করা যাবে না। পুলিশ ও প্রশাসনের নির্দেশনা আবশ্যিকভাবে মেনে চলতে এলাকার সকল নাগরিককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নিয়ম অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।
সূত্র: নর্থইস্ট টুডে

ভারতের অরুণাচল প্রদেশে ব্যাপক বিক্ষোভ-সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে।রাজ্যটির সিয়াং আপার মাল্টিপারপাস প্রজেক্ট (এসইউএমপি)-কে কেন্দ্র করে পূর্ব সিয়াং জেলায় উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে। স্থানীয় অধিবাসীদের চলমান আন্দোলনের মুখে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ও সহিংসতার আশঙ্কায় জেলার তিনটি গুরুত্বপূর্ণ শহরে কড়া প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা (বিএনএসএস)-এর ১৬৩ ধারা জারি করেছে জেলা প্রশাসন।
ডেপুটি কমিশনার-কাম-ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেট জয়ন্তী পার্টিন (এপিসিএস) জারি করা এক আদেশে শনিবার (২৪ অক্টোবর) বিকেল ৫টা থেকে অবিলম্বে এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার নির্দেশ দেন। পাসিঘাট সদর দপ্তর, মেবো এবং রুকসিন শহরে এ প্রশাসনিক বিধিনিষেধ বলবৎ থাকবে।
মূলত পাসিঘাটে হরতাল ও ধরনা কর্মসূচি পালনকারীদের মাধ্যমে সরকারি-বেসরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের সম্ভাব্য ঝুঁকি রয়েছে বলে জানান পুলিশ সুপার। এরপরই জেলা প্রশাসন এ কঠোর সিদ্ধান্ত নেয়।
ডিসি তার আদেশে জানান, এ পরিস্থিতি আরও ঘটনার এবং মানুষের জীবন ও নিরাপত্তার সম্ভাব্য বিপদের আশঙ্কা তৈরি করে। এলাকায় শান্তি ও জনশৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থেই এমন প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা অপরিহার্য হয়ে পড়েছে।
নতুন এ আদেশের ফলে চিহ্নিত এলাকাগুলোতে যেকোনো ধরনের জনসভা, মিছিল, সমাবেশ ও ৫ বা তার বেশি মানুষের এক জায়গায় জড়ো হওয়া সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সাধারণ মানুষের সুরক্ষার কথা ভেবে কর্তব্যরত নিরাপত্তা কর্মী ছাড়া অন্যদের ক্ষেত্রে আগ্নেয়াস্ত্র, দা, ধনুক ও তীর, ছোরা, ছুরি, কুড়াল কিংবা লাঠির মতো অস্ত্র হিসেবে ব্যবহারযোগ্য যেকোনো সরঞ্জাম বহনও বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যেকোনো ধরণের ভাঙচুর, সম্পত্তি ধ্বংস, ভয়ভীতি প্রদর্শন কিংবা সহিংসতায় উস্কানি দেওয়া দণ্ডনীয় অপরাধ বলে গণ্য হবে। তাছাড়া উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমতি ছাড়া কোনো প্রকার মিছিল বা বিক্ষোভ করা যাবে না। পুলিশ ও প্রশাসনের নির্দেশনা আবশ্যিকভাবে মেনে চলতে এলাকার সকল নাগরিককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নিয়ম অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।
সূত্র: নর্থইস্ট টুডে

বিক্ষোভে উত্তাল ভারতের অরুণাচল প্রদেশ, জরুরি অবস্থা জারি
সিজেডএন ডেস্ক

ভারতের অরুণাচল প্রদেশে ব্যাপক বিক্ষোভ-সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে।রাজ্যটির সিয়াং আপার মাল্টিপারপাস প্রজেক্ট (এসইউএমপি)-কে কেন্দ্র করে পূর্ব সিয়াং জেলায় উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে। স্থানীয় অধিবাসীদের চলমান আন্দোলনের মুখে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ও সহিংসতার আশঙ্কায় জেলার তিনটি গুরুত্বপূর্ণ শহরে কড়া প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা (বিএনএসএস)-এর ১৬৩ ধারা জারি করেছে জেলা প্রশাসন।
ডেপুটি কমিশনার-কাম-ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেট জয়ন্তী পার্টিন (এপিসিএস) জারি করা এক আদেশে শনিবার (২৪ অক্টোবর) বিকেল ৫টা থেকে অবিলম্বে এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার নির্দেশ দেন। পাসিঘাট সদর দপ্তর, মেবো এবং রুকসিন শহরে এ প্রশাসনিক বিধিনিষেধ বলবৎ থাকবে।
মূলত পাসিঘাটে হরতাল ও ধরনা কর্মসূচি পালনকারীদের মাধ্যমে সরকারি-বেসরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের সম্ভাব্য ঝুঁকি রয়েছে বলে জানান পুলিশ সুপার। এরপরই জেলা প্রশাসন এ কঠোর সিদ্ধান্ত নেয়।
ডিসি তার আদেশে জানান, এ পরিস্থিতি আরও ঘটনার এবং মানুষের জীবন ও নিরাপত্তার সম্ভাব্য বিপদের আশঙ্কা তৈরি করে। এলাকায় শান্তি ও জনশৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থেই এমন প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা অপরিহার্য হয়ে পড়েছে।
নতুন এ আদেশের ফলে চিহ্নিত এলাকাগুলোতে যেকোনো ধরনের জনসভা, মিছিল, সমাবেশ ও ৫ বা তার বেশি মানুষের এক জায়গায় জড়ো হওয়া সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সাধারণ মানুষের সুরক্ষার কথা ভেবে কর্তব্যরত নিরাপত্তা কর্মী ছাড়া অন্যদের ক্ষেত্রে আগ্নেয়াস্ত্র, দা, ধনুক ও তীর, ছোরা, ছুরি, কুড়াল কিংবা লাঠির মতো অস্ত্র হিসেবে ব্যবহারযোগ্য যেকোনো সরঞ্জাম বহনও বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যেকোনো ধরণের ভাঙচুর, সম্পত্তি ধ্বংস, ভয়ভীতি প্রদর্শন কিংবা সহিংসতায় উস্কানি দেওয়া দণ্ডনীয় অপরাধ বলে গণ্য হবে। তাছাড়া উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমতি ছাড়া কোনো প্রকার মিছিল বা বিক্ষোভ করা যাবে না। পুলিশ ও প্রশাসনের নির্দেশনা আবশ্যিকভাবে মেনে চলতে এলাকার সকল নাগরিককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নিয়ম অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।
সূত্র: নর্থইস্ট টুডে

ভারতে জামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ, ‘ফ্রি কাশ্মীর’ স্লোগানের অভিযোগ 







