হামে আক্রান্ত শিশুকে দেখতে সৌদি থেকে আসছেন বাবা

হামে আক্রান্ত শিশুকে দেখতে সৌদি থেকে আসছেন বাবা
মো. ইমরান হোসেন

রাজধানীর মহাখালীর ডিএনসিসি ডেডিকেটেড কোভিড-১৯ হাসপাতালে হাম আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসা চলছে। প্রতিদিনই নতুন রোগী ভর্তি হলেও চিকিৎসা নিয়ে অনেক শিশু সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরছে। হামে আক্রান্ত হয়ে এই হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে ৮ মাস বয়সী শিশু আয়ানের। তার বাবা সৌদি আরবে থাকেন। ছেলের এই অবস্থার কথা শুনে, হামে আক্রান্ত শিশুকে দেখতে শনিবার দেশে ফিরছেন বাবা।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় হাসপাতালটিতে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, নিচতলায় হাম আক্রান্ত শিশুদের ভর্তি কার্যক্রম চলছে। দ্বিতীয় তলায় শিশুদের জন্য নির্ধারিত বেডে ১১০ জন, তৃতীয় তলায় ৯৮ জন এবং চতুর্থ তলায় ৪৭ জন শিশু ভর্তি রয়েছে। পঞ্চম তলায় কোনো রোগী নেই। ষষ্ঠ তলায় আইসিইউতে গুরুতর অসুস্থ রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

হাসপাতালে ভর্তি আট মাস বয়সী শিশু আয়ানের দাদা হয়রত আলী জানান, তাদের বাড়ি চাঁদপুর সদর এলাকায়। প্রায় পাঁচ দিন আগে আয়ানকে নিয়ে হাসপাতালে এসেছেন তারা । চাঁদপুর সদর হাসপাতালের চিকিৎসকরা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর শিশুটির হাম হয়েছে বলে জানান এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে আসতে বলেন।
হয়রত আলী বলেন, ‘এখানে আনার পর আয়ানের জ্বর কিছুটা কমেছে। ওর বাবা সৌদি আরবে থাকে। ছেলের হাম হয়েছে শুনে তিনি সৌদি আরব থেকে চলে আসছেন।’
শাহজাদপুর থেকে তিন দিন আগে ছয় মাস বয়সী ছেলে আয়াসকে নিয়ে হাসপাতালে আসেন তার বাবা সালাউদ্দিন।
তিনি জানান, চার দিন আগে শিশুটির মধ্যে হামের লক্ষণ দেখা দেয়। হাসপাতালে ভর্তি করার পর আগের তুলনায় শিশুটির অবস্থার উন্নতি হয়েছে।
সালাউদ্দিন বলেন, ‘আমি একটি রেস্তোরাঁয় শেফ হিসেবে কাজ করি। ছেলের অসুস্থতার কারণে তিন দিন ধরে হাসপাতালে আছি। আমি পাশে থাকলে বাচ্চাটা কম কান্না করে। এখানে চার দিন, দশ দিন এমনকি এক মাস আগের রোগীরাও আছে। যারা সুস্থ হয়ে গেছে, তারা বাড়ি চলে যাচ্ছে। আবার প্রতিদিন নতুন রোগীও আসছে। তবে এখানকার চিকিৎসা ব্যবস্থা ভালো।’
তিন মাস বয়সী মাইসাকে নিয়ে চার দিন ধরে হাসপাতালে রয়েছেন তার মা শিউলী বেগম।
তিনি জানান, প্রথমে ঠান্ডা ও জ্বরের কারণে মেয়েকে মিরপুরের একটি শিশু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিলো। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার আগেই শিশুটির প্রচণ্ড জ্বর ওঠে। পরে চিকিৎসকরা হামের লক্ষণ দেখে তাকে ডিএনসিসি ডেডিকেটেড কোভিড-১৯ হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন।
শিউলী বেগম বলেন, ‘টানা তিন দিন মেয়ের জ্বর ১০৪ থেকে ১০৫ ডিগ্রি ফারেনহাইটের নিচে নামেনি। প্রচণ্ড কান্না করতো। মেয়ের কান্না শুনে আমিও কাঁদতাম। এখন আগের তুলনায় অনেকটা সুস্থ হয়েছে। আল্লাহর কাছে শুকরিয়া।’
হাসপাতালে দায়িত্বরত এক নার্স বলেন, আমরা রোগীদের সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছি। পুরোনো রোগীদের বেশিরভাগই চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরছেন। গুরুতর অবস্থায় থাকা স্বল্পসংখ্যক রোগী আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হাসপাতালের এক চিকিৎসক বলেন, হাম আক্রান্ত শিশুদের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য কনসালটেন্ট চিকিৎসকরাই দিতে পারবেন।
তবে হাসপাতালে গিয়ে কনসালটেন্ট চিকিৎসকের কক্ষ তালাবদ্ধ অবস্থায় দেখা যায়। প্রায় এক ঘণ্টা অপেক্ষা করেও কোনো কনসালটেন্টের সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় আইসিইউতে ৪৭ জন রোগী ভর্তি ছিলেন এবং ৯টি শয্যা খালি ছিলো। অন্যদিকে জেনারেল শয্যায় ভর্তি ছিলেন ২৫৫ জন রোগী, খালি ছিল ২৯৫টি শয্যা।

