ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত বাড়াতে ৫৮.৬ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি পেন্টাগনের

ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত বাড়াতে ৫৮.৬ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি পেন্টাগনের
সিজেডএন ডেস্ক

ইউক্রেন যুদ্ধ এবং মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক সংঘাতের কারণে ক্ষেপণাস্ত্রের ঘাটতি মেটাতে বড় পদক্ষপ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগন। প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষা ইন্টারসেপ্টরের দীর্ঘমেয়াদী সরবরাহ নিশ্চিত করতে অস্ত্র প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান লকহিড মার্টিনের সঙ্গে প্রায় ৫৮.৬ বিলিয়ন ডলারের একটি চুক্তি করেছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। পেন্টাগনের ইতিহাসে এটি অন্যতম বৃহত্তম বিমান প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ক্রয় চুক্তি। এর আগে এপ্রিল মাসে এক বছরের জন্য যে চুক্তিটি করা হয়েছিল, নতুন এই সিদ্ধান্তের ফলে সেটি ২০২৬ থেকে ২০৩২ অর্থবছর পর্যন্ত সাত বছর মেয়াদী একটি স্থায়ী সংগ্রহ কাঠামোতে রূপ নিল।
ইউক্রেন ও তার মিত্রদের বিপুল পরিমাণ সমরাস্ত্র সরবরাহ করা এবং মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক অভিযান চালানোর পর আমেরিকান সেনাবাহিনীর আকাশ প্রতিরক্ষা অস্ত্রের মজুদ বিপজ্জনকভাবে কমে এসেছে। ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণাপ্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ (সিএসআইএস)-এর হিসাব অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে এখন এক হাজারেরও কম প্যাট্রিয়ট এবং ২৫০-এরও কম থাড ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে। সংকট কাটাতে চলতি বছরের শুরুতে টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের উৎপাদন বছরে ৬০টি থেকে বাড়িয়ে এক হাজারে উন্নীত করতে রেথিওনের মূল প্রতিষ্ঠান আরটিএক্স-এর সঙ্গেও একই ধরণের চুক্তি করে ওয়াশিংটন।
ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক নিরাপত্তা সংকটের মুখে অস্ত্র উৎপাদন দ্রুত করতে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর চাপ বাড়িয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। চুক্তি অনুযায়ী কাজ না করা ঠিকাদারদের চিহ্নিত করতে তিনি একটি নির্বাহী আদেশও জারি করেছেন। ক্ষেপণাস্ত্রের ঘাটতি কতটা উদ্বেগজনক, তা উঠে এসেছে নিউইয়র্ক টাইমস ও সিএনএনের প্রতিবেদনে। সংবাদমাধ্যম দুটির তথ্য অনুযায়ী, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন পেন্টাগনের মজুদ কমে যাওয়ার বিষয়ে সতর্ক করার পর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে বড় ধরণের সামরিক অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে আসেন।
নতুন এই দীর্ঘমেয়াদী চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছে শিল্প খাতের নির্বাহীরা। লকহিড মার্টিন জানিয়েছে, এই চুক্তি ২০৩০ সালের মধ্যে তাদের পিএসি-৩ এমএসই (PAC-3 MSE) ইন্টারসেপ্টরের উৎপাদন ক্ষমতা তিনগুণ করতে সহায়তা করবে। পাশাপাশি আরকানসাসের ক্যামডেন কারখানায় কর্মী সংখ্যা ৫০ শতাংশের বেশি বাড়িয়ে ১,৮৫০ জনে উন্নীত করা হবে। এছাড়া বার্ষিক উৎপাদন ২,০০০ ক্ষেপণাস্ত্র পর্যন্ত বাড়াতে আলাবামা ও আরকানসাসসহ প্রায় ২০টি উৎপাদন কেন্দ্রের আধুনিকায়নে কোম্পানিটি ৮ থেকে ৯ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