রাজধানীর মহাখালীর ডিএনসিসি ডেডিকেটেড কোভিড-১৯ হাসপাতালে হাম আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসা চলছে। প্রতিদিনই নতুন রোগী ভর্তি হলেও চিকিৎসা নিয়ে অনেক শিশু সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরছে। হামে আক্রান্ত হয়ে এই হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে ৮ মাস বয়সী শিশু আয়ানের। তার বাবা সৌদি আরবে থাকেন। ছেলের এই অবস্থার কথা শুনে, হামে আক্রান্ত শিশুকে দেখতে শনিবার দেশে ফিরছেন বাবা।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় হাসপাতালটিতে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, নিচতলায় হাম আক্রান্ত শিশুদের ভর্তি কার্যক্রম চলছে। দ্বিতীয় তলায় শিশুদের জন্য নির্ধারিত বেডে ১১০ জন, তৃতীয় তলায় ৯৮ জন এবং চতুর্থ তলায় ৪৭ জন শিশু ভর্তি রয়েছে। পঞ্চম তলায় কোনো রোগী নেই। ষষ্ঠ তলায় আইসিইউতে গুরুতর অসুস্থ রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

হাসপাতালে ভর্তি আট মাস বয়সী শিশু আয়ানের দাদা হয়রত আলী জানান, তাদের বাড়ি চাঁদপুর সদর এলাকায়। প্রায় পাঁচ দিন আগে আয়ানকে নিয়ে হাসপাতালে এসেছেন তারা । চাঁদপুর সদর হাসপাতালের চিকিৎসকরা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর শিশুটির হাম হয়েছে বলে জানান এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে আসতে বলেন।
হয়রত আলী বলেন, ‘এখানে আনার পর আয়ানের জ্বর কিছুটা কমেছে। ওর বাবা সৌদি আরবে থাকে। ছেলের হাম হয়েছে শুনে তিনি সৌদি আরব থেকে চলে আসছেন।’
শাহজাদপুর থেকে তিন দিন আগে ছয় মাস বয়সী ছেলে আয়াসকে নিয়ে হাসপাতালে আসেন তার বাবা সালাউদ্দিন।
তিনি জানান, চার দিন আগে শিশুটির মধ্যে হামের লক্ষণ দেখা দেয়। হাসপাতালে ভর্তি করার পর আগের তুলনায় শিশুটির অবস্থার উন্নতি হয়েছে।
সালাউদ্দিন বলেন, ‘আমি একটি রেস্তোরাঁয় শেফ হিসেবে কাজ করি। ছেলের অসুস্থতার কারণে তিন দিন ধরে হাসপাতালে আছি। আমি পাশে থাকলে বাচ্চাটা কম কান্না করে। এখানে চার দিন, দশ দিন এমনকি এক মাস আগের রোগীরাও আছে। যারা সুস্থ হয়ে গেছে, তারা বাড়ি চলে যাচ্ছে। আবার প্রতিদিন নতুন রোগীও আসছে। তবে এখানকার চিকিৎসা ব্যবস্থা ভালো।’
তিন মাস বয়সী মাইসাকে নিয়ে চার দিন ধরে হাসপাতালে রয়েছেন তার মা শিউলী বেগম।
তিনি জানান, প্রথমে ঠান্ডা ও জ্বরের কারণে মেয়েকে মিরপুরের একটি শিশু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিলো। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার আগেই শিশুটির প্রচণ্ড জ্বর ওঠে। পরে চিকিৎসকরা হামের লক্ষণ দেখে তাকে ডিএনসিসি ডেডিকেটেড কোভিড-১৯ হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন।
শিউলী বেগম বলেন, ‘টানা তিন দিন মেয়ের জ্বর ১০৪ থেকে ১০৫ ডিগ্রি ফারেনহাইটের নিচে নামেনি। প্রচণ্ড কান্না করতো। মেয়ের কান্না শুনে আমিও কাঁদতাম। এখন আগের তুলনায় অনেকটা সুস্থ হয়েছে। আল্লাহর কাছে শুকরিয়া।’
হাসপাতালে দায়িত্বরত এক নার্স বলেন, আমরা রোগীদের সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছি। পুরোনো রোগীদের বেশিরভাগই চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরছেন। গুরুতর অবস্থায় থাকা স্বল্পসংখ্যক রোগী আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হাসপাতালের এক চিকিৎসক বলেন, হাম আক্রান্ত শিশুদের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য কনসালটেন্ট চিকিৎসকরাই দিতে পারবেন।
তবে হাসপাতালে গিয়ে কনসালটেন্ট চিকিৎসকের কক্ষ তালাবদ্ধ অবস্থায় দেখা যায়। প্রায় এক ঘণ্টা অপেক্ষা করেও কোনো কনসালটেন্টের সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় আইসিইউতে ৪৭ জন রোগী ভর্তি ছিলেন এবং ৯টি শয্যা খালি ছিলো। অন্যদিকে জেনারেল শয্যায় ভর্তি ছিলেন ২৫৫ জন রোগী, খালি ছিল ২৯৫টি শয্যা।

হামে আক্রান্ত শিশুকে দেখতে সৌদি থেকে আসছেন বাবা
মো. ইমরান হোসেন

রাজধানীর মহাখালীর ডিএনসিসি ডেডিকেটেড কোভিড-১৯ হাসপাতালে হাম আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসা চলছে। প্রতিদিনই নতুন রোগী ভর্তি হলেও চিকিৎসা নিয়ে অনেক শিশু সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরছে। হামে আক্রান্ত হয়ে এই হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে ৮ মাস বয়সী শিশু আয়ানের। তার বাবা সৌদি আরবে থাকেন। ছেলের এই অবস্থার কথা শুনে, হামে আক্রান্ত শিশুকে দেখতে শনিবার দেশে ফিরছেন বাবা।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় হাসপাতালটিতে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, নিচতলায় হাম আক্রান্ত শিশুদের ভর্তি কার্যক্রম চলছে। দ্বিতীয় তলায় শিশুদের জন্য নির্ধারিত বেডে ১১০ জন, তৃতীয় তলায় ৯৮ জন এবং চতুর্থ তলায় ৪৭ জন শিশু ভর্তি রয়েছে। পঞ্চম তলায় কোনো রোগী নেই। ষষ্ঠ তলায় আইসিইউতে গুরুতর অসুস্থ রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