ইউক্রেন যুদ্ধ এবং মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক সংঘাতের কারণে ক্ষেপণাস্ত্রের ঘাটতি মেটাতে বড় পদক্ষপ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগন। প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষা ইন্টারসেপ্টরের দীর্ঘমেয়াদী সরবরাহ নিশ্চিত করতে অস্ত্র প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান লকহিড মার্টিনের সঙ্গে প্রায় ৫৮.৬ বিলিয়ন ডলারের একটি চুক্তি করেছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। পেন্টাগনের ইতিহাসে এটি অন্যতম বৃহত্তম বিমান প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ক্রয় চুক্তি। এর আগে এপ্রিল মাসে এক বছরের জন্য যে চুক্তিটি করা হয়েছিল, নতুন এই সিদ্ধান্তের ফলে সেটি ২০২৬ থেকে ২০৩২ অর্থবছর পর্যন্ত সাত বছর মেয়াদী একটি স্থায়ী সংগ্রহ কাঠামোতে রূপ নিল।
ইউক্রেন ও তার মিত্রদের বিপুল পরিমাণ সমরাস্ত্র সরবরাহ করা এবং মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক অভিযান চালানোর পর আমেরিকান সেনাবাহিনীর আকাশ প্রতিরক্ষা অস্ত্রের মজুদ বিপজ্জনকভাবে কমে এসেছে। ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণাপ্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ (সিএসআইএস)-এর হিসাব অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে এখন এক হাজারেরও কম প্যাট্রিয়ট এবং ২৫০-এরও কম থাড ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে। সংকট কাটাতে চলতি বছরের শুরুতে টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের উৎপাদন বছরে ৬০টি থেকে বাড়িয়ে এক হাজারে উন্নীত করতে রেথিওনের মূল প্রতিষ্ঠান আরটিএক্স-এর সঙ্গেও একই ধরণের চুক্তি করে ওয়াশিংটন।
ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক নিরাপত্তা সংকটের মুখে অস্ত্র উৎপাদন দ্রুত করতে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর চাপ বাড়িয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। চুক্তি অনুযায়ী কাজ না করা ঠিকাদারদের চিহ্নিত করতে তিনি একটি নির্বাহী আদেশও জারি করেছেন। ক্ষেপণাস্ত্রের ঘাটতি কতটা উদ্বেগজনক, তা উঠে এসেছে নিউইয়র্ক টাইমস ও সিএনএনের প্রতিবেদনে। সংবাদমাধ্যম দুটির তথ্য অনুযায়ী, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন পেন্টাগনের মজুদ কমে যাওয়ার বিষয়ে সতর্ক করার পর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে বড় ধরণের সামরিক অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে আসেন।
নতুন এই দীর্ঘমেয়াদী চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছে শিল্প খাতের নির্বাহীরা। লকহিড মার্টিন জানিয়েছে, এই চুক্তি ২০৩০ সালের মধ্যে তাদের পিএসি-৩ এমএসই (PAC-3 MSE) ইন্টারসেপ্টরের উৎপাদন ক্ষমতা তিনগুণ করতে সহায়তা করবে। পাশাপাশি আরকানসাসের ক্যামডেন কারখানায় কর্মী সংখ্যা ৫০ শতাংশের বেশি বাড়িয়ে ১,৮৫০ জনে উন্নীত করা হবে। এছাড়া বার্ষিক উৎপাদন ২,০০০ ক্ষেপণাস্ত্র পর্যন্ত বাড়াতে আলাবামা ও আরকানসাসসহ প্রায় ২০টি উৎপাদন কেন্দ্রের আধুনিকায়নে কোম্পানিটি ৮ থেকে ৯ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত বাড়াতে ৫৮.৬ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি পেন্টাগনের
সিজেডএন ডেস্ক

ইউক্রেন যুদ্ধ এবং মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক সংঘাতের কারণে ক্ষেপণাস্ত্রের ঘাটতি মেটাতে বড় পদক্ষপ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগন। প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষা ইন্টারসেপ্টরের দীর্ঘমেয়াদী সরবরাহ নিশ্চিত করতে অস্ত্র প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান লকহিড মার্টিনের সঙ্গে প্রায় ৫৮.৬ বিলিয়ন ডলারের একটি চুক্তি করেছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। পেন্টাগনের ইতিহাসে এটি অন্যতম বৃহত্তম বিমান প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ক্রয় চুক্তি। এর আগে এপ্রিল মাসে এক বছরের জন্য যে চুক্তিটি করা হয়েছিল, নতুন এই সিদ্ধান্তের ফলে সেটি ২০২৬ থেকে ২০৩২ অর্থবছর পর্যন্ত সাত বছর মেয়াদী একটি স্থায়ী সংগ্রহ কাঠামোতে রূপ নিল।
ইউক্রেন ও তার মিত্রদের বিপুল পরিমাণ সমরাস্ত্র সরবরাহ করা এবং মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক অভিযান চালানোর পর আমেরিকান সেনাবাহিনীর আকাশ প্রতিরক্ষা অস্ত্রের মজুদ বিপজ্জনকভাবে কমে এসেছে। ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণাপ্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ (সিএসআইএস)-এর হিসাব অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে এখন এক হাজারেরও কম প্যাট্রিয়ট এবং ২৫০-এরও কম থাড ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে। সংকট কাটাতে চলতি বছরের শুরুতে টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের উৎপাদন বছরে ৬০টি থেকে বাড়িয়ে এক হাজারে উন্নীত করতে রেথিওনের মূল প্রতিষ্ঠান আরটিএক্স-এর সঙ্গেও একই ধরণের চুক্তি করে ওয়াশিংটন।
ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক নিরাপত্তা সংকটের মুখে অস্ত্র উৎপাদন দ্রুত করতে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর চাপ বাড়িয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। চুক্তি অনুযায়ী কাজ না করা ঠিকাদারদের চিহ্নিত করতে তিনি একটি নির্বাহী আদেশও জারি করেছেন। ক্ষেপণাস্ত্রের ঘাটতি কতটা উদ্বেগজনক, তা উঠে এসেছে নিউইয়র্ক টাইমস ও সিএনএনের প্রতিবেদনে। সংবাদমাধ্যম দুটির তথ্য অনুযায়ী, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন পেন্টাগনের মজুদ কমে যাওয়ার বিষয়ে সতর্ক করার পর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে বড় ধরণের সামরিক অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে আসেন।
নতুন এই দীর্ঘমেয়াদী চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছে শিল্প খাতের নির্বাহীরা। লকহিড মার্টিন জানিয়েছে, এই চুক্তি ২০৩০ সালের মধ্যে তাদের পিএসি-৩ এমএসই (PAC-3 MSE) ইন্টারসেপ্টরের উৎপাদন ক্ষমতা তিনগুণ করতে সহায়তা করবে। পাশাপাশি আরকানসাসের ক্যামডেন কারখানায় কর্মী সংখ্যা ৫০ শতাংশের বেশি বাড়িয়ে ১,৮৫০ জনে উন্নীত করা হবে। এছাড়া বার্ষিক উৎপাদন ২,০০০ ক্ষেপণাস্ত্র পর্যন্ত বাড়াতে আলাবামা ও আরকানসাসসহ প্রায় ২০টি উৎপাদন কেন্দ্রের আধুনিকায়নে কোম্পানিটি ৮ থেকে ৯ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

ইরানে প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র পাঠানোর খবর অস্বীকার চীনের