হাসপাতালে ভর্তি আট মাস বয়সী শিশু আয়ানের দাদা হয়রত আলী জানান, তাদের বাড়ি চাঁদপুর সদর এলাকায়। প্রায় পাঁচ দিন আগে আয়ানকে নিয়ে হাসপাতালে এসেছেন তারা । চাঁদপুর সদর হাসপাতালের চিকিৎসকরা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর শিশুটির হাম হয়েছে বলে জানান এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে আসতে বলেন।
হয়রত আলী বলেন, ‘এখানে আনার পর আয়ানের জ্বর কিছুটা কমেছে। ওর বাবা সৌদি আরবে থাকে। ছেলের হাম হয়েছে শুনে তিনি সৌদি আরব থেকে চলে আসছেন।’
শাহজাদপুর থেকে তিন দিন আগে ছয় মাস বয়সী ছেলে আয়াসকে নিয়ে হাসপাতালে আসেন তার বাবা সালাউদ্দিন।
তিনি জানান, চার দিন আগে শিশুটির মধ্যে হামের লক্ষণ দেখা দেয়। হাসপাতালে ভর্তি করার পর আগের তুলনায় শিশুটির অবস্থার উন্নতি হয়েছে।
সালাউদ্দিন বলেন, ‘আমি একটি রেস্তোরাঁয় শেফ হিসেবে কাজ করি। ছেলের অসুস্থতার কারণে তিন দিন ধরে হাসপাতালে আছি। আমি পাশে থাকলে বাচ্চাটা কম কান্না করে। এখানে চার দিন, দশ দিন এমনকি এক মাস আগের রোগীরাও আছে। যারা সুস্থ হয়ে গেছে, তারা বাড়ি চলে যাচ্ছে। আবার প্রতিদিন নতুন রোগীও আসছে। তবে এখানকার চিকিৎসা ব্যবস্থা ভালো।’
তিন মাস বয়সী মাইসাকে নিয়ে চার দিন ধরে হাসপাতালে রয়েছেন তার মা শিউলী বেগম।
তিনি জানান, প্রথমে ঠান্ডা ও জ্বরের কারণে মেয়েকে মিরপুরের একটি শিশু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিলো। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার আগেই শিশুটির প্রচণ্ড জ্বর ওঠে। পরে চিকিৎসকরা হামের লক্ষণ দেখে তাকে ডিএনসিসি ডেডিকেটেড কোভিড-১৯ হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন।
শিউলী বেগম বলেন, ‘টানা তিন দিন মেয়ের জ্বর ১০৪ থেকে ১০৫ ডিগ্রি ফারেনহাইটের নিচে নামেনি। প্রচণ্ড কান্না করতো। মেয়ের কান্না শুনে আমিও কাঁদতাম। এখন আগের তুলনায় অনেকটা সুস্থ হয়েছে। আল্লাহর কাছে শুকরিয়া।’
হাসপাতালে দায়িত্বরত এক নার্স বলেন, আমরা রোগীদের সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছি। পুরোনো রোগীদের বেশিরভাগই চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরছেন। গুরুতর অবস্থায় থাকা স্বল্পসংখ্যক রোগী আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হাসপাতালের এক চিকিৎসক বলেন, হাম আক্রান্ত শিশুদের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য কনসালটেন্ট চিকিৎসকরাই দিতে পারবেন।
তবে হাসপাতালে গিয়ে কনসালটেন্ট চিকিৎসকের কক্ষ তালাবদ্ধ অবস্থায় দেখা যায়। প্রায় এক ঘণ্টা অপেক্ষা করেও কোনো কনসালটেন্টের সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় আইসিইউতে ৪৭ জন রোগী ভর্তি ছিলেন এবং ৯টি শয্যা খালি ছিলো। অন্যদিকে জেনারেল শয্যায় ভর্তি ছিলেন ২৫৫ জন রোগী, খালি ছিল ২৯৫টি শয্যা।

হামের প্রাদুর্ভাবে মৃত্যু বেড়ে ১০৪৬








